সাফজয়ী নারী ফুটসাল দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

সাফজয়ী নারী ফুটসাল দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন প্রথমবারের মতো আয়োজিত সাফ নারী ফুটসাল চ‍্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। রোববার (২৫ জানুয়ারি) টুর্নামেন্টের শেষ দিনে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সাবিনা খাতুনের দল। বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দলের ঐতিহাসিক সাফল্যে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়। অভিনন্দন বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপা অর্জন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য গৌরবের। এই সাফল্য বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের অদম্য মনোবল, পরিশ্রম ও সক্ষমতার উজ্জ্বল প্রমাণ। প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই অর্জন দেশের তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে। ভবিষ্যতেও নারী ক্রীড়াবিদদের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা।

ত্বকে বয়সের ছাপ, পর্যাপ্ত প্রোটিন খাচ্ছেন তো?

ত্বকে বয়সের ছাপ, পর্যাপ্ত প্রোটিন খাচ্ছেন তো? অ্যান্টি-এজিং নিয়ে ভাবলে আমাদের মন সাধারণত দামি সিরাম, মাস্ক এবং হাই-টেক ফেসিয়ালের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে কার্যকর পণ্যটি আমাদের প্লেটেই থাকে। আপনি যদি সেরা অ্যান্টি-এজিং সাপ্লিমেন্ট খুঁজে থাকেন, তাহলে প্রোটিনই হতে পারে আপনার সমাধান। প্রোটিন পেশী তৈরির উপাদান হিসেবে কাজ করে, সেইসঙ্গে এটি ত্বকের উপকারিতা প্রদান করে। প্রোটিন কীভাবে ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং ত্বককে অকাল বার্ধক্য থেকে রক্ষা করতে কাজ করে, চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. ঝুলে পড়ার বিরুদ্ধে ভিত্তি তৈরি বার্ধক্যের সবচেয়ে দৃশ্যমান লক্ষণ হল স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস। আমাদের ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখার জন্য কোলাজেন এবং ইলাস্টিন স্ট্রাকচারাল প্রোটিনের প্রয়োজন হয় এবং প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে যা ত্বকের দৃঢ়তা বজায় রাখে। পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করলে কাঁচামাল (অ্যামাইনো অ্যাসিড) সরবরাহ হয় যা এই কাঠামোকে শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ, ত্বক দৃঢ় এবং তরুণ থাকা নিশ্চিত করে। ২. কোষীয় পুনর্জন্মকে শক্তিশালী করা ত্বক প্রতিদিন পরিবেশগত হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মুখোমুখি হয় যার মধ্যে রয়েছে UV বিকিরণ এবং দূষণ। ত্বকের উজ্জ্বল চেহারা বজায় রাখার জন্য শরীরকে সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে নতুন কোষ দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে হবে। প্রোটিন মৌলিক উপাদান হিসাবে কাজ করে যা মেরামত প্রক্রিয়াকে চালিত করে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার শরীরকে কোষকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে যা ত্বককে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যকর চেহারা বজায় রেখে ক্ষতি থেকে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম করে। ৩. গভীর হাইড্রেশনে আটকে থাকা শুষ্ক ত্বক অনেকগুলো ত্বকের সমস্যা যেমন ফাইন লাইন, বার্ধক্য এবং আরও অনেক কিছু তৈরি করে। টপিকাল ময়েশ্চারাইজার সাহায্য করলেও, প্রকৃত হাইড্রেশন শুরু হয় ভেতর থেকে। শরীরের সঠিক আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য অভ্যন্তরীণ হাইড্রেশন প্রয়োজন। প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে গঠিত, যা প্রাকৃতিক হিউমেক্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করে। ত্বকের এই অ্যামাইনো অ্যাসিডের প্রয়োজন হয় আর্দ্রতা তৈরি করার জন্য যা ত্বকের গঠনের ভেতরে প্রবেশ করে এবং থাকে। ত্বকের এই অভ্যন্তরীণ হাইড্রেশন ব্যবহার করে ত্বকের শুষ্কতা বন্ধ করা হয় যা ত্বককে সুস্থ রাখে। ৪. ফ্রি র‍্যাডিকেলকে নিউট্রাল করা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো অকাল বার্ধক্যের অন্যতম প্রধান কারণ, যা প্রায়শই সূর্যের আলো এবং বিষাক্ত পদার্থের কারণে হয়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইম উৎপাদনে সহায়তা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি র‍্যাডিকেলকে নিউট্রাল করতে কাজ করে। প্রোটিন ত্বককে আণবিক স্তরে রক্ষা করে কারণ এটি এনজাইম উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা একটি অদৃশ্য প্রতিরক্ষা গঠন করে। ৫. দৃঢ়তার জন্য হরমোনের ভারসাম্য হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ত্বক দ্রুত আর্দ্রতা এবং ঘনত্ব হ্রাস অনুভব করে। খাদ্যতালিকাগত প্রোটিন সর্বোত্তম হরমোনের মাত্রা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসায়নিক বার্তাবাহক হিসেবে এর ভূমিকা অনুসারে তেল উৎপাদন এবং কোলাজেন পুনর্জন্ম স্থাপনের জন্য ত্বকের হরমোনের প্রয়োজন। সঠিক পুষ্টি হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে যা ত্বককে দৃঢ় এবং শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে এবং বার্ধক্যের লক্ষণগুলি প্রতিরোধ করে। বার্ধক্য বিরোধী প্রক্রিয়ার জন্য ভেতর থেকে পরিবর্তন প্রয়োজন। ত্বক তার তারুণ্যের চেহারা বজায় রাখে কারণ প্রোটিন প্রয়োজনীয় শক্তি এবং হাইড্রেশন তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে সঠিক প্রোটিন গ্রহণ ত্বকের দৃঢ়তা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং বার্ধক্যের দৃশ্যমান লক্ষণ হ্রাস করতে পারে।

নিজের জন্য গর্ববোধ করো – অপু বিশ্বাস

নিজের জন্য গর্ববোধ করো – অপু বিশ্বাস ঢালিউড চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস । অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। সম্প্রতি একগুচ্ছ শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, কালো পোশাকে ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী যা মুহূর্তেই ভক্তদের দৃষ্টি কাড়ে। কালো রঙের আধুনিক কাটের ব্লাউজ ও লম্বা স্কার্টে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন অপু বিশ্বাস। পোশাকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এক পাশ থেকে ঝুলে থাকা স্বচ্ছ কালো ওড়না, যা বাতাসে ভেসে ছবিটিতে নাটকীয়তা ও আভিজাত্যের ছোঁয়া এনেছে। এদিকে ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নিজের জন্য গর্ববোধ করো, তুমি প্রতিবার পড়ে গিয়েও আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছ। অপুর চুল পরিপাটি করে খোঁপায় বাঁধা, চোখে গাঢ় আই-মেকআপ আর ঠোঁটে ন্যুড শেডের লিপস্টিক রয়েছে সব মিলিয়ে তার সাজে রয়েছে আত্মবিশ্বাসী ও পরিণত সৌন্দর্যের প্রকাশ। কানে ও গলায় নীল পাথরের গয়না কালো পোশাকের সঙ্গে কনট্রাস্ট তৈরি করে লুকটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এদিকে কমেন্ট বক্সে অপুরে রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘আমি তো দেখে ফিদা, এক কথায় অসাধারণ।’ আরেকজনের কথায়, ‘আগের সেই সিম্পল অপু আর নেই,এখন আরো কনফিডেন্ট।

চিত্রাঙ্গদার পঞ্চাশেও উছলে পড়ছে তারুণ্য, কোন মন্ত্রে চিরযৌবনা?

চিত্রাঙ্গদার পঞ্চাশেও উছলে পড়ছে তারুণ্য, কোন মন্ত্রে চিরযৌবনা? বয়স যে একটি সংখ্যামাত্র, তা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। আর বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ৫০ পেরোনো অভিনেত্রীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা, কাজল, কারিশমা কাপুর, সুস্মিতা সেন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন প্রত্যেকেরই বয়স ৫০ থেকে ৫২ বছরের মধ্যে। এ তালিকায় নতুন সংযোজন অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং। বয়স বাড়লে তার প্রভাব চেহারায় এসে পড়বেই। কিন্তু সেই নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিনের পর দিন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠছেন অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং। নামিদামি প্রসাধনী কিংবা বিদেশি ফলের গুণে প্রভাব নয়, অভিনেত্রী জানিয়েছেন তার ছিপছিপে গড়ন ও উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য লুকিয়ে আছে প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসে। বয়সের দিক থেকে খাতা-কলমে হাফসেঞ্চুরি ছুঁয়ে ফেলেছেন চিত্রাঙ্গদা। এ সময়ে নারীরা মেনোপজ অর্থাৎ রজোনিবৃত্তির মধ্য দিয়ে যান। ফলে শরীর ও মনে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। হরমোনের তারতম্যে মনমেজাজ বিগড়ে যায় এবং ত্বক নিষ্প্রাণ হতে শুরু করে। কোনো কাজেই এনার্জি পাওয়া যায় না। তাই এ সময় থেকেই শরীর ও মনের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে চিত্রাঙ্গদা জানিয়েছেন, দিনের শুরুতে তিনি এমন কিছু খাবার ও পানীয় খান, যেগুলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এ নিয়ম মেনে চলেন। ‘রাত আকেলি হ্যায়: দ্য বনশল মার্ডার্স’ -এর অভিনেত্রী বলেন, দিনের শুরুতে আমি এক কাপ উষ্ণ পানি খাই। কাপটি কিন্তু অনেক বড়। তারপর আগের দিন রাত থেকে ভিজিয়ে রাখা জিরা ও জোয়ানের পানি খাই। পানিটা সকালে একবার ফুটিয়ে নিই। এর মধ্যে আমি কয়েক ফোঁটা লেবুর রসও দিই। এর সঙ্গে আমার ডায়েটে থাকে কয়েকটি ভেজানো কাঠবাদাম। মিনিট দশেক পর আমি ফল খাই। মূলত কিউই ও পাকা পেঁপে থাকে বাটিতে। এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, চিত্রাঙ্গদা যে বয়সকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, সেই সময়ে শরীর ও মনের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। অক্সিডেটিভ স্ট্রেসও বাড়তে থাকে। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে এমন খাবার ও পানীয় রাখতে হবে, যেগুলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। যে ধরনের খাবার ও পানীয় তিনি খেয়ে থাকেন, সেগুলো অন্ত্রের জন্য ভালো। হজমসংক্রান্ত সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে গরম পানি কিংবা জিরা-জোয়ানের পানি দুই-ই ভালো। শরীরে ফ্লুইডের সমতা বজায় রাখতেও সহায়তা করে। পেটফাঁপার সমস্যা নিরাময় করে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বিপাকহার বা মেটাবলিক রেট কমতে থাকে। এ পানীয়গুলো তা বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে। এর সঙ্গে পাতিলেবুর রস যোগ করলে ভিটামিন সির ঘাটতিও পূরণ হয়। বাকি রইল ফল। কিউই ও পাকা পেঁপে দুটি ফলেই যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও রয়েছে।

সত্য সংকটে মম

সত্য সংকটে মম জনপ্রিয় অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম নাটক ও সিনেমায় নিয়মিত অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে নিজেকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে উপস্থাপন করে আসছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি হাজির হচ্ছেন এক ব্যতিক্রমী নারী চরিত্রে। যেখানে সব গঞ্জনা আর সামাজিক বাঁধা উপেক্ষা করে একজন সত্যবাদী মানুষকে আপন করে নেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যাবে তাকে। ফুলবানু নামের এই চরিত্রটি থাকছে ‘সত্য সংকট’ শিরোনামের একক নাটকে। নাটকটির গল্প লিখেছেন আসাদ সরকার। পরিচালনার পাশাপাশি এতে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালাহউদ্দিন লাভলু। ইতোমধ্যে নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। লাভলু ও মমের পাশাপাশি এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সায়েকা আহমেদ, আমিন আজাদ, আনিসুর রহমান বরুণ, সুজিত বিশ্বাস, আনোয়ার শাহি, মাহাবুব আলমসহ আরও অনেকে। নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে মজনু নামের এক তরুণকে ঘিরে, যিনি যেকোনো পরিস্থিতিতেই সত্য বলা থেকে বিরত থাকতে পারেন না। তার এই অকপট সত্যবাদিতাই হয়ে দাঁড়ায় জীবনের সবচেয়ে বড় সংকট। বিয়ের সম্বন্ধ এলেই কনেপক্ষের সামনে নিজের সব সত্য অকপটে তুলে ধরে মজনু। ফলে একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া হয়, আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বুড়ো হতে থাকে সে। ঠিক এই সময়েই তার জীবনে আসে ফুলবানু। মজনুর সত্যবাদিতায় মুগ্ধ হয়ে তাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেয় সে। নাটকটি সম্পর্কে জাকিয়া বারী মম বলেন, “সালাহউদ্দিন লাভলু একাধারে একজন বড় মাপের নির্মাতা এবং নন্দিত অভিনেতা। তাঁর পরিচালনায় এবং তাঁর বিপরীতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা সত্যিই ভিন্ন রকম। ‘সত্য সংকট’-এর ফুলবানু চরিত্রটি দর্শকদের মনে দাগ কাটবে বলে বিশ্বাস করি। গল্প, চরিত্র, অভিনয় ও নির্মাণ সব মিলিয়ে নাটকটি দর্শকদের ভালো লাগবে। সত্য সংকট’ নাটকটি আসন্ন ঈদে চ্যানেল আইতে প্রচারিত হবে।

শাকিব খান ও অমিত হাসান এখন আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা

শাকিব খান ও অমিত হাসান এখন আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক অমিত হাসান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আমেরিকায় বসবাস করছেন। ২০২৩ সাল থেকে অমিত হাসান ও তার পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ড লাভ করেন।একইসঙ্গে ঢালিউডের আরেক জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানও ২০২২ সালে গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন অমিত হাসান। এ বিষয়ে অমিত হাসান বলেন, ‘চলচ্চিত্র নায়কদের মধ্যে সর্বপ্রথম আমি ও শাকিব খান আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পাই। এরপর থেকেই বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে যাতায়াত করছি। শুটিং থাকলে দেশে আসি, কাজ না থাকলে পরিবারের কাছে আমেরিকায় ফিরে যাই। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে প্রথমবার স্বল্প সময়ের জন্য আমেরিকায় যান অমিত হাসান। এরপর ২০১৭ সালে স্ত্রী ও সন্তানসহ অবকাশ যাপনের উদ্দেশ্যে আবারও যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। পরবর্তীতে সন্তানদের পড়াশোনার কথা মাথায় রেখে পরিবারসহ সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা নেন। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২৩ সালে স্পেশাল ক্যাটাগরি (ইবি-১) ভিসার আওতায় অমিত হাসান, তার স্ত্রী ও কন্যা সন্তান গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পান। নব্বইয়ের দশকে ঢালিউডে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করা এই অভিনেতা এখনো নিয়মিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। দেশের বাইরে অবস্থান করলেও দেশীয় সিনেমার সঙ্গে তার সংযোগ অটুট রয়েছে অমিত হাসান। এদিকে বেশ ব্যস্ততা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন শাকিব খান। একের পর এক সিনেমা হিট দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে ‘প্রিন্স’ ছবির শুটিং করছেন শ্রীলঙ্কায়। এই সিনেমায় কলকাতার অভিনেত্রী জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু অভিনয় করছেন তার বিপরীতে। আরও আছেন তাসনিয়া ফারিণ। এছাড়াও বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী কাজ করছেন সিনেমাটিতে।

‘ফিরে দেখি সালমান শাহ’

‘ফিরে দেখি সালমান শাহ’ বাংলা সিনেমার ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহ। তিন দশক আগে পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। অথচ এখনও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। বছরজুড়ে কোনো না কোনো প্রেক্ষাগৃহে তার অভিনীত সিনেমা প্রদর্শিত হয়। এবার তাকে নিয়ে গোটা সপ্তাহের বিশেষ আয়োজন করেছে পুরান ঢাকার মাল্টিপ্লেক্স লায়ন সিনেমাজ। ‘ফিরে দেখি সালমান শাহ’ শীর্ষক এই সপ্তাহে তারা তিনটি সিনেমা দেখাচ্ছে। এগুলো হলো ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘অন্তরে অন্তরে’ ও ‘সত্যের মৃত্য নেই’। প্রতিদিন প্রতিটি সিনেমার দুটি করে শো চলছে। গেল শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে এই আয়োজন আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পর্যন্ত চলবে। অন্তরে অন্তরে ১৯৯৪ সালের ১০ জুন মুক্তি পায় এই সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করছেন শিবলি সাদিক। কাহিনি লিখেছেন ফেরদৌস ও চিত্রনাট্য লিখেছেন শিবলি সাদিক। আশা প্রডাকশনস লিমিটেডের ব্যানারে সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন মেহবুব হোসেন। এতে জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন সালমান শাহ ও মৌসুমী। এটি দুই তারকার দ্বিতীয় সিনেমা এটি। এতে আরও অভিনয় করেছেন আনোয়ারা, রাজিব প্রমুখ। স্বপ্নের পৃথিবী রোমান্টিক গল্পের সিনেমাটি ১৯৯৬ সালের ১২ জুলাই মুক্তি পায়। এর চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা করেছেন বাদল খন্দকার। কাহিনি ও সংলাপ লিখেছেন জোসেফ শতাব্দী এবং হেনরি আমিন। এতে সালমান শাহ’র নায়িকা শাবনূর। আরও অভিনয় করেছেন ববিতা, রাজীব, রাইসুল ইসলাম আসাদ, দিলদার, অমল বোস। সত্যের মৃত্যু নেই সিনেমাটি ১৯৯৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে মুক্তি পায়। এটি পরিচালনা করেছেন ছটকু আহমেদ। যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন ছটকু আহমেদ ও পানাউল্লাহ আহমেদ। এতে সালমান শাহের সঙ্গে জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন শাহনাজ। এটিই একে অন্যের বিপরীতে দুজনের একমাত্র সিনেমা। এছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন আলমগীর, শাবানা, রাইসুল ইসলাম আসাদ, রাজীব ও ডন। আয়োজনটি নিয়ে এক ভিডিওবার্তায় লায়ন সিনেমাজ কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘কিছু নায়ক সিনেমায় আসেন আর কিছু নায়ক বদলে দেন পুরো চিত্রজগৎটাই। সালমান শাহ তেমনই এক তারকা। তার নাম পুরো একটি প্রজন্মের অনুভূতি হয়ে উঠেছিল। যার বিদায় আজও কাঁদায় লাখ লাখ সিনেমাপ্রেমীকে। লায়ন সিনেমাজে আবারও তার ছবি দেখার সুযোগ এলো।