বাংলাদেশ ঠিকই করেছে’ ভারত ইস্যুতে বললেন কিংবদন্তি

বাংলাদেশ ঠিকই করেছে’ ভারত ইস্যুতে বললেন কিংবদন্তি আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, সেখানে এবার প্রকাশ্যেই বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন জানালেন ইংল্যান্ড কিংবদন্তি ও ক্রিকেট বিশ্লেষক নাসের হুসেইন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য পাকিস্তানের ভূমিকাকেও প্রশংসা করেছেন। স্কাই স্পোর্টসের এক পডকাস্টে মাইক অ্যাথারটনের সঙ্গে আলাপকালে নাসের হুসেইন বলেন, ‘আমি আসলে বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে অটল থাকায় খুশি। তারা তাদের খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আর পাকিস্তানের বিষয়টাও আমার ভালো লেগেছে রাজনৈতিক হলেও তারা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারত সফরে দল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রীলঙ্কা ও ভারতে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরে এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক। ঘটনার সূত্রপাত হয় ৩ জানুয়ারি, যখন বিসিসিআইয়ের নির্দেশে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেয়। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার নেয়। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দেয়। নাসের হুসেইনের মতে, আইসিসি বা ভারতকে চাপ দেওয়ার ক্ষেত্রে এটিই পাকিস্তানের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র। তিনি বলেন, ‘এক পর্যায়ে তো কাউকে বলতে হবে এই রাজনীতি অনেক হয়েছে, এবার ক্রিকেটে ফিরে যাই। বাস্তবতা হলো, পাকিস্তান আইসিসি বা ভারতকে যে জায়গায় আঘাত করতে পারে, তা হলো ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের অর্থনৈতিক দিক। বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক শক্তি হিসেবে ভারতের ভূমিকাও তুলে ধরেন নাসের হুসেইন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘ভারতীয় সমর্থকরা বলতে পারেন, ‘আমাদের টাকা আছে’। কিন্তু ক্ষমতার সঙ্গে দায়িত্বও আসে। বারবার যদি বাংলাদেশ বা পাকিস্তানকে কোণঠাসা করা হয়, তাদের ক্রিকেট দুর্বল হবে। তখন ভারত-বাংলাদেশ বা ভারত-পাকিস্তানের সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচগুলো একপেশে হয়ে যাবে।

৮০ বলে ১৭৫ বৈভবের, রেকর্ডবুকে তোলপাড়

৮০ বলে ১৭৫ বৈভবের, রেকর্ডবুকে তোলপাড় একজন বৈভব সূর্যবংশী। যেদিন ব্যাট হাতে ক্রিজে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে যান, সেদিন গড়েন অংসখ্য রেকর্ড। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথম ইনিংসের অর্ধেক সময় ব্যাট করলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। সেঞ্চুরির পর সুযোগ ছিল ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার। কিন্তু ব্যাটিংয়ে অধিক আগ্রাসনের কারণে থেমেছেন ১৭৫ রানে। এরপরও গড়েছেন অসংখ্য রেকর্ড। জিম্বাবুয়ের হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে টস জিতে ব্যাট করতে নামে ভারত। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ২০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে নামেন দলনেতা আয়ুস মাত্রে। তাকে নিয়েই নিজের ব্যাটিং আগ্রাসন বৈভব সূর্যবংশী। চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে ইংলিশ বোলারদের তুলোধূনো করতে থাকেন তিনি। ফাইনালে বৈভবের ইনিংসটি থামে ৮০ বলে ১৭৫ রানে। ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ১৫টি ছক্কা। এর মাধ্যমে তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে দেড়শ রান ছোঁয়ার কীর্তিও গড়েন। বিহারের ১৪ বছর বয়সী এই প্রতিভাবান ব্যাটার গড়েছেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম শতকের রেকর্ডও। এর আগে ২০২২ সালে উগান্ডার বিপক্ষে ৬৯ বলে শতক করেছিলেন রাজ অঙ্গদ বাওয়া। সূর্যবংশীই প্রথম ভারতীয় ব্যাটার, যিনি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ৬০ বলের কমে শতক করলেন। শুধু তাই নয়, অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালেও এটাই সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। এছাড়া বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ রান ও দ্রুততম দেড়শ রানের রেকর্ডটিও নিজের অধীনে করে নিলেন ১৪ বছরের এই বাঁহাতি ব্যাটার। ভারতের হয়ে যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসটিও বৈভবের দখলে। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল রাজ বাওয়ার। উগান্ডার বিপক্ষে ১৬২ রানের ইনিংসটি খেলেছিলেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে সূর্যবংশীর ব্যাট ছিল আরও ভয়ংকর। তিনি আসরে মোট ৩০টি ছক্কা হাঁকিয়ে ভেঙেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের আগের রেকর্ড (১৮ ছক্কা)। এক আসরে সর্বোচ্চ ছক্কার নতুন মানদণ্ড এখন তার নামেই। সব মিলিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দ্রুততম শতকের তালিকায় সূর্যবংশী উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে। শীর্ষে আছেন অস্ট্রেলিয়ার উইল মালাইজুক। মাত্র ৫১ বলে শতক করেছিলেন তিনি। সূর্যবংশীর নিচে রয়েছেন পাকিস্তানের কাসিম আকরাম ও ইংল্যান্ডের বেন মায়েস।

বাংলাদেশ না থাকলেও বিশ্বকাপে থাকছেন আতহার আলী

বাংলাদেশ না থাকলেও বিশ্বকাপে থাকছেন আতহার আলী নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ ভারতে ম্যাচ না খেলার অনুরোধ জানিয়েছিল, তবে আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। বৈশ্বিক এই আসরে বাংলাদেশ দল না থাকলেও দেশটির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাচ্ছেন আতহার আলী খান। আইসিসির মেগা ইভেন্টটির ধারাভাষ্যকার প্যানেলে আছেন তিনি। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ধারাভাষ্যকার প্যানেল ঘোষণা করেছে আইসিসি। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিতব্য এই মেগা ইভেন্টের ধারাভাষ্য কক্ষে থাকছেন ক্রিকেট বিশ্বের সাবেক কিংবদন্তি ও বর্তমান তারকারা। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে থাকছেন সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান। আইসিসি জানিয়েছে, টুর্নামেন্টজুড়ে মোট ৫৫টি ম্যাচে এই ধারাভাষ্যকারদের বিভিন্ন ম্যাচে ব্যবহার করা হবে। আইসিসি ডট টিভির সম্প্রচারে থাকবে প্রাক্‌-ম্যাচ অনুষ্ঠান, ইনিংস বিরতির বিশ্লেষণ, ম্যাচ শেষে আলোচনা ও প্রতিদিনের হাইলাইটস শো। নকআউট পর্ব ও ৮ মার্চের ফাইনাল পর্যন্ত পুরো টুর্নামেন্টের উত্তাপ ধরা পড়বে এসব অনুষ্ঠানে। এবারের বিশ্বকাপের ধারাভাষ্য প্যানেলে আছেন ৪০ জন। এই প্যানেলের নেতৃত্ব দেবেন রবি শাস্ত্রী, নাসের হুসেইন, ইয়ান স্মিথ এবং ইয়ান বিশপের মতো কিংবদন্তিরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন ২০২১ সালের বিশ্বকা জয়ী অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। এ ছাড়া সাবেক বিশ্বজয়ীদের মধ্যে থাকছেন দিনেশ কার্তিক, কুমার সাঙ্গাকারা, স্যামুয়েল বদ্রি, রবিন উথাপ্পা এবং কার্লোস ব্র্যাথওয়েট ইয়ন মরগান, ওয়াসিম আকরাম, সুনীল গাভাস্কার, ম্যাথু হেইডেন এবং রমিজ রাজার মতো সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ডেল স্টেইন, মাইকেল আথারটন, ওয়াকার ইউনিস এবং সাইমন ডুলের মতো আইকনিক কণ্ঠস্বরগুলোও মাঠের লড়াইয়ের বিশ্লেষণ করবেন। বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্য থেকেও থাকছেন বিশেষ কয়েকজন। সদ্য আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ধারাভাষ্যে অংশ নেবেন। এ ছাড়া ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসও আছেন তালিকায়।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু নানান জল্পনা ও কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের রাজধানী মাস্কাটে বৈঠক শুরু হয়। এতে ইরানকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ। এছাড়া ট্রাম্পের জামাতা জের্ড ক্রুসনারও ওমানে এসেছেন। বৈঠক শুরুর আগে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন তারা তাদের জাতীয় স্বার্থ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অস্বাভাবিক দাবিদাওয়া ও রাজনৈতিক হঠকারিতার বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষার জন্য প্রস্তুত আছেন। স্টিভ উইটকোফের সঙ্গে বৈঠকের আগে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসেন আরাগচি। তিনি সেখানে জানান, ইরানের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তারা কূটনীতির পথকে বেঁছে নেবেন। এদিকে গত বছরের জুনেও আলোচনায় বসেছিল যুক্তরাষ্ট্র ইরান। কিন্তু ওই আলোচনার মধ্যেই ইরানে হামলা চালিয়ে বসে দখলদার ইসরায়েল। এরপর শুরু হয় যুদ্ধ। যা ১২দিন স্থায়ী হয়। সে যুদ্ধে ইসরায়েলের পক্ষে যোগ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রও। মার্কিনিরা মূলত ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। আলোচনার মধ্যে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে হামলা চালানোয় মার্কিনিদের বিশ্বাস করা বন্ধ করে দেয় ইরান। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ফের সেই বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করছে। জানা গেছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমের পাশপাশি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা নিয়েও আলোচনা করতে চায়। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে তারা তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

জাপানে সচল হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

জাপানে সচল হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দীর্ঘ ১৫ বছর বন্ধ থাকার পর জাপানে বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে। ২০১১ সালের ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর থেকে কাশিয়াজাকি-কারিওয়া নামের এই বিশাল স্থাপনাটি বন্ধ ছিল। টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার (টেপকো) পরিচালিত এই কেন্দ্রটির একটি রিঅ্যাক্টর ৯ ফেব্রুয়ারি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান প্ল্যান্টের প্রধান তাকেইউকি ইনাগাকি। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি রি-অ্যাক্টরটি চালু করার চেষ্টা করা হলেও একটি সতর্কঘণ্টা বা অ্যালার্ম বেজে ওঠায় পরদিনই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কারিগরি ত্রুটির কারণে ওই অ্যালার্মটি বেজে উঠলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বর্তমানে রিঅ্যাক্টরটি অপারেশনের জন্য নিরাপদ বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদন মূলত ১৮ মার্চ বা তার পরবর্তী সময়ে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাশিয়াজাকি-কারিওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে মোট সাতটি রিঅ্যাক্টর থাকলেও আপাতত মাত্র একটি চালু করা হচ্ছে। ২০১১ সালে শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামির কারণে ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্রে বিপর্যয় ঘটার পর জাপান তাদের সমস্ত পারমাণবিক কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে বর্তমানে জ্বালানি তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে দেশটি পুনরায় পারমাণবিক শক্তির দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এই কেন্দ্রটির সচল হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে সরকার।বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর বিষয়টি কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নিগাতা প্রিফেকচারের এক জরিপ বলছে, প্রায় ৬০ শতাংশ বাসিন্দা কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। গত জানুয়ারিতে সাতটি প্রতিবাদী গোষ্ঠী প্রায় ৪০ হাজার মানুষের স্বাক্ষর করা একটি আবেদন জমা দিয়ে দাবি করেছে যে এই স্থাপনাটি একটি সক্রিয় ভূমিকম্প প্রবণ চ্যুতির ওপর অবস্থিত। তাদের আশঙ্কা, ২০০৭ সালের মতো শক্তিশালী কোনো ভূমিকম্প আবারও এখানে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে সব শঙ্কা ও বিতর্ক কাটিয়ে টেপকো চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিকেই এগোচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি।

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশসহ ৫ দেশ

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশসহ ৫ দেশ বাংলাদেশ ও ভারতসহ মোট ৫ দেশে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একাধিকবার কম্পন অনুভূত হয়। আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১.৩৯ থেকে ভোর ৩.৪১ পর্যন্ত অনুভূত হয় কম্পনগুলো। এর মাত্রা ছিল ৪.০ থেকে ৪.৬ এর মধ্যে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, কম্পন অনুভূত হয় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল সিকিমের নামচি এবং মাঙ্গান এলাকায়, ভূপৃষ্টের ৫ কিলোমিটার গভীরে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের কলকাতায় পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হয়েছে। ওই অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তারা কম্পন ও ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন এবং বিভিন্ন বস্তু নড়াচড়া হতে দেখেছেন। ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সিকিম ও সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ ‘ফল্ট লাইন’-এর ওপর অবস্থিত। বড় কম্পনের পর ছোট ছোট আফটারশক হওয়া স্বাভাবিক। এর আগে গত মঙ্গলবার মিয়ানমারের প্রায় ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান কেঁপে ওঠে।

প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার আর নেই

প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার আর নেই প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার মারা গেছেন। বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আজ শুক্রবার রাত আনুমানিক ৪টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সুনীল কর্মকার ১৯৫৯ সালে ১৫ জানুয়ারি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার বান্দনাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাত্র সাত বছর বয়স থেকেই গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কেবল কণ্ঠ নয়, বেহালা, দোতারা, তবলা ও হারমোনিয়াম-একাধিক বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারদর্শী ছিলেন এ শিল্পী। বিখ্যাত বাউলশিল্পী ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর গান শুনেই গানের জগতে নিজেকে সঁপে দেন বালক সুনীল। ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর অসংখ্য গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। এর মধ্যে বহু জনপ্রিয় ও খ্যাতনামা গান রয়েছে। এছাড়াও তার নিজের লেখা গানের সংখ্যাও কম নয় প্রায় দেড়শো থেকে দুইশোর কাছাকাছি গান রচনা করেছেন তিনি। ময়মনসিংহ বিভাগীয় বাউল সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো.নজরুল ইসলাম বলেন, উনি দীর্ঘকাল ধরে বাউল ও লোকসংগীতের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে আধ্যাত্মিক চেতনার বাণী পৌঁছে দিয়েছেন। সুনীল কর্মকার শুধু একজন গায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন গ্রাম বাংলার লোকজ ঐতিহ্যের ধারক। একতারা ও দোতারার ছন্দে তার কণ্ঠে সেই বিশেষ আবেদন শ্রোতাদের মুগ্ধ করতো। সুনীল কর্মকারের কাছে সংগীতই ছিল একমাত্র ধ্যান ও জ্ঞান। ওস্তাদ জালাল উদ্দীন খাঁর ‘মানুষ ধরো, মানুষ ভোজ’ বিখ্যাত গান গেয়ে ভীষণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তিনি ।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, ডিপজল

আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, ডিপজল এক সময়ের জনপ্রিয় খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল উপহার দিয়েছেন দর্শকপ্রিয় ও ব্যবসাসফল অনেক সিনেমা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নতুন কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় না করলেও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও আয়োজনে তাকে তেমন দেখা যায় না। যদিও চলচ্চিত্র অঙ্গনে সরব না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত সক্রিয় ডিপজল। আজ (৬ ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পবিত্র জুম্মা উপলক্ষে তিনি সবার জন্য দোয়া ও শুভেচ্ছা জানান। পোস্টে ডিপজল লেখেন, “পবিত্র জুম্মার দিনে আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, হেদায়েত দিন এবং শান্তিতে রাখুন। জুম্মা মোবারক। তার এই বার্তাটি মুহূর্তের মধ্যেই ভক্ত ও অনুসারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই লাইক ও মন্তব্যের মাধ্যমে ‘আমিন’ জানিয়ে জুম্মার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ১৯৬২ সালের এইদিনে জন্মগ্রহণ করেন ডিপজল। ‘সতী কমলা’ সিনেমায় প্রথম নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। ‘টাকার পাহাড়’, ‘হাবিলদার’, ‘ডাকাত’সহ বেশ কিছু সিনেমায় নায়কের ভূমিকায় দেখা গেছে তাকে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘তেজী’ সিনেমায় প্রথম খল চরিত্রে অভিনয় করেন এ অভিনেতা। এরপর অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ডিপজল অভিনীত ও প্রযোজিত বেশ কয়েকটি সিনেমা বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

সংসার জীবন নিয়ে গায়িকা সিঁথি

সংসার জীবন নিয়ে গায়িকা সিঁথি ভালোবেসে নিউজিল্যান্ড প্রবাসী এক তরুণকে বিয়ে করেছিলেন সংগীতশিল্পী সিঁথি সাহা। এ সংসারে তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। তবে এ সংসার সুখের হয়নি শিল্পীর। কয়েক দিন আগে একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন। সংসার জীবনের অজানা অধ্যায় ভাগ করে নেন। সিঁথি সাহা জানান একজন রাক্ষস পাশে নিয়ে ঘুমাতেন তিনি। এ আলাপচারিতায় সঞ্চালক জানতে চান, প্রেম-বিয়ে নিয়ে আপনার একটা খামখেয়ালিপনা ছিল। আপনার কি মনে হয় এটা অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত ছিল? জবাবে সিঁথি সাহা বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই তাই মনে হয়। কারণ আমার বিয়েটাই ভুল ছিল। যে বিয়ের কারণে আমার ক্যারিয়ার নষ্ট হলো। ২০১০-১১ সাল আমার উঠতি ক্যারিয়ার ছিল। আমি রাইজিং সুপারস্টার ছিলাম। ওই সময়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া, পাগলের মতো প্রেমে পড়ে নিউজিল্যান্ড চলে যাওয়া, অবশ্যই একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। এটা কোনো হ্যাপি ম্যারেজ ছিল না। আমার জীবনটা ধ্বংস করে দিয়েছে। প্রেম করে বিয়ের পরও এমনটা কেন হলো? এ প্রশ্নের উত্তরে সিঁথি সাহা বলেন, “এ বিয়েতে আমার বাবা-মা কেউই রাজি ছিলেন না। আমার পাগলের মতো প্রেম, তারপর বিয়ে। ছেলেও আমাকে বিয়ে করার জন্য মরিয়া ছিল। আমাকে বিয়ে করার জন্য নিউজিল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে চলে আসে। তারপর বিয়ে হয়। এটা একটা অসম সম্পর্ক ছিল। খানিকটা ব্যাখ্যা করে সিঁথি সাহা বলেন, “শুরুতে তাদের (শ্বশুরবাড়ির লোকজন) কাছে আমার গান ভালো লাগত। বিয়েটা হয়ে যাওয়ার পর শ্বশুরবাড়িতে নিয়ম করা হলো রাত ৯টার পর আমি বাড়ির বাইরে থাকতে পারব না। সুতরাং আমি আর রাতে কোনো শো করতে পারতাম না। আমার বন্ধুরা দাওয়াত দিলেও যেতে পারতাম না। আর যদি যেতামও তাড়াতাড়ি চলে আসতাম। এমনকি, এখনো সেই আতঙ্ক কাজ করে; আমাকে রাত ৯টার মধ্যে বাসায় ফিরতে হবে। ওই বাসার মধ্যে অসুস্থ একটা পরিবেশ ছিল, আমি অ্যাবিউজড হয়েছি। প্রেম পবিত্র জিনিস। বিয়ের আগে তো ক্যারিয়ার নিয়েও কথাবার্তা হয়, সেরকম কিছু আপনাদের হয়নি? জবাবে সিঁথি বলেন, “প্রেম তো মানুষ অন্ধভাবে করে। বিয়ের আগে এতসব বুঝতে পারি নাই। তখন ওরা যথেষ্ট বিনয়ী ছিল। একটি ঘটনা বর্ণনা করে সিঁথি সাহা বলেন, “বিয়ের পর যেদিন আমি ওদের বাড়ি গেলাম। বিয়ের পরের দিন ওর বাবা-মা-বোন সবাই মিলে একটা গোল মিটিং করছিল। সেখানে আমাকে ডেকে নিয়ে বলল, ‘গীতা ছুঁয়ে বলো তুমি আর তোমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতে পারবে না।’ বিয়ের দিন একটা সমস্যা হয়েছিল, সেটা নিয়ে এমন বক্তব্য আসে। কিন্তু তাই বলে এটা তো হতে পারে না! এটা একটা ছোট ঘটনা। যাইহোক, বাসাটার মধ্যে একটা অসুস্থ পরিবেশ ছিল; আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল। কারণ আমি মানসিক-শারীরিকভাবে অ্যাবিউজড ছিলাম।” সিঁথিকে তার স্বামী নির্যাতন করতেন। এ তথ্য স্মরণ করে এই শিল্পী বলেন, “আমি ছোটবেলায় ভূত খুব ভয় পেতাম। আমি ওয়াশরুমে গেলেও মা দাঁড়িয়ে থাকতেন। যেদিন আমার বিয়ে হয়েছে, তারপর থেকে আমি আর ভূত ভয় পাই না। কারণ আমি আমার পাশে একজন রাক্ষস নিয়ে ঘুমাতাম। দেখা যেত, রাতে কোথাও থেকে ফিরল, এসেই আমাকে টর্চার করা শুরু করল। একপর্যায়ে আমার জীবন হুমকির মুখে পড়ে গেল। ওর বাবা-মা থানায় জিডি করতে গেল। এটা বাংলাদেশের ঘটনা, নিউজিল্যান্ডেও এরকম হয়েছে। সংসার টিকানোর চেষ্টা করেছেন সিঁথি। সবশেষে তা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সিঁথি সাহা বলেন, “আমরা তো বাবা-মাকে দেখেই বড় হই। আমাদের হিন্দু ধর্মে বলা হয়, একটাই স্বামী। বিয়ে একবারই হয়। একটু সহ্য করো সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। ওর মা-ও বলত, বাবু (সিঁথির স্বামী) ছোট মানুষ, একটু ধৈর্য ধরো সব ঠিক হয়ে যাবে। এই ঠিক হয়ে যাওয়ার চক্করে আমার জীবন থেকে ১০টি বছর নাই হয়ে গেছে। শেষ অধ্যায়ে কী পেলাম? কিছুই না। চেষ্টা করলাম সংসার টিকানোর, সংসারও টিকলো না, ক্যারিয়াও নষ্ট হয়ে গেল। আর এই যে ট্রমা নিলাম, এই ট্রমার কারণে এখনো রাতেরবেলায় মনে হয়, কেউ আমার উপরে হামলে পড়বে! শৈশবে মায়ের কাছ থেকে সংগীতের হাতেখড়ি সিঁথি সাহার। তারপর শাস্ত্রীয়, লোক ও আধুনিক সংগীত রপ্ত করেন ছায়ানট ও সম্মেলন পরিষদ থেকে। রবীন্দ্রসংগীতের জন্য চারটি জাতীয় পুরস্কারসহ অনেক সম্মাননা পেয়েছেন এই শিল্পী। এরই মধ্যে তার শরীরে ক্যানসার বাসা বেঁধেছিল। তবে এই যুদ্ধে জয়ী হয়ে সুস্থ হয়েছেন। এখন সন্তান ও গান নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন এই শিল্পী।

সাবেক ও বর্তমান প্রেম নিয়ে অজানা কথা শোনাবেন মিথিলা

সাবেক ও বর্তমান প্রেম নিয়ে অজানা কথা শোনাবেন মিথিলা মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ বিজয়ী ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করা মডেল তানজিয়া জামান মিথিলা এবার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটাতে যাচ্ছেন। জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-র নতুন এক পর্বে অতিথি হয়ে নিজের সাবেক ও বর্তমান প্রেম নিয়ে বেশ কিছু অজানা তথ্য শেয়ার করেছেন তিনি। একইসঙ্গে বড় পর্দায় নায়িকা হিসেবে আসার খবরটি। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’-এ সেরা ৩০-এর মধ্যে ১২তম স্থান অধিকার করে আলোচনায় আসা এই তারকা জানান, সিনেমার জন্য সব কথাবার্তা চূড়ান্ত। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে আসবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। আগে ওটিটির জন্য নির্মিত ‘রোহিঙ্গা’ সিনেমায় কাজ করলেও অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে আরও ভাঙতে চান মিথিলা। পডকাস্টে নিজের সীমাবদ্ধতা নিয়ে অকপটে তিনি বলেন, অভিনেত্রী হিসেবে আমার অনেক ধরনের সীমাবদ্ধতা আছে। আমি এখনো নায়িকাদের মতো নাচতে পারি না। তবে আমি একজন অভিনেত্রী হওয়ার জন্য যা যা জানা দরকার, সব কিছুই জানতে চাই, শিখতে চাই। মডেলদের অভিনয় দক্ষতা নিয়ে প্রচলিত ধারণা প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, অনেকে বলেন, মডেলরা অভিনয় পারেন না। কিন্তু যারা আজ সুপ্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী, তাদের মধ্যেও অনেকে শুরুতে অভিনয় পারতেন না। তাদের সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার পেছনে দীর্ঘ সময় পাড়ি দিতে হয়েছে। মডেলরাও লেগে থাকলে ভালো অভিনয় করতে পারবে। জেড আই ফয়সাল প্রযোজিত এবং রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই পর্বটি আগামী শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন এবং রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ প্রচারিত হবে।