প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী আকি আবে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী আকি আবে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্ত্রী আকি আবে আজ ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। ইনকারেজমেন্ট অব সোশ্যাল কন্ট্রিবিউশন ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সাক্ষাৎকালে আকি আবে তার প্রয়াত স্বামী শিনজো আবে ও অধ্যাপক ইউনূসের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ ও আন্তরিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। এ সময় তারা অতীতের বিভিন্ন স্মৃতি নিয়ে কথা বলেন। ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, আসন্ন নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রধান উপদেষ্টা কীভাবে সময় ব্যয় করবেন এবং তার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা কী—এ বিষয়ে জানতে চান আকি আবে। জবাবে অধ্যাপক ইউনূস জানান, নির্বাচন শেষে তিনি মূলত তিনটি খাতে কাজের ওপর গুরুত্ব দেবেন। প্রথমত, দেশের নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করা হবে। পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা যেন ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য জানতে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারেন—এ লক্ষ্যে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। দ্বিতীয়ত, তরুণদের উন্নয়ন ও তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির কার্যক্রম আগের মতোই অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। তৃতীয়ত, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। উপ-প্রেস সচিব জানান, আগামী মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে জাপান সফরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও অধ্যাপক ইউনূস উল্লেখ করেন। সফরকালে সামুদ্রিক গবেষণা ও ওশান রিসার্চসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হবে। এ সময় ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
নারিকেলি হাঁস রান্না করবেন যেভাবে

নারিকেলি হাঁস রান্না করবেন যেভাবে শীতের খাবারের তালিকায় হাঁসের মাংস অনেকেরই বেশ পছন্দের। এই মাংসের সঙ্গে আরেকটি উপকরণ খুব মানানসই, সেটি হলো নারিকেল। নারিকেলের দুধ দিয়ে রান্না করা হাঁস খেতে বেশ সুস্বাদু। তবে নারিকেল কুচি দিয়ে রান্না করা হাঁসও কিন্তু খেতে কম সুস্বাদু নয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক নারিকেলি হাঁস রান্না করার রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে হাঁস- ১টি নারিকেল কুচি- ২০০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচি- ৩টি রসুন বাটা- ২ টেবিল চামচ জিরা গুঁড়া- পরিমাণমতো হলুদ, মরিচ, লবণ- পরিমাণমতো কাঁচা মরিচ- ১০/১২টি সরিষা বাটা- অল্প বাদাম বাটা- সামান্য তেল- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন কড়াইতে তেল গরম করে তেলে পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে আদা রসুন লবণ সরিষা ঢেলে দিয়ে নাড়তে থাকুন। তারপর একটু ভাজা ভাজা হলে হলুদ, মরিচ, লবণ, জিরা ও গরম মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। এবার কড়াইতে অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে চামড়া ছাড়ানো হাঁসের মাংস ছোট ছোট টুকরো করে কড়াইতে ঢেলে দিন। মাংস সেদ্ধ হলে কাঁচা মরিচ এবং নারিকেল কুচি ঢেলে দিয়ে কড়াই ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। এবার চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ১ টেবিল চামচ গুঁড়া দুধ পানিতে মিশিয়ে কড়াইতে ছড়িয়ে দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।
তামান্নার দুগ্ধজাত পণ্য সহ্য হয় না

তামান্নার দুগ্ধজাত পণ্য সহ্য হয় না অন্ধের মতো ডায়েটের ট্রেন্ড অনুসরণ করেন না। বরং নিজের শরীরের জন্য যা প্রয়োজন, সেদিকেই মনোযোগী হন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। তার খাদ্যাভ্যাস কেমন? সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যা খেয়ে থাকেন তিনি জানান সে কথা। অভিনেত্রীর ত্বকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তার ভক্ত-অনুরাগীরা। তার ছিপছিপে ও তন্বী চেহারার প্রতি ঈর্ষান্বিত মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। ৩৬ বছরের অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া কৃচ্ছ্রসাধনে বিশ্বাসী নন। সাধারণ ও সাদামাটা নিয়ম মেনে চলেন তিনি। অন্ধের মতো ডায়েট করেন না। নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নেন অভিনেত্রী। মনোযোগ দেন পরিমিত খাবারে। আর তাই যারা ডায়েটের পথে হাঁটতে ভয় পান, তারাও অভিনেত্রীর দেখানো পথে চলা শুরু করতে পারেন। তামান্না বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একজন নারীর শরীর পাল্টে যেতে থাকে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস ও সুস্থ থাকার অভ্যাসও বদলাতে থাকে। এ মনোভাবই তাকে এতদিন ফিট থাকতে সাহায্য করেছে। দুধ বা দুগ্ধজাত পণ্য এবং গ্লুটেন সহ্য করতে পারে না তামান্নার শরীর। তাই অভিনেত্রীর ডায়েটে জায়গা পায় না দুই ধরনের খাবার। তবে কালেভদ্রে স্বাদকোরকের বায়না মেটাতে দুগ্ধজাত পণ্য খেয়ে ফেলেন তামান্না। সংযম আর ইচ্ছাশক্তির ভারসাম্য বজায় রাখায় বিশ্বাসী তিনি। এবার সারাদিনের খাদ্যতালিকা জানিয়ে দিলেন তামান্না ভাটিয়া। কখন কী খান অভিনেত্রী জেনে নিন? ভোর ভোরে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে এক গ্লাস পানি পান করেন তামান্না ভাটিয়া। এরপর রাতে ভিজিয়ে রাখা বাদাম খান। কখনো আমন্ড, কখনো বা আখরোট, আবার কখনো কালো কিশমিশ। সঙ্গে একটি করে ফল। খানিক পর ড্রাই ক্যাপুচিনো খেয়ে মন ফুরফুরে করে নেন অভিনেত্রী। কোনো কোনো দিন কফির বদলে চাও খান তিনি। প্রাতরাশ মুগ ডালের চিলা বা ডিম খেয়ে জলখাবার সারেন তামান্না ভাটিয়া। দিনের প্রাক্কালে প্রোটিনের উৎসে শরীরে জোর মেলে তার। আর দুপুরেও প্রোটিনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেন। কিনোয়ার সঙ্গে যে কোনো প্রকারের প্রোটিন খান তিনি। যার ফলে দিনভর গায়ে বল মেলে। বিকাল-সন্ধ্যার টিফিন ব্লুবেরি বা কলার মতো ফল খেয়ে বিকাল-সন্ধ্যার খিদে মেটান তামান্না ভাটিয়অ। কখনো-সখনো মিষ্টির আকাঙ্ক্ষা তৈরি হলে খেজুর খেয়ে থাকেন। এর ফলে সব রকম স্বাদের খাবারও খেতে পারেন, আবার নিয়ম থেকে বিচ্যুতিও ঘটে না। নৈশভোজ দুপুরের সঙ্গে বিস্তর ফারাক নেই নৈশভোজে। প্রোটিনে ভরপুর খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসেন তামান্না। কিনোয়া, সবজি আর সালাদ দিয়ে পেট ভরান তিনি। নিয়মিত নাচ ও শরীরচর্চা করেন বলে প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর বিষয়ে সচেতন অভিনেত্রী।
রিদম গিটারিস্ট বব উইয়ার মারা গেছেন

রিদম গিটারিস্ট বব উইয়ার মারা গেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি রক ব্যান্ড গ্রেটফুল ডেড–এর সহ–প্রতিষ্ঠাতা ও রিদম গিটারিস্ট বব উইয়ার মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রয়টার্সসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে বব উইয়ার ক্যানসারে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে ফুসফুসজনিত জটিলতা বাড়লে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৪৭ সালে জন্ম নেওয়া বব উইয়ার ছিলেন গ্রেটফুল ডেডের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি। ১৯৬৫ সালে জেরি গার্সিয়া, ফিল লেশ ও বিল ক্রয়ৎসম্যানের সঙ্গে তিনি ব্যান্ডটি গড়ে তোলেন। ‘Truckin’, ‘Sugar Magnolia’, ‘Jack Straw’সহ ব্যান্ডের বহু জনপ্রিয় গানে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। ১৯৬০ ও ৭০–এর দশকে গ্রেটফুল ডেড আমেরিকার কাউন্টার–কালচার আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। ব্যান্ডটির দীর্ঘ ইম্প্রোভাইজেশন, লাইভ পারফরম্যান্স ও অনন্য সংগীতধারা বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৯৫ সালে জেরি গার্সিয়ার মৃত্যুর পরও বব উইয়ার সংগীতচর্চা চালিয়ে যান এবং Dead & Company সহ বিভিন্ন ব্যান্ডের মাধ্যমে মঞ্চে সক্রিয় ছিলেন । দীর্ঘ ছয় দশকের সংগীতজীবনে তিনি রক, ফোক ও জ্যাম ব্যান্ড সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলেন। সংগীত সমালোচকদের মতে, বব উইয়ারের মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে এক যুগের অবসান হলো। বব উইয়ারের মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে তার ভক্ত, সহশিল্পী ও সংগীতপ্রেমীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
ভালোবাসার সীমা নাই তাদের

ভালোবাসার সীমা নাই তাদের নেটদুনিয়ায় গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়েছেন শেখ সোলায়মান ও রাকিব। অন্যদিকে দোতারায় বেশ সরব ফাহিমা আহমেদ শিফা। এই তিন তরুণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী লুৎফর হাসান। তরিকের সংগীতে ‘ভালোবাসার সীমা নাই’ শিরোনামে গানটির ইতিমধ্যে গানচিত্র নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। ‘তুমি আমায় চিনো নাই গো, আমি তোমায় চিনি নাই, তোমার আমার মইধ্যে তবু ভালোবাসার সীমা নাই’ এমন কথায় গীতিকবিতা সাজিয়েছেন লুৎফর হাসান নিজেই। গানে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন শেখ সোলায়মান ও রাকিব। দোতারায় ছিলেন শিফা। ভিডিও নির্মাণ করেছেন ফারহান আহমেদ রাফাত। গানটি প্রকাশ করছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)। গানের দৃশ্যায়ন হয়েছে টাঙ্গাইলের যমুনার চর ও হেমনগর জমিদার বাড়িতে। লুৎফর, সোলায়মান ও রাকিব, তিনজনই এক অঞ্চলের সন্তান। ফলে চিত্রায়ণও হয়েছে সেখানকার দৃষ্টিনন্দন নানান লোকেশনে। লুৎফর হাসান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোলায়মান ও রাকিব ভীষণ জনপ্রিয়। ওরা আমারই ছোটভাই। এক মাটির সন্তানেরা এক গানে একত্রিত হব, এটা বেশ আগের পরিকল্পনা। আর শিফা যুক্ত হয়েছে দোতারায়, ভিডিওতে সেও অংশ নিয়েছে। এই গান ও গানচিত্রের সবচেয়ে ইউনিক দিক এর লোকেশন। এর আগে কখনো এই লোকেশনে কাজ হয়নি। শেখ সোলায়মান ও রাকিবের ভাষ্য, লুৎফর ভাই আমাদের এলাকার বড়ভাই। উনার লেখা ও সুরে অনেকেই গান করেছেন। আমাদের ইচ্ছে ছিল, একসাথে কবে আমরা কাজ করব। ধ্রুব গুহ দাদা এগিয়ে আসায় শেষ পর্যন্ত কাজটা হয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন জানিয়েছে, খুব দ্রুত গানটি ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাবে। এছাড়াও দেশি-বিদেশি একাধিক প্লাটফর্মে শ্রোতারা গানের অডিও শুনতে পাবেন।
ফাইনালের আগে এমবাপেকে নিয়ে সতর্ক রিয়াল কোচ

ফাইনালের আগে এমবাপেকে নিয়ে সতর্ক রিয়াল কোচ স্প্যানিশ সুপার কাপ ফাইনালকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ দুই দলই। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচকে সামনে রেখে কিলিয়ান এমবাপের ফিটনেস নিয়ে অতিরিক্ত কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো। গত বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামতে পারেননি চোটের কারণেই। তবে শুক্রবার দলের সঙ্গে সৌদি আরবে গিয়েছেন এল ক্লাসিকোর স্কোয়াডের অংশ নিসেবে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে হাঁটুর চোটে পড়েন এমবাপে। যে চোট থেকে সেরে উঠতে প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগার কথা ছিল। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২৯ গোল করেছেন তিনি। মৌসুমে মাদ্রিদের শীর্ষ গোলদাতাকে ব্যথানাশক ইনজেকশন দিয়ে খেলানো হতে পারে কিনা, এমন প্রশ্নে আলোনসো জানান, ক্লাব কোনো তাড়াহুড়া করবে না। সংবাদ সম্মেলনে আলোনসো বলেন, ‘এটা এমন একটি সিদ্ধান্ত, যেটা কোচিং স্টাফ, খেলোয়াড় এবং চিকিৎসকদের মধ্যে আলোচনা করে নিতে হবে। আমাদের ঝুঁকির মাত্রা বুঝতে হবে, আমরা কোন অবস্থায় আছি, কী জন্য খেলছি। তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে আমরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কামিকাজে (বেপরোয়া) হই না। এটা হবে নিয়ন্ত্রিত ঝুঁকি।”আলোনসো জানান, রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে গত সপ্তাহান্তের লা লিগা ম্যাচ এবং আতলেতিকোর বিপক্ষে ডার্বি মিস করার পর এমবাপে এখন অনেকটাই ভালো বোধ করছেন আগের চেয়ে। আলোনসো বলেন, ‘সে এখন অনেক ভালো আছে। আতলেতিকোর বিপক্ষে ম্যাচে সে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল না, তাই আমরা তার প্রত্যাবর্তন ত্বরান্বিত করিনি।’তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনায় ছিল ফাইনালে উঠতে পারলে এবং সে কেমন অনুভব করছে তা দেখে, তখন তাকে এখানে আনার বিষয়টি বিবেচনা করব। আজ সে যখন অনুশীলন করবে, তখন আমরা সব তথ্য পাব এবং বুঝতে পারব সে শুরুর একাদশে খেলতে পারবে কি না, নাকি সীমিত সময়ের জন্য নামবে।’ সুপার কাপ জিততে পারলে গত জুনে রিয়ালের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই হবে আলোনসোর প্রথম শিরোপা। যা তার ওপর থাকা চাপও অনেকটাই কমাবে।
রোজেনিয়রের স্বপ্নময় শুরু, চার্লটনকে ৫-১ ব্যবধানে হারালো চেলসি
রোজেনিয়রের স্বপ্নময় শুরু, চার্লটনকে ৫-১ ব্যবধানে হারালো চেলসি চেলসির কোচ হয়েই প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে লিয়াম রোজেনিয়র শুরুটা করলেন দারুণ এক জয় দিয়ে। চার্লটন অ্যাথলেটিককে ৫-১ গোলে হারিয়ে নতুন কোচের অধীনে দারুণ শুরু করেছে ব্লুজরা। দ্য ভ্যালি স্টেডিয়ামে বিরতির আগমুহূর্তে দুর্দান্ত এক ভলিতে গোলের সূচনা করেন জোরেল হাতো। সেই ব্যবধানে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাড়িয়ে দেন তোসিন আদারাবিওয়ো। চার্লটনের হয়ে মাইলস লিবার্ন এক সময় ব্যবধান কমালেও শেষ পর্যন্ত মার্ক গিউ, পেদ্রো নেটো ও এনজো ফার্নান্দেজের গোল চেলসির বড় জয় নিশ্চিত করে। ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তাল ছিল দ্য ভ্যালি। লন্ডনের প্রতিবেশী ক্লাবকে চাপে ফেলতে মুখিয়ে ছিলো গ্যালারির চার্লটন সমর্থকরা। তবে ম্যাচ শুরুর পরপরই গ্যালারিতে এক চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ বিরতি পড়ে, যা কিছুটা হলেও স্টেডিয়ামের উত্তেজনা কমিয়ে দেয়। এই বিরতি শেষে দ্রুতই নিজেদের ছন্দ খুঁজে নেয় চেলসি। প্রথমার্ধে ৭৭ শতাংশ বল দখলে রেখে ছয়টি শট লক্ষ্যে রাখে। তবে চার্লটনের গোলকিপার উইল ম্যানিয়ন দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় চেলসি। চার্লটনের বক্সের সামনে বাউন্স করা বলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নিখুঁত ভলিতে গোল করেন হাতো। বিরতির পরপরই ম্যাচের ৫০ মিনিটে স্বাগতিকদের দুর্ভোগ বাড়ায় চেলসি। ফাকুন্দো বুয়োনানোট্টের নেওয়া প্রান্তিক ফ্রি-কিক দুর্দান্ত গতিতে নিকট পোস্টে পৌঁছালে তোসিন আদারাবিওয়ো হেডে বল জালে পাঠান। দুই গোল হজমের পর চার্লটন দমে যায়নি। কর্নার থেকে লয়েড জোন্সের হেড ফিলিপ ইয়োরগেনসেন ঠেকালেও ফিরতি বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোল করেন মাইলস লিবার্ন। তাতে স্বাগতিক সমর্থকদের মনে স্বপ্ন জাগে প্রত্যাবর্তনের। গোল করেও মাত্র পাঁচ মিনিট পর আবারও গোল হজম করে বিপদে পড়ে চার্লটন। ৬২ মিনিটে আলেহান্দ্রো গারনাচোর শট থেকে আসা রিবাউন্ডে সুযোগ নিয়ে মার্ক গিউ তৃতীয় গোলটি করেন। এই গোলের হজম করে ভেঙে পড়ে চার্লটনের প্রতিরোধ। এস্তেভাওকে মাঠে নামানোর পর ডান প্রান্তে একের পর এক সুযোগ তৈরি করে চেলসি। ম্যানিয়ন এস্তেভাও ও এনজো ফার্নান্দেজের শট ঠেকালেও লিয়াম ডেলাপ সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। ম্যাচ যখন শেষের পথে, দ্য ভ্যালি স্টেডিয়ামে হালকা কুয়াশা ভর করতে শুরু করে। ঠিক সেই সময়ই নৈপুণ্যের ছোঁয়ায় ব্যবধান বাড়ান পেদ্রো নেটো লয়েড জোন্সকে ফাঁকি দিয়ে বক্সে ঢুকে নিকট কোনায় নিচু শটে জাল কাঁপান। এরপর এস্তেভাওকে বক্সে ফেলে দেওয়ায় গোলরক্ষক উইল ম্যানিয়নের বিরুদ্ধে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট থেকে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করে এনজো ফার্নান্দেজ চেলসির বড় ৫–১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন।
‘শিরোনামহীন’-এর ভোকালিস্ট শেখ ইশতিয়াক বিয়ে করলেন

‘শিরোনামহীন’-এর ভোকালিস্ট শেখ ইশতিয়াক বিয়ে করলেন জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন জনপ্রিয় ব্যান্ড শিরোনামহীন-এর ভোকালিস্ট শেখ ইশতিয়াক। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকার একটি রিসোর্টে পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজনে সম্পন্ন হয় তাঁর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। এই বিশেষ আয়োজনে সংগীতাঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় নিজের বিয়েতেই পারফর্ম করেছে ব্যান্ড শিরোনামহীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে ব্যান্ডের পারফরম্যান্স চলাকালে ইশতিয়াকের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন তাঁর নববধূ। দু’জনকেই দেখা যায় আনন্দ ও হাসিতে ভরপুর। রোববার (১১ জানুয়ারি) সামাজিকমাধ্যমে বিয়ের ছবি শেয়ার করে ইশতিয়াক লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। গতকাল আমরা একসঙ্গে নতুন যাত্রা শুরু করেছি। দয়া করে আমাদের প্রার্থনায় রাখবেন। আল্লাহ যেন আমাদের বিয়েকে ভালোবাসা, ধৈর্য ও বোঝাপড়ার আশীর্বাদে ভরে দেন। আমরা যেন বিশ্বাস ও মায়া নিয়ে একসঙ্গে বেড়ে উঠতে পারি।এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ব্যান্ড শিরোনামহীন-এর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও ইশতিয়াকের বিয়ের খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। সেখানে লেখা হয়, ‘হ্যালো! আজ আমরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে যাচ্ছি। ঠিকই শুনেছেন আজ আমাদের শেখ ইশতিয়াকের বিয়ে। তাঁর জীবনের এই নতুন ইনিংসের জন্য সবার কাছে দোয়া চাইছি। উল্লেখ্য, একক শিল্পী হিসেবে সংগীতজীবন শুরু করেন শেখ ইশতিয়াক। ২০১৭ সালে তিনি ব্যান্ড শিরোনামহীনে যোগ দেন। বর্তমান ভোকালিস্ট হিসেবে অল্প সময়েই শ্রোতাদের মধ্যে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। তাঁর কণ্ঠে গাওয়া ‘এই অবেলায়’ গানটি তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সম্প্রতি প্রকাশিত এর সিক্যুয়েল ‘এই অবেলায় ২’ নিয়েও প্রশংসা পাচ্ছে ব্যান্ডটি।
যেভাবে সময় কাটছে তাহসানের

যেভাবে সময় কাটছে তাহসানের ব্যক্তিগত জীবনের এক কঠিন সময় পার করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে আলাদা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করার পর নিজের বর্তমান মানসিক ও শারীরিক অবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তাহসান জানান, এই সময়টা তিনি অনেকটাই একা একা কাটাচ্ছেন। দেশ ও দেশের বাইরে ভ্রমণ করছেন, আর অবসর সময় কাটছে বই পড়েই। তাহসানের ভাষায়, “ঘুরছি আর বই পড়েই সময় চলে যাচ্ছে। এই সময়ে বই-ই আমার সবচেয়ে বড় সঙ্গী।” নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও গোপন রাখেননি এই শিল্পী। তিনি জানান, মানসিক চাপের পাশাপাশি শারীরিকভাবেও বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ বোধ করছেন। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনই প্রকাশ্যে বলতে চান না তিনি। এ কারণে ফোনে কথা বলার বদলে হোয়াটসঅ্যাপে লিখে প্রশ্নের উত্তর দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন বলেও জানান তাহসান। সবশেষে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন এই শিল্পী। তাহসানের কথায়, “দোয়া করবেন, যেন আমি এই কঠিন সময়টা দ্রুত পার করতে পারি।”তাহসানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তার ভক্তদের মধ্যেও উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে সবাই আশা করছেন, দ্রুতই তিনি এই সময় কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ও সৃষ্টিশীল কাজে ফিরবেন।