বিশ্ববাজারে সোনা-রুপা-তেলের দামে ধস

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপা-তেলের দামে ধস বিশ্ববাজারে সোনা, রুপা, তামা, অপরিশোধিত তেলসহ বিভিন্ন পণ্যের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে ফোনালাপের পর বৈশ্বিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়া এবং একই সঙ্গে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বাজারে ঝুঁকি কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে পণ্যমূল্যে, আর শক্তিশালী হয়েছে মার্কিন ডলার। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রুপার দাম প্রায় ১৫ শতাংশ কমেছে। একই দিন সোনা, অপরিশোধিত তেল ও তামার দাম কমেছে গড়ে প্রায় দুই শতাংশ করে। এদিন ডলারের সূচক প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। এর ফলে অন্য মুদ্রাধারীদের কাছে ডলারে মূল্যায়িত সোনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। আইজি ব্রোকারেজের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতু ও অন্যান্য পণ্যে চরম অস্থিরতা দেখা গেছে। আজকের দরপতন মূলত সেই অস্থিরতার পরবর্তী প্রতিক্রিয়া। তিনি আরও বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা আবারও পথে ফিরছে এমন ইঙ্গিত পাওয়ায় পণ্যবাজার থেকে বিশেষ করে তেলের ক্ষেত্রে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিজনিত অতিরিক্ত দাম সরে যাচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের ফোনালাপের পর যুক্তরাষ্ট্র–চীন বাণিজ্য উত্তেজনাও কিছুটা কমেছে। এ কারণে বিনিয়োগকারীরা এই দামে সোনা বিক্রির দিকে ঝুঁকছেন বলে মন্তব্য করেন সাইকামোর। এশীয় বাজারে দিনের শুরুতে ডলার স্থিতিশীল থাকলেও পরে এর সূচক প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। শক্তিশালী ডলার সাধারণত পণ্যমূল্যের ওপর নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি করে। সোনা-রুপা-তেলের দামে ধস গত সপ্তাহে স্পট সোনার দাম রেকর্ড ৫ হাজার ৫৯৪ দশমিক ৮২ ডলার প্রতি আউন্সে এবং রুপার দাম ১২১ দশমিক ৬৪ ডলারে উঠেছিল। বৃহস্পতিবার সেখান থেকেই বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। এদিন স্পট মার্কেটে সোনার দাম ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮৩৮ দশমিক ৮১ ডলারে। এপ্রিল ডেলিভারির যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসও ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮৫৫ দশমিক ৬০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। রুপার বাজারে দরপতন আরও তীব্র। স্পট রুপার দাম একদিনে প্রায় ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্স ৭৪ দশমিক ৯৪ ডলারে। ওসিবিসির কৌশলবিদ ক্রিস্টোফার ওং বলেন, প্রায় সব ধরনের সম্পদ শ্রেণিতে বিনিয়োগকারীদের মনোভাব দুর্বল হয়ে পড়েছে। কম তারল্যের বাজারে একটির ক্ষতি অন্যটির ক্ষতিকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে মূল্যবান ধাতু, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও আঞ্চলিক শেয়ারবাজারে। এদিন তেলের দামও প্রায় দুই শতাংশ কমেছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার ওমানে আলোচনায় বসতে সম্মত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে। অন্যদিকে, তামার দামে চাপ বাড়িয়েছে চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ এবং লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে নিবন্ধিত গুদামগুলোতে মজুত বৃদ্ধির খবর। যদিও এর আগে চীন তামার কৌশলগত মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনার কারণে দাম কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। তবে সব পণ্যের মধ্যে ব্যতিক্রম ছিল সয়াবিন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও সয়াবিন কেনার বিষয়টি বিবেচনা করছে। তার এমন মন্তব্যের পর সয়াবিনের দাম দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। সূত্র: রয়টার্স

১৩ হাজার ৫৯৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন যেভাবে

১৩ হাজার ৫৯৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন যেভাবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সুপারসহ ১৩ হাজার ৫৯৯টি প্রশাসনিক পদে ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬’ এর অনলাইন আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ প্রক্রিয়া শুরু হয়। নতুন প্রকাশিত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্ল্যাটফর্ম হালনাগাদের সুবিধার্থে এই সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এনটিআরসিএ’র পরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে গত ২ ফেব্রুয়ারি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট নতুন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ প্রকাশ করা হয়েছে। জারি করা এই নতুন নীতিমালার আলোকে এনটিআরসিএ’র নিয়োগ পরীক্ষার অনলাইন আবেদন গ্রহণের প্ল্যাটফর্মটি হালনাগাদ করার কাজ বর্তমানে চলমান আছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনিবার্য কারণে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ (প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান) পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এনটিআরসিএ’র তথ্য অনুযায়ী, মাউশির স্কুল ও কলেজে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে মোট ১০ হাজার ২৭৮টি শূন্যপদ রয়েছে। এরমধ্যে স্নাতক (পাস) কলেজে অধ্যক্ষ ৫৮৪, উপাধ্যক্ষ ৬২৭টি। উচ্চমাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ পদে শূন্যপদ রয়েছে ৭৬৮টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ ৩ হাজার ৯২৩টি এবং সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ ৩ হাজার ৮৭২টি। এ ছাড়া নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ রয়েছে ৫০৪টি। মাদরাসা অধিদপ্তরের আওতাধীন কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষের শূন্যপদ ৩৪টি এবং উপাধ্যক্ষ পদে শূন্য রয়েছে ৫৩টি। ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ পদ ২০২টি, ফাজিলের উপাধ্যক্ষ পদ ৩৪৩টি, আলিমের অধ্যক্ষ পদ শূন্য ২১৯টি, উপাধ্যক্ষ পদ ৩৭৭টি। এ ছাড়া দাখিল মাদরাসায় সুপার পদ শূন্য ৮৯১টি এবং সহকরী সুপারের ১ হাজার ৪টি শূন্যপদ রয়েছে। সবমিলিয়ে মাদরাসায় অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপারের শূন্যপদ ৩ হাজার ১৩১টি। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য অধ্যক্ষ পদ ১১০টি, ভোকেশনালে শূন্য সুপার পদ ৪০টি এবং সহকারী সুপার ৪০টি। সবমিলিয়ে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদ শূন্য ১৯০টি। অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ জানায়, যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থীদের http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যাবে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট https://ntrca.gov.bd এবং টেলিটকের ওয়েবসাইটে। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে আবেদন গ্রহণ। এরপর দিন ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ পর্যন্ত টাকা জমা দেওয়া যাবে।

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার প্রবাসী

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার প্রবাসী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা ভোট দেয়ার সুযোগ পেয়েছে। ভোট দিতে আগ্রাহী প্রবাসীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর কাজ আগেই শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালট হাতে পেয়ে ভোটদান সম্পন্ন করে ব্যালট বাংলাদেশে পাঠানো শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১৬ জন প্রবাসী ভোট প্রদান সম্পন্ন করেছেন। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ থেকে এ তথ্য জানা যায়। প্রবাস থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করা ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জন প্রবাসী ভোটারের ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ভোট প্রদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১৬ জন। প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫২টি পূরণকৃত ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাকবাক্সে জমা দেওয়া হয়েছে।এর মধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯২৪টি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে দেশে ও প্রবাসে মিলিয়ে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে দেশের অভ্যন্তর থেকে নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪২ জন ভোটার। তাদের মধ্যে আইনি হেফাজতে থাকা ভোটার রয়েছেন ৬ হাজার ২৪০ জন। দেশের অভ্যন্তরে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৬ লাখ ৬২ হাজার ১৯১টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের দিন বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত যেসব পোস্টাল ব্যালট পৌঁছাবে, কেবল সেগুলোই গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনা সদর। প্রথমবারের মতো এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। নির্বাচনে এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, এর আগের নির্বাচনে কত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল, আগের চেয়ে বাড়তি সদস্য মোতায়েন করা হলো কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে আমাদের সদস্য মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে, এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিল না। আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করেছি। তিনি বলেন, ‘এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনা সদস্যদের রেখে বাকি সব সেনা সদস্যকে নিয়োগ করেছেন সুষ্ঠু ইলেকশন করার জন্য।’ তিনি আরো বলেন, ‘যে কারণে আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের যে প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল, আমরা অসামরিক প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি যেন তারা রিকুইজিশন করে আমাদের গাড়ি দেয়। সেটাও যখন দিতে পারছে না তখন আমরা গাড়ি হায়ার করে হলেও সেনা সদস্যরা যাতে টহল দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেনা সদস্যরা প্রস্তুত এটার জন্য, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দিনরাত টহল পরিচালনা করছেন, মাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য। এটা জোরদার করা হয়েছে গত ২০ জানুয়ারি থেকে।’  

১০ বছরের ছোট ছেলেকে বিয়ে, কেন ইন্ডাস্ট্রি ছেড়েছিলেন ঊর্মিলা?

১০ বছরের ছোট ছেলেকে বিয়ে, কেন ইন্ডাস্ট্রি ছেড়েছিলেন ঊর্মিলা? একটা সময়ে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে একের পর এক সুপারহিট সিনেমায় অভিনয় করে দশর্কদের মাতিয়ে রেখেছিলেন অভিনেত্রী ঊর্মিলা মাতন্ডকর। সিনেমায় তার অভিনয়ের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছিলেন সবাই। অসংখ্য হিট সিনেমা উপহার দেওয়ার পরও একটা সময়ে অভিনয় থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেন অভিনেত্রী। যে সময়ে তার ক্যারিয়ার ছিল তুঙ্গে। খুব অল্প বয়সেই ক্যামেরার মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। মাত্র তিন বছর বয়সে ‘কর্মা’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন ঊর্মিলা। এর পর ‘মাসুম’ সিনেমায় অভিনয় করেন। পড়াশোনার পাশাপাশিই অভিনয় চালিয়ে গিয়েছিলেন ঊর্মিলা। কিন্তু হঠাৎ করেই কেন ক্যারিয়ারের শীর্ষে থেকে ইন্ডাস্ট্রি ছেড়েছিলেন অভিনেত্রী? ১৯৯৫ সালে ‘রঙিলা’ সিনেমার মাধ্যমে সবার মন ছুঁয়েছিলেন ঊর্মিলা মাতন্ডকর। যে সিনেমা তার ভাগ্য সম্পূর্ণরূপে বদলে দিয়েছিল। অভিনেতা আমির খান ও জ্যাকি শ্রফের মতো বড় তারকাদের মধ্যেও ঊর্মিলা সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছিলেন। তার নাচ, আত্মবিশ্বাস ও স্টাইল সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। এরপর তিনি ‘রঙিলা গার্ল’ নামে পরিচিত হন। এরপরেই পরিচালক রাম গোপাল ভার্মার সঙ্গে প্রেম চর্চা শুরু হয়েছিল ঊর্মিলার। পরিচালকের সাবেক স্ত্রী রত্না সেই প্রেমের গুজবের মধ্যেই একদিন শুটিং সেটে এসে ভীষণ তর্কবিতর্কের মাঝেই কষিয়ে চড় মারেন ঊর্মিলাকে। রত্নার দাবি, এ সম্পর্কের গুঞ্জনের প্রভাব পড়েছিল তাদের বিবাহিত জীবনেও। তবে সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হলো যখন ঊর্মিলা তার ক্যারিয়ারের শীর্ষে, তখনই সিনেমা জগৎ থেকে সরে যান। যে বয়সে অভিনেত্রীরা সাধারণত তাদের ক্যারিয়ার আরও ভালোভাবে শুরু করেন, সেই সময়ে তিনি ক্যামেরা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এ সিদ্ধান্ত কোনো বাধ্যবাধকতা বা ব্যর্থতার জন্য নয়। বরং নিজের ইচ্ছায় সে কাজ করেন ঊর্মিলা মাতন্ডকর। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সিনেমা জগৎ থেকে দূরে থাকার পর অভিনেত্রী হিন্দু রীতি অনুসারে কাশ্মীরি ব্যবসায়ী মহসিন আখতার মীরকে বিয়ে করেন। তার মুম্বাইয়ের বাড়িতে একটি মণ্ডপ তৈরি করা হয় এবং সেখানেই বিয়ে করেন। স্বামী তার চেয়ে প্রায় ১০ বছরের ছোট ছিলেন। আট বছরের বিবাহিত জীবন কাটানোর পর ২০১৪ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। যদিও তাদের কোনো সন্তান নেই।

বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন সাফা কবির

বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন সাফা কবির ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে শোবিজে কাজ করছেন। অভিনয় দিয়ে জয় করেছেন দর্শকদের মন। চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে বারবার ভেঙেছেন আবার গড়েছেন। সাফা কবিরের সমসাময়িক অভিনেত্রীদের মধ্যে মেহজাবীন চৌধুরী, মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া, শবনম ফারিয়া, সাবিলা নূর, শেহতাজ মুনিরা হাশেম ইতিমধ্যেই সংসারী। তাই প্রায়ই সাফাকে শুনতে হয়- কবে বিয়ে করছেন? এ বিষয়ে সাফা কবির বলেন, ‘আমার পরিবার থেকে কোনো তাড়াহুড়া নেই। আব্বু-আম্মু সব সময় আমাকে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছেন। তারা সব সময় বলেছেন, সাফা যেটা চাইবে সেটাই হবে। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন একটা সময়ে বিয়ে করতে চাই, যখন আমার জীবনে এমন একজন মানুষ আসবে, যার সঙ্গে সারা জীবন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই থাকা যাবে। হুটহাট বিয়ে করে কিছুদিন পর ভেঙে যাওয়ার চেয়ে, আস্থার সঙ্গে বিয়ে করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাফার কথায়, সে রকম কাউকে এখনও খুঁজে পাননি। তার ভাষ্য, ‘আমি অনেক কাজ নিয়ে ব্যস্ত। সামনে হয়তো হবে। দোয়া করি, আল্লাহ একজন ভালো মানুষ দেবেন। আমার বিশ্বাস আছে। এদিকে, সম্প্রতি কক্সবাজারে ‘মৎস্যকন্যা’ নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন সাফা। সেখান থেকে ঢাকায় ফিরেই শুরু হয়েছে নতুন কাজের ব্যস্ততা। পাশাপাশি ঈদ সামনে রেখে প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি।

দ্বীনের পথে অভিনেত্রী নওবা তাহিয়া, অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা

দ্বীনের পথে অভিনেত্রী নওবা তাহিয়া, অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা অভিনয় জগৎ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তরুণ অভিনেত্রী নওবা তাহিয়া। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে শোবিজ ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। ফেসবুক পোস্টে অভিনয় ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নওবা তাহিয়া লেখেন, “এই মুহূর্তে আমি আমার দ্বীনের মধ্যে, নিজের ভেতরে, শেখার মধ্যে এবং যাদের সঙ্গে থাকলে ঘরের মতো অনুভূতি হয় তাদের সঙ্গেই শান্তি খুঁজে পাচ্ছি। শোবিজে চারটি সুন্দর বছর কাটানোর পর এখন থামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নওবা তাহিয়া। এই সময়টা তার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় ছিল উল্লেখ করে এতদিন পাশে থাকা সবাইকে ধন্যবাদ জানান এই অভিনেত্রী। পোস্টে নওবা তাহিয়া স্পষ্ট করে জানান, এখন থেকে তার আর কোনো নতুন কাজ আসবে না না নাটক, না টিভিসি, না ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। তবে আগে করা কিছু কাজ ভবিষ্যতে প্রকাশ পেতে পারে, যদিও সেগুলোর সঙ্গে তিনি আর সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকবেন না। দর্শক-ভক্তদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নওবা তাহিয়া লেখেন, “এতদিন যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছেন, তার জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞ। ছোটবেলায় শিশুদের অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেন নওবা তাহিয়া। পরে নাটক ও ওটিটিতে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের নজর কাড়েন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে টিভি নাটক‘চুপি চুপি’, ‘প্রথম প্রেমে বানান ভুল’, ‘মায়াপূরাণ’, ‘শুধু তুমি’, ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প ‘কন্ট্রোল প্লাস জেড’ এবং চরকির ওয়েবফিল্ম ‘পুনর্মিলন’। পড়াশোনার কারণে আগেও কয়েক মাস অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন নওবা তাহিয়া। তবে এবার শোবিজকে একেবারেই বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিলেন এই অভিনেত্রী।

ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে নতুন ভুবনে বালাম

ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে নতুন ভুবনে বালাম গায়কি একান্তই তাঁর মতো। তাই কারও সঙ্গে তুলনা করতে যাওয়া বৃথা। কিন্তু গায়কি নিয়ে ক্ষণে ক্ষণে নিজেকে বদলে দেওয়া যায়, ভিন্ন অবয়বে বারবার ফিরে আসা যায় দর্শক-শ্রোতার মাঝে। এর একাধিক উদাহরণ দেওয়া যায় বালামের বেলায়। পুরো নাম বালাম জাহাঙ্গীর। নামের প্রথম অংশ তাঁর পরিচিতির জন্য যথেষ্ট এবং সেই ‘বালাম’ শব্দটি অগণিত সংগীতপ্রেমীর ভীষণ প্রিয়। অনেকে জানান, বালাম শুধু সময়ের আলোচিত শিল্পীই নন, একাধারে সুরকার ও সংগীত পরিচালক। তাই কখন কোন সুরে গাইতে হবে, কোন মূর্ছনায় সংগীতপ্রেমীদের হৃদয় স্পন্দনের উঠানামা করে– তা বালামের খুব ভালোভাবেই জানা। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, যে শিল্পী, সুরকার ও সংগীতায়োজক সহজেই শ্রোতার পাল্স বুঝতে পারেন; তাঁর সম্পর্কে শ্রোতারা খুব বেশি কিছু জানার সুযোগ পান না। এই যেমন কদিন আগে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার ‘ও প্রিয়তমা’ গানের জন্য শ্রেষ্ঠ কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পেলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, অথচ এ নিয়ে বালামের অনুভূতি কী? তা জানার সুযোগ হলো ভক্তদের। বালামের কথা থেকে কেবল এটুকু জানা গেছে, এই স্বীকৃতি নিয়ে তিনি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা সবাই আনন্দিত। রাষ্ট্রীয় এই স্বীকৃতির জন্য ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার টিম ও ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন। তারপরও এত বড় একটি অর্জন নিয়ে অনেকে যেভাবে উচ্ছ্বাস উল্লাস প্রকাশ করেন, তেমন কিছুই চোখে পড়েনি বালামের বেলায়। আসলে বালামের বেলায় এটাই স্বাভাবিক। কারণ, বরাবরই তিনি নিভৃতচারী; কিছুটা অন্তর্মুখী। সামাজিক মাধ্যমেও সক্রিয় নন বালাম। তাই কখন কী করছেন, সংগীত নিয়ে নতুন পরিকল্পনা, ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনা, এমন অনেক বিষয় অজানা থেকে যায়। তবে এটাও সত্যি, প্রতিটি সৃষ্টির পেছনে নিজেকে তিনি উজাড় করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁর গায়কি আর সংগীতায়োজন থেকে তারই প্রমাণ মেলে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেকে ভেঙে নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা দেখা গেছে বহুবার। সে কারণেই রেনিগেডস ব্যান্ডের বালামের সঙ্গে ওয়াফেইজের বালামকে কখনও মেলানো যায়নি। একইভাবে একক ক্যারিয়ার গড়ার পরও এই শিল্পী ও সংগীতায়োজককে নতুনভাবে আবিষ্কারের সুযোগ পেয়েছেন শ্রোতারা। ‘ভুবন’ এরপর আরও তিনটি একক অ্যালবামের পাশাপাশি মিশ্র অ্যালবাম ‘প্রেম শিকারি’, ‘আঁধার’, ‘দ্য গুরুস অব লাভ’, ‘ছায়াশিকারি’, দ্বৈত অ্যালবাম ‘বালাম ফিচারিং জুলি’, একক গান ‘চুপচাপ চারিদিক’সহ তাঁর আরও বেশ কিছু আয়োজন সংগীতপ্রেমীদের মনে আজও অনুরণন তুলে যাচ্ছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, যার একের পর এক সৃষ্টি শ্রোতাদের মাঝে সাড়া জাগিয়ে যাচ্ছিল, সেই বালাম হঠাৎ করেই উধাও হয়ে গিয়েছিলেন গানের ভুবন থেকে। দীর্ঘদিন সেভাবে দেখা মেলেনি নন্দিত এই শিল্পীর। কী হলো, কেন আড়ালে চলে গেলেন বালাম? এই প্রশ্ন যখন অনেকের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল তখনই জানা যায়, গুরুতর অসুস্থ স্ত্রীকে সময় দিতেই সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। এরপর অনেক ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে কয়েক বছরের বিরতি ভেঙে নতুনভাবে ফিরলেন বালাম। ‘ও প্রিয়তমা’ গানের মধ্য দিয়ে তুলছেন আলোড়ন। ‘প্রিয়তমা’ ছবির এই গানটি স্বল্প সময়ে শুধু ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে জায়গা করে নেয়নি, কোটি কোটি দর্শক-শ্রোতার হৃদয়ও জয় করেছে। কোনালের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে গাওয়া এবং আসিফ ইকবালের লেখা ও আকাশ সেনের সুরের এই গানটি বালামকে এনে দিয়েছে পুনর্জন্মের স্বাদ। সবশেষে এই গানে এনে দিয়েছে সেরা শিল্পীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অথচ এমন সাফল্যের পরও বালাম শুধু এটুকুই বলেন, ‘শ্রোতা আমার গান শুনেছেন, ভালো লাগার কথা প্রকাশ করছেন, ভালোবাসা দিচ্ছেন– এটা পরম পাওয়া। আসলে হঠাৎ করেই ‘ও প্রিয়তমা’ গানটি গাওয়ার সুযোগ এসেছে। নিজেকে উজাড় করে গেয়েছি। এরপর যা হয়েছে, সেটাকে ম্যাজিক ছাড়া আর কিছু বলার নেই।’ বালামের এ কথা যে একটুকু ভুল নয়, তার প্রমাণ মেলে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার পর প্লেব্যাকে নিয়মিত ব্যস্ত হয়ে ওঠায়। ‘প্রিয়তমা’র পর ‘রাজকুমার’ সিনেমায় প্লেব্যাক করে দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছেন তিনি। যার সুবাদে তাঁর শ্রোতার প্রত্যাশা বেড়ে গেছে আরও কয়েক গুণ। আর সেটি বুঝতে পেরে বালামও দীর্ঘ এক যুগ পর অ্যালবাম প্রকাশের ঘোষণাও দিয়েছেন। জানিয়েছেন, আসছে ঈদে পূর্ণাঙ্গ একক অ্যালবাম প্রকাশ করতে যাচ্ছেন তিনি। শিরোনাম ‘মাওলা’। এর প্রতিটি গানের সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন এই শিল্পী নিজেই। তাঁর এই কথা থেকে এটাও অনুমান করতে কষ্ট হয় না যে, পঞ্চম এই একক অ্যালবামের সূত্র ধরে শ্রোতারা বালামকে আরও একবার নতুনভাবে আবিষ্কারের সুযোগ পাবেন। কেননা, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আনকোরা সংগীতায়োজন তুলে ধরাই নন্দিত এই শিল্পীর লক্ষ্য, যার প্রমাণ মিলেছে বহুবার।