শীতের মাঝেই বৃষ্টির পূর্বাভাস

শীতের মাঝেই বৃষ্টির পূর্বাভাস শীতের আমেজের মধ্যেই দেশের কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ আবহওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার বড় কোনো পরিবর্তন না হলেও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধবার ২৮ জানুয়ারি রংপুর বিভাগে বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সংস্থাটি আরো জানায়, আগামী পাঁচ দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বুধ ও বৃহস্পতিবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও দিনে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শুক্রবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। িআবহাওয়া অফিস জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোতে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে গতকাল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আজ মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এ তথ্য জানান। নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রয়, ব্যবহার ও প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) স্বাক্ষরিত এই আদেশে সরকারের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ‘যৌথ ঘোষণা’ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে ‘তামাকমুক্ত’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় সাইনেজ প্রদর্শন করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) অনুযায়ী, তামাক শিল্পের যেকোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা বা প্রচারণা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং উচ্চ চিনিযুক্ত পানীয়ের বিপণন সীমিত করার কথা বলা হয়েছে। এর পরিবর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্পসহ ‘হেলদি ক্যান্টিন’ স্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ক্যান্টিন বা সরবরাহকারীর খাবারে স্বল্প লবণ, চিনি এবং ট্রান্স-ফ্যাটমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, সরকারি সভাগুলোতেও এখন থেকে ক্যাটারিংয়ে তাজা ফল, বাদাম ও স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স সরবরাহ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট মাঝারি থেকে উচ্চমাত্রার শারীরিক কার্যক্রম নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানে খেলার মাঠ নেই, সেখানে ইনডোর কার্যক্রমের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের জন্য সাঁতার শেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ এবং কর্মীদের জন্য প্রতি ঘণ্টায় ডেস্ক-ভিত্তিক স্ট্রেচিং ব্যায়াম প্রবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নির্দেশনায় সরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক বান্ধব সিঁড়ি এবং র‌্যাম্পসহ অবকাঠামো ডিজাইন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি লিফট ব্যবহারের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার, সাইক্লিং এবং দীর্ঘক্ষণ বসে না থাকার মতো স্বাস্থ্যবান্ধব জীবনাচার উৎসাহিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মাউশি জানিয়েছে, এই নির্দেশনাসমূহ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের গৃহীত কার্যক্রমের নিয়মিত বাস্তবায়ন প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বিশেষ শিক্ষা শাখায় প্রেরণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, সরকারের এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমে আসবে। পাশাপাশি একটি সুস্থ-সবল জাতি গঠনে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

৪ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটারের ভোটদান সম্পন্ন

৪ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটারের ভোটদান সম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ইতোমধ্যে ৪ লাখ ৫ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী ভোটার ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। আজ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ২৬ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১২২ জন প্রবাসীর (সংশ্লিষ্ট গন্তব্যের দেশে) কাছে ব্যালট পৌঁছেছে। ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩২৬ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ৪ লাখ ৫ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী ভোটার কর্তৃক ভোটদান সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার কর্তৃক সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ, ৪৪ হাজার ৯৯৩টি পোস্টাল ব্যালট। এছাড়া ১৯ হাজার ৩৮৮ পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছেছে। তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে (দেশে এবং প্রবাসী মিলে) মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।

বাংলাদেশিদের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশিদের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা নিয়ে নতুন তথ্য জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। অভিবাসন ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার পর যুক্তরাষ্ট্র এবার জানিয়েছে, ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় সর্বোচ্চ তিন মাস মেয়াদি সিঙ্গেল এন্ট্রি (একবার প্রবেশযোগ্য) ভিসা দেওয়া হবে। আজ ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে। এর আগে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। পরে গত ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় যুক্ত করা হয়। বাংলাদেশিদের জন্য এই ভিসা বন্ড কার্যকর হয়েছে ২১ জানুয়ারি থেকে। ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জানায়, ভিসা বন্ড প্রোগ্রামের আওতায় আবেদনকারীদের জন্য যেসব শর্ত প্রযোজ্য হবে, সেগুলো হলো— -ভিসার জন্য অনুমোদন পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ভিসা বন্ড পরিশোধ করতে হবে -ভিসা ইন্টারভিউয়ের পর যোগ্য বিবেচিত হলে কনসুলার কর্মকর্তা pay.gov–এর সরাসরি লিংকসহ পরিশোধের নির্দেশনা দেবেন -সর্বোচ্চ ৩ মাস মেয়াদি সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হবে -নির্ধারিত কিছু পোর্ট অব এন্ট্রি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে -যুক্তরাষ্ট্রে কাজ না করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরে এলে বন্ডের অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দেওয়া হবে ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ যুক্ত হওয়ায়, বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত (ভিসা বন্ড) জমা দিতে হতে পারে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা অবৈধভাবে থেকে যান (ওভারস্টে), তাদের নিরুৎসাহিত করা। যেসব দেশের নাগরিকদের ওভারস্টের হার বেশি, মূলত সেসব দেশকেই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভিসা বন্ড প্রদানকারী বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি নির্দিষ্ট বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো— -বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS) -জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK) -ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (IAD) নির্ধারিত এসব বিমানবন্দর ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা প্রস্থান করলে ভিসা বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, যা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে। বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় রয়েছে— আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডা। দেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন তারিখ থেকে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে। ভিসা বন্ড হলো একটি ফেরতযোগ্য আর্থিক জামানত, যা কিছু দেশ নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে ভিসার শর্ত, বিশেষ করে থাকার সময়সীমা মেনে চলা নিশ্চিত করা হয়। প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। অনুমোদিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় অবস্থান করলে সেটিকে ভিসা ওভারস্টে বলা হয়। উল্লেখ্য, অতীতে নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যও ওভারস্টে নিয়ন্ত্রণে ভিসা বন্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল, তবে পরে তা বাতিল করা হয়।

শিশুর যে আচরণগুলো অস্বাভাবিক নয়

শিশুর যে আচরণগুলো অস্বাভাবিক নয় প্রতিটি বাবা-মায়েরই উদ্বেগ বোধ হয়, যখন তাদের সন্তান স্বাভাবিক আচরণের বাইরে কিছু করে। এটি মনে একটি বিরক্তিকর প্রশ্ন জাগায় যে – এই আচরণ কি স্বাভাবিক, নাকি আমার উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত? এই যুগে যেখানে তথ্যের ভার বেশি, তখন শৈশবের দৈনন্দিন আচরণ হঠাৎ করেই উদ্বেগজনক মনে হতে পারে। অন্য শিশুকে একটি মাইলফলক স্পর্শ করতে দেখে বা চুপচাপ বসে থাকতে দেখে ভাবা সহজ যে কেন আপনার নিজের সন্তান ঠিক বিপরীত করছে। জেনে নিন শিশুর কোন আচরণগুলো আসলে স্বাভাবিক- ১. নিজের সাথে কথা বলা খেলার সময় শিশুর প্রতিটি পদক্ষেপ বর্ণনা করতে বা কাল্পনিক বন্ধুদের সঙ্গে পূর্ণ কথোপকথন করতে দেখা খুবই সাধারণ। অনেক বাবা-মা চিন্তা করেন যে এটি একাকীত্বের ইঙ্গিত দেয়, কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই বিপরীত। এই স্ব-কথোপকথন শিশুদের চিন্তাভাবনা এবং কর্ম পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে এবং তাদের আত্ব্রে অনুভূতিগুলিকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। মনোবিজ্ঞানীরা স্ব-কথোপকথনকে একটি অত্যাধুনিক হাতিয়ার হিসেবে দেখেন যা ভাষা দক্ষতা তৈরি করে, স্বাধীনভাবে সমস্যা সমাধানে উৎসাহিত করে এবং সুস্থ কল্পনাশক্তি গড়ে তোলে। ২. হঠাৎ মেজাজের পরিবর্তন হঠাৎ মেজাজের পরিবর্তন শিশুদের মধ্যে দেখা যায় এমন আরেকটি সাধারণ বিষয়। এক মিনিটে আপনার শিশু আনন্দে হাসছে এবং পরের মিনিটে বিস্কুট ভেঙে যাওয়ার জন্য মেঝেতে বসে কাঁদছে, এটা খুবই স্বাভাবিক হতে পারে। এই মানসিক পরিবর্তনগুলো সাধারণ এবং শৈশবে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আচরণ কারণ তখনও শিশুর মস্তিষ্ক জটিল অনুভূতিগুলো করতে শিখছে। ক্ষুধা, ক্লান্তি, অতিরিক্ত উত্তেজনা, এমনকী ছোটখাটো হতাশা শিশুদের হঠাৎ মেজাজের পরিবর্তনের কিছু সাধারণ কারণ। ৩. মাঝে মাঝে একাকীত্ব পছন্দ করা বাবা-মায়েরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন যখন তারা দেখেন যে তাদের সন্তান একা খেলতে চায়, তারা ভয় পান যে এটি সামাজিকভাবে দূরে থাকা বা দুঃখের লক্ষণ হতে পারে। নির্জনতা সুস্থ সৃজনশীলতা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির লক্ষণ। একা সময় কাটানোর অভ্যাস শিশুকে তার নিজস্ব ধারণা অন্বেষণ করতে, কল্পনার জগতে ডুবে থাকতে এবং সামাজিক শক্তি রিচার্জ করতে সাহায্য করে। তবে কখনোই কারও সঙ্গে মিশতে না চাইলে ভিন্ন কথা। ৪. প্রশ্ন বা গল্প পুনরাবৃত্তি শিশুরা পুনরাবৃত্তি করতে এবং বারবার প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পছন্দ করে যতক্ষণ না জিনিসগুলো তাদের মনে স্থির হয়ে যায়। বারবার প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করার বা একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার এই অভ্যাস শিশুর স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে এবং নিরাপদ বোধ তৈরি করে। যদিও এটি মা-বাবার জন্য ধৈর্যের পরীক্ষা, তবে এটি একটি স্পষ্ট লক্ষণ যে শিশুটি শিখছে এবং পরিচিতদের মধ্যে সান্ত্বনা খুঁজছে। ৫. খাবার বেছে খাওয়া শিশুর বেছে খাবার খাওয়ার অভ্যাস মা-বাবার জন্য অনেক সময় চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বাবা-মায়েরা তখন শিশুর বৃদ্ধি এবং পুষ্টি সম্পর্কে খুব বেশি চিন্তা করেন, তবে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে মুখের শিশুর স্বাদ এবং সংবেদনশীল ধারণা ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়। শিশুরা প্রথমে খাবারের গঠন এবং গন্ধ লক্ষ্য করে। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার শিশু স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠছে এবং খাবারে কিছুটা বৈচিত্র্য থাকবে, ততক্ষণ দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

ক্যারামেল ক্ষীর তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ক্যারামেল ক্ষীর তৈরির রেসিপি জেনে নিন মিষ্টি খাবার খেতে ভালোবাসেন এমন যে কারও কাছে পছন্দের একটি খাবার হলো ক্ষীর। বিশেষ করে অতিথি আপ্যায়নে কিংবা কোনো ভালো খবরে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য ক্ষীরের জনপ্রিয়তা সব সময়েই রয়েছে। আপনি কি কখনো ক্যারামেল ক্ষীর খেয়েছেন? এটি তৈরি করা খুবই সহজ। দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু। চলুন জেনে নেওয়া যাক ক্যারামেল ক্ষীর তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে চিনিগুঁড়া চাল- ১/৪ কাপ তরল দুধ- ১ লিটার চিনি- ১/২ কাপ ঘি- ১ টেবিল চামচ কাজুবাদাম- ১০-১২টি কিশমিশ-২ টেবিল চামচ পেস্তাবাদাম-২ টেবিল চামচ কাঠবাদাম- ১ টেবিল চামচ ঘি- ২ টেবিল চামচ। যেভাবে তৈরি করবেন চাল ধুয়ে আধা ঘণ্টার মতো ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ব্লেন্ডারে ভিজিয়ে রাখা চাল দিয়ে ৩-৪ সেকেন্ডের জন্য ব্লেন্ড করে নিন। একদম মসৃণ করবেন না, কিছুটা দানা দানা যেন থাকে। এবার একটি মোটা তলানিযুক্ত পাত্রে দুধ দিয়ে মিডিয়াম হিটে নাড়তে থাকুন। ফুটে ওঠার পর তাতে ব্লেন্ড করে রাখা চাল দিয়ে নাড়তে থাকুন। অন্য একটি প্যানে ঘি গরম করে কাজুবাদাম, পেস্তাবাদাম, কাঠবাদাম ও কিশমিশ দিয়ে ২-৩ মিনিট লো টু মিডিয়াম হিটে ভেজে তুলে রাখুন। এবার সেই প্যানে ১ টেবিল চামচ ঘি ও চিনি দিন। চিনি ক্যারামেলাইজড হয়ে গোল্ডেন ব্রাউন হয়ে গেলে তা ক্ষীরের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। চুলার আঁচ কমিয়ে দ্রুত নাড়তে হবে। ভালোভাবে মিশে গেলে নামিয়ে উপরে কিশমিশ ও বাদাম ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

‘পাগলি লুক’ ছাপিয়ে এবার চোখ ধাঁধিয়ে দিলেন কেয়া পায়েল

‘পাগলি লুক’ ছাপিয়ে এবার চোখ ধাঁধিয়ে দিলেন কেয়া পায়েল দিন কয়েক আগেই বেশ আলোচনায় ছিলেন সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। একটি নাটকের শুটিংয়ে তার ‘পাগলি লুক’ বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। উস্কোখুস্কো চুল, পরনে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে মেকআপ- এমন বিধ্বস্ত লুকে অভিনেত্রী ছিলেন আলোচনা তুঙ্গে। এবার এমন আবহে নিজের চেনা ছন্দের গ্ল্যামারাস লুকে ধরা দিলেন অভিনেত্রী। আজ দুপুরে একগুচ্ছ নতুন ছবি প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। সেখানে তাকে দেখা যায় একেবারে ভিন্ন আঙ্গিকে। একটি ঝকঝকে কালো বডি-ফিটিং গাউনে নিজেকে ধরা দিয়েছেন কেয়া পায়েল। পাথর বসানো নকশা করা এই পোশাকটিতে আকর্ষণীয়ভাবে ফুটে উঠেছে তার বডি শেপ। প্রকাশিত ছবিগুলোতে কেয়া পায়েলকে একটি ঝকঝকে কালো বডি-ফিটিং গাউনে দেখা গেছে। পাথর বসানো নকশা করা এই পোশাকটিতে অভিনেত্রীর শারীরিক গঠন বা বডি শেপ অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে ফুটে উঠেছে। হাই পনিটেইল হেয়ারস্টাইল আর হালকা মেকআপে তার এই লুক মুহূর্তেই চোখ ধাঁধিয়েছে ভক্তদের। এছাড়াও এই একগুচ্ছ ছবির মাঝে আলোচনায় রয়েছে তার বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে তোলা একটি ছবি। ধারণা করা হচ্ছে, গত ১৪ জানুয়ারি ঢাকার রেডিসন ব্লু হোটেলে যখন বিশ্বকাপ ট্রফি প্রদর্শনীর জন্য আনা হয়েছিল, অভিনেত্রী তখনই এই ছবিগুলো তুলেছিলেন। কেয়া পায়েলের এই পোস্টের নিচে ভক্তরা নানারকম মন্তব্য করছেন। কজন লিখেছেন, ‘পাগলি সাজটা সেই ছিল, এইটার থেকেও বেটার’। আরেকজন ট্রফি ও অভিনেত্রীর সঙ্গে তুলনা করে মজার ছলে লিখেছেন, ‘কালো ড্রেস পরা ট্রফিটা আমার’। অন্যদিকে কেউ কেউ অভিনেত্রীর সেই পাগলি লুকের রেশ টেনে মজা করে বলছেন, ‘পাগলি এই ড্রেস পাইলো কোথায়!’ উল্লেখ্য, সেই আলোচিত ‘পাগলি লুক’-এর নাটকটি নিয়েই বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন কেয়া পায়েল। নাটকটির নাম এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো না হলেও এতে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। ভক্তরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন পর্দায় অভিনেত্রীর এই বৈচিত্র্যময় রূপ দেখার জন্য।

এবার সিনেমায় নিশো-মেহজাবীন জুটি

এবার সিনেমায় নিশো-মেহজাবীন জুটি জুটি বেঁধে নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন অনেকবার। এবার সিনেমায় জুটি বাঁধতে চলেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। নির্মাতা ভিকি জাহেদের সাসপেন্স-থ্রিলার সিনেমা ‌‘পুলসিরাত’-এ দেখা যাবে দুজনকে। জানা গেছে, ইতোমধ্যেই সিনেমাটির প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিটির অভিনয়শিল্পী, গল্প ও শুটিং-সংক্রান্ত বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। সম্প্রতি রেদওয়ান রনি পরিচালিত সিনেমা ‘দম’-এর শুটিং শেষ করেছেন আফরান নিশো। অন্যদিকে, মেহজাবীন চৌধুরী কাজ করছেন ‘ক্যাকটাস’ নামের একটি ওয়েব সিরিজে। এতে তার বিপরীতে সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান অভিনয় করছেন।

পদ্ম পুরস্কার পাচ্ছেন যেসব তারকা

পদ্ম পুরস্কার পাচ্ছেন যেসব তারকা ভারতের মর্যাদাপূর্ণ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পদ্ম। গ্তকাল দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবারের পদ্ম পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করেছে।পদ্ম অ্যাওয়ার্ডের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হয় পদ্ম পুরস্কার। এগুলো হলো—পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ এবং পদ্মশ্রী। এবার পদ্মবিভূষণ বিভাগে ৫ জন, পদ্মভূষণ বিভাগে ১৩ জন এবং পদ্মশ্রী বিভাগে ১১৩ জন এই পুরস্কার পাচ্ছেন। সংস্কৃতি, শিল্প, সামাজিক কর্মকাণ্ড, জন কল্যাণ, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, খেলাধুলাসহ অন্যান্য শাখায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য প্রতি বছর ভারতীয় সরকারের পক্ষ থেকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। বরাবরের মতো এবারের তালিকায় ভারতীয় বেশ কজন তারকার নাম রয়েছে। চলুন জেনে নিই কোন তারকা কোন বিভাগে এ পুরস্কার পাচ্ছেন— পদ্মবিভূষণ ১. ধর্মেন্দ্র ২. এন. রাজম পদ্মভূষণ ১. অলকা ইয়াগনিক ২. মাম্মতি ৩. পীযুষ পান্ডে ৪. শতবাধনী আর গণেশ পদ্মশ্রী ১. অনিল কুমার রাস্তোগি ২. অরবিন্দ বৈদ্য ৩. ভারত সিং ভারতী ৪. ভিকিয়া লাডকিয়া ডিন্ডা ৫. বিশ্ব বন্ধু ৬. চিরঞ্জি লাল যাদব ৭. দীপিকা রেড্ডি ৮. ধার্মিকলাল চুনিলাল পান্ডিয়া ৯. গাদ্দে বাবু রাজেন্দ্র প্রসাদ ১০. গফরুদ্দিন মেওয়াতি যোগী ১১. গরিমেলা বালাকৃষ্ণা প্রসাদ ১২. গায়ত্রী বালাসুব্রামানিন ও রঞ্জনী বালাসুব্রামানিন ১৩. হরি মাধব মুখোপাধ্যায় ১৪. হরিচরণ সাইকিয়া ১৫. জ্যোতিষ দেবনাথ ১৬. কালামান্ডালাম বিমলা মেনন ১৭. খেম রাজ সুন্দরিয়াল ১৮. কুমার বোস ১৯. অধ্যাপক (ড.) লার্স-ক্রিশ্চিয়ান কোচ ২০. মাধবন রঙ্গনাথন (আর মাধবন) ২১. মগন্তী মুরলি মোহন ২২. মীর হাজিভাই কাসাম্বি ২৩. নূরউদ্দিন আহমেদ ২৪. ওথুভার থিরুথানি স্বামীনাথান ২৫. পোখিলা লেকথেপি ২৬. প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি ২৭. আর কৃষ্ণান ২৮. রঘুবীর তুকারাম খেদকর ২৯. রাজস্থপতি কালিয়াপ্পা গউন্ডার ৩০. সাংইউসাং এস পঙ্গেনার ৩১. শরৎ কুমার পত্র ৩২. সতীশ শাহ ৩৩. সিমাঞ্চল পাত্রো ৩৪. তাগা রাম ভীল ৩৫. তরুণ ভট্টাচার্য ৩৬. তিরুভারুর বক্তাবতসালাম ৩৭. তৃপ্তি মুখার্জি ৩৮. যুবনাম যাত্রা সিং

হলিউডের শতবর্ষের ইতিহাস ওলটপালট করে অস্কারে সিনার্সের ১৬ মনোনয়ন!

হলিউডের শতবর্ষের ইতিহাস ওলটপালট করে অস্কারে সিনার্সের ১৬ মনোনয়ন! হলিউডের প্রায় শতবর্ষের ইতিহাস ওলটপালট করে দিয়ে অস্কারের ৯৭তম আসরে রেকর্ড ১৬টি মনোনয়ন বাগিয়ে নিয়েছে নির্মাতা রায়ান কুগলারের আলোচিত সিনেমা ‘সিনার্স’। গত বছর মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিস মাতানো এই চলচ্চিত্রটি কেন সমালোচকদের চোখে বছরের সেরা, তা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। অথচ এই সিনেমাটি নির্মাণের শুরুতে খোদ হলিউড পাড়াতেই ছিল চরম সংশয়। মাত্র দুই মাসে লেখা চিত্রনাট্য আর ১০ কোটি ডলারের বিশাল বাজেট নিয়ে কুগলার যখন কাজ শুরু করেন, তখন অনেকেই এই প্রকল্পকে স্টুডিওর জন্য ‘আত্মঘাতী’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। কিন্তু সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ‘সিনার্স’ এখন অনন্য উচ্চতায়। ১৯৩০-এর দশকের জিম ক্রো যুগের দক্ষিণ আমেরিকার প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভ্যাম্পায়ার হরর সিনেমাটি মূলত গভীর গবেষণালব্ধ কাজ। মিসিসিপি ডেল্টার লোককথা, দাসপ্রথা-পরবর্তী সংস্কৃতি এবং ব্লুজ সংগীতের ইতিহাসের এক অভাবনীয় মিশেল দেখা গেছে এতে। আইম্যাক্স ৭০ এমএম ফরম্যাটে ধারণ করা এই ছবিতে কুগলার কৃষ্ণাঙ্গ ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে এমন এক সময়ে তুলে এনেছেন, যখন এসব বিষয় রাজনৈতিকভাবে নানা বাধার সম্মুখীন। বিশেষ করে জুক-জয়েন্টের দৃশ্যগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেমন ভাইরাল হয়েছে, তেমনি মার্কিন সংগীত ইতিহাসে এগুলোর গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। সিনেমার সাফল্যের অন্যতম কারিগর মাইকেল বি. জর্ডান, যিনি এতে স্মোক ও স্ট্যাক নামের যমজ ভাইয়ের চরিত্রে দ্বৈত অভিনয় করেছেন। তাঁর নিখুঁত শারীরিক ভাষা ও কণ্ঠের পরিবর্তন দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। পাশাপাশি হেইলি স্টেইনফেল্ড ও ডেলরয় লিন্ডোর অভিনয় ছবিটিকে দান করেছে এক বিশেষ গভীরতা। প্রচলিত সুন্দরের সংজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে উনমি মোসাকুর উপস্থিতি হলিউডের দীর্ঘদিনের ছাঁচে ঢালা নিয়মকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে। পর্দার পেছনের কারিগর কস্টিউম ডিজাইনার রুথ ই. কার্টার ও সেট ডেকোরেটর মনিক শ্যাম্পেন মিলে ১৯৩০-এর দশকের সেই জগতকে জীবন্ত করে তুলেছেন। বক্স অফিসে ৩৬৮ মিলিয়ন ডলার আয় করা এই সিনেমাটি গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে সফল মৌলিক চলচ্চিত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কোনো নামী ফ্র্যাঞ্চাইজি বা পরিচিত গল্পের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং সম্পূর্ণ নিজস্ব ঢঙে গল্প বলাতেই ‘সিনার্স’ আলাদা হয়ে উঠেছে। এটি একই সাথে হরর, মিউজিক্যাল, গ্যাংস্টার থ্রিলার এবং ঐতিহাসিক ড্রামা। পরিচালক রায়ান কুগলার একে তাঁর প্রয়াত মামার প্রতি এক ‘ভালোবাসার চিঠি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের অভূতপূর্ব সাড়া আর অস্কারের এই বিশাল স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে, সৃজনশীল স্বাধীনতা আর শেকড়ের গল্প আজও বিশ্বজুড়ে সমানভাবে সমাদৃত হতে পারে।