নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রবিবার ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) সারাদেশে নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এছাড়া, নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ ছুটি সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর পরদিন ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা চার দিনের ছুটি ভোগ করবেন। অন্যদিকে শিল্পাঞ্চলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সেনাসদরে প্রধান উপদেষ্টার মতবিনিময়
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সেনাসদরে প্রধান উপদেষ্টার মতবিনিময় গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সেনাসদরে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সেনাসদরে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান। মতবিনিময় সভার শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখায় সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। সভায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় আসন্ন নির্বাচনকে সকলের জন্য অংশগ্রহণমূলক, শঙ্কামুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন প্রধান উপদেষ্টা। মতবিনিময় সভায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথি ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।