তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ অঙ্গরাজ্যে অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু

তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ অঙ্গরাজ্যে অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলজুড়ে আঘাত হানা শক্তিশালী তুষারঝড়ে এ পর্যন্ত ১৪টি অঙ্গরাজ্যে অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংবাদমাধ্যম। তুষারপাত, বরফাচ্ছন্ন রাস্তা ও হিমাঙ্কের নিচে নেমে যাওয়া তাপমাত্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে নিউইউর্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি জানান, আট বছরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৮ ডিগ্রি ফারেনহাইটে। এছাড়াও নিহতদের সবাইকে বাইরে পাওয়া গেলেও তারা গৃহহীন ছিলেন কি না তা নিশ্চিত নয় প্রশাসন। একইসাথে নিউইয়র্ক সিটিতে সবচেয়ে বেশি ১০ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন মামদানি। শুক্রবার শুরু হওয়া এই ঝড় সপ্তাহান্তে বড় পরিসরে তুষারপাতে রূপ নেয়। এতে সড়কের যোগাযোগ ব্যাহত হয়, বহু ফ্লাইট বাতিল এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়। সোমবার ঝড়ের তীব্রতা কমলেও হাড়কাঁপানো ঠান্ডা রয়ে গেছে, যা আরও কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এক ফুটেরও বেশি তুষারপাতের পর সাউথ বোস্টনে গাড়ি তুষারমুক্ত করতে ব্যস্ত বাসিন্দারা। মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশজুড়ে পাঁচ লাখ ৫০ হাজারের বেশি বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎহীন ছিল। যার জন্য শহরগুলোতে জরুরি সেবা প্রদানকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে যারা বিশেষ করে গৃহহীনদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে। চরম আবহাওয়ার কারণে নিউইয়র্ক সিটির আবাসন ও নগর উন্নয়ন দপ্তরের বাধ্যতামূলক গৃহহীন গণনা ফেব্রুয়ারির শুরুতে পিছিয়েছে। মামদানি জানান আউটরিচ কর্মীদের তথ্য সংগ্রহ নয় বরং আমাদের মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়াতেই মনোযোগ দেওয়া উচিত। শহরের তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র ও দুটি অতিরিক্ত কেন্দ্র মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ গৃহহীন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এই গৃহহীন মানুষদের জন্য পুলিশ, দমকল ও জরুরি সেবা প্রদানকারী কর্মীরা অতিরিক্ত সময় কাজ করছেন। ন্যাশভিল রেসকিউ মিশনে সাধারণত রাতে ৪০০ জন মানুষ থাকলেও এই শৈত্যপ্রবাহে সংখ্যাটি বেড়ে প্রায় ৭ হাজারে পৌঁছেছে। সারা দেশে তুষারঝড় সম্পর্কিত মৃত্যুর কারণ হিসেবে হাইপোথার্মিয়া, অতিরিক্ত ঠান্ডায় হৃদরোগজনিত জটিলতা এবং বরফ পরিষ্কার করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কথা জানানো হয়েছে। সপ্তাহান্তে টেক্সাসের বোনহ্যামে বরফে জমা একটি পুকুরে পড়ে তিন কিশোরের মৃত্যু হয়। কানসাস, কেনটাকি, লুইজিয়ানা, মিসিসিপি, সাউথ ক্যারোলাইনা, টেনেসি ও মিশিগানেও এমন মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলে আরেকটি তুষারঝড় আঘাত হানতে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করছেন। এখনও অন্তত ২০ কোটি আমেরিকান কোনো না কোনো শীত সতর্কতার আওতায় আছেন, যা ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে পারে।
মার্কিন মুলুকে মুখোমুখি বরিশালের দুই তারা

মার্কিন মুলুকে মুখোমুখি বরিশালের দুই তারা নাটক-সিনেমায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের মুন্সিয়ানা দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে আসছেন বরেণ্য অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদ। নির্মাতা হিসেবেও তার আলাদা পরিচিতি রয়েছে। অন্যদিকে, চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখ জায়েদ খান। অভিনয়ের পাশাপাশি শিল্পী সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায়। মজার ব্যাপার হলো—এই দুই তারকা বরিশাল অঞ্চলের মানুষ। তানিয়া আহমেদের জন্ম পটুয়াখালীতে, আর জায়েদ খানের শৈশব-কৈশোর কেটেছে পিরোজপুরে। সেই বরিশালের দুই তারকাই এবার মুখোমুখি হয়েছেন সাত সাগর তেরো নদীর ওপারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। জায়েদ খানের উপস্থাপনায় নির্মিত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সেলিব্রিটি টক শো– ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’-এর দ্বিতীয় সিজনের প্রথম পর্বে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন তানিয়া আহমেদ। প্রথম সিজনে ১২টি পর্ব প্রচারিত হওয়ার পর অল্প সময়েই অনলাইন দর্শকদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলে অনুষ্ঠানটি। বিশেষ এই পর্বে উপস্থাপক জায়েদ খানের সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডায় তানিয়া আহমেদ তুলে ধরেছেন তার দীর্ঘ অভিনয়জীবনের গল্প, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, কাজের নেপথ্যের নানা কথা এবং কিছু অজানা মুহূর্ত। খোলামেলা আলোচনা, আন্তরিক কথোপকথন আর তারকাখচিত উপস্থিতিতে পর্বটি দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, অনুষ্ঠানটি আগামী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে ঠিকানা ডিজিটালের ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান জায়েদ খান। একই বছরের আগস্ট মাসে দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হওয়ায় তিনি আর বাংলাদেশে ফিরেননি। মাতৃভূমিতে ফেরার আগ্রহ থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই শুরু করেছেন ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়।
দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে বিটিএস কনসার্ট চাইলেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট

দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে বিটিএস কনসার্ট চাইলেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট চার বছর বিরতির পর মঞ্চে ফিরছে দক্ষিণ কোরিয়ার আলোচিত ব্যান্ড দল বিটিএস। কে-পপ ব্যান্ডটির কনসার্টের টিকিট নিয়ে এমন হাহাকার চলছে যে, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম তার দেশে বিটিএসের কনসার্টের শো আরো বাড়ানোর জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম বলেন, “আমি কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছে একটি চিঠি লিখেছি… আমি এখনও উত্তর পাইনি, তবে আশা করি এটি ইতিবাচক হবে।” র বছরের বিরতির পর বিটিএস তাদের ৭৯ দিনের বিশ্ব সফরের অংশ হিসেবে মে মাসে মেক্সিকো সিটিতে তিনটি শো করবে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, টিকিট ছাড়ার ৪০ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে সব শেষ হয়ে গেছে। কিছু ভক্ত টিকিটমাস্টার এবং রিসেলার প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে টিকিটের মূল্য বাড়িয়ে বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। অফিসিয়াল বিক্রয় মাধ্যম টিকিটমাস্টারে টিকিটের দাম ১ হাজার ৮০০ পেসো থেকে ১৭ হাজার ৮০০ পেসো (১০০ ডলার থেকে ১ হাজার ৩০ ডলার) এর মধ্যে থাকলেও, রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোতে সেগুলো ১১ হাজার ৩০০ থেকে ৯২ হাজার ১০০ পেসোতে বিক্রি হয়েছে। টিকিট প্রক্রিয়ায় ‘অসাধু আচরণের’ জন্য মেক্সিকোর ভোক্তা সুরক্ষা সংস্থা রিসেল প্ল্যাটফর্ম স্টাবহাম ও ভায়াগোগো-কে জরিমানা করেছে। সোমবার মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট শিনবাউম জানান, প্রায় ১০ লাখ তরুণ-তরুণী বিটিএস কনসার্টের দেড় লাখ টিকিটের জন্য লড়াই করেছে। তিনি বলেন, “বিটিএস ব্যান্ড দলটি মেক্সিকান তরুণদের কাছে খুবই জনপ্রিয়।” স্পটিফাই-এর তথ্যানুযায়ী, মেক্সিকো হলো কে-পপের বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম বাজার। গত পাঁচ বছরে দেশটিতে এই ঘরানার গানের স্ট্রিমিং ৫০০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় কনসার্ট আয়োজক ওসেসা যখন জানায় যে ব্যান্ডের ব্যস্ত সূচির কারণে নতুন শো যোগ করা অসম্ভব, তখন শিনবাউম দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ুং-এর কাছে চিঠি লেখেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে বিবিসির মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। ২০২২ সালের জুন মাস থেকে বিটিএস দলগতভাবে কোনো গান প্রকাশ করেনি, কারণ তারা ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারে মনোযোগ দিতে বিরতি নিয়েছিল। সাত সদস্যের ব্যান্ড দলটির কামব্যাক ট্যুর আগামী ৯ এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়াং স্টেডিয়ামে তিন রাতের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হবে। এরপর এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকা মাতাতে বৈশ্বিক সফর শুরু করবে বিটিএস। বিলবোর্ডের তথ্যমতে, এই সফরে মার্চেন্ডাইজ, লাইসেন্সিং, অ্যালবাম বিক্রি ও স্ট্রিমিং রাজস্ব থেকে বিটিএস ও তাদের রেকর্ড লেবেল হাইব ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি আয় করতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডির কারাদন্ড

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডির কারাদন্ড দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত দেশটির সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিয়ন হিকে ঘুষ গ্রহণের দায়ে এক বছর আট মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, ইউনিফিকেশন চার্চের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। খবর আল-জাজিরার। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট হিকে শেয়ার বাজার কারসাজি ও রাজনৈতিক তহবিল আইন লঙ্ঘনের অন্যান্য অভিযোগগুলো থেকে খালাস দিয়েছে। দেশটির ক্ষমতাচ্যুত ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের স্ত্রী হলেন হি। হির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি ইউনিফিকেশন চার্চসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে অন্তত ২ লাখ ডলার মূল্যের ঘুষ ও বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ করেছেন। প্রসিকিউশন টিম ইউনিফিকেশন চার্চের নেতা হান হাক-জাকেও অভিযুক্ত করেছে, যার বিচার বর্তমানে চলমান। ধারণা করা হচ্ছে, এই ধর্মীয় গোষ্ঠীটি প্রেসিডেন্টের স্ত্রীর ওপর প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে তাকে ‘শ্যানেল’ ব্র্যান্ডের দুটি হ্যান্ডব্যাগ এবং একটি হীরার নেকলেসসহ মূল্যবান সামগ্রী উপহার দিয়েছিল। গত ডিসেম্বরে প্রসিকিউটররা বলেছিলেন, হি নিজেকে ‘আইনের ঊর্ধ্বে’ মনে করতেন। তিনি ধর্মীয় গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজশ করে রাষ্ট্রের ধর্ম ও রাজনীতির সাংবিধানিক পৃথকীকরণকে ক্ষুণ্ণ করেছেন। প্রসিকিউটর মিন জুং-কি জানান, হির ক্ষমতার অপব্যবহারের ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সাবেক ফার্স্ট লেডি হি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গত মাসে তার শেষ সাক্ষ্যে তিনি এই অভিযোগগুলোকে ‘গভীরভাবে অন্যায্য’ বলে দাবি করেন। তবে ‘গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও ঝামেলার সৃষ্টি করার জন্য’ তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন। ডিসেম্বরে তিনি বলেছিলেন, “আমার ভূমিকা এবং আমাকে দেওয়া দায়িত্বগুলোর কথা বিবেচনা করলে এটি স্পষ্ট যে আমি অনেক ভুল করেছি।” হির স্বামী, দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল গত বছর ক্ষমতাচ্যুত হন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তার নেওয়া হঠকারী সামরিক আইন জারির পদক্ষেপের জন্য তাকে ইতিমধ্যে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য একটি মামলায় ইওল এমনকি মৃত্যুদণ্ডেরও সম্মুখীন হতে পারেন। ২০২৩ সালে একটি গোপন ক্যামেরায় হিকে ২ হাজার ২০০ ডলার মূল্যের একটি বিলাসবহুল হ্যান্ডব্যাগ গ্রহণ করতে দেখা যায়। এই ঘটনাটি ‘ডিয়র ব্যাগ কেলেঙ্কারি’ নামে পরিচিতি পায়, যা ইওলের জনপ্রিয়তায় ধস নামিয়েছিল। এই কেলেঙ্কারি ২০২৪ সালের এপ্রিলের সাধারণ নির্বাচনে ইওলের দলের শোচনীয় পরাজয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিল। ইওল তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের তিনটি বিলে ভেটো দিয়েছিলেন। সর্বশেষ ভেটোটি ছিল ২০২৪ সালের নভেম্বরে। এর এক সপ্তাহ পরেই তিনি সামরিক আইন জারি করেন। হির এই সাজা ঘোষণার মাত্র কয়েক দিন আগেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি ইওনের সামরিক আইন জারির সিদ্ধান্তে সহায়তা করেছিলেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে পাত্তাই পেলো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে পাত্তাই পেলো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে পাত্তাই পেলো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পার্লে প্রোটিয়ারা জিতেছে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। অথচ চ্যালেঞ্জিং পুঁজিই গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৭ উইকেটে ১৭৩ রানের সংগ্রহ ছিল সফরকারীদের। ৩২ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন সিমরন হেটমায়ার। ব্রেন্ডন কিং ১৬ বলে ২৭, রস্টন চেজ ১৮ বলে ২২ আর শেষদিকে রভম্যান পাওয়েল ২৫ বলে খেলেন অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংস। জবাবে অধিনায়ক এইডেন মার্করামের ব্যাটিং তাণ্ডবে সহজ জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্করাম ৪৭ বলে ৯ চার আর ৩ ছক্কায় খেলেন ৮৬ রানের ইনিংস। এছাড়া লুহান ডি-প্রিটোরিয়াস ২৮ বলে ৪৪, রায়ান রিকেলটন ৩২ বলে করেন অপরাজিত ৪০ রান।
বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ অদলবদলে কেন রাজি হয়নি, জানালো আয়ারল্যান্ড

বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ অদলবদলে কেন রাজি হয়নি, জানালো আয়ারল্যান্ড নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ। তার পরিবর্তে আরেক আয়োজক শ্রীলঙ্কায় ম্যাচগুলো নেওয়ার অনুরোধ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তারা আইসিসির কাছে প্রস্তাব দেয়, আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ অদলবদল করার। তবে এই প্রস্তাবটি আইসিসি এবং আয়ারল্যান্ড-উভয় পক্ষই প্রত্যাখ্যান করে। বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকায় শেষ পর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। বর্তমানে আয়ারল্যান্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-তে রয়েছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে ও ওমান। কেন রাজি হয়নি আয়ারল্যান্ড? ‘ক্রিকবাজ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আয়ারল্যান্ডের হেড কোচ হাইনরিখ মালান জানালেন, ভেন্যু ও কন্ডিশন অনুযায়ীই তারা প্রস্তুতি নিয়েছেন। ভেন্যু পরিবর্তন হলে তাদের সমস্যা হতো। মালান বলেন, ‘আমরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ীই প্রস্তুতি নিচ্ছি। শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে বিভিন্ন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করা আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ম্যাচের অবস্থা, কন্ডিশন ও প্রতিপক্ষ অনুযায়ী খেলার সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর আমরা জোর দিচ্ছি। আমাদের গেম প্ল্যানগুলো আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগ করে দেওয়াই শ্রীলঙ্কা সফরের আগে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’ তিনি আরও যোগ করেন, মাঠের পরিস্থিতি ও প্রতিপক্ষ অনুযায়ী খেলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে খেলোয়াড়রা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের খেলাটা খেলতে পারে।
ঈদ চমকে তৌসিফের সঙ্গী তানজিন তিশা

ঈদ চমকে তৌসিফের সঙ্গী তানজিন তিশা ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব ও অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তারা অনেক নাটকেই জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন। বিজ্ঞাপনেও দেখা গেছে তাদের। ঈদুল ফিতরে চমক হিসেবে জুটি বাঁধছেন তৌসিফ-তিশা। সম্প্রতি দুজনেই যোগ দিয়েছেন দেশের স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে। প্রচারেও অংশ নিচ্ছেন তারা। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রতিষ্ঠানটির আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন তৌসিফ ও তিশা। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির, পরিচালক তানজিনা আনোয়ার কবির ও এ্যাড সাইনের স্বত্বাধিকারী জহিরুল ইসলাম। ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তৌসিফ মাহবুব অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, স্টেপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে পারা আমার জন্য গর্বের। এটি কেবল কোনো চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ক নয়; আমি এর মান, সততা ও সম্ভাবনায় বিশ্বাস করি। স্টেপ স্বাচ্ছন্দ্য, আত্মবিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতার প্রতিচ্ছবি। তানজিন তিশা বলেন, স্টেপ একটি আধুনিক, আত্মবিশ্বাসী ও বিশ্বাসযোগ্য দেশীয় ব্র্যান্ড। প্রতিটি পণ্যে গুণগত মান ও নান্দনিকতার সুস্পষ্ট প্রতিফলন রয়েছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত যে এমন একটি ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারছি। আয়োজনে স্টেপ ফুটওয়্যারের ভিশন, ঈদকালীন নতুন কালেকশন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও গ্রাহককেন্দ্রিক উদ্ভাবনী কার্যক্রম নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির বলেন, গ্রাহকদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা এবারের ঈদে নিত্যনতুন ডিজাইনের মানসম্মত, আধুনিক ও ট্রেন্ডি ফুটওয়্যার উপহার দিতে প্রস্তুত। ফ্যাশন এবং স্বাচ্ছন্দ্যের এই সমন্বয় সব বয়সের ক্রেতাদের মন জয় করবে। সেটি বিবেচেনা করেই সময়ের দুই স্টাইলিস্ট তারকা তৌসিফ মাহবুব ও তানজিন তিশাকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছি।
প্লেব্যাক ছেড়ে দিচ্ছেন অরিজিৎ সিং!

প্লেব্যাক ছেড়ে দিচ্ছেন অরিজিৎ সিং! প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অরিজিৎ সিং। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩৮ বছর বয়সী এই শিল্পী। ব্যাটল অব গালওয়ান ছবির সাম্প্রতিক গান ‘মাত্রুভূমি’ মুক্তির কয়েক দিনের মধ্যেই তার এই ঘোষণা সংগীতাঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পোস্টে অরিজিৎ সিং লেখেন, ‘সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। এত বছর ধরে শ্রোতারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এখন থেকে আমি আর প্লেব্যাক ভোকালিস্ট হিসেবে কোনো নতুন কাজ গ্রহণ করব না। এই অধ্যায় এখানেই শেষ করছি। এটি ছিল এক অসাধারণ যাত্রা, আর ঈশ্বর আমার প্রতি সত্যিই দয়ালু ছিলেন। তবে প্লেব্যাক থেকে অবসর নেওয়া মানেই সংগীতজগৎ থেকে বিদায় নয়, এ কথাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। অরিজিৎ লিখেছেন, ‘আমি গান গাওয়া বন্ধ করছি না। ভালো সংগীতের একজন অনুরাগী হিসেবে আরও শিখতে চাই, নিজের মতো করে আরও কিছু করতে চাই। এখনও কিছু প্রতিশ্রুতি বাকি রয়েছে, সেগুলো পূরণ করব। তাই ২০২৬ সালে আমার কিছু গান মুক্তি পেতে পারে।’ উল্লেখ্য, অরিজিৎ সিংয়ের কোনো অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট নেই। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকেই এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পোস্টটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই অনুরাগীদের মধ্যে আবেগের ঢেউ বয়ে যায়। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, আবার অনেকেই তার এই সাহসী সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন। ২০১৩ সালে আদিত্য রায় কাপুর ও শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত ‘আশিকি টু’ সিনেমার কালজয়ী গান ‘তুম হি হো’ দিয়ে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান অরিজিৎ সিং। এর আগে তিনি বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ দিয়ে শ্রোতাদের নজর কাড়েন। পরবর্তীতে একের পর এক চার্টবাস্টার গানের মাধ্যমে তিনি বলিউডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য কণ্ঠে পরিণত হন। ‘এ দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘হাওয়ায়েঁ’, ‘আপনা বানা লে’, ‘সাজনি’, ‘ভে মাহী’, ‘গেহরা হুয়া’, কিংবা সাম্প্রতিক ‘ঘর কাব আওগে’ প্রতিটি গানে নিজের আলাদা স্বাক্ষর রেখে গেছেন অরিজিৎ।
জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র

জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কারও পক্ষ নেবে না৷ জনগণ যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে তারা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আমি খুবই আগ্রহী। আমি এই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি এবং এর ফলাফল দেখার জন্য মুখিয়ে আছি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র বাংলাদেশের জনগণের, এবং শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত। রাষ্ট্রদূত বলেন, গত সপ্তাহে যখন আমি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করি, তিনি আমাকে বলেন যে—তিনি আশা করছেন, নির্বাচন দিবসটি একটি উৎসবমুখর দিন হবে। আমি আশা করি এটি একটি আনন্দময় ও উৎসবপূর্ণ নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে গিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন এবং আপনারা একটি অত্যন্ত সফল নির্বাচন সম্পন্ন করবেন। ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে তথ্যগুলো আমার সঙ্গে শেয়ার করেছেন, সেগুলো নিয়ে আমি খুবই সন্তুষ্ট। আপনাদের সবার মতো আমিও ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের ফলাফলের অপেক্ষায় আছি। এর আগে বেলা ১২টার দিকে সিইসির দপ্তরে বৈঠক শুরু হয়। এতে ইসি সচিব আখতার আহমেদও অংশ নিয়েছেন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও ফিরোজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল স্পেনে

২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল স্পেনে ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ পর্তুগাল ও মরক্কোর সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজন করবে স্পেন। বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ স্পেনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) সভাপতি রাফায়েল লুসান। মাদ্রিদ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সোমবার রাতে লুসান বলেন, ‘স্পেন বিশ্বকাপের নেতৃত্ব দেবে এবং ফাইনাল হবে এখানেই।’ তবে ফাইনাল ম্যাচটি কোন শহর বা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি। বিশ্বকাপের ফাইনাল ভেন্যু নির্ধারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। স্প্যানিশ গণমাধ্যম দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কারকৃত সান্তিয়াগো বের্নাবেউ স্টেডিয়ামকে ফাইনালের প্রধান ভেন্যু হিসেবে এগিয়ে রাখছে। রিয়াল মাদ্রিদের এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়াম আধুনিকায়নের পর আন্তর্জাতিক মানের বড় আয়োজনের জন্য প্রস্তুত। অন্যদিকে, বার্সেলোনার কাম্প নউ স্টেডিয়ামও ফাইনাল আয়োজনের দৌড়ে থাকতে পারে। দীর্ঘ সংস্কার শেষে স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা হবে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার, যা ইউরোপের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত নভেম্বরে সীমিত দর্শক নিয়ে মাঠে ফিরলেও পুরোপুরি প্রস্তুত হলে কাম্প নউ বড় দাবিদার হয়ে উঠবে। এর আগে মরক্কোও ফাইনাল আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। দেশটি নির্মাণাধীন হাসান দ্বিতীয় স্টেডিয়ামে ফাইনাল আয়োজন করতে চায়, যা ২০২৮ সালে শেষ হলে ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়াম হবে। তবে চলতি মাসে মরক্কোয় অনুষ্ঠিত আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে বিশৃঙ্খলার কারণে দেশটির সম্ভাবনা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২০৩০ আসরের একটি করে ম্যাচ আয়োজন করবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল উরুগুয়েতে। উল্লেখ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সেই আসরের ফাইনাল ভেন্যু হিসেবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।