আইপিএলের প্রায় পুরো মৌসুমে খেলতে পারবেন মোস্তাফিজ

আইপিএলের প্রায় পুরো মৌসুমে খেলতে পারবেন মোস্তাফিজ আইপিএলের প্রায় পুরো মৌসুমে খেলার জন্য অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাচ্ছেন টাইগার পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। নিলামে রেকর্ড দামে তাকে দলে নেওয়া কলকাতা নাইট রাইডার্সের জন্য এটি স্বস্তির খবর। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের প্রধান নাজমূল আবেদীন ফাহিম। আগামী বছরের ২৬ মার্চ শুরু হবে আইপিএলের ১৯তম আসর, ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩১ মে। এই টুর্নামেন্টে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে কলকাতার জার্সিতে খেলবেন মোস্তাফিজ। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে তাকে দলে ভেড়ায় কলকাতা, যা আইপিএল ইতিহাসে কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ দাম। তবে পুরো মৌসুমে মোস্তাফিজকে পাওয়া নিয়ে শুরুতে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কারণ এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা রয়েছে নিউজিল্যান্ডের, যেখানে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে জাতীয় দলের ব্যস্ততার কারণে আইপিএলে তার অনুপস্থিতির আশঙ্কা ছিল। এ বিষয়ে নাজমূল আবেদীন ফাহিম জানান, সিরিজ চলাকালীন সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ দিনের জন্য মোস্তাফিজকে দেশে ফিরতে হতে পারে। ওই সময় তিনি ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টির যেকোনো একটি সিরিজ খেলবেন। এরপর আবার আইপিএলে যোগ দেবেন। ফলে বলা যায়, প্রায় পুরো মৌসুমেই কলকাতার হয়ে খেলতে পারবেন কাটার মাস্টার। এদিকে প্রথমবার কলকাতা নাইট রাইডার্সে যোগ দিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মোস্তাফিজ। কলকাতার ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন,“হাই কেকেআর ফ্যানস, আমি মোস্তাফিজুর রহমান। কেকেআর টিমের অংশ হতে পেরে আমি খুবই খুশি ও আনন্দিত। শিগগিরই দেখা হবে।” এর মধ্য দিয়ে চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে কলকাতার জার্সি গায়ে তুলতে যাচ্ছেন মোস্তাফিজ। এর আগে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস এই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন। সব মিলিয়ে আইপিএলে এটি হবে মোস্তাফিজের ষষ্ঠ ফ্র্যাঞ্চাইজি।
নতুন ফরম্যাটে মাঠে গড়াচ্ছে পিএসএল ২০২৬

নতুন ফরম্যাটে মাঠে গড়াচ্ছে পিএসএল ২০২৬ নতুন ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসর। ২০২৬ সালের ২৬ মার্চ থেকে ৩ মে পর্যন্ত চলবে এই টুর্নামেন্ট, যার মোট সময়কাল ৩৯ দিন। এবার প্রথমবারের মতো পিএসএলে অংশ নেবে আটটি দল। জিও নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। অনুমোদিত সূচি অনুযায়ী, পিএসএল ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে দুই ধাপে। প্রথম ধাপে থাকবে সিঙ্গেল লিগ পর্ব, যেখানে আটটি দল একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। ফলে প্রতিটি দলই লিগ পর্বে সব প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পাবে। দ্বিতীয় ধাপে টুর্নামেন্ট গড়াবে ‘সুপার ফোর’ কাঠামোতে। এ পর্যায়ে আটটি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে চারটি করে দল। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল খেলবে তিনটি করে ম্যাচ। এ ধাপে মোট ম্যাচ হবে ১২টি। সুপার ফোর শেষে সেরা দুটি দল উঠবে প্লে-অফে। প্লে-অফ পর্বে মোট চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হবে পিএসএল ২০২৬-এর চ্যাম্পিয়ন। দল সংখ্যা ছয় থেকে আটে বাড়লেও ম্যাচসংখ্যায় বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। নতুন ফরম্যাটেও প্রতিটি দল ন্যূনতম ১০টি করে ম্যাচ খেলবে। আগের আসরগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পিএসএল ২০২৬-এর ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানের পাঁচটি শহরে— করাচি, লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, মুলতান ও ফয়সালাবাদ। এই প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টের ভেন্যু তালিকায় যুক্ত হচ্ছে ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়াম। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে যাত্রা শুরু করে পাকিস্তান সুপার লিগ। ২০১৮ সালে দল সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ছয়টি। আগামী ১১তম আসরে আরও দুইটি নতুন দল যুক্ত হওয়ায় পিএসএল প্রবেশ করতে যাচ্ছে নতুন এক অধ্যায়ে।
তানোরে নেশাকারক ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

তানোরে নেশাকারক ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহীর তানোরে ৮০ পিস নেশাকারক ট্যাবলেটসহ মনিরুল ইসলাম নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৫। র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে তানোর থানার জামিন সিদাইর স্কুলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মনিরুলকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তি একই এলাকার মৃত ইমরান মন্ডলের ছেলে। আটকের সময় মনিরুলের দেহ তল্লাশি করে ৮০ পিস নেশাকারক ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ২টি মোবাইল ফোন ও ৩টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়। ধৃত মনিরুল ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বলে জানায় র্যাব। সে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সংগ্রহ করে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন স্থানে খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করছিল। এ ঘটনায় তানোর থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু কল্যাণে সমমনা উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় সভা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু কল্যাণে সমমনা উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় সভা শিশুদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সমমনা উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় সভা ও সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে সিসিডিবি হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সমমনা উন্নয়ন সহযোগী প্লাটফর্ম, সহযোগিতায় ছিল ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম। অনুষ্ঠানে ওয়ার্ল্ড ভিশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম, সিসিডিবি, এফএইচ অ্যাসোসিয়েশন, এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল ও এনএজিআর—এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করা। সভায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, জেলা শিশু নিরাপত্তা অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা তাদের চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জেলা শিশু নিরাপত্তা অফিসার ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শিশু কল্যাণে এ ধরনের সমন্বিত প্লাটফর্ম গঠনের জন্য আয়োজকদের প্রশংসা করেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সভার দ্বিতীয় পর্বে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে আগামী দিনে শিশু কল্যাণে আরও কার্যকর ও সমন্বিত কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ওয়ার্ল্ড ভিশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ এপির কর্মকর্তা রিপন গমেজ, লিন্ডা রিচিল, লাভলী খাতুন ও শ্যামল এইচ কস্তা সহযোগিতা করেন।
বিদেশে কর্মী পাঠাতে দালালমুক্ত ব্যবস্থা গড়ার তাগিদ প্রধান উপদেষ্টার

বিদেশে কর্মী পাঠাতে দালালমুক্ত ব্যবস্থা গড়ার তাগিদ প্রধান উপদেষ্টার বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দালাল ও প্রতারণামুক্ত একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক দালালচক্র, নথি জালিয়াতি ও কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানে গভীর সংকট তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস–২০২৫ উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিদেশগমন এখন বিপজ্জনকভাবে দালাল ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অর্থবহ অগ্রগতির কথা বলা যায় না। সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও দালালনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মূল কাঠামো এখনো ভাঙা সম্ভব হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গ্রামীণ ব্যাংকের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গ্রামাঞ্চলের নারীরা সন্তানদের বিদেশে পাঠাতে ঋণের জন্য আবেদন করতে গিয়ে প্রথম দালালচক্রের ভয়াবহ বাস্তবতা তার সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় সব দেশেই বাংলাদেশ থেকে অভিবাসন কার্যত দালালনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মধ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। নথি জালিয়াতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুয়া কাগজপত্রের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়, এমনকি কোথাও কোথাও নাবিকদের জাহাজ থেকে নামতে দেওয়া হয়নি। তবে সরকারের উদ্যোগে এসব সমস্যার ধীরে ধীরে সমাধান হচ্ছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কিছু দেশের শ্রমবাজার আবারও বাংলাদেশের জন্য খুলছে। বিশ্বে বিপুল শ্রমিক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বড় সুযোগ হারাচ্ছে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, শুধু জাপানই কয়েক লাখ শ্রমিক নিতে প্রস্তুত। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ কর্মী পাঠানোর প্রস্তাব দিলে জাপান তা সঙ্গে সঙ্গেই গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশকে ‘যুবাদের সোনার খনি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৯ কোটি মানুষ ২৭ বছরের নিচে। এই তরুণদের দক্ষ ও সুশাসিত ব্যবস্থার মাধ্যমে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে যুক্ত করা গেলে দেশের ভাগ্য বদলে যেতে পারে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে তিন ক্যাটাগরিতে ৮৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রবাসী কর্মীদের জন্য বীমা সুবিধা, চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক অনুদান ও বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়।
ছেঁড়া-ফাটা নোট বিনিময়ে নতুন নীতিমালা, ব্যাংক থেকেই মিলবে টাকা

ছেঁড়া-ফাটা নোট বিনিময়ে নতুন নীতিমালা, ব্যাংক থেকেই মিলবে টাকা ছেঁড়া-ফাটা, পোড়া কিংবা বিভিন্ন কারণে নষ্ট হয়ে যাওয়া নোটের বিনিময়মূল্য ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে গ্রাহকরা বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা থেকেই নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে নষ্ট নোটের পূর্ণ মূল্য ফেরত পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট (ডিসিএম) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে। এতে জানানো হয়, গত ৯ অক্টোবর ‘বাংলাদেশ ব্যাংক নোট প্রত্যর্পণ প্রবিধান, ২০২৫’ কার্যকর হয়েছে এবং এ মাধ্যমে আগের ‘বাংলাদেশ ব্যাংক (নোট রিফান্ড) রেগুলেশন–২০১২’ বাতিল করা হয়েছে। নতুন প্রবিধান অনুযায়ী, জনসাধারণের স্বাভাবিক নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সব ব্যাংক শাখাকে নিয়মিতভাবে ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লা নোটের বিনিময় সেবা দিতে হবে। কোনো শাখা এ সেবা দিতে অনীহা দেখালে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নীতিমালায় নোটকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে— পুনঃপ্রচলনযোগ্য, অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিপূর্ণ, দাবিযোগ্য এবং আগুনে পোড়া নোট। এর মধ্যে অপ্রচলনযোগ্য ও ছেঁড়া-ফাটা নোটের ক্ষেত্রে ব্যাংক শাখা থেকেই সম্পূর্ণ বিনিময়মূল্য দেওয়া হবে, যদি নোটের ৯০ শতাংশের বেশি অংশ বিদ্যমান থাকে এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করা যায়। দুই খণ্ডে বিভক্ত নোটের ক্ষেত্রে উভয় অংশ একই নোটের কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। প্রয়োজনে নোটের পেছনে হালকা কাগজ সংযুক্ত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে, যাতে নোট যাচাইয়ে সমস্যা না হয়। তবে দাবিযোগ্য নোটের বিনিময়মূল্য ব্যাংক শাখায় সরাসরি দেওয়া হবে না। এসব নোট বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠিয়ে যাচাই শেষে মূল্য নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে ডাক বা কুরিয়ার খরচ গ্রাহককেই বহন করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আবেদন পাওয়ার আট সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে। অন্যদিকে, আগুনে পোড়া নোটের ক্ষেত্রে গ্রাহককে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকটস্থ কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া জাল নোট বা একাধিক নোটের অংশ জোড়া দিয়ে তৈরি ‘বিল্ট-আপ’ নোট উপস্থাপন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব ব্যাংক শাখাকে দৃশ্যমান স্থানে নোটিশ টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেখানে নোট বিনিময়ের শর্ত ও পদ্ধতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। একই সঙ্গে ছেঁড়া-ফাটা ও দাবিযোগ্য নোট গ্রহণের তথ্য মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে পরিবীক্ষণ করার নির্দেশও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের নসিহতের দরকার নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের নসিহতের দরকার নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছ থেকে কোনো নসিহতের দরকার নেই। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমরা এই সরকারের শুরুর প্রথম দিন থেকেই বলে আসছি, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান আমরা করতে চাই। এখন ভারত আমাদের এই পরামর্শ দিচ্ছে। গত ১৫ বছরে এখানে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। তখন তো ভারত কোনো কথা বলেনি। এখন আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ভারতের কাছ থেকে কোনো নসিহতের দরকার নেই। পতিত আওয়ামী লীগের আমলে অনুষ্ঠিত তিনটি নির্বাচনই বিতর্কিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালের নির্বাচন ‘বিনা ভোট’, ২০১৮ সালের নির্বাচন ‘নিশি রাতের ভোট’ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচন ‘ডামি ভোট’ হিসেবে সমালোচিত। প্রত্যেকটি নির্বাচনের আগেই ভারত বিষয়টিকে বাংলাদেশের ‘অভ্যন্তরীণ ইস্যু’ বলে এড়িয়ে গেছে, যা মূলত হাসিনার নির্বাচনেরই প্রতি সমর্থন বলে বিরোধীদের অভিযোগ আছে। তবে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর দেশে যে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, সেটিকে ‘অংশগ্রহণমূলক’ করার তাগাদা দিয়ে আসছে ভারত। বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনে নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে দিল্লি। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, আজকে ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাওয়ের যে কর্মসূচি দিয়েছে, সেখানে আমরা নিরাপত্তা জোরদার করেছি। তবে এমন কর্মসূচিতে তাদের উদ্বেগ স্বাভাবিক। ভারত খুনি-সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ অস্থিতিশীল করতে চাইলে সেদেশের ‘সেভেন সিস্টার্স’ও ভেঙে দেওয়া হবে বলে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ একটি বক্তব্য দিয়েছেন। এটা সরকারের বক্তব্য কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা সরকারের বক্তব্য নয়। সরকারের বক্তব্য হলে তো আমি বলতাম। অন্য কোনো উপদেষ্টা বলতেন।
‘ফলআউট’নিউ ভেগাসের রোমাঞ্চ নিয়ে ফিরছে

‘ফলআউট’নিউ ভেগাসের রোমাঞ্চ নিয়ে ফিরছে বিনোদন প্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় সিরিজ ‘ফলআউট’। তবে দর্শকদের জন্য চমকপ্রদ খবর হলো, প্রত্যাশার চেয়ে কিছুটা আগেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে এর দ্বিতীয় সিজন। সম্প্রতি লাস ভেগাসের আইকনিক ‘স্ফিয়ার’-এ এক চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও। জমকালো ঘোষণা ও নিউ ভেগাসের হাতছানি অ্যামাজনের এই ঘোষণাটি ছিল বেশ ব্যতিক্রমী। লাস ভেগাসের বিখ্যাত স্ফিয়ারটিকে রূপান্তর করা হয়েছিল একটি বিশালাকার পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক ‘স্নো গ্লোবে’। যেখানে দেখা গেছে সিরিজের জনপ্রিয় চরিত্র লুসি, ম্যাক্সিমাস ও দ্য গুল-কে। দর্শকদের সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চিত করেছে সেখানে উপস্থিত বিশাল এক ‘ডেথক্ল’, যা সরাসরি ইঙ্গিত দিচ্ছে এবারের যাত্রা হতে যাচ্ছে রহস্যময় নিউ ভেগাসের দিকে। প্রথম সিজনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দ্বিতীয় সিজনেও থাকছে মোট ৮টি পর্ব। তবে মুক্তির ধরনে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথম পর্বটি গত মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর মুক্তি পেলেও, পরবর্তী পর্বগুলো প্রতি বুধবার নিয়মিত বিরতিতে মুক্তি পাবে।
‘ক্যান্ডি শপ’ গানের মিউজিক ভিডিওতে এমন লুকে ধরা দিয়েছেন নেহা

‘ক্যান্ডি শপ’ গানের মিউজিক ভিডিওতে এমন লুকে ধরা দিয়েছেন নেহা কয়েক দিন আগে একটি লাইভ কনসার্টে পারফর্ম করে বিতর্কে জড়ান বলিউডের আলোচিত গায়িকা নেহা কাক্কর। এবার নতুন গানে নেচে ‘অশ্লীল’ তকমা পেলেন এই শিল্পী। কয়েক দিন আগে ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে নেহার ‘ক্যান্ডি শপ’ গানের মিউজিক ভিডিও। এ গানে নেহার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন তার ভাই টনি কাক্কর। গানটির সুর ও সংগীতায়োজনও করেছেন টনি। গানটি মুক্তির পর থেকে চলছে তুমুল আলোচনা। অনেকে তাকে আক্রমণ করে মন্তব্য করছেন। গানের ভিডিওতে নেহার নাচ দেখে একজন লেখেন, “দিন দিন তাদের গান-ভিডিওগুলো নির্লজ্জ, অদ্ভুত, দানবীয় হয়ে উঠছে।” পিয়াস লেখেন, “ভাবতেও লজ্জা লাগছে একটা সময় ছিল যখন আমি নেহার গান সার্চ দিয়ে দেখে ডাউনলোড করতাম!” রিয়া লেখেন, “যেমন গান তেমন গায়িকা।” অঙ্কিতা লেখেন, “এরা দুই ভাই-বোন মিলে গানের অ্যাসি কি ত্যাসি করেই চলেছে।” কেউ কেউ নেহার নাচের স্টেপকে ‘অশ্লীল’ বলছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, “দেশের সংস্কৃতি নষ্ট করার প্রচেষ্টা।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিছুদিন আগে দিল্লির একটি লাইভ কনসার্টে নেহা কাক্করের পারফরম্যান্স দেখে নেটিজেনদের একাংশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও অন্য অংশ বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। কেউ কেউ বলেন, “অদম্য নেহা-এনার্জি।” কারো মতে, “মঞ্চে কী দাপট।” আবার বুকের ওপরে জল ঢালার দৃশ্যটিকে কেউ কেউ ‘অশ্লীল’ বলে মন্তব্য করেন। স্নেহা লেখেন, “নোংরা।” অন্য একজন লেখেন, “কুৎসিত।” কেউ কেউ তাকে ‘বার ড্যান্সার’ বলেও মন্তব্য করেন। এ ঘটনার পর ফের বিতর্কে নেহা। ১৯৮৮ সালের ৬ জুন উত্তর প্রদেশের ঋষিকেশে এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেন নেহা কাক্কর। তার বাবা ছিলেন শিঙাড়া বিক্রেতা। বড় বোন সনু কাক্কর ও ভাই টনি কাক্কর উভয়ে সংগীতের সঙ্গে যুক্ত। মাত্র চার বছর বয়স থেকে গান শুরু করেন নেহা। ২০০৫ সালে ইন্ডিয়ান আইডলের মাধ্যমে গায়িকা হিসেবে নজর কাড়েন নেহা। ২০০৮ সালে ভাই টনির সঙ্গে মুম্বাই পা রাখেন নেহা। সেই বছরই ‘নেহা দ্য রকস্টার’ নামে তার প্রথম গানের অ্যালবাম মুক্তি পায়। ২০১৩ সালে ‘ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো’সিনেমার ‘ধাতিং নাচ’ গানে প্রথম প্লেব্যাক করেন। ২০১৪ সালে তার ‘সানি সানি’গানটি দারুণ হিট হয়। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক তুমুল জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। নেহার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে‘জাদু কা ঝাপ্পি’, ‘টুকুর টুকুর’, ‘ন্যায়না’, ‘মে তেরা বয়ফ্রেন্ড’, ‘দিলবার দিলবার’, ‘কালা চশমা’, ‘আঁখ মারে’, ‘কোকাকোলা’, ‘সাকি সাকি’ প্রভৃতি।
ঢাকাই সিনেমায় কি তিনিই প্রথম আরিফিন শুভ

ঢাকাই সিনেমায় কি তিনিই প্রথম আরিফিন শুভ চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এমন মুহূর্ত যে আসেনি, তা নয়। চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনেতা যেমন চুল লম্বা করেন আবার ছেঁটে ফেলার নজিরও রয়েছে বিশ্ব চলচ্চিত্রে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ডেভিড হারবার ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ সিজন ৪-এ এই সাহসী কাজটি করেছেন। ফ্লোরেন্স পিউ, কেরি রাসেলের মতো আন্তর্জাতিক তারকাও এক্ষেত্রে গিয়েছেন একই পথে। কিন্তু বাংলাদেশের সিনেমায় এমন সাহস আগে দেখা যায়নি। চিত্রনায়ক মান্নাকে ‘ম্যাশিনম্যান’ সিনেমায় টাক হিসেবে দেখা গেছে। সম্প্রতিকালে চঞ্চল চৌধুরীকে দেখা গেছে টাক শেডে, তবে তা সিনেমার বাস্তব দৃশ্যে নয়। শাকিব খানকেও ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন ছোট চুলে। সব ছাপিয়ে ঢাকাই অভিনেতা আরিফিন শুভ যে দৃশ্য দেখালেন দর্শকদের, সেটি বিরল। আরিফিন শুভ অনস্ক্রিন নিজের যত্নে সাজানো মাথাভর্তি চুল ছেঁটে ফেলেছেন। যেখানে ছিলো না কোনও লুকোচুরি বা মেকআপের কারসাজি। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া রায়হান রাফীর ‘নূর’ সিনেমায় এমন একটি বিরল দৃশ্যে দেখা গেছে অভিনেতাকে। মাত্র ৮ মিনিটের একটি দৃশ্যের জন্য অনস্ক্রিন নিজের চুল ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন নায়ক। যা দেখে দর্শকরাও মুগ্ধতা প্রকাশ করছে। এর আগেও চরিত্রের প্রয়োজনে ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ ও ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমায় এমন ‘পাগলামি’ করতে দেখা গেছে আরিফিন শুভকে। তার দৌলতে দেশের দর্শক পর্দার কোনও নায়ককে সিক্স-প্যাক শরীরে দেখেছেন। গত রোববার ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আরিফিন শুভ প্রকাশ করেছেন ‘নূর’ সিনেমার চুল ছাঁটার দৃশ্যের ২ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের বিহাইন্ড দ্যা সিন ভিডিও। ভিডিওর ক্যাপশনে নায়ক ক্যাপশন জুড়েছেন, মাত্র ৮ মিনিটের দৃশ্যে… ন্যাড়া মাথায় ‘নূর’। এই ছোট্ট চেষ্টার জন্য আপনারা যে ভালোবাসা ও আবেগ দেখাচ্ছেন এটাই আমাকে অনস্ক্রিন আবার নতুন কিছু করে দেখানোর সাহস দিচ্ছে। সিনেমার এই অংশ শুধু কাজ নয়, এটি আমার অনুভূতির এক ছোট্ট প্রতিফলন। প্রকাশিত সেই ভিডিও থেকে জানা যায়, সিনেমার পরিচালক রায়হান রাফী প্রথমে এই দৃশ্যের জন্য অনস্ক্রিন চুল ছাঁটাই করার পক্ষে ছিলেন না। কারণ এমনটা করলে নায়ককে অনেকদিন ছোট চুলে থাকতে হবে, সেক্ষেত্রে তার অন্য কাজের কনটিনিউটিতে সমস্যায় পড়বেন নায়ক। তবে আরিফিন শুভ চরিত্রে প্রকৃত আবেগ ধরতে নিজের চুল ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এক প্রতিক্রিয়ায় আরিফিন শুভ জানিয়েছেন, ‘আমার ছোট এই ত্যাগ যদি কোনও একজন দর্শকের হৃদয়ে নাড়া দেয়, সেটাই শিল্পী হিসাবে আমার সার্থকতা।প্রসঙ্গত, ‘নূর’ সিনেমায় আরিফিন শুভর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। এক অদ্ভুত, টানটান ও যন্ত্রণার প্রেমের গল্প এই সিনেমা শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) মুক্তি পেয়েছে। আমাদের সময়