দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা এসি চালুর আগে যা করবেন

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা এসি চালুর আগে যা করবেন গরমের শুরুতে দীর্ঘদিন পর আবার ফ্যান বা এসি ব্যবহার করার সময় হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন এসি বা ফ্যান বন্ধ থাকলে তা চালানোর আগে কিছু বিষয় জানা খুব জরুরি। না হলে ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা। শীতের পুরোটা সময় ধরেই এসি বন্ধ থাকে। তাই গরমের শুরুতেই এসি চালানোর আগে বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। কীভাবে নিবেন তা জেনে নিন- ফ্যান চালু করার আগে, অবশ্যই সেটি ভালো করে পরিষ্কার করে নেবেন। যাতে ফ্যানের ওপরে কোনো ময়লা না থাকে। ডিটারজেন্টযুক্ত পানিতে কাপড় ভিজিয়ে মুছে নিতে পারেন। পারলে একজন মেরামতকারীকে ডেকে সিলিং ফ্যানের বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষা করে নিতে পারেন। টেবিল ফ্যান চালানোর আগেও তা ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। এক্ষেত্রে চিকন ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন। মনে রাখবেন, ফ্যান ও এসি একসঙ্গে না চালানোই ভালো। গরমের শুরুতে এসি চালানোর আগে এসি মেরামত করতে হবে। পেশাদারদের মাধ্যমে চেকআপ ও সার্ভিসিং করিয়ে নিন। এসির এয়ার ফিল্টারে কোনো ময়লা আছে কিনা কিংবা বৈদ্যুতিক সংযোগ, সকেট, ফিল্টার ঠিক আছে কিনা সেসব বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। আর না হয় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। দীর্ঘ সময় পর বন্ধ এসি চালু করতে গেলে এসি থেকে শব্দ হতে পারে। এমনকি পানিও পড়তে পারে। এসি অনেকদিন বন্ধ থাকলে এর কুলিং বা ঠাণ্ডা করার ক্ষমতা কমে যায়। এ ক্ষেত্রে এসির ভেতরের নেট খুলে ডাস্ট ক্লিনিং করে নিতে হবে। কুলিং যদি একেবারে বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে এসির ভেতরে গ্যাস ফুরিয়ে গেছে। পরবর্তীতে গ্যাস রিফিল করে নিতে পারেন।

প্রতিদিন কলা খাওয়া কি নিরাপদ?

প্রতিদিন কলা খাওয়া কি নিরাপদ? কলা সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলের মধ্যে একটি। এটি আস্ত খাওয়ার পাশাপাশি স্মুদি, পাই এবং বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা যায়। কলা উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার এবং পুষ্টিতেও সমৃদ্ধ। কিন্তু অনেকর মনেই প্রশ্ন আসতে পারে, কলা কি আমাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়? ডায়াবেটিস রোগীরা কি কলা খেতে পারবেন? এমন আরও অনেক প্রশ্ন। চলুন জেনে নেওয়া যাক- কলায় কতটা চিনি থাকে? কলা তার সাশ্রয়ী মূল্য এবং উচ্চ পুষ্টিগুণের জন্য পরিচিত। কিন্তু একটি কলায় কত চিনি থাকে? একটি মাঝারি আকারের কলা, যার ওজন প্রায় ১১৮ গ্রাম, তাতে প্রায় ১৪ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি থাকে। একটি কলায় চিনি মূলত ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোজ এবং সুক্রোজ থেকে আসে। যদিও ১৪ গ্রাম বেশি শোনাতে পারে, তবুও এটি প্রাকৃতিক চিনি যা ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ। কলার ফাইবার রক্তে চিনির শোষণকে ধীর করতে সাহায্য করে, যা বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি রোধ করে। পাকা কলায় সাধারণত কম পাকা কলার তুলনায় কিছুটা বেশি চিনি থাকে কারণ ফল পাকলে স্টার্চ চিনিতে পরিণত হয়। কলা পটাসিয়াম, ভিটামিন বি৬ এবং শক্তিও সরবরাহ করে। কলা কি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়াতে পারে? এখন আসুন মূল বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যাক – কলা কি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়াতে পারে? হ্যাঁ, কলা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়াতে পারে কারণ এতে প্রাকৃতিক শর্করা এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে যা শরীরে গ্লুকোজে পরিণত হয়। একটি মাঝারি কলায় প্রায় ২৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে, যার মধ্যে প্রায় ১৪ গ্রাম চিনিও থাকে। কলা খেলে আমাদের শরীর কার্বোহাইড্রেটগুলোকে গ্লুকোজে ভেঙে দেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে। তবে কলায় ফাইবারও থাকে, যা রক্তে শর্করার দ্রুত প্রবেশের গতি কমাতে সাহায্য করে। বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে, এই বৃদ্ধি স্থিতিশীল এবং ক্ষতিকারক নয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাবারের পরিমাণের দিকে নজর রাখা উচিত এবং চিনির প্রভাব কমাতে কিছুটা কম পাকা কলা পছন্দ করতে পারেন। হ্যাঁ, রক্তে শর্করার ওপর কলার প্রভাব নির্ভর করতে পারে এটি কতটা পাকা তার ওপর। যখন একটি কলা সবুজ বা সামান্য হলুদ হয়, তখন এতে বেশি প্রতিরোধী স্টার্চ থাকে। প্রতিরোধী স্টার্চ ধীরে ধীরে হজম হয়, তাই এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ ধীরে ধীরে এবং কম বৃদ্ধি করে। কলা পাকলে স্টার্চ গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজের মতো সরল শর্করায় রূপান্তরিত হয়। এর ফলে পাকা কলার স্বাদ মিষ্টি হয় এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যারা রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ আরও ভালো করতে চান, বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা কম পাকা কলা বেছে নিয়ে পরিমিত পরিমাণে খেলে উপকৃত হতে পারেন। কলা কি ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে? ওজন কমাতে চাইলে কি কলা খাওয়া নিরাপদ? না, উচ্চ-ক্যালোরিযুক্ত খাদ্যের অংশ হিসেবে নিয়মিত খেলে কলা ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে। একটি মাঝারি কলায় প্রায় ১০০-১১০ ক্যালোরি থাকে এবং এটি দ্রুত শক্তি প্রদানকারী কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে। প্রতিদিন দুধ, চিনাবাদাম মাখন, বাদাম বা ওটসের মতো ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে একাধিক কলা খেলে মোট ক্যালোরির পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রতিদিন কতগুলো কলা খাওয়া নিরাপদ? বেশিরভাগ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, প্রতিদিন একটি মাঝারি কলা খাওয়া নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। একটি মাঝারি কলায় প্রায় ১০০-১১০ ক্যালোরি, ২৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং পটাসিয়াম, ভিটামিন বি৬ এবং ফাইবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি থাকে। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাবারের পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া উচিত কারণ কলা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। যাদের কিডনির সমস্যা আছে তাদের উচ্চ পটাশিয়ামের কারণে কলা সীমিত করা উচিত। ডায়াবেটিক্স রোগীদের জন্য কলা কি নিরাপদ? যদি আপনি ডায়াবেটিক্সের রোগী হন, তাহলে কলাকে আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার অংশ করার আগে আপনাকে দুবার ভাবতে হতে পারে। ডায়াবেটিক্সে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য কলা নিরাপদ হতে পারে যদি সঠিক পরিমাণে এবং সুষম খাবারের অংশ হিসেবে খাওয়া যায়। কলায় প্রাকৃতিক চিনি এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। তবে এটি ফাইবারও সরবরাহ করে, যা চিনির শোষণকে ধীর করতে সাহায্য করে।

১৯ বছর পর বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল জিম্বাবুয়ে

১৯ বছর পর বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল জিম্বাবুয়ে সবশেষ ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। তার ঠিক ১৯ বছর পর ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অজিদের হারাল আফ্রিকার দলটি। আজ শুক্রবার দুপুরে কলম্বোতে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ২৩ রানে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। টস হেরে জিম্বাবুয়ে আগে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেটে ১৬৯ রান তোলে। জবাবে ১৯.৩ ওভারে ১৪৬ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। রান তাড়া করতে নেমে ২৯ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় অজিরা। জশ ইংলিস ৮, ক্যামেরন গ্রিন ০, টিম ডেভিড ০ ও ট্র্যাভিড হেড ফিরেন ১৭ রান করে। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাট রেন’শ। পঞ্চম উইকেটে তারা দুজন ৭৭ রানের জুটি গড়ে আশা জাগান। কিন্তু ১০৬ রানের মাথায় ম্যাক্সওয়েল ফিরলে ভাঙে এই জুটি। ১টি চার ও ১ ছক্কায় ৩২ বলে ৩১ রান করেন তিনি। এরপর মার্কাস স্টয়েনিস ৬, বেন ডোয়ারশুইস ৬ আউট হলে আবারও চাপে পড়ে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। তবুও আশা জাগাচ্ছিলেন ম্যাট রেন’শ। ১৩৯ রানের মাথায় রেন’শ আউট হলে আশার আলো নিভে যায় অজিদের। তিনি ৪৪ বলে ৫টি চার ও ১ ছক্কায় ৬৫ রান করেন। এরপর ১৪১ রানে অ্যাডাম জাম্পা (২) ও ১৪৬ রানে ম্যাথিউ কুহনেম্যান (০) আউট হলে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের যবনিকাপাত ঘটে। বল হাতে জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানি ৪ ওভারে ১৭ রানে ৪টি উইকেট নেন। ম্যাচসেরাও হন তিনি। ব্রাড ইভান্স ৩.৩ ওভারে ২৩ রানে নেন ৩টি উইকেট।

ভারত-পাকিস্তানের লড়াইয়ে যে দ্বৈরথে নজর থাকবে

ভারত-পাকিস্তানের লড়াইয়ে যে দ্বৈরথে নজর থাকবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই মহাউত্তেজনা। দুই দল নামার আগেই মাঠের বাইরে শুরু হয়ে যায় যুদ্ধ। দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরিতা ১১ জন বনাম ১১ জনের লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করে। শুধু দেশের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নয়, দুই দলের ক্রিকেটাররা চেষ্টা করেন একে অপরকে ছাপিয়ে যাওয়ার। রোববার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে খেলতে নামবে ভারত ও পাকিস্তান। সেই ম্যাচে কয়েকটি ব্যক্তিগত লড়াইয়ের দিকে নজর থাকবে ভক্ত-সমর্থকদের। শাহিন বনাম অভিষেক এই দ্বৈরথে অভিষেক এগিয়ে। এশিয়া কাপে তিন ম্যাচে শাহিনের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। পাকিস্তানি পেসারের বিরুদ্ধে ১৯ বল খেলে করেছেন ৩৬ রান। ১৮৯.৫ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন তিনি। পাকিস্তানের প্রধান পেসারকে তিনটি করে চার ও ছক্কা মেরেছেন ভারতীয় ওপেনার। অভিষেক শাহিনের বিরুদ্ধে অপরাজিত ছিলেন। বিশ্বকাপেও সেই ছন্দ ধরে রাখতে চাইবেন তিনি। আর শাহিনের চাওয়া আগের তিন ম্যাচের হিসাব পাল্টে দেওয়ায়। বুমরাহ বনাম ফারহান এখন পর্যন্ত জসপ্রীত বুমরাহের বিরুদ্ধে দাপট ধরে রেখেছেন সাহিবজাদা ফারহান। এশিয়া কাপে তাদেরও দেখা হয়েছে তিন ম্যাচে। বুমরাহের ৩৪ বলে ফারহান করেছেন ৫১ রান। ১৫০ স্ট্রাইক রেটে রান করার পথে তিনি ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কা মেরেছেন। ফারহানকে একবারও আউট করতে পারেননি বুমরাহ। বিশ্বকাপেও কি সেই দাপট ধরে রাখতে পারবেন ফারহান? বাবর বনাম বরুণ বাবর আজম আগের ম্যাচে নিজেকে ফিরে পেয়েছেন। ভারতের বিপক্ষে মিডল অর্ডারে তিনি পাকিস্তানের বড় ভরসা। এই সময়ে সামনে বরুণ চক্রবর্তীকে হয়তো পাবেন তিনি। এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি ক্রমতালিকায় বিশ্বের সেরা বোলার বরুণ রহস্যময় বোলিং করে ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলেন। এর আগে টি-টোয়েন্টিতে বরুণের ১৩ বলে ১৭ রান করেছেন বাবর। মেরেছেন একটি চার ও একটি ছক্কা। একবারও আউট হননি। অবশ্য স্ট্রাইক রেট খুব বেশি (১৩০.৮) নয়। রোববার কে বাজিমাত করেন সে দিকেই চেয়ে থাকবেন দুই দলের সমর্থকরা। সূর্যকুমার বনাম তারিক সূর্যকুমার যাদব যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন। মাঠের চার দিকে সহজে শট খেলতে পারার ক্ষমতা তাকে অন্য পর্যায়ে রেখেছে। এবারের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের তুরুপের তাস উসমান তারিক সূর্যকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারেন। প্রথমবার ভারতের ব্যাটাররা খেলবেন তার বিরুদ্ধে। বোলিং অ্যাকশন অদ্ভুত হওয়ার কারণে ভারতীয়রা প্রশ্ন তুললেও আইসিসি তাকে ছাড়পত্র দিয়ে রেখেছে। আর ভারতের বিপক্ষে নামার আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারিক। সূর্যকে থামাতে তার ওপর ভরসা রাখবেন সালমান আলি আগা। এই লড়াইয়ের দিকেও সকলের নজর থাকবে। হার্দিক বনাম ফাহিম হার্দিক ও ফাহিম আশরাফ দলের দুই সেরা অলরাউন্ডার। দুজনেই ব্যাট ও বল হাতে বড় ভূমিকা রাখেন। হার্দিকের ৫ বলে এখন পর্যন্ত ১২ রান করেছেন ফাহিম। আর ফাহিমের ২ বলে ২ রান করেছেন হার্দিক। ব্যাট হাতে দুজনেই ফিনিশারের ভূমিকা রাখার পাশাপাশি পাওয়ার প্লে ও ডেথ ওভারে বল করেন। দুজনের মধ্যে বেশ মিল, তাই রোববারের ম্যাচে এই দুজনের লড়াইয়ে আগ্রহ থাকবে অনেকের।

যুদ্ধের দামামা, মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধের দামামা, মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বইছে যুদ্ধের দামামা। যেকোনো সময় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হতে পারে। এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে যোগ দিতে পারে ইসরায়েলও। এমন পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য আরেকটি বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে মার্কিন বাহিনী। খবর আল জাজিরার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তেজনা কমাতে এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরি পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প গতকাল নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন। সেখানে ট্রাম্প কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে পেন্টাগন। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে রিপোর্টে বলা হয়, পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য একটি বিমানবাহী রণতরিকে প্রস্তুত করতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে। এই রণতরিটি ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সঙ্গে যোগ দেবে। আল জাজিরা জানিয়েছে, ওই প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে নেতানিয়াহু তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। এদিকে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, ‘চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমি শুধু ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব, নাকি সম্ভব নয়; তা যাচাই করতে দেশটির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছি।

অসলো চুক্তির ব্যক্তিত্বরা যুক্ত ছিলেন এপস্টেইন নেটওয়ার্কে

অসলো চুক্তির ব্যক্তিত্বরা যুক্ত ছিলেন এপস্টেইন নেটওয়ার্কে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকট নিরসনে ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির মূল স্থপতি নরওয়ের যে কূটনীতিক ছিলেন, তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। নতুন যেসব নথি প্রকাশ পেয়েছে, তাতে টেরজে রড-লারসেন নামের ওই ব্যক্তি প্রয়াত যৌন অপরাধী ও অর্থদাতা জেফরি এপস্টেইনের অভ্যন্তরীণ বৃত্তের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত ছিলেন এমন প্রমাণ মিলেছে। বৃহস্পতিবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, ১৯৯০-এর দশকে মধ্যপ্রাচ্যের ‘শান্তি প্রক্রিয়ার’ একজন কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন টেরজে রড-লারসেন। সদ্য প্রকাশিত মার্কিন বিচার বিভাগের নথি ও নরওয়ের গণমাধ্যমের তদন্তে অবৈধ অর্থ, যৌন পাচারকারী নারীদের জন্য ভিসা জালিয়াতি ও এপস্টেইনের লাখ লাখ ডলার মূল্যের উইলে একটি সুবিধাভোগী হিসেবে তাঁর নাম এসেছে। এসব তথ্য কূটনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। রড-লারসেনের স্ত্রী মোনা জুলও অসলো আলোচনার একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। স্বামীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠার ওপর চলতি মাসে জর্ডান ও ইরাকে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। তাঁর নিরাপত্তা ছাড়পত্রও বাতিল করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি নেতারা এখন প্রশ্ন তুলছেন, অসলোর দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের মূল চুক্তিগুলো কি ছিল অভিজাত ব্ল্যাকমেইল এবং বিদেশি গোয়েন্দা চাপের ঝুঁকিতে থাকা একজন মধ্যস্থতাকারীর মধ্যস্থতা? ওই চুক্তি অনুযায়ী কার্যত কোনো পদক্ষেপই নেয়নি ইসরায়েল। তারা অব্যাহতভাবে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় হামলা চালিয়ে গেছে। সর্বশেষ তারা ২০২৩ সাল থেকে গাজায় গণহত্যা চালিয়ে ৭০ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করে। এন্ড্রুর প্রাসাদে তল্লাশির আহ্বান ভুক্তভোগীর জেফ্রি এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার এক নারী যুক্তরাজ্যে বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের নথিপত্র ও ইমেইল তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। জুলিয়েট ব্রায়ান্ট বিবিসিকে বলেন, তিনি এ সপ্তাহে এই বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়েছেন, যেখানে ব্রিটেনের রাজা চার্লস বলেছেন, তিনি তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিবেচনার সময় পুলিশকে ‘সহায়তা করতে প্রস্তুত’। ২০০০ সালের দিকে এপস্টেইন তাঁকে নির্যাতন করেছিলেন। কারাগারে থাকা এপস্টেইনের কাছে পরামর্শ চান সারা সারা ফার্গুসন জেফরি এপস্টেইনের কাছে ছয় মিলিয়ন পাউন্ড ঋণের বোঝা মোকাবিলা করার জন্য পরামর্শ চেয়েছিলেন। এটা তিনি করেছিলেন যখন এপস্টেইন নাবালিকাদের যৌন নিপীড়নের অপরাধে কারা ভোগ করছেন। বিচার বিভাগ কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত ইমেইলে দেখা যাচ্ছে, সারা তাঁর আর্থিক অবস্থা নিয়ে মরিয়া ছিলেন।

থাইল্যান্ডে জোট সরকার গঠনের ইঙ্গিত

থাইল্যান্ডে জোট সরকার গঠনের ইঙ্গিত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুটিন চর্নভিরাকুল জানিয়েছেন, সাধারণ নির্বাচনে বেশি আসন পাওয়া ভুমজাইথাই পার্টি তৃতীয় অবস্থানে থাকা পেউ থাই পার্টির সমর্থন নিয়ে জোট সরকার গঠন করবে।ভুমজাইথাই পার্টি নির্বাচনে ৫০০ আসানের মধ্যে ১৯৩টি আসন জিতেছে। পিপলস পার্টি পেয়েছে ১১৮টি আসন, আর পেউ থাই পার্টি ৭৪টি আসন। পেউ থাই পার্টি-র সমর্থন আনুটিনকে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেবে, যা স্থিতিশীল জোট সরকার গঠনের পথে সাহায্য করবে। আনুটিন বলেন, আমরা সরকার হিসেবে এক সঙ্গে কাজ করবো এবং দেশের জন্য ভালো কিছু করবো। অতীতের ভুল বোঝাবুঝি মুছে আমরা এক সঙ্গে দেশ পরিচালনা করবো। থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনের পর ভোট গণনার স্বচ্ছতা নিয়ে অভিযোগ ওঠায় দেশটির নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ রয়েছে। গত রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের দল ভূমজাইথাই পার্টি বড় জয় পেলেও, একাধিক আসনে ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রোববার বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়মের ভিডিও ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে অন্ধকারে ব্যালট গণনা, বৈধ ভোটকে ভুলভাবে বাতিল হিসেবে চিহ্নিত করা এবং কেন্দ্রের ফলাফলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অনলাইন সিস্টেমে দেওয়া সংখ্যার গরমিল। সূত্র: রয়টার্স

স্বর্ণ চুরি করে গাধার পিঠে চড়ে পালালো চোর

স্বর্ণ চুরি করে গাধার পিঠে চড়ে পালালো চোর চুরির পর চোর ঘটনাস্থল দ্রুত ত্যাগ করবে এটাই সারাজীবন শুনে এসেছেন। এর ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেছে তুরস্কের মধ্যাঞ্চলীয় শহর কায়সেরিতে। সেখানে স্বর্ণ চুরির পরে এক চোর গাধার পিঠে চড়ে ধীরেসুস্থে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাদ্যম টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, একটি ফর্কলিফট দিয়ে চোর প্রথমে দোকানের দরজা ভেঙে ফেলে। পরে সে দোকানের ভেতরে থাকা আলমারিটি ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দেয়। ওই আলমারি থেকে সে ১৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের গহনাগুলো সাথে থাকা ব্যাগে ভরে নেয়। এরপর সে দোকানের ভাঙা দরজা দিয়ে বের হয়ে বাইরে রাখা গাধার পিঠে চড়ে এলাকা থেকে বের হয়ে যায়। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ ২৬ বছর বয়সী ওই চোরকে খুঁজে পায় এবং গ্রেপ্তার করেছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ কর্মকর্তারা চুরি করা সোনার গয়না খুঁজে পান, যা একটি কালো প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়ানো এবং একটি কাদামাটির পাত্রে পুঁতে রাখা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, আংটি, নেকলেস এবং ব্রেসলেট সহ জিনিসপত্রগুলো তাদের মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মাদুরো এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট : দেলসি

মাদুরো এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট : দেলসি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হাতে অপহরণের শিকার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের পদে আছেন। তার অনুপস্থিতির কারণে ভেনেজুয়েলার সরকারব্যবস্থায় সাংবিধানিক কোনো বড় রূপান্তর ঘটেনি। ভেনেজুয়েলার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ সম্প্রতি বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, মাদুরোকে অপহরণের পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল ও রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে চুক্তি হয়েছে ভেনেজুয়েলার, কিন্তু দেশ চলছে সংবিধান মেনেই। বিবিসিকে দেলসি রদ্রিগুয়েজ বলেন, “আমি আপনাদের বলতে পারি যে নিকোলাস মাদুরোই দেশের বৈধ প্রেসিডেন্ট। আমি আপনাদের এ কথা বলছি একজন আইনজীবী হিসেবে, কারণ আমি নিজে একজন আইনজীবী। প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং ফ্রার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস উভয়েই নিরপরাধ। আমি যে এখন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, তা সাংবিধানিক বিধি মেনেই করছি। ভেনেজুয়েলা তেল সম্পদে খুবই সমৃদ্ধ। এ মূহূর্তে বিশ্বে যত ভূগর্ভস্থ তেল রয়েছে তার এক পঞ্চমাংশই আছে ভেনেজুয়েলার খনিগুলোতে। ভেনেজুয়েলায় কয়েকটি স্বর্ণের খনি আছে এবং সেগুলোতে স্বর্ণের মজুতের পরিমাণও অনেক।তবে বামপন্থি প্রেসিডেন্ট মাদুরোর সঙ্গে রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্পর্ক খুবই খারাপ। ২০১৬ সালে যখন প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ট্রাম্পের উত্তরসূরি জো বাইডেনের সময়েও এই নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। গত ৩ জানুয়ারি গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে সরকারি বাসভবন থেকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রের নিউিইয়র্ক সিটিতে নিয়ে আসে মার্কিন সেনাবাহিনী। তাদের উভয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং মার্কিন আদালতে সেই অভিযোগের বিচারের প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে মাদুরো এবং সিলিয়া নিউইয়র্ক সিটির ফেডারেল কারাগারি বন্দি আছেন। মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে অপহরণের পর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের তদারক এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র করবে। তিনি আরও বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনার জন্য মার্কিন কোম্পানিগুলোকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে সস্ত্রীক অপহরণের কয়েক ঘণ্টা পর ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ। বিবিসিকে দেলসি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে একটি কূটনৈতিক সমঝোতা আমাদের হয়েছে, কিন্তু ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এখনও আমরা বিকিয়ে দিইনি। ভেনেজুয়েলা চলছে ভেনেজুয়লার সংবিধান অনুসারে। ভেনেজুয়েলার ভিন্ন মতাবলম্বী রাজনীতিবিদ এবং ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো-কে নিয়েও বিবিসির সঙ্গে কথা হয়েছে দেলসির। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন মাচাদো। বিবিসিকে তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “যদি তিনি দেশে ফিরে আসেন, তাহলে অবশ্যই তাকে ভেনেজুয়েলার জনগণের কাছে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রথমত, কেন তিনি ভেনেজুয়েলায় সামরিক আগ্রাসন চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, দ্বিতীয়ত, কেন তিনি ভেনেজুয়েলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং তৃতীয়ত, প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তার স্ত্রীকে যখন অপহরণ করা হলো কেন তিনি তা উদযাপন করলেন এবং সমাজ মাধ্যমে সেই উদযাপনের ছবি প্রকাশ করলেন?

জেলেই থাকতে হচ্ছে রাজপালকে

জেলেই থাকতে হচ্ছে রাজপালকে হাসির রাজা হিসেবে পর্দায় পরিচিত বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব। যদিও বর্তমানে তার সময়টা একদমই ভালো যাচ্ছে না। কেননা ৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায় তার জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ভারতের দিল্লির উচ্চ আদালত। ফলে আপাতত দিল্লির তিহাড় জেলেই দিন কাটবে এই অভিনেতার।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দ্য ওয়ালের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী সোমবার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে। এদিকে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বলিউডের কয়েকজন অভিনেতা অর্থ সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। জানা যায়, ২০১২ সালে ‘আতা পাতা লাপাতা’ সিনেমাটি নির্মাণের জন্য ‘মুরলি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড’ ও ‘সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া’ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন রাজপাল। তবে বক্স অফিসে সিনেমাটি মুখ থুবড়ে পড়লে তিনি ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েন। সুদ-আসলে সেই বকেয়া বর্তমানে ৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এই টাকা পরিশোধের জন্য বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও তিনি সেটি রক্ষা করতে ব্যর্থ হন। এর আগে, ২০১৮ সালের এপ্রিলে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল রাজপালকে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। পরে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি পুনরায় আত্মসমর্পণ করেন। সম্প্রতি বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানের কারণ দেখিয়ে জামিন চেয়েছিলেন অভিনেতা। তবে আদালত তার আবেদন নাকচ করে দিয়ে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করে। আপাতত আগামী সোমবার পরবর্তী শুনানির আগ পর্যন্ত তাকে জেলেই থাকতে হবে। এর আগে, কিছুদিন জেল খেটে জামিনে মুক্তি পেলেও বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় আবারও তিহাড় জেলে ঠাঁই হলো তার।