প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বাড়ালো ভারত

প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বাড়ালো ভারত প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বাড়ালো ভারত। রবিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ তার বাজেট বক্তৃতায় এ তথ্য জানিয়েছেন। এনডিটিভি অনলাইন জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতে প্রতিরক্ষা বাজেটের অঙ্ক হবে ৭ লক্ষ ৮৫ হাজার কোটি রুপি। গত অর্থবছরের তুলনায় এবার বাড়তি ১ লাখ ৪ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা খাতে ৬ লাখ ৮১ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের তুলনায় বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধির হার ছিল ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এবার বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ। এ বারের বাজেটে প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে আধুনিকীকরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার কোটি রুপি। গত অর্থবছরের তুলনায় এই হার ২১ শতাংশেরও বেশি। প্রধানমন্ত্রী মোদীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্লোগান অনুসরণ করে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে সমরাস্ত্র উৎপাদনে। অর্থমন্ত্রীর পেশ করা বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ১১ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় ছিল জিডিপির ৮ শতাংশ। বর্তমানে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখায় (স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনী) ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ৬৫ শতাংশ দেশে তৈরি হয়। আমদানিতে নির্ভরতা কমিয়ে আগামী দিনে তা আরো বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। এই উদ্দেশ্যে বিমান এবং বিমান ইঞ্জিন নির্মাণের জন্য ৬৩ হাজার ৭৩৩ কোটি রুপি পৃথক বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, “অপারেশন সিঁদুরের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর এই বাজেট দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমাদের সংকল্পকে আরো শক্তিশালী করেছে এই বাজেট নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং স্বনির্ভরতার মধ্যে ভারসাম্যকে শক্তিশালী করে।

পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে কবে?

পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে কবে? বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চাঁদ দেখার মানদণ্ড এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ১৪৪৭ হিজরির রমজান মাস শুরুর চাঁদ ১৭ ফেব্রুয়ারি আরব কিংবা ইসলামি বিশ্বের কোনও স্থান থেকে দেখা যাবে না। আবুধাবিভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের (আইএসি) পরিচালক প্রকৌশলী মুহাম্মদ শওকত ওদেহ বলেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) আরব ও ইসলামি বিশ্বের সব অঞ্চল থেকেই খালি চোখে, টেলিস্কোপে কিংবা উচ্চক্ষমতার জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করেও চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব কিংবা সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যেসব দেশ নিশ্চিতভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে, সেসব দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারিকে (বুধবার) শাবান মাসের ৩০তম ও শেষ দিন হিসেবে ধরা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ এসব দেশে ১৯ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চাঁদ দেখার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে প্রকৌশলী ওদেহ বলেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ইসলামি বিশ্বের পূর্বাঞ্চলে সূর্যের আগে অস্ত যাবে চাঁদ। এছাড়া মধ্যাঞ্চলে সূর্যের সঙ্গে একই সময়ে অস্ত যাবে এবং পশ্চিমাঞ্চলে সূর্যাস্তের কয়েক মিনিট পর অস্ত যাবে চাঁদ। এই স্বল্প সময় চাঁদের সংযোগ থেকে দৃশ্যমান অর্ধচন্দ্রে রূপান্তরের জন্য যথেষ্ট নয়। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাঁদের নিচের প্রান্ত সূর্যাস্তের এক মিনিট আগে অস্ত যাবে। আর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে চাঁদ সূর্যাস্তের ৪২ সেকেন্ড আগে অস্ত যাবে। আর সৌদি আরবের তাবুক অঞ্চলে—যেখানে মাসটিতে চাঁদের অবস্থান তুলনামূলক দীর্ঘ হবে; সেখানে সূর্যাস্তের ঠিক সময়ে অস্ত যাবে চাঁদ; তখন চাঁদের পৃষ্ঠের বয়স হবে মাত্র ১ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট এবং সূর্যের সঙ্গে কৌণিক দূরত্ব হবে মাত্র এক ডিগ্রি। কায়রোতে চাঁদ সূর্যাস্তের দুই মিনিট পর এবং আলজেরিয়ায় ছয় মিনিট পর অস্ত যাবে। এই সামান্য বিলম্ব সত্ত্বেও জ্যোতির্বিদরা নিশ্চিত করেছেন, ওই অঞ্চলের কোনও স্থান থেকেই অর্ধচন্দ্র দেখা যাবে না। • সূর্যগ্রহণের কারণে চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব জ্যোতিবিজ্ঞানিরা বলেছেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখার সম্ভাবনা নেই। ওই দিন বিকেলে একটি বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে; যা দক্ষিণ আফ্রিকা ও অ্যান্টার্কটিকার কিছু অংশ থেকে দেখা যাবে। এই সূর্যগ্রহণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অংশে সূর্যাস্তের সময়ের সঙ্গে সমানুপাতিক হবে, যা একটি দৃশ্যমান সংযোগের ইঙ্গিত দেয়। এতে ওই সময়ে বা পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় চাঁদ অর্ধচন্দ্র হিসেবে দেখা সম্ভব নয়। • ভুল চাঁদ দেখার দাবির বিষয়ে সতর্কতা প্রকৌশলী ওদেহ সতর্ক করে দিয় বলেছেন, সেদিন চাঁদ দেখা সংক্রান্ত যে কোনও ভুল তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনও প্রতিবেদন এলে তা নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করবে যে, কিছু ব্যক্তি আকাশে অনুপস্থিত চাঁদকে ভুল করে দেখেছেন বলে মনে করতে পারেন।অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, বহু ইসলামি আইনবিদ ও জ্যোতির্বিদ মনে করেন, যেসব অঞ্চলে চাঁদ সূর্যের আগে বা একই সময়ে অস্ত যায়, সেখানে ১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যাস্তের পর চাঁদ খোঁজার কোনও প্রয়োজন নেই। কারণ ওই সময়ে আকাশে চাঁদ দৃশ্যমান থাকে না। ফলে এসব অঞ্চল থেকে চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইরান, মরক্কো, মৌরিতানিয়া এবং আফ্রিকার কিছু দেশে শাবান মাসের ২৯তম দিন হিসেবে ১৮ ফেব্রুয়ারি রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। এসব দেশে চাঁদ দেখা এবং সেদিনের আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে রমজানের প্রথম দিন ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অথবা ২০ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) হতে পারে। • রমজান শুরু হবে কবে? সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং অধিকাংশ আরব দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী ১৯ ফেব্রুয়ারি রমজানের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মরক্কো, মৌরিতানিয়া এবং আফ্রিকার কিছু অংশসহ কয়েকটি দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখা যেতে পারে। আবহাওয়া ও স্থানীয় মানদণ্ডের ওপর নির্ভর করে এসব দেশে রমজান শুরু হতে পারে ১৯ অথবা ২০ ফেব্রুয়ারি।

রাম চরণ-উপাসনার ঘরে এলো যমজ সন্তান

রাম চরণ-উপাসনার ঘরে এলো যমজ সন্তান দক্ষিণ ভারতীয় তারকা রাম চরণ ও তার স্ত্রী উপাসনা যমজ সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন। তাদের ঘরে জন্ম নিয়েছে এক ছেলে ও এক মেয়ে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনযায়ী, খবরটি নিশ্চিত করেছেন রাম চরণের বাবা, কিংবদন্তি অভিনেতা চিরঞ্জীবী। গভীর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি জানান, মা ও দুই নবজাতক তিনজনই সুস্থ আছেন। স্যোশাল মিডিয়ায়, চিরঞ্জীবী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, যমজ সন্তানের আগমনে তাদের পরিবারে দ্বিগুণ আনন্দ এসেছে। তিনি লেখেন, এটি তাদের পরিবারের জন্য এক অনাবিল সুখের মুহূর্ত এবং সবার দোয়া, ভালোবাসা ও শুভকামনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পোস্টটিতে চিরঞ্জীবী ও তার স্ত্রী সুরেখা দুজনের নামেই স্বাক্ষর ছিল, যা দাদা-দাদির পক্ষ থেকে একটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও আবেগঘন ঘোষণা হিসেবে ধরা হচ্ছে। চিরঞ্জীবীর এই পোস্টের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যায়। নবজাতকদের জন্য সবাই ভালোবাসা ও আশীর্বাদ জানাচ্ছেন। রাম চরণ ও উপাসনা কোনিদেলার সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে তাদের বাগ্‌দান হয় এবং ২০১২ সালের জুনে হায়দরাবাদে জমকালো আয়োজনে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থেকেই তাদের সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রেমে রূপ নেয়। উপাসনা অ্যাপোলো চ্যারিটির ভাইস-চেয়ারপারসন এবং অ্যাপোলো হাসপাতাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রতাপ সি রেড্ডির নাতনি। অন্যদিকে, রাম চরণ হলেন কিংবদন্তি অভিনেতা চিরঞ্জীবীর ছেলে। ২০২৩ সালের জুনে এই দম্পতি তাদের প্রথম সন্তান কন্যাসন্তান ক্লিন কারাকে স্বাগত জানান। সে সময়ও চলচ্চিত্র অঙ্গন ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ উদ্‌যাপন দেখা যায়। ২০২৫ সালের দীপাবলিতে উপাসনা সামাজিক মাধ্যমে তার সীমান্থম (গর্ভাবস্থার বিশেষ অনুষ্ঠান) উপলক্ষে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি ‘ডাবল সেলিব্রেশন’, ‘ডাবল লাভ’ ও ‘ডাবল ব্লেসিং’-এর কথা উল্লেখ করে যমজ সন্তানের আগমনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ক্যারিয়ারের দিক থেকে রাম চরণ সম্প্রতি শংকরের পরিচালনায় কিয়ারা আদভানির বিপরীতে ‘গেম চেঞ্জার’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। বর্তমানে তিনি তার পরবর্তী ছবি ‘পেড্ডি’র প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সিনেমায় লুক নিয়ে ট্রলের শিকার, জবাব দিলেন সালমান খান

সিনেমায় লুক নিয়ে ট্রলের শিকার, জবাব দিলেন সালমান খান শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সুরাটে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান স্ট্রিট প্রিমিয়ার লিগ (আইএসপিএল) ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। বেঙ্গালুরু স্ট্রাইকার্স ও দিল্লি সুপারহিরোসের মধ্যকার ম্যাচে উপস্থিত হয়ে তিনি তার আসন্ন ছবি ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ নিয়ে কথা বলেন এবং ছবির টিজারে নিজের লুককে ‘রোমান্টিক’ বলে যে ট্রলের শিকার হয়েছেন তার জবাব দেন। গত মাসে মুক্তি পাওয়া ছবিটির এক মিনিটের টিজারে সালমান খানকে একটি লাঠি হাতে নিয়ে সৈন্যদের যুদ্ধের জন্য একত্রিত করতে দেখা যায়। শত্রু পক্ষের সৈন্যরা বন্দুক নিয়ে এগিয়ে আসার সময়ও তাকে দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে দেখা যায়। তবে টিজারে অভিনেতার লুক ও দৃষ্টিভঙ্গিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ট্রলের মুখে পড়তে হয় বলিউড ভাইজানকে, যেখানে মজা করে সেটিকে ‘রোমান্টিক’ বলে উল্লেখ করেছে নেটিজেনদের একাংশ। আইএসপিএল ম্যাচ চলাকালীন আবার সেই মুহূর্তটি সামনে এলো। ম্যাচে সালমান উপস্থিত হলে সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ তাকে একটি ব্যাট দিয়ে টিজারের সেই দৃশ্যটি পুনরায় তুলে ধরতে বলেন। তখন এই অভিনেতা হাসিমুখে ট্রলিংয়ের প্রসঙ্গ স্বীকার করে বলেন, ‘এখন, কিছু লোক মনে করে এটা একটা রোমান্টিক লুক। কিন্তু আমি একজন কর্নেল, ভাই। এটা একজন কর্নেলের লুক যিনি জানেন কীভাবে তার দল ও সৈন্যদের অনুপ্রাণিত করতে হয় এবং আশা জাগাতে হয়। আমি চাইলে অন্য ধরনের লুকও দিতে পারি (গর্জন), কিন্তু তার কোনো মানে নেই। গালওয়ানের যুদ্ধের ক্ষেত্রে সেটার কোনো মানে নেই।‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ পরিচালনা করেছেন অপূর্ব লাখিয়া এবং ছবিটি সালমান খান ফিল্মসের ব্যানারে প্রযোজনা করেছেন অভিনেতা নিজেই। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে সালমানের সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন চিত্রাঙ্গদা সিং।

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন নব্বইয়ের দশক থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের বিনোদনজগতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব একটা সক্রিয় নন তিনি। তবে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অনলাইনে ভুয়া পেজ ও আইডি খোলার ঘটনায় চরম বিরক্তি, বিব্রতবোধ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর দাবি, তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অসংখ্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত স্ট্যাটাস দেওয়া, ছবি আপলোড করা এবং তাঁর পরিচিতজনদের পোস্টে মন্তব্য করা হচ্ছে। সাদিয়া ইসলাম মৌ জানান, ফেসবুকে তার একটি মাত্র ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যার নাম ‘সাদিয়া ইসলাম’। ‘সাদিয়া ইসলাম মৌ’ নামে তার কোনো ফেসবুক আইডি বা পেজ নেই। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামসহ অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর কোনো অ্যাকাউন্ট নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মৌ বলেন, ‘যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তাদের খুব সুন্দর করে অনুরোধ করছি এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ করুন। আমার অনুমতি ছাড়া ছবি পোস্ট করা, লেখা দেওয়া এসব আইনত অপরাধ। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সামনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভক্তদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘ভুয়া অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আপনারা প্রতারিত হবেন না। আবারও জানিয়ে দিচ্ছি আমার কোনো ফ্যান পেজ নেই, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও নেই। যারা এসব করছে, সাবধান হোন। নইলে আইনি ব্যবস্থায় যা হওয়ার, তাই হবে।

আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ‍্যাচার শবনম ফারিয়া

আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ‍্যাচার শবনম ফারিয়া ছোট ও বড় পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া খানিকটা ‘ঠোঁটকাটা’ স্বভাবের। ব্যক্তিগত ও সমকালীন বিষয় নিয়ে তাকে খোলামেলা কথা বলতে দেখা যায়। গতকাল স্বামীর প্রশংসা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। এরই মধ্যে চলমান রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যা নিয়ে চলছে নানা চর্চা। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্টটি দেন শবনম ফারিয়া। শুরুতে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার ধৈর্য একটু কমই ছিল আগে। যেহেতু আমি বাসায় সবার ছোট ছিলাম আর একা বড় হয়েছি, যখনই যা চাইতাম পেতাম, বেশিরভাগ সময় তো চাওয়ার আগেই পেতাম। তবে ২০২০ সালে কোভিডের পর থেকে আমার অ্যাবনরমাল লেভেলের ধৈর্য চলে এসেছে। সবকিছুতেই! আমি এখন আর কোনো কিছুতেই অল্পতে ধৈর্য হারাই না। উদাহরণ টেনে শবনম ফারিয়া বলেন, “একটা উদাহরণ দিই, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো কার্পেট পরিষ্কার করার ভিডিও। আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কার্পেট পরিষ্কার করা দেখতে পারি। আমার আরেকটা পছন্দের ভিডিও হলো হারমেস ব্যাগ কেনা-বেচার ভিডিও। একটা বারকিন বা কেলি ব্যাগের দাম আমার বাৎসরিক ইনকামের চেয়েও বেশি। এইরকম ইনকাম থাকলে জীবনে এই জিনিস কেনার কথা না (যদিও আমার জামাই বলেছে, সে একদিন না একদিন বড়লোক হবে আর আমাকে একটা বারকিন কিনে দেবে)। কিন্তু এই ব্যাগের সেকেন্ডারি মার্কেটে কেনা-বেচা দেখা আমার ডেইলি রুটিনের একটা অংশ। এরপর আরো কয়েকটি উদাহরণ টানেন শবনম ফারিয়া। তার ভাষায়, “আমি এখন জানি, কি কি চামড়া দিয়ে এই ব্যাগ বানানো হয়, কি কি সাইজে পাওয়া যায়, কি কি হার্ডওয়্যার ব্যবহার হয়, আর ‘হিমালায়ান’ নামে একটা বারকিন আছে, যার দাম প্রায় বাংলাদেশের জিডিপির সমান! তারপর আমার আরেকটা সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো, একজন মানুষ একটা পুরোনো বাড়ি কিনে, নিজে নিজে আর প্রতিবেশীদের সাহায্য নিয়ে সেটার রিনোভেশন করে। ভাই, তোর রিনোভেট করার এত টাকা থাকলে তুই এই জঙ্গলে বাড়ি না কিনে একটা ঠিকঠাক স্বাভাবিক বাড়ি কিনতে পারতি! কিন্তু না, ভাঙাচোরা বাড়ি কিনবে, তারপর বছরের পর বছর ধরে সেটাই ঠিক করবে, আর আমি সেই ভিডিও দেখি। একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিও দেখে বাস্তব জীবনে একা থাকার চেষ্টা করেন শবনম ফারিয়া। এরপর তার জীবনে আসে স্বামী তানজিম। এসব তথ্য স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার সবচেয়ে পছন্দের কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম লিজিকি। ওকে দেখে ইনস্পায়ার্ড হয়ে আমি একা থাকা শুরু করেছিলাম। নিজে নিজে সব কিনতাম, বাসা গুছাতাম, বাজার করতাম, রান্না করতাম। আবার আমার কাউন্সেলরের পরামর্শে সেগুলো ভ্লগ বানানোর ট্রাইও করেছিলাম। ৩/৪টা বানিয়েছিলাম, এরপর আর সম্ভব হয়নি। এভাবে দুই বছরের একটু বেশি সময় একা থেকে বাসার সবাইকে টেনশনে ফেলে দিয়েছিলাম। তারপর আর বেশিদিন লিজিকি হওয়ার চেষ্টা করতে হয়নি, এরই মধ্যে তানজিম মিয়ার আগমন। শবনম ফারিয়াকে বেশ জ্বালাতন করেন তার স্বামী তানজিম। তা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “তবে এখনো কেনাকাটা আর গুছানোর কাজটা আমাকেই করতে হয়। ট্রলি ঠেলার জন্য উনি থাকেন, ঘরের কাজের সময় আজেবাজে কাজ করে কাজ বাড়ানো কিংবা গুছানো বাসা অগোছালো করার দায়িত্বও উনার। তবে আমি অসুস্থ হলে অবশ্য জ্বালায় না। বরং অনেক হেল্পই করে। কালকেই তো অনেক প্রশংসা করলাম, আর না করি। শবনম ফারিয়ার দীর্ঘ এই বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু চলমান নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ। তার কথায় “যাইহোক করোনাকালে আমার আরেকটা প্রিয় কনটেন্ট ছিল মানুষের খাওয়া দেখা। শুকনা-শুকনা মেয়েরা বিশাল থালায় খাবার খায়, আমি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত সেই খাওয়ার ভিডিও দেখতাম। তবে এই মুহূর্তে আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ‍্যাচার। জানি, যা বলছে সবই মিথ‍্যা আশ্বাস, তাও মনোযোগ দিয়ে দেখি। দুই ঘণ্টার মধ্যে শবনম ফারিয়ার এ পোস্টে রিঅ্যাক্ট পড়েছে প্রায় ৩ হাজার। মন্তব্য জমা পড়েছে দুই শতাধিক। ফারিয়া নামে একজন লেখেন, আপু আমি সবটা পড়ে একদম ক্লান্ত হয়ে গেছি, তারপর মোরাল অব দ্য স্টোরি পাইছি।” রেজমেন আক্তার লেখেন, “আমিও বাসায় সবার ছোট। বরাবরই ধৈর্য কম ছিল। কিন্তু বর্তমানে এফবিতে রাজনৈতিক মিথ্যাচারগুলা দেখি, দেখার পর বুঝতে পারতেছি, ধৈর্যের চরম লেবেলে আছি।” এমন অসংখ্য মন্তব্য কমেন্ট বক্সে ভেসে বেড়াচ্ছে।

পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত

পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত ছোট পর্দার জনপ্রিয় জুটি ফারহান আহমেদ জোভান ও কেয়া পায়েল। পর্দায় তাদের রসায়ন বরাবরই দর্শকদের পছন্দের। তবে সম্প্রতি এই জুটিকে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন রূপে। বিশেষ করে কেয়া পায়েলের উষ্কখুষ্ক চুল আর মলিন পোশাকের ‘পাগলী’ লুকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় ব্যাপক চর্চা শুরু হলেও এর আসল রহস্য ফাঁস করলেন তার সহশিল্পী ফারহান আহমেদ জোভান। েজোভান জানান, ভিডিওটি কোনো বাস্তব ঘটনা নয়, বরং একটি নাটকের বিশেষ দৃশ্য ছিল এটি। বাতাসের ভুল’ শিরোনামের একটি নাটকের শুটিংয়ের সময়কার এই দৃশ্য নিয়ে জোভান প্রশংসায় ভাসিয়েছেন পায়েলকে। তার মতে, পায়েল যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তার জন্য তাকে স্যালুট জানানো উচিত। এক সাক্ষাৎকারে জোভান বলেন, ‘ভিডিওটি পুরো ফেসবুক জুড়ে ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার সেটি একটি নাটকের সিকোয়েন্সের জন্য আসলে ও পাগল সেজেছিল। নাটকের নাম ‘বাতাসের ভুল’, পরিচালনা করেছেন ইশান। খুব শিগগিরই এটি মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ। অভিনেত্রীর নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে জোভান আরও বলেন, ‘ওই নাটকটাতে পায়েল খুবই চ্যালেঞ্জিং একটা ক্যারেক্টার প্লে করেছে। আমি এতটুকু বলতে পারব যে, পায়েলকে আসলে স্যালুট দেওয়া উচিত। কারণ ও একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের চরিত্রে অভিনয় করেছে, যা যেকোনো শিল্পীর জন্যই অত্যন্ত কঠিন কাজ। চরিত্রটির গভীরতা নিয়ে জোভান জানান, এটি কেবল এক-দুটি দৃশ্য নয়, বরং পুরো একটি জার্নি। রাস্তায় রাস্তায় একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের যে দীর্ঘ লড়াই ও পথচলা, তা পায়েল নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। জোভানের প্রত্যাশা, কাজটির নেপথ্য গল্প ও অভিনয়ের মুনশিয়ানা দর্শকের হৃদয় জয় করবে।