নতুন সুযোগ আসলে তোমাকেই বেছে নিতাম: মেহজাবীন

নতুন সুযোগ আসলে তোমাকেই বেছে নিতাম: মেহজাবীন শোবিজের অন্যতম জনপ্রিয় ও আলোচিত তারকা দম্পতি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং নির্মাতা আদনান আল রাজীব। দীর্ঘ ১৩ বছরের বন্ধুত্ব ও প্রেমের পর গত বছর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তারা। আজ (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভালোবাসা দিবসে নিজেদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মেহজাবীন। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও নিজেদের বিশেষ এই দিনটি উপলক্ষে মেহজাবীন সামাজিক মাধ্যমে আদনানের সঙ্গে বেশ কিছু স্থিরচিত্র পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তাদের সম্পর্কের গভীরতার কথা উল্লেখ করে লেখেন, আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি, একসঙ্গে পৃথিবীর সঙ্গে লড়াই করেছি। ১৪ বছরের এই পথচলায় ১ বছর হলো আমাদের সংসার। আজও যদি নতুন করে শুরু করার সুযোগ আসে, আমি তোমাকেই বেছে নিতাম, আদনান।মেহজাবীনের শেয়ার করা পোস্টটিতে তার সহকর্মী এবং ভক্তরা শুভকামনা জানাচ্ছেন। আদনান আল রাজীবও সেই পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। স্থিরচিত্রগুলোতে তাদের আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা গেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায়। মেহজাবীন ও আদনানের সম্পর্কের শুরুটা দীর্ঘ সময়ের। ২০০৯ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে মেহজাবীনের পদযাত্রা শুরু হয়। সেই সময়েই নির্মাতা ও প্রযোজক আদনান আল রাজীবের সঙ্গে তার পরিচয়। কয়েক মুহূর্তের সেই প্রথম দেখা থেকেই তাদের বন্ধুত্বের ভিত্তি তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘ ১৩ বছর পর গত বছরের ভালোবাসা দিবসে (১৪ ফেব্রুয়ারি) তারা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন।

কোন বয়সে কতটা সময় ঘুম প্রয়োজন?

কোন বয়সে কতটা সময় ঘুম প্রয়োজন? পৃথিবী যত কোলাহলপূর্ণ হয়ে উঠছে এবং আমাদের স্ক্রিন যত উজ্জ্বল হচ্ছে, ততই পরিপূর্ণ আরামের ঘুম কঠিন হয়ে উঠছে। ঘুম কোনোবিলাসিতা নয়। এটি একটি জৈবিক প্রয়োজনীয়তা। শৈশবে মস্তিষ্কের বিকাশ থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় স্মৃতিশক্তি সুসংহতকরণ এবং পরবর্তীতে রোগ প্রতিরোধ পর্যন্ত, জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে ঘুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যত কম বয়সী হন, তত বেশি ঘুমের প্রয়োজন। বেশিরভাগ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বোত্তমভাবে কাজ করার জন্য সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। এই সময়ের মধ্যে আমাদের শরীর ৯০ মিনিটের চক্রের মধ্য দিয়ে যায়। সতেজ বোধ করার জন্য আপনার প্রতি ২৪ ঘণ্টা অন্তর এই চক্রগুলোর মধ্যে চার থেকে ছয়টি প্রয়োজন। প্রতিটি চক্রের চারটি স্বতন্ত্র ধাপ থাকে। তা হলো- এনআরইএম পর্যায় ১ (হালকা ঘুম): এই ‘ঘুমিয়ে পড়া’ পর্যায় ৫-১০ মিনিট স্থায়ী হয়। আপনার মস্তিষ্কের কার্যকলাপ ধীর হতে শুরু করে, কিন্তু আপনি সহজেই জাগ্রত হন।   এনআরইএম পর্যায় ২ (হালকা ঘুম): এটি আপনার ঘুমের প্রায় ৫০% তৈরি করে। আপনার হৃদস্পন্দন ধীর হয়ে যায় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়। এটি মস্তিষ্কের প্রক্রিয়াকরণ এবং স্মৃতিশক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এনআরইএম পর্যায় ৩ (গভীর ঘুম): এটি পুনরুদ্ধারের পর্যায়। শরীর পেশী তৈরি করে, হাড় মেরামত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা এই পর্যায়ে কম সময় ব্যয় করি, যার ফলে হালকা ঘুম হয়। আরইএম ঘুম (স্বপ্নের ঘুম): প্রায় ৯০ মিনিটের মধ্যে, এই পর্যায়টি আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং শেখার জন্য অপরিহার্য। আপনার মস্তিষ্ক অত্যন্ত সক্রিয় থাকাকালীন, আপনার পেশীগুলো অস্থায়ী পক্ষাঘাতে প্রবেশ করে যাতে আপনি আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে না পারেন। বয়স অনুসারে প্রস্তাবিত ঘুমের সময়- ০-৩ মাস বয়সে ১৪-১৭ ঘণ্টা। ৪-১২ মাস বয়সে ১২-১৬ ঘণ্টা ১-৫ বছর বয়সে ১০-১৪ ঘণ্টা ৬-১২ বছর বয়সে ৯-১২ ঘণ্টা ১৩-১৮ বছর বয়সে ৮-১০ ঘণ্টা ১৯-৬৪ বছর বয়সে ৭-৯ ঘণ্টা ৬৫+ বছর বয়সে ৭-৯ ঘণ্টা। শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম ভালো মনোযোগ, মানসিক নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ঝুঁকিও সমানভাবে বেশি। প্রাপ্তবয়স্করা নিয়মিত সাত ঘণ্টার কম ঘুমালে ওজন বৃদ্ধি পারে, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি হতে পারে, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের মতো সমস্যা হতে পারে, দীর্ঘস্থায়ী বিষণ্ণতা এবং উদ্বেগ দেখা দিতে পারে। তাই বয়স অনুযায়ী পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি।

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আজ, ইতিহাস জানেন?

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আজ, ইতিহাস জানেন? আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনটি ঘিরে বিশ্বজুড়ে নানা আয়োজন দেখা যায়। প্রিয়জনকে ফুল, কার্ড, উপহার দেওয়া, ঘুরতে বের হওয়া এসবের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন অনেকে। বাংলাদেশেও তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে দিনটি এখন উৎসবের রূপ নিয়েছে।বাংলাদেশে দিবসটি প্রবর্তন করেন সাংবাদিক শফিক রেহমান। ১৯৯৩ সালে তার সম্পাদিত মাসিক পত্রিকা ‘যায়যায়দিন’-এ ১৪ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ‘ভালোবাসা সংখ্যা’ প্রকাশের পর দিনটি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে তা সামাজিক আয়োজনে পরিণত হয়। ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস নিয়ে একাধিক মত রয়েছে। প্রাচীন রোমে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ‘ফেব্রুয়ালিয়া’ বা ‘লুপারকালিয়া’ নামে একটি উৎসব পালিত হতো। ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে উর্বরতা ও সমৃদ্ধির কামনায় দেবতার উদ্দেশে পূজা দেওয়া হতো। ১৪ ফেব্রুয়ারি ছিল দেবী জুনোর সম্মানের দিন। তখনকার কিছু আচার-অনুষ্ঠান ছিল বিতর্কিত ও সহিংস প্রকৃতির। একই সময়ে লটারির মাধ্যমে তরুণ-তরুণীর সঙ্গী নির্বাচন করার প্রথাও চালু ছিল বলে ইতিহাসবিদদের কেউ কেউ উল্লেখ করেন।   যেভাবে এলো বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আরেকটি প্রচলিত মতে, রোমান সম্রাট ক্লডিয়াসের আমলে খ্রিস্টান ধর্মযাজক ভ্যালেন্টাইন যুবকদের গোপনে বিয়ে দিতেন। সম্রাটের নির্দেশ অমান্য করায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২৬৯ বা ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মৃত্যুর আগে এক তরুণীকে লেখা চিঠিতে তিনি ‘তোমার ভ্যালেন্টাইন’ বলে স্বাক্ষর করেছিলেন এ কাহিনি থেকেই দিবসটির নামকরণ হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। আরেকটি বর্ণনায় ভ্যালেন্টাইনকে একজন চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যিনি অসুস্থদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের কারণে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার স্মরণেই ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে পোপ জেলাসিয়ুস ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে ঘোষণা করেন। মধ্যযুগে ইউরোপে দিবসটি দীর্ঘ সময় নিষিদ্ধ ছিল। পরে সাহিত্যিক জিওফ্রে চসার তার রচনায় এ দিনের উল্লেখ করেন। পরবর্তী সময়ে উইলিয়াম শেকসপিয়রসহ অন্যান্য লেখকের লেখায়ও ভালোবাসা দিবস স্থান পায়। ধীরে ধীরে এটি ইউরোপ ও আমেরিকায় জনপ্রিয় হয় এবং বাণিজ্যিক রূপ পায়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে এ দিনে বিপুল পরিমাণ শুভেচ্ছা কার্ড, ফুল ও উপহার বিক্রি হয়। তবে বিভিন্ন সময় ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, সৌদি আরব, ইরান, পাকিস্তান ও মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশে দিবসটি নিষিদ্ধ বা সীমিত করার নজির রয়েছে। ইতিহাস ও মতভেদের ভেতর দিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি এখন বিশ্বব্যাপী ভালোবাসা প্রকাশের দিন হিসেবে পরিচিত। ব্যক্তিগত সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেকেই দিনটিকে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা হিসেবে দেখেন।

রাশিয়া থেকে প্রায় ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত

রাশিয়া থেকে প্রায় ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত রাশিয়া থেকে ২৮৮টি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত। এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত ‘প্রয়োজনীয়তার অনুমোদন (এওএন)’ অনুমোদন দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (ডিএসসি)। এতে ব্যয় হবে ১০ হাজার কোটি রুপি। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা।  গত বছরের নভেম্বরেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস প্রথম জানিয়েছিল, অপারেশন সিঁদুর চলাকালে ব্যবহার করা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনরায় ভরাট করতে এবং দীর্ঘ-পাল্লা ও স্বল্প-পাল্লার সারফেস-টু-এয়ার সিস্টেম বাড়াতে ভারত সরকার এসব ক্ষেপণাস্ত্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এওএন অনুমোদনের মাধ্যমে ১২০টি স্বল্প-পাল্লার ও ১৬৮টি দীর্ঘ-পাল্লার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথ খুলে গেলো। দ্রুত ক্রয়প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এগুলো কেনা হবে বলে হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। তারা আরও জানিয়েছে, চলতি বছরের জুন ও নভেম্বর মাসে ভারত এরই মধ্যে চুক্তিবদ্ধ আরও দুই সেট এস-৪০০ সিস্টেম পাবে। এদিকে, ভারতের বিমানবাহিনী আরও পাঁচটি অতিরিক্ত এস-৪০০ সিস্টেম কেনার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরছে, সঙ্গে প্যান্টসির স্বল্প-পাল্লার সিস্টেমও। রুশ এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সশস্ত্র ড্রোন ও কামিকাজে ড্রোন প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। এস-৪০০ ও প্যান্টসির একসঙ্গে যুক্ত করে দুই-স্তরবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব, যা সীমান্তপারের আকাশপথে আসা যে কোনো লক্ষ্যবস্তু ভূপাতিত করতে সক্ষম। ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পদ্ধতিতে কঠোর পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ অনুমোদন কাঠামো রয়েছে। এটি শুরু হয় ‘স্টেটমেন্ট অব কেস’ দিয়ে, যেখানে উল্লেখ থাকে অপারেশনাল প্রয়োজনীয়তা ও কেনাকাটার যৌক্তিকতা। এরপর তা পর্যালোচনা করে ডিফেন্স প্রোকিউরমেন্ট বোর্ড, যার সভাপতি প্রতিরক্ষা সচিব। পরে তা অনুমোদনের জন্য ডিএসসিতে পাঠানো হয়। এখান থেকে এওএন মিললে বিক্রেতার সঙ্গে বিস্তারিত মূল্য আলোচনা হয়। তারপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আর্থিক অনুমোদন আসে। সবশেষে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (সিসিএস) চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রায় ৩ দশমিক ৬০ লাখ কোটি রুপি মূল্যের বিভিন্ন প্রস্তাবে এওএন দিয়েছেন। বিমানবাহিনীর (আইএএফ) জন্য অনুমোদন পেয়েছে মাল্টি–রোল ফাইটার এয়ারক্রাফট (এমআরএএফএ), রাফালে, কমব্যাট ক্ষেপণাস্ত্র ও এয়ারশিপভিত্তিক হাই–অ্যাল্টিটিউড সুডো–স্যাটেলাইট। ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য অনুমোদন পেয়েছে অ্যান্টি–ট্যাঙ্ক মাইন (বিভব) ও আর্মার্ড রিকভারি ভেহিকল (এআরভি), টি–৭২ ট্যাংক ও বিএমপি–২ যুদ্ধযানের ওভারহলিং। নৌবাহিনীর জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৪ মেগাওয়াট মেরিন গ্যাস টারবাইন–ভিত্তিক ইলেকট্রিক পাওয়ার জেনারেটর ও পি–৮আই লং রেঞ্জ মেরিটাইম রিকনাইসেন্স এয়ারক্রাফট।

ইরানে সপ্তাহব্যাপী হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে সপ্তাহব্যাপী হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি হামলার নির্দেশ দেন তাহলে ইরানের বিরুদ্ধে সপ্তাহব্যাপী অভিযান অব্যাহত রাখতে মার্কিন সেনাবাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দুই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। ফলে দেশ দুটির মধ্যে আগের তুলনায় অনেক বেশি গুরুতর সংঘাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের এমন পরিকল্পনা সংবেদনশীল হওয়ায় ওই কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ করতে অসম্মতি জানিয়েছেন। তবে এই খবর বাইরে প্রকাশ পাওয়া যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতায় নিশ্চিতভাবে চাপ বৃদ্ধি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনীতি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে ওমানে মার্কিন ও ইরানি কূটনীতিকরা আলোচনা করেছেন। ট্রাম্প এই অঞ্চলে সামরিক বাহিনী জড়ো করার পর নতুন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা শুক্রবার জানিয়েছেন যে, পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে, যেখানে আরও হাজার হাজার সেনা, যুদ্ধবিমান, গাইডেড-ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী এবং আক্রমণ পরিচালনা এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা করতে সক্ষম অন্যান্য শক্তি যুক্ত করা হবে। শুক্রবার উত্তর ক্যারোলিনার একটি ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে ‘একটি চুক্তি করা কঠিন’ হয়ে পড়েছে। ট্রাম্প বলেন, কখনো কখনো ভীতি তৈরি করতে হয়। সত্যি বলতে, পরিস্থিতি সামাল দিতে এটাই একমাত্র উপায়। দীর্ঘ মেয়াদে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র আন্না কেলি বলেন, ‘ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে সব বিকল্পই খোলা আছে। তিনি যেকোনো ইস্যুতে নানা মতামত শোনেন। তবে শেষ পর্যন্ত দেশের স্বার্থ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যা সবচেয়ে ভালো, সেটি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

‘বিয়ের ছবি-ভিডিও নিয়ে ব্যবসা নয়’, বিজয়-রাশমিকা!

‘বিয়ের ছবি-ভিডিও নিয়ে ব্যবসা নয়’, বিজয়-রাশমিকা! ভারতের দক্ষিণী সিনেদুনিয়ার অভিনেতা-অভিনেত্রী বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। বহু বছর ধরেই তাদের সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যায়। যদিও তাতে কখনওই সায় দেননি তারা। এর মাঝেই বেশ কয়েক মাস ধরে শোনা যাচ্ছে, চর্চিত তারকা জুটির বিয়ের গুঞ্জন। এর মাঝেই প্রকাশ্যে এল তাদের বিয়ে নিয়ে নয়া তথ্য। যা রীতিমতো বিস্ফোরক বললেও ভুল হবে না। চলতি মাসে ২৬ তারিখ বিজয়-রাশমিকার চারহাত এক হবে বলে গুঞ্জন। বিয়ের দিন নিয়ে কোনও ঘোষণা করেননি তারা কেউই। এর মাঝেই তেলুগু সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রথম সারির এক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে বিজয়-রাশমিকার বিয়ের মুহূর্তের বিশেষ মুহূর্তের ‘এক্সক্লুসিভ’ স্বত্ব কেনার প্রস্তাব গিয়েছিল। মোটা অংকের চুক্তির বিনিময়ে সেই ছবিই নাকি তথ্যচিত্র আকারে প্রকাশ করার পরিকল্পনা ছিল জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মটির। কিন্তু মোটা টাকার সেই চুক্তিপ্রস্তাব নাকি ফিরিয়ে দিয়েছেন রাশমিকা ও বিজয়। নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আড়ালে রাখতে ভালোবাসেন বিজয় ও রাশমিকা। তাই বিয়ের অনুষ্ঠানের যাবতীয় যা কিছু সবটাই আত্মীয়-বন্ধু ও ঘনিষ্ঠদের নিয়েই আয়োজন করতে চান। নিজেদের বিয়ের মতো পবিত্র অনুষ্ঠানকে ব্যবসার রূপ দিতে নারাজ তারকা জুটি।

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে গেজেট প্রকাশ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৩শ আসনে নির্বাচনের আয়োজন করা হলেও প্রার্থীর মৃত্যুতে একটি আসনে স্থগিত করা হয়। আর দুটি আসনের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। গেজেট প্রকাশের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়ানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এদিকে স্পিকার পদত্যাগ করেছেন, ডেপুটি স্পিকার কারাগারে রয়েছেন। সরকার বলছে, রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি বা সিইসি শপথ পাঠ করাবেন। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির মহাসচিব বলছেন, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন হবে। বিএনপি সব দলকে নিয়ে পার্লামেন্টে যাবে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩শ’টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয়। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে ইসি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় চট্টগ্রাম–২ ও ৪ আসনের ফলাফলের গেজেট এখন জারি করা হয়নি। নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে নয়টি আসন।

১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবার শপথ: প্রেস সচিব

১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবার শপথ: প্রেস সচিব প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, খুব দ্রুত সবার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। দেরি হলেও ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শপথ হবে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, শপথ কে পড়াবেন তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ঠাকুমার রূপে চমক, রহস্য ভেদে আসছেন শ্রাবন্তী

ঠাকুমার রূপে চমক, রহস্য ভেদে আসছেন শ্রাবন্তী ২০২৬ জুড়ে একের পর এক নতুন কনটেন্ট আনার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হইচই। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন ওয়েব সিরিজ ঠাকুরমার ঝুলি-র মুক্তির তারিখ সামনে এলো। সিরিজটিতে একেবারে ভিন্ন লুকে হাজির হচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এই রহস্যঘেরা গোয়েন্দা গল্পে তিনি অভিনয় করছেন গিরিজাবালা সান্যাল নামের এক বৃদ্ধার চরিত্রে। তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন ছোট পর্দার পরিচিত মুখ দিব্যানী মন্ডল। সিরিজটি পরিচালনা করেছেন অয়ন চক্রবর্তী। সম্প্রতি প্রকাশিত ফার্স্ট লুকে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক শ্রাবন্তীকে। অফ-হোয়াইট শাড়ি, ফুলহাতা সোয়েটার, পাকা চুল আর চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। সামনে পানের ডিব্বা, আতশ কাঁচ ও চায়ের কাপ— সব মিলিয়ে চরিত্রের রহস্যময় আবহ ইতোমধ্যেই দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়েছে। গল্পে বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা গিরিজাবালা জীবনের বহু শোক-দুঃখের সাক্ষী। স্বামী ও সন্তান হারানোর বেদনাকে সঙ্গী করে নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছিলেন তিনি। তবে তার জীবনে বড় মোড় আসে নাতনি যাজ্ঞসেনীর ফিরে আসায়। বন্ধুর বিয়েতে যোগ দিতে এসে হঠাৎ ঘটে যাওয়া এক রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় সবকিছু বদলে যায়। সেই মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে নিজেই নেমে পড়েন গিরিজাবালা। শুরু হয় তার গোয়েন্দাগিরি— যা নতুন পথে এগিয়ে নিয়ে যায় গল্পকে। রহস্যের জাল ভেদে গিরিজাবালার এই যাত্রা দেখতে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত, যেদিন মুক্তি পাবে সিরিজটি।

২০ কোটি ক্ষতিপূরণ চেয়ে ধানুশকে আইনি নোটিশ

২০ কোটি ক্ষতিপূরণ চেয়ে ধানুশকে আইনি নোটিশ চুক্তিভঙ্গের জেরে দক্ষিণি অভিনেতা ধানুশকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা থেনানডাল। এমনকী তার কাছে চাওয়া হয়েছে মোটা অঙ্কের জরিমানাও। দক্ষিণী সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রযোজনা সংস্থা থেনানডালের সঙ্গে ২০১৬ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ধানুশের। ওই ছবি পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয় করারও কথা ছিল তার। কিন্তু দশ বছরেও শুরু হয়নি ছবির শুটিং। দীর্ঘদিন ধরে তা আটকে থাকার ফলেই সুপারস্টারের ওপর বিরক্ত হয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা। শুধু তাই নয়, অভিনেতার কাছে চাওয়া হয়েছে ২০ কোটি রুপির ক্ষতিপূরণ।  শোনা যাচ্ছে, প্রযোজনা সংস্থা ছবির চিত্রনাট্যে খানিক পরিবর্তন করতে চাইলে তা থেকে সরে দাঁড়ান ধানুশ। করেননি কোনো সহযোগিতা। যার ফলে আটকে যায় ছবির কাজ। ধানুশকে পাঠানো ওই আইনি নোটিশে নির্মাতাদের তরফে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট ছবির কাজ আটকে থাকায় প্রভূত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ছবির টিম। আর তাই সেই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ধানুশকেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই ক্ষতিপূরণ না দিলে ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে প্রযোজনা সংস্থার তরফে আরো বড়সড়ভাবে ধানুশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।  নির্মাতাদের তরফের আইনজীবীর মতে, ধানুশ ছবির চুক্তি সই করেও ছবির যাবতীয় কাজে অসহযোগিতা করেছেন। ফলে মাঝপথেই আটকে রয়েছে সংশ্লিষ্ট ছবির কাজ। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ধানুশের কোনোরকম প্রতিক্রিয়া মেলেনি।