সোনামসজিদ বন্দরে বাংলাদেশ-ভারত ব্যবসায়ীদের যৌথ সভা

সোনামসজিদ বন্দরে বাংলাদেশ-ভারত ব্যবসায়ীদের যৌথ সভা সোনামসজিদ ও ভারতের মহদিপুর স্থলবন্দরের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের আমদানি-রফতানিকারকদের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সোনামসজিদ স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের উদ্যোগে পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উভয় দেশের ব্যবসায়ী নেতারা সোনামসজিদ-মহদিপুর স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে যেসব পণ্যের আমদানি-রফতানি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে, সেগুলো পুনরায় চালুর দাবি জানান তারা। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা সভায় জানান, এক সময় মসলা জাতীয় পণ্যের আমদানি-রফতানি এই বন্দর দিয়ে উল্লেখযোগ্য হারে হতো, তবে বর্তমানে তা অনেকটাই কমে গেছে। এ ধরনের পণ্যের বাণিজ্য পুনরুজ্জীবিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা। সোনামসজিদ আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবুল হাসনাত দুরুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতি, দপ্তর সম্পাদক এসবি মাসুম বিল্লাহ, সোনামসজিদ সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান ও সদস্য সচিব রুহুল আমিন। এছাড়াও মহদিপুর রপ্তানিকারক গ্রুপের সহসভাপতি জগন্নাথ ঘোষ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় ঘোষ, মহদিপুর সিএন্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুন্ডু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভূপ্রতি মন্ডলসহ দুই দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সভায় অংশ নেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্ত বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাল্যবিবাহ ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে প্রান্তিক পর্যায়ে সংলাপ ও গম্ভীরা অনুষ্ঠিত

বাল্যবিবাহ ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে প্রান্তিক পর্যায়ে সংলাপ ও গম্ভীরা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিবাহ এবং শিশুদের প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতামূলক সংলাপ ও লোকজ সাংস্কৃতিক আয়োজন গম্ভীরা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী, আদিবাসী প্রতিনিধি ও বিভিন্ন প্রভাবশালী স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন। রবিবার সকালে সদর উপজেলার দেবিনগর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দেবিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ একটি মারাত্মক সামাজিক সমস্যা, যা শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। এই ব্যাধি রোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে বিশেষ অতিথি ছিলেন মানপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম। তিনি শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য সায়েরা বেগম ও আব্দুল মান্নান। তারা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। সংলাপে এসএসবিসি প্রকল্পের ফ্যাসিলিটেটর নাইম আলী, আয়াতুল্লাহ ও আব্দুল কাদেরসহ স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে বিকেলে সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের দেলবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে গম্ভীরার মাধ্যমে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। লোকজ এই সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়। গম্ভীরা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোবরাতলা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, লোকজ সংস্কৃতির মাধ্যমে সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত কার্যকর, আর গম্ভীরার মতো আয়োজন সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী জনপ্রতিনিধি কর্নেলিউস মুরমু, মানপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম, রেডিও মহানন্দার সহকারী স্টেশন ম্যানেজার মো. রেজাউল করিম এবং প্রয়াস ফোক থিয়েটার ইনস্টিটিউট (পিএফটিআই)-এর টিম লিডার আহমেদ ফ্রান্স। এ সময় এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্যরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। গম্ভীরা পরিবেশন করেন প্রয়াস ফোক থিয়েটার ইনস্টিটিউটের শিল্পীরা। উল্লেখ্য, ইউনিসেফ ও ওয়ার্ল্ড ভিশন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সহায়তায় এসএসবিসি প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, বাল্যবিবাহ ও শিশু নির্যাতন বন্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কখন আক্কেল দাঁত তোলা উচিত

কখন আক্কেল দাঁত তোলা উচিত আক্কেল দাঁত ওঠার যন্ত্রণা অনেকর ক্ষেত্রেই ভয়াবহ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের আবার আক্কেল দাঁত তুলে ফেলারও প্রয়োজন হয়। মুখের ভেতরে বেকায়দায় কোনো জায়গায় দাঁত ওঠা, ব্যথা, ক্যাভিটি, প্রদাহ, আক্কেল দাঁত সংলগ্ন অন্য কোনো দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ইত্যাদি কারণে এই দাঁত তুলে ফেলার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ ধরনের কোনো সমস্যা দেখা দেওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আক্কেল দাঁত তুলে ফেলা প্রয়োজন কিনা তা পর্যাপ্ত পরীক্ষা নিরীক্ষার পর একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিশেষত মেক্সিলোফেসিয়াল সার্জন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। আক্কেল দাঁত কি: অনেকে মনে করেন ‘আক্কেল দাঁতের’ সঙ্গে জ্ঞানবুদ্ধি বা আক্কেলের সম্পর্ক রয়েছে। তবে এর সঙ্গে কোনো বিশেষ সম্পর্ক নেই। সাধারণত ১৭-২৫ বছরের মধ্যে উপরের ও নিচে উভয় চোয়ালের তৃতীয় বা দাঁতগুলো উঠে। এমন দাঁতের সংখ্যা ৪টি যাদের মেডিকেলের পরিভাষায় বলা হয় ‘থার্ড মোলার টুথ’। কখন ব্যথা হয়: বেশিরভাগ দাঁত ওঠার সময় ব্যথা অনুভূত না হলেও আক্কেল দাঁত বা থার্ড মোলার টুথ ওঠার ক্ষেত্রে অনেকের ব্যথার অনুভূতি হয়। প্রতিটি দাঁত উঠতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গার প্রয়োজন হয়। অনেকের ক্ষেত্রে দাঁত ওঠার সময় জায়গায় অভাব হয় যেমন-চোয়াল ছোট বা অতিরিক্ত দাঁতের উপস্থিতি বা সঠিক স্থানে দাঁত না ওঠা ইত্যাদি কারণে প্রয়োজনীয় স্থান সংকুলান না হলে দাঁত ওঠার সময় তার চারপাশে যে চাপ প্রয়োগ করে তাতে ব্যথা অনুভূত হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যথা স্বাভাবিক মাত্রার ভেতর থাকে তবে ক্ষেত্রবিশেষে ইনফেকশন বা প্রদাহজনিত পরিস্থিতিতে আরও গুরুতর করে তোলে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। দাঁত কখন তোলা হয়: যে কোনো দাঁত তোলার ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। কেননা সময়ের আগে দাঁত পড়ে যাওয়া বা দাঁত তুলে ফেলার ফলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। যেমন- দাঁত আঁকাবাঁকা হওয়া, সঠিক স্থানে দাঁত না ওঠা অথবা প্রয়োজনীয় স্থান সংকুচিত হয়ে দাঁত উঠতে বাধাগ্রস্থ হওয়া ইত্যাদি। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ, পর্যাপ্ত বয়স, ইনফেকশন বা প্রদাহের উপস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্পন্নের পর দাঁত তোলা যেতে পারে। আক্কেল দাঁত কখন তোলা হয় : আক্কেল দাঁত বা যেকোন দাঁত উঠতে সমস্যা হওয়া, ইনফেকশন বা প্রদাহের উপস্থিতি, প্রয়োজনীয় স্থানের অভাব বা কোন টিউমার বা সিস্টের উপস্থিতি থাকলে সাধারণত দাঁত তুলে ফেলার প্রয়োজন হয়। দাঁত তোলার দুটি পদ্ধতি আছে। সার্জিকাল এবং নন সার্জিকাল। সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে একজন অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা সঠিকভাবে মেনে চলার দ্বারা চিকিৎসা পরবর্তী যেকোনো জটিলতা সহজেই এড়ানো যায়। কখন আক্কেল দাঁত সার্জারির প্রয়োজন হয় : যেকোনো দাঁত তোলার ক্ষেত্রেই সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। দাঁতের গঠন কাঠামো অস্বাভাবিক হলে, স্বাভাবিক পন্থায় (নন সার্জিকাল) দাঁত তোলা না গেলে অথবা দাঁত যদি অর্ধেক বা পুরোপুরি মাড়ি বা চোয়ালের হাড়ের ভেতর অবস্থান করে তখন দাঁত তুলতে সার্জারির প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে বিজ্ঞ চিকিৎসকের পাশাপাশি রোগীকেও সার্জারির পূর্বে ও পরে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা আন্তরিকতার সঙ্গে মেনে চলা জরুরি। দাঁত তোলার পরবর্তী করণীয় : সাধারণত দাঁত তোলার পর ২৪ ঘণ্টা নরম খাবার খাওয়া, গরম খাবার এড়িয়ে চলা, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা লবন পানি দিয়ে কুলকুচি করা বা মাউথওয়াশ ব্যবহার করা ও অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের দ্বারা অধিকাংশ জটিলতা কেটে যায়। তবে সার্জিকাল এক্সট্রাকশনের ক্ষেত্রে সাময়িক সময়ের জন্য মুখ পরিপূর্ণ হা করতে বা জোরে হাসতে নিষেধ করা হয়। কারণ তাতে করে সেলাই ছুটে যাওয়া বা পুনরায় রক্তপাত হবার আশঙ্কা থাকে। তবে জটিলতা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় সেক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যেমন ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জনের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। লেখক: ডা. মেহেদী হাসান শিবলী, ওরাল এন্ড ডেন্টাল সার্জন, বিডিএস, বিসিএস

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পিটার গ্রিন মারা গেছেন

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পিটার গ্রিন মারা গেছেন হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘দ্য মাস্ক’-এর অভিনেতা পিটার গ্রিন মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার ১২ ডিসেম্বরনিউ ইয়র্ক সিটির নিজ ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পিটার গ্রিনের ম্যানেজার ও দীর্ঘদিনের বন্ধু গ্রেগ এডওয়ার্ডস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, নিউ ইয়র্কের লোয়ার ইস্ট সাইডে অবস্থিত অভিনেতার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে টানা ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উচ্চশব্দে গান বাজার আওয়াজ আসছিল। এরপর পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে অভিনেতার মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। দ্যা মাস্ক সিনেমায় মূলত ডোরিয়ান টাইরেলের খলচরিত্রে ছিলেন পিটার। পর্দায় তার তীক্ষ্ণ চাহনি, গম্ভীর কণ্ঠস্বর এবং ভয়ংকর খল চরিত্রের অভিনয় দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। এছাড়াও ‘পাল্প ফিকশন’-এর জেড চরিত্রের জন্য তিনি কাল্ট ক্লাসিক ভক্তদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে পর্দায় ভয়ংকর সব চরিত্রে দেখা গেলেও ব্যক্তিজীবনে পিটার ছিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বভাবের মানুষ। তার ম্যানেজার গ্রেগ এডওয়ার্ডস বলেন, ‘পিটারের চেয়ে ভালো ‘ভিলেন’ আর কেউ হতে পারত না। কিন্তু পর্দার বাইরে তার একটি কোমল দিক ছিল, যা খুব কম মানুষই দেখার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি অত্যন্ত বড় মনের এবং দয়ালু একজন মানুষ ছিলেন। প্রিয় অভিনেতার মৃত্যুতে হলিউড সতীর্থ ও তার ভক্তরা স্যোশাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করছেন। ইত্তেফাক/পিএস

শাহরুখ সাক্ষাৎ পেলেন মেসির

শাহরুখ সাক্ষাৎ পেলেন মেসির কলকাতার এক বিশেষ আয়োজনে মুখোমুখি হলেন দুই ভিন্ন জগতের দুই মহাতারকা ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসি ও বলিউডের কিং খান শাহরুখ খান। শনিবারের এই সাক্ষাৎ শুধু একটি অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং করমর্দন, আলাপচারিতা ও একসঙ্গে তোলা ছবির মাধ্যমে তা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটজুড়ে। অনুষ্ঠানে শাহরুখ খানের ছোট ছেলে আব্রাম খানকেও দেখা যায় মেসির পাশে। ফুটবল মহাতারকার সঙ্গে আব্রামের হাসিমুখে ছবি ভক্তদের আবেগ আরও বাড়িয়ে দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি করে আলাদা উন্মাদনা।‘গোট ট্যুর অব ইন্ডিয়া ২০২৫’-এর অংশ হিসেবে ভারতে সফর করছেন লিওনেল মেসি। সেই সফরের অংশ হিসেবে শনিবার কলকাতায় এসে তিনি অংশ নেন এক বিশেষ মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে। সেখানেই প্রথমবারের মতো কিং খানের সঙ্গে তার সরাসরি সাক্ষাৎ হয়। অনুষ্ঠানের মঞ্চে দুজনের করমর্দন, সংক্ষিপ্ত কথোপকথন ও বন্ধুত্বপূর্ণ মুহূর্ত উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। এ সময় মেসি আলাদাভাবে আব্রামের সঙ্গেও ছবি তোলেন, যা অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আলোচিত দৃশ্যগুলোর একটি হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠান শেষে মেসি শহরের ঐতিহ্যবাহী সল্ট লেক স্টেডিয়ামের উদ্দেশে রওনা দেন। অন্যদিকে শাহরুখ খান সেখান থেকেই মুম্বাই ফিরে যান। তবে কলকাতায় এই স্বল্প সময়ের সাক্ষাৎই রয়ে গেল ভক্তদের মনে দীর্ঘদিনের স্মৃতি হয়ে।

১ বিলিয়ন ডলার আয়, কী আছে ‘জুটোপিয়া টু’ সিনেমায়

 ১ বিলিয়ন ডলার আয়, কী আছে ‘জুটোপিয়া টু’ সিনেমায় বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস তৈরি করল অ্যানিমেশন ছবি ‘জুটোপিয়া টু’। মুক্তির মাত্র সতেরো দিনের মধ্যেই ছবিটি বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। এর মধ্য দিয়ে সর্বকালের দ্রুততম পারিবারিক শ্রেণির ছবি হিসেবে এই মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলল ডিজনির এই অ্যানিমেশন সিক্যুয়েল। ডিজনির প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি এখন পর্যন্ত নিজ দেশের বাজার থেকে আয় করেছে প্রায় ২৩২ কোটি মার্কিন ডলার। সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে প্রায় ৭৫৩ কোটি মার্কিন ডলার। সব মিলিয়ে মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৮৬ কোটি মার্কিন ডলার। দ্রুতই ১ বিলিয়ন ডলারের সীমা পেরিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চলতি বছরে এটি তৃতীয় ছবি হিসেবে ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করল। এর আগে ডিজনির ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ এবং চীনের অ্যানিমেশন ব্লকবাস্টার ‘নে ঝা টু’ এই কীর্তি গড়েছিল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত মাত্র তেরোটি অ্যানিমেশন ছবি ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করতে পেরেছে। তার মধ্যে ১০টিই ডিজনির প্রযোজনা। ডিজনি অ্যানিমেশন স্টুডিওর প্রধান সৃজনশীল কর্মকর্তা জ্যারেড বুশ বলেন, এই ছবিতে আমাদের প্রতিটি সদস্য তাদের হৃদয় ও সৃজনশীলতা উজাড় করে দিয়েছে। এই সাফল্য আমাদের কাছে শুধু অর্থনৈতিক অর্জন নয়, বরং সারা বিশ্বের দর্শক একসঙ্গে প্রেক্ষাগৃহে বসে ছবি দেখছে এই অভিজ্ঞতারই স্বীকৃতি। এটাই ‘জুটোপিয়া’র স্বপ্ন। প্রথম ‘জুটোপিয়া’ ছবিটি মুক্তির নয় বছর পর দ্বিতীয় কিস্তি মুক্তি পায় থ্যাংক্স গিভিং উৎসবকে সামনে রেখে। মুক্তির প্রথম পাঁচ দিনের ছুটিতে উত্তর আমেরিকায় ছবিটি আয় করে প্রায় ১৫৮ কোটি ডলার এবং বিশ্বজুড়ে আয় দাঁড়ায় প্রায় ৫৫৯ কোটি ডলার। এটি পারিবারিক অ্যানিমেশন ছবির ইতিহাসে অন্যতম সেরা সূচনা। চীনের বাজারেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ‘জুটোপিয়া টু’। সেখানে ছবিটির আয় এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৩০ কোটি মার্কিন ডলার। দেশটিতে এটি বিদেশি ছবির মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা ছবি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। জ্যারেড বুশ ও বায়রন হাওয়ার্ড পরিচালিত এই ছবিতে প্রাণীদের শহরে আবারও দেখা যায় খরগোশ পুলিশ কর্মকর্তা ও ধূর্ত শিয়াল জুটিকে। নতুন এক রহস্যময় সরীসৃপ চরিত্রকে ঘিরে এগোয় গল্প। সমালোচকদের প্রশংসা, দর্শকের মুখে মুখে প্রশংসা আর পারিবারিক দর্শকের দীর্ঘদিনের অপেক্ষাদ; সব মিলিয়েই বক্স অফিসে দুর্দান্ত সাফল্য এনে দিয়েছে ‘জুটোপিয়া টু’। এলআইএ

এটি আত্মসম্মানের প্রতীক ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে বাঁধন বললেন

এটি আত্মসম্মানের প্রতীক ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে বাঁধন বললেন ক্যামেরার আলো, পর্দার সৌন্দর্য আর দর্শকের প্রত্যাশা সব মিলিয়ে নায়িকা বা শিল্পীদের ওজন কমানো নিয়ে থাকে বাড়তি আলোচনা। কখনো চরিত্রের প্রয়োজনে, আবার কখনো ব্যক্তিগত সুস্থতার জন্য এই পরিবর্তন নিয়ে আসেন অনেক তারকা, যা ভক্তদের কৌতূহল ও চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। এবার ৬ মাসে ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে ভক্তদের চর্চায় উঠে এলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।আজ সামাজিক মাধ্যমে পৃথক ছবি শেয়ার করে নিজের এই রূপান্তরের পার্থক্য দেখিয়েছেন অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে শেয়ার করেছেন এই ছয় মাসের অভিজ্ঞতা। বাঁধন লিখেছেন, ‘৭৮ কেজি থেকে ৬০ কেজি আমি এটি করেছি! এই যাত্রা সহজ ছিল না। মানসিক স্বাস্থ্য সংগ্রাম, অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও বংশগত কারণে ওজন বৃদ্ধিকে তুচ্ছ করার ফলস্বরূপ আমার ওজন বেড়েছিল। কিন্তু সঠিক চিকিৎসকের নির্দেশনা, ডিসিপ্লিন এবং আত্মবিশ্বাসের জোরে আমি মাত্র ৬ মাসে ১৮ কেজি ওজন কমাতে পেরেছি। অভিনেত্রী জানান, তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তার মেয়ে। মেয়েই তাকে শরীরচর্চা করতে, জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকতে এবং প্রতিদিন নিজেকে বিশ্বাস করতে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি বলেন, ‘এটি শুধু ওজন কমানো নয়- এটি নিরাময়, শক্তি এবং আত্মসম্মানেরও প্রতীক; এখনো এগিয়ে চলছি। বর্তমানে নির্মাতা তানিম নূরের নতুন সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এটি হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে। অভিনেত্রী বলেন, ‘এই সিনেমার নির্মাতা ও সহশিল্পীরা আমার ভীষণ পছন্দের। তানিম নূর যখন এই চরিত্রের কথা বলল, তখন আমার মেয়ে বলেছে, তুমি এটি করো। কারণ আমাকে নাকি সব সময় সিরিয়াস আর অবসাদগ্রস্ত চরিত্রে দেখা যায়। আর হুমায়ূন আহমেদ যে আমার কত পছন্দের, সেটা সবাই জানে। অনেক বছর পর তার গল্পে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি। এটা আমার কাছে বিশেষ কিছু।

যতবার সুযোগ আসবে, ততবার মেসিকে দেখতে যাবে শুভশ্রী

যতবার সুযোগ আসবে, ততবার মেসিকে দেখতে যাবে শুভশ্রী গতকাল কলকাতায় এসেছিলেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। ফুটবলের জাদুকরকে একঝলক দেখার জন্য উপচে পড়েছিল হাজার হাজার ভক্ত। এতে করে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ ওঠে, হাজার হাজার টাকা খরচ করেও প্রিয় তারকা মেসিকে ঠিকমতো দেখার সুযোগ পাননি ভক্তরা। এই ক্ষোভ ও অসন্তোষের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এক পর্যায়ে এই আগুনের আঁচ গিয়ে লাগে ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলির উপরে। মেসিকে দেখতে পারেননি তার ভক্তরা। তাহলে শুভশ্রীকে কেন আক্রমণ করে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা? মূলত, গতকাল মেসিকে দেখতে শুভশ্রীও গিয়েছিলেন। কারণ তারও প্রিয় ফুটবলার মেসি। তারকা ফুটবলারের সঙ্গে দেখা করে তার সঙ্গে ক্যামেরাবন্দিও হন এই নায়িকা; যা তার ফেসবুকে পোস্ট করেন। এ ছবি দেখে ‘নোংরা’ মন্তব্য যেমন করেছেন, তেমনই কটাক্ষ করেও মন্তব্য করেছেন। এ পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন শুভশ্রীর স্বামী, পরিচালক-বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। স্ত্রী স্বপক্ষে দাঁড়িয়ে রাজ পরিষ্কার ভাষায় ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে বলেন, “আগামী দিনে যতবার সুযোগ আসবে, ততবার মেসিকে দেখতে যাবে শুভশ্রী। অন্য অনেকের মতো আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন শুভশ্রী। আয়োজক কর্তৃপক্ষ শুভশ্রীকে উপস্থিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন। এ তথ্য স্মরণ করে রাজ চক্রবর্তী বলেন, “শুভশ্রী কিন্তু ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট সেশন’-এ মেসির মুখোমুখি হয়েছে। কথাবার্তার পর ছবি তুলেছে, মাঠে যায়নি। অনেকে মাঠে মেসির পাশে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত ছবি তুলেছেন। তাদের কেন বলা হচ্ছে না? শুভশ্রী একা কেন ক্রমাগত আক্রমণের শিকার? শুভশ্রীর পারিবারিক পরিচয়, তার শারীরিক গড়ন নিয়েও কটূক্তি করেছেন অনেকে। এ বিষয়ে রাজ চক্রবর্তী বলেন, “শুধু তারকা নয়, তথাকথিত সভ্য সমাজে নারী এখনো ‘সফট টার্গেট’। তিনি তারকা না-ও হতে পারেন। যেমন: কোনো তরুণী যদি ছোট পোশাকে সেজে মেসির কাছে যেতেন, তার আশেপাশে থাকতেন, উল্লাসে মাততেনতাকেও একইভাবে কটাক্ষের শিকার হতে হতো। তার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এলে আক্রমণের মুখে পড়তে হতো।

মেহজাবীন অবকাশ যাপনে কোথায় গেছেন

মেহজাবীন অবকাশ যাপনে কোথায় গেছেন দীর্ঘ ১৩ বছরের প্রেমের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পরিচালক আদনান আল রাজীবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। এই তারকা দম্পতি এখন সুখী দাম্পত্যজীবন উপভোগ করছেন। এবার একান্ত অবকাশ যাপনে এই জুটি উড়াল দিয়েছেন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি মালদ্বীপে। সেখানে কাটানো বিশেষ মুহূর্তগুলোর একগুচ্ছ ছবি অভিনেত্রী তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শেয়ার করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, সমুদ্রের তীরে খোশ মেজাজে ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন এই তারকা জুটি। দু’জনের মিষ্টি হাসি ছবিগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নিঃশব্দে সাগরের কাছে। অভিনেত্রীর এই ছবিগুলো প্রকাশের পর পরই কমেন্ট বক্সে উপচে পড়েছে ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা। অনেকেই এই তারকা জুটির বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘আমি এই দৃশ্যের প্রেমে পড়ে যাবো।’ আরেকজন তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘অনেক সুন্দর লাগছে দুজনকে অভিনন্দন।

চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নে ঘাস কাটতে গিয়ে ককটেল বিস্ফোরণে এক শিশু গুরুতর আহত 

চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নে ঘাস কাটতে গিয়ে ককটেল বিস্ফোরণে এক শিশু গুরুতর আহত  সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নে ঘাস কাটতে গিয়ে ককটেল বিস্ফোরণে মিজানুর রহমান নামে ৯ বছরের এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। সে একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সুপারপাড়া গোঠাপাড়া গ্রামের নয়ন আলী বাবুর ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি পাটক্ষেতের আইলে ঘাস কাটছিল মিজান। এ সময় আইলের ঘাসের মধ্যে থাকা একটি অবিস্ফোরিত ককটেল বিস্ফোরিত হলে ঘটনাস্থলেই শিশুটি আহত হয়। বিকট শব্দে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত জেলা হাসপাতালে পাঠায়। জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকরা শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।