আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছেন। ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দ‌রে নতুন রাষ্ট্রদূত‌কে স্বাগত জানা‌বেন মা‌র্কিন দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের কর্মকর্তারা। সূত্র জানায়, চল‌তি সপ্তা‌হেই পরিচয়পত্র পেশের মধ্য দিয়ে ঢাকা মিশন শুরু করবেন ক্রিস্টেনসেন। আগামী দুই দিন পররাষ্ট্রস‌চিব আসাদ আলম সিয়াম ও রাষ্ট্রাচার অনুবিভাগের প্রধান নুরল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করে প‌রিচয়পত্র পে‌শের প্রস্তু‌তি নে‌বেন তিনি। আগামী ১৫ জানুয়া‌রি রাষ্ট্রপ‌তি মো. সাহাবু‌দ্দি‌নের কা‌ছে প‌রিচয়পত্র পেশ কর‌বেন। ঢাকায় আসার আগে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে ভীষণ আনন্দিত। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত। উল্লেখ্য, ঢাকায় ১৮তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি মোতায়েন থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি মোতায়েন থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে সারাদেশের সব ভোটকেন্দ্রে মোট ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ দুপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমির ইয়াদ আলী প্যারেড গ্রাউন্ডে মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৬৬টি ভোট কেন্দ্রের প্রতিটিতে ১৩ জন করে মোট ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এ লক্ষ্যে গত বছরের আগস্ট মাস থেকেই আনসার ও ভিডিপি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত প্রস্তুতি নিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫৬ হাজার উপজেলা-থানা কোম্পানি আনসার, ২ লাখ ৫৫ হাজার ভিডিপি সদস্য এবং ৩ হাজারেরও অধিক আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যকে মৌলিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে প্রায় সাড়ে চার লক্ষাধিক সদস্যকে STDMS সফটওয়্যারের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ১ হাজার ১৯১টি আনসার ব্যাটালিয়ন স্ট্রাইকিং ফোর্স টিম মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি টিমে ১০ জন করে মোট ১১ হাজার ৯১০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যা সামগ্রিক নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত ও কার্যকর করবে।

দেশে বন্ধ হয়েছে ৮৮ লাখের বেশি সিম

দেশে বন্ধ হয়েছে ৮৮ লাখের বেশি সিম দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা দিতে গ্রাহকপ্রতি ১০টির বেশি সিমকার্ড বাতিল করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এতে দেশের ৮৮ লাখেরও বেশি সিমকার্ড বন্ধ হয়েছে। আরো ১ লাখ সিম মামলাসংক্রান্ত কারণে আটকে রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে মোবাইল ব্যবহারকারী ও মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে। কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে গ্রাহক। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিমের সংখ্যা ৫ টিতে নামিয়ে আনা হলে এ খাতে আরো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিটিআরসি সূত্রে জানা যায়, দেশের ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে গ্রাহকের কাছে থাকা সিমকার্ড কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নভেম্বর থেকে গ্রাহকের বিপরীতে ১০টির বেশি সিম বন্ধ করে দেয়া হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সিমের সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনতে বিটিআরসিকে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়। তবে গ্রাহকদের অসন্তোষ ও আন্দোলনের কারণে তা এখনই বন্ধ করা হবে না। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি। টেলিযোগাযোগ সংস্থাটির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের নির্দেশনা ছিল গ্রাহকপ্রতি ১০টি সিমে নামিয়ে আনা। এতে প্রায় ৮৯ লাখ অতিরিক্ত সিম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৮৮ লাখের বেশি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাকি এক লাখ সিম ভিআইপিসহ বিভিন্ন মামলা চলমান থাকায় স্থগিত করা হয়েছে। তবে দ্রুতই সেগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে। মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা ছিল সিম সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনার। কিন্তু সামনে যেহেতু নির্বাচন এবং ৬ থেকে ১০টি সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেশি, তাই সেটি আমরা এখনই করছি না। নির্বাচনের পর পাঁচটিতে নামিয়ে আনতে কাজ করব।’ এদিকে সিমের সংখ্যা কমিয়ে আনার ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মোবাইল গ্রাহক ও ইন্টারনেট ব্যবহারে। ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু ও সিম বন্ধের ফলে গত ছয় মাসে কমেছে প্রায় ১৮ লাখের বেশি মোবাইল গ্রাহক ও ৬২ দশমিক ৬ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক। বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ে দেশের চারটি সিম অপারেটরের বিপরীতে ১৯ কোটি ৪২ লাখ মোবাইল ব্যবহারকারী ছিল। এর এক বছর পর অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুলাইয়ে সে সংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৮৭ লাখ এবং বর্তমানে (নভেম্বর-২৫) সে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৭০ লাখে। গত ছয় মাসে ধারাবাহিকভাবে কমছে মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা। দেশে ধারাবাহিকভাবে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের কড়াকড়ি, সিম কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত, মোবাইল ইন্টারনেটের মূল্যবৃদ্ধি ও ব্রডব্যান্ডের সহজলভ্যতা। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সিমকার্ড ১০টিতে নামিয়ে আনার ক্ষেত্রে খুব বেশি প্রভাব পড়ার কথা নয়। তবে পাঁচটিতে নামিয়ে আনলে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বাজারের ওপর। তখন রাজস্ব ও অন্যান্য খাতে প্রভাব পড়বে।’

৫ উপকারিতা জেনে নিন মটরশুঁটি খাওয়ার

৫ উপকারিতা জেনে নিন মটরশুঁটি খাওয়ার মটরশুঁটি প্রোটিন, ফাইবার এবং পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস। এটি খেতেও সুস্বাদু। শীতের মৌসুমে মটরশুঁটি পাওয়া যায়। আপনি জেনে অবাক হতে পারেন যে মটরশুঁটি সবজি নয়। এটি শিম জাতীয়। মটরশুঁটি ছোলা, মসুর ডাল, মটরশুঁটি এবং চিনাবাদামের মতো একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। তবুও, বেশিরভাগ মানুষ মটরশুঁটিকে সবজি হিসেবে গণ্য করে। মটরশুঁটির পুষ্টি মটরশুঁটির পুষ্টিগুণ নির্ভর করে আপনি কীভাবে তা প্রস্তুত করেন তার উপর। উদাহরণস্বরূপ, মাখন বা তেল দিয়ে মটরশুঁটি রান্না করলে চর্বি বৃদ্ধি পায়। সেদ্ধ করার চেয়ে ভাপিয়ে বেশি পুষ্টি সংরক্ষণ করা যায়। এমনকি আপনি কাঁচা মটরশুঁটিও খেতে পারেন। লবণ ছাড়া এক কাপ সেদ্ধ মটরশুঁটিতে ১৩৪ ক্যালোরি থাকে। এতে   স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান হলো: ৪১ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন কে ১০১ মাইক্রোগ্রাম ফোলেট ২৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ২ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ৬২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম ২.৫ মিলিগ্রাম আয়রন। মটরশুঁটির স্বাস্থ্য উপকারিতা ১. শরীরকে শক্তিশালী করে : প্রতি কাপ মটরশুঁটিতে ৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এটি উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি দুর্দান্ত উৎস। যারা নিরামিষ খাবার খান, তাদের জন্য মটরশুঁটি প্রোটিনের একটি ভালো উৎস হতে পারে। মটরশুঁটির প্রোটিন মাংস-ভিত্তিক প্রোটিন উৎসের তুলনায় হজম করা সহজ। প্রোটিন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট যা পেশী, টিস্যু এবং অঙ্গ তৈরি এবং মেরামত করে। চুল, ত্বক, হাড় এবং পেশী গঠন করে। হরমোন এবং এনজাইম নিয়ন্ত্রণ করে। শক্তি সরবরাহ করে। ২. অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে : এক কাপ রান্না করা মটরশুঁটিতে প্রায় ৯ গ্রাম ফাইবার থাকে। এই ফাইবারের বেশিরভাগই অদ্রবণীয়, যা মল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করলে যন্ত্রণাদায়ক কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা যায়। উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত আঁশ প্রাকৃতিকভাবে অন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি করতে পারে। ৩. স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বৃদ্ধি করে : প্রোটিন এবং ফাইবার ভাঙতে শরীর বেশি সময় নেয়, তাই নিয়মিত মটরশুঁটি খাওয়ার অভ্যাস স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন অর্জন করতে বা বজায় রাখতে সাহায্য করে। উচ্চ প্রোটিন, উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। যে কারণে বাড়তি খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমে আসে। ৪. প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে : মটরশুঁটি উদ্ভিদ-ভিত্তিক ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং পলিফেনল দিয়ে ভরা থাকে। এই পুষ্টিগুলো প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুবিধা প্রদান করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো হলো শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা যা কোষ এবং টিস্যুকে ক্ষতি করতে পারে। ফ্রি র‍্যাডিকেলের কারণে প্রদাহ হৃদরোগ (হৃদরোগ), ক্যান্সার এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যগত অবস্থার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ৫. চোখ এবং ত্বককে রক্ষা করে : মটরশুঁটিতে লুটেইন এবং জিএক্সানথিনও বেশি থাকে। এই ক্যারোটিনয়েডগুলো মটরশুঁটিকে উজ্জ্বল সবুজ রঙ দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে লুটেইন এবং জিএক্সানথিন ক্ষতিকারক নীল আলো থেকে রক্ষা করে যা দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করতে পারে।

সংসার ভাঙার ৫ বছর পর ফের প্রাক্তন স্ত্রীর প্রেমে অভিনেতা

সংসার ভাঙার ৫ বছর পর ফের প্রাক্তন স্ত্রীর প্রেমে অভিনেতা বিবাহবিচ্ছেদ হলেও সব সময় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় না- ‘দহাড়’ ভারতীয় অভিনেতা গুলশান দেবাইয়ারের ক্ষেত্রে সেটাই প্রমাণিত হল। গুলশানের জীবনে যা ঘটলো তা অভিনেতার জীবনে সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনাই চলা চলে। অর্থাৎ বিচ্ছেদের পর আবারও প্রাক্তন স্ত্রী অভিনেত্রী কাল্লিরোই টিজিয়াফেতার সঙ্গে প্রেম করছেন এই অভিনেতা। আনন্দবাজারসহ একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আট বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০২০ সালে স্ত্রী কাল্লিরোই টিজিয়াফেতার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় গুলশানের। সম্পর্ক ভেঙে গেলেও বন্ধুত্ব বজায় রেখেছিলেন দুজন। বিচ্ছেদের প্রায় পাঁচ বছর পর, ২০২৪ সালে তারা আবার কাছাকাছি আসতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক নতুন করে প্রেমে রূপ নেয়। দাম্পত্য ভাঙনের প্রসঙ্গে গুলশান এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘একটি কারণে কোনও সম্পর্ক ভাঙে না, এর পেছনে থাকে অনেক জটিলতা। সেই সময় আমি নিজের জীবনের নানা ঝড়ঝাপটার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। ক্যারিয়ারের অনিশ্চয়তা আর মানসিক সংগ্রাম মিলিয়ে আমি অনেক সময় বাড়িতে একা থাকতে চাইতাম। স্ত্রীকে ভালোবাসলেও কখনও কখনও একা থাকতেও ভালো লাগত। সম্প্রতি গুলশান জানান, বিচ্ছেদের পর তারা দুজনই মনোবিদের শরণাপন্ন হন এবং ‘কাপল থেরাপি’ নেন, যা তাদের সম্পর্কের দূরত্ব কমাতে বড় ভূমিকা রেখেছে। তার ভাষায়, ‘আমরা কাপল থেরাপি নিয়েছি, যা খুবই কার্যকর হয়েছে। এখন আমি আমার প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে আবার প্রেম করছি। এই থেরাপির মাধ্যমে আত্মবিশ্লেষণের সুযোগ পেয়েছি এবং অনেক বেশি পরিণত হয়েছি। সম্পর্কের মধ্যে থাকার পরও আমরা নিয়মিত থেরাপি নেওয়ার চেষ্টা করছি। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত ‘দ্যাট গার্ল ইন ইয়েলো বুটস’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন গুলশান দেবাইয়ার। এরপর তিনি আরও বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেন।

নজর কাড়লেন যারা গোল্ডেন গ্লোবে’

নজর কাড়লেন যারা গোল্ডেন গ্লোবে’ বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর ‘গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস’-এর ৮৩তম আসর বসেছিল লস অ্যাঞ্জেলেসে। গত এক বছরের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতের সেরাদের বেছে নিতে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন একঝাঁক বিশ্বখ্যাত তারকা। দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন জনপ্রিয় কমেডিয়ান ও অভিনেত্রী নিকি গ্লেজার। তারকার আলোয় আলোকিত এই সন্ধ্যায় রেড কার্পেটে পা রাখেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও, জেনিফার লোপেজ, ডোয়াইন জনসন এবং জ্যাকব এলোর্ডি। তবে দক্ষিণ এশীয় দর্শকদের নজর কেড়েছেন নিক জোনাস ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জুটি। সেরা চলচ্চিত্রের মুকুট এবারের আসরে ড্রামা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নিয়েছে ‘হ্যামনেট’। অন্যদিকে মিউজিক্যাল অথবা কমেডি বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্রের দৌড়ে সবাইকে পেছনে ফেলে জয়ী হয়েছে নেটফ্লিক্সের ‘কেপপ ডেমন হান্টার্স’। আর বক্স অফিস কাঁপানো ছবি হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে ‘সিনার্স’।‘দ্য সিক্রেট এজেন্ট’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার (ড্রামা) পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ওয়াগনার মৌরা। সমান্তরালভাবে ‘হ্যামনেট’ ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রীর ট্রফি নিজের ঘরে তুলেছেন জেসি বাকলে। এছাড়াও পার্শ্ব-অভিনেতা হিসেবে সবাইকে চমকে দিয়েছেন আওয়েন কুপার। ‘অ্যাডোলেসেন্স’-খ্যাত এই তারকা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে গোল্ডেন গ্লোব জয়ের রেকর্ড গড়লেন। টেলিভিশন ও অন্যান্য বিভাগ ছোটপর্দায় কমেডি সিরিজ হিসেবে সেরা হয়েছে ‘দ্য স্টুডিও’ এবং লিমিটেড সিরিজ ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছে ‘অ্যাডোলেসেন্স’। স্ট্যান্ড-আপ কমেডিতে আবারও নিজের জাত চিনিয়েছেন রিকি গারভাইস (মর্টালিটি)। এছাড়া আধুনিক যুগের জনপ্রিয় মাধ্যম পডকাস্ট বিভাগেও পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে; যেখানে সেরা হয়েছে অ্যামি পোএহলারের ‘গুড হ্যাং উইথ অ্যামি পোএহলার’। এমআইকে

সংসার ভাঙার কারণ কী তাহসান-রোজার

সংসার ভাঙার কারণ কী তাহসান-রোজার সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান গত বছর সবাইকে চমকে দিয়ে তার বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রূপসজ্জাশিল্পী রোজা আহমেদের সঙ্গে তার বিয়ে নিয়ে সে সময় বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টানা কয়েক দিন ট্রেন্ডিংয়ে ছিল তাহসানের বিয়ের খবর। তবে বছর না ঘুরতেই এলো এ জুটির বিচ্ছেদের সংবাদ। এদিকে তাহসান-রোজার বিচ্ছেদের খবরে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তুমুল প্রেমের পর বিয়ে তারপর এত দ্রুত সম্পর্কের সমাপ্তি কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে কৌতূহলী ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় সংগীতসফরে যাওয়ার আগেই তাহসান ও রোজা আলাদা থাকছিলেন। সে সময় মেলবোর্ন থেকে তাহসান গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন গান ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার কথা। এ বিষয়ে তাহসান জানিয়েছেন, ওই সময়েরও আগে থেকেই তারা আলাদা ছিলেন। এরপর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আর প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি তাকে। অন্যদিকে, রোজা বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাহসানের সঙ্গে তোলা ছবি ও আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেছেন। এতে অনেকের ধারণা ছিল, সম্পর্কটি এখনো টিকে আছে। তবে ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাহসান ও রোজার ঘনিষ্টজনেরা জানিয়েছেন, বিয়ের পর দুজনের জীবনদর্শন ও প্রত্যাশার জায়গায় কিছু পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাহসান চেয়েছিলেন আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যক্তিগত ও নিরিবিলি জীবনযাপন করতে। সে কারণেই বিনোদন অঙ্গন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষ্ক্রিয় করা এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সংসারকেই দিতে চেয়েছিলেন অগ্রাধিকার। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি ও সামাজিক পরিসর বেড়েছে। নতুন এই বাস্তবতাকে তিনি উপভোগ করছিলেন বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এই ভিন্ন ভিন্ন মানসিক অবস্থান ও জীবনযাপনের ধারা ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে। ঘনিষ্ঠ মহলের ভাষ্যমতে, শুরুতে এই দূরত্ব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা হলেও একসময় মতের অমিল প্রকট হয়ে ওঠে। কাউকে দোষারোপ না করে, পারস্পরিক সম্মানের জায়গা থেকে সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন দুজনই। জানা গেছে, গেল বছরের শেষ দিকেই বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তাহসানের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। আগের সংসারে তার একটি কন্যাসন্তান রয়েছে, যার সঙ্গে তিনি নিয়মিত সময় কাটান। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাহসান বরাবরই সংযত। বর্তমান পরিস্থিতিতেও তিনি নীরবতাকেই বেছে নিয়েছেন। ঘনিষ্ঠজনেরা জানিয়েছেন, বিচ্ছেদ হলেও দুজনই বিষয়টি সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সামলেছেন। সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গেছে। তবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নয় বরং জীবন ও সম্পর্কের বাস্তবতায় ভিন্ন পথে এগোনোর সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছেন তারা।

বাড়ছে বিভাগ শিল্পকলা একাডেমিতে

বাড়ছে বিভাগ শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিকে আরও গতিশীল, সংগঠিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫’র চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, একাডেমির বিভাগের সংখ্যা ৬ থেকে ৯-এ উন্নীত করা হয়েছে। পুনর্গঠিত ৯টি বিভাগ হলো ‘সংগীত’, ‘চারুকলা’, ‘নাট্যকলা’, ‘চলচ্চিত্র’, ‘নৃত্য ও পারফর্মিং আর্টস’, ‘আলোকচিত্র’, ‘কালচারাল ব্র্যান্ডিং, উৎসব ও প্রযোজনা’, ‘গবেষণা, প্রকাশনা ও নিউ মিডিয়া’ এবং ‘প্রশাসন ও অর্থ’। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, নিউ মিডিয়া এবং কালচারাল ব্র‍্যান্ডিং ও উৎসবের মতো সমসাময়িক শিল্পমাধ্যম এবার স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল। অধ্যাদেশে শিল্পকলা একাডেমির পরিচালনা পরিষদের গঠনেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সহসভাপতি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিব। এছাড়া অর্থ বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে একজন করে প্রতিনিধি পরিষদে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। বাংলা একাডেমি ও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদাধিকার বলে পরিষদের সদস্য হবেন।অন্যদিকে শিল্পকলা একাডেমির পরিচালনা পরিষদে আগে শুধু শিল্পকলার ৩টি বিভাগের প্রতিনিধি থাকার নিয়ম ছিলো। বর্তমান সংশোধিত অধ্যাদেশে এবার শিল্পকলার ৮টি বিভাগ থেকে ৮ জন প্রতিনিধি নির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ভিন্ন জাতিগোষ্ঠী থেকে একজন প্রতিনিধি নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে একাডেমির কর্মপরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন অর্থ আত্মসাত-হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে শুনানি শেষে এই আদেশ দেন ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ও ১১৭ (৩) ধারায় মামলাটি করেছিলেন আমিরুল ইসলাম। মামলার বিষয়ে মেহজাবীন ও আলিশানের জবাব দাখিলের জন্য ১২ জানুয়ারি, দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। জবাব দাখিলের পর শুনানি নিয়ে তাদের মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন আদালত। আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার এসব তথ্য গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেন। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গত ১০ নভেম্বর মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ১৬ নভেম্বর আত্মসমর্পণ করে জামিন পান মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এবার মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন তারা। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিব, কালকে দিব বলে কালক্ষেপন করে। গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান আমিরুল। তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা বলেন ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না। তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব’। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আমিরুলকে আদালতে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেয়। গত বছরের ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আমিরুল।