২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তিসহ সব পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তিসহ সব পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আজ বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপসচিব রওশন আরা পলির সই করা বাৎসরিক ছুটি ও শিক্ষাপঞ্জি থেকে এ তথ্য জানা যায়। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী-২০২৬ সালের ৫ মে প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষা শুরু হবে, যা চলবে ১৫ মে পর্যন্ত। দ্বিতীয় প্রান্তিক শুরু হবে ১৭ আগস্ট, শেষ হবে ২৮ আগস্ট। তৃতীয় প্রান্তিক বা বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে ১ ডিসেম্বর, চলবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এদিকে, এবার প্রাথমিকের শিক্ষাপঞ্জিতে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর শুরু হয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
পেছাল প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

পেছাল প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। আগামী ২ জানুয়ারি এই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তারিখ পরিবর্তন হয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলে সেটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে। আজ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার আগামী ৩ দিন রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হবে। একই সঙ্গে আগামীকাল নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
নাচোলে গরু ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নাচোলে গরু ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নাচোল উপজেলা থেকে শফিকুল আলম নামে একজন গরু ব্যবসায়ীর গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি নাচোলের শ্রীরামপুর মোহনবাগান গ্রামের মৃত আজাহার আলীর ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নিজ বাড়ির বারান্দার টিনের ছাদের লোহার এঙ্গেলের সাথে নাইলনের রশির ফাঁস দেন শফিকুল। পরে তার স্ত্রী জলি বেগম তাকে ঝুলন্ত দেখে চিৎকার করলে পরিবারের অনা সদস্য ও প্রতিবশেীরা দৌড়ে এসে শফিকুলকে মৃত অবস্থায় পান। এ অবস্থায় পুলিশে খবর দেয়া হলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আসলাম আলী বলেন, শফিকুল এনজিও থেকে নেয়া ঋণ সহ বিভিন্ন ঋণ সংক্রান্ত কারণে হতাশায় ভূগছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ঋণের কারণেই আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবদেন পেলে তার মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি।
“জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বরেন্দ্র অঞ্চলে খরা-সহনশীল কৃষি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত”

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বরেন্দ্র অঞ্চলে খরা-সহনশীল কৃষি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বরেন্দ্র অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় খরা সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি বিস্তারের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানীহাটি ইউনিয়নে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকালে রাণীহাটি ইউনিয়ন পরিষদে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এক্সটেনডেড কমিউনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট-ড্রাউট (ইসিসিসিপি-ড্রাউট) প্রকল্পের আওতায়, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও গ্রীণ ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)-এর সহযোগিতায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন ২০ জন সিসিএজি সদস্য। এ সময় সিসিএজি সদস্যদের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, এর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা, টেকসই কৃষি অনুশীলন ও খরা সহনশীল কৃষি কৌশল সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়। একইসাথে খরা সহিষ্ণু ফল ও ফসল নির্বাচন, বসতবাড়ির উঠানবাগান তৈরি, ভার্মিকম্পোস্ট প্রস্তুত এবং পানি সংরক্ষণ কৌশল নিয়ে হাতে-কলমে নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কল্যানপুরে অবস্থিত হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক কৃষিবিদ খালেদুর রহমান, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র প্রশিক্ষক কৃষিবিদ মাসুম রেজা এবং প্রকল্পের মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশন অফিসার কৃষিবিদ ফয়জুল হক। বরেন্দ্র অঞ্চলের বাস্তব জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন প্রকল্প সমন্বয়কারী বকুল কুমার ঘোষ। প্রশিক্ষণের অন্যতম বিষয় ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করা, কৃষি সেচকাজে ভূপৃষ্ঠের পানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি বিস্তারে জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া। এই লক্ষ্যে ভার্মিকম্পোস্ট তৈরির উপায় ও উপকারিতা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রয়াসের ইসিসিসিপি-ড্রাউট প্রকল্পের আওতায় চালু থাকা ঋণ কার্যক্রম সম্পর্কেও অবহিত করেন ইউনিট-১৬ এর শাখা ব্যবস্থাপক মোসাঃ মোসলেমা খাতুন। কর্মশালায় সকল ধরনের সহযোগিতা করেন সিএমও সিভিল মোঃ রোকনুজ্জামান । প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ তাদের খরা পরিস্থিতিতে কৃষি অভিযোজন এবং নতুন প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি পদ্ধতি গ্রহণে অনুপ্রাণিত করবে।
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে কী খাবেন

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে কী খাবেন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকের জন্যই জরুরি। আপনি হয়তো খেয়াল করলে পরিবারের কাউকে না কাউকে খাওয়া ও ঘুমের আগে শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করতে দেখে থাকবেন। কার্বোহাইড্রেট-ভারী খাবারের পরে শক্তি হ্রাস পায়। যে কারণে হঠাৎ ক্ষুধা যা স্বাভাবিকের চেয়ে জরুরি বলে মনে হয়। মানসিক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে যার স্ট্রেসের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। এই দৈনন্দিন সংকেতগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রক্তে শর্করার ওঠানামার ইঙ্গিত দেয়, এমনকী যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নন তাদের ক্ষেত্রেও। তবে সুসংবাদ হলো যে রক্তে শর্করার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রতিদিনের কিছু খাদ্যাভ্যাস সাহায্য করতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন? খাবারের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখুন- ১. প্রোটিন দিয়ে দিন শুরু করুন, শুধু কার্বোহাইড্রেট নয় : ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করা অনেক পরিবার তাড়াতাড়ি এটি শিখে ফেলে। টোস্ট, সিরিয়াল বা ফলের নাস্তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি এবং হ্রাসের কারণ হতে পারে। প্রোটিন যোগ করলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং শক্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়। সবজির সঙ্গে ডিম, বাদাম বা বীজের সঙ্গে দই, মসুর ডাল বা বিনস, গোটা শস্যদানা ইত্যাদি সকালের খাবারে রাখুন। ২. প্রতিটি খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখুন : কার্বোহাইড্রেটের ওপর বেশি নির্ভরশীলতা খাবার রক্তে শর্করার স্পাইক বাড়ায়। প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ফাইবারের সঙ্গে কার্বোহাইড্রেট যুক্ত করলে রক্তে গ্লুকোজ আরও ধীরে ধীরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। শক্তির জন্য কার্বোহাইড্রেট, চিনির নিঃসরণ কমাতে প্রোটিন, টেকসই পূর্ণতার জন্য স্বাস্থ্যকর চর্বি, চিনির শোষণ কমাতে ফাইবার রাখুন প্রতিদিনের খাবারে। ৩. খাবার এড়িয়ে যাওয়ার পরিবর্তে নিয়মিত বিরতিতে খান : খাবার এড়িয়ে যাওয়া রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির একটি সাধারণ কারণ। এর ফলে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায় এবং দিনের শেষে অতিরিক্ত খাওয়া শুরু হয়। নিয়মিত বিরতিতে খাওয়ার অভ্যাস গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে, তীব্র ক্ষুধা কমায় এবং সারাদিন ধরে ভালোভাবে শক্তি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ৪. খাবারের মধ্যে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন : খাবারের মধ্যে বিস্কুট বা মিষ্টি খাওয়ার ফলে রক্তে শর্করার দ্রুত বৃদ্ধি হতে পারে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার স্থিতিশীল শক্তি প্রদান করে এবং হঠাৎ ক্ষুধা রোধ করে। বাদাম বা বীজ, দই, সেদ্ধ ডিম, ভাজা ডাল ইত্যাদি খেতে পারেন। ৫. প্রতিটি খাবারে ফাইবার গ্রহণ বৃদ্ধি করুন : আঁশ রক্তে চিনির শোষণকে ধীর করে দেয় এবং খাবারের পরে গ্লুকোজের তীব্র বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করে। এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরিয়ে রাখে। প্রাকৃতিকভাবে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে। শাক-সবজি, ত্বকের খোসাযুক্ত ফল, লেবু, গোটা শস্য ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে কাজ করে।
যে ৫ অভ্যাসে ফুসফুস ভালো থাকবে শীতে

যে ৫ অভ্যাসে ফুসফুস ভালো থাকবে শীতে শীতে সর্দি-হাঁচি-কাশির সমস্যা বেড়ে যায়। বেড়ে যায় শ্বাসতন্ত্রের সমস্যাও। ফুসফুস শ্বাসতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অসচেতনতার কারণে কিংবা জীবনযাপনের কিছু ভুলে সহজেই ঠান্ডা লাগতে পারে এবং ভাইরাস সংক্রমণে নিউমোনিয়া হয়ে যেতে পারে। তাই এসময় সুস্থ থাকতে বাড়তি সচেতনতার প্রয়োজন। নাকের মাধ্যমে শ্বাস নিন শীতে মুখের পরিবর্তে নাকের মাধ্যমে শ্বাস নিতে পারেন। এতে ফুসফুসে ঠান্ডা বাতাসের প্রবেশ ঠেকাতে পারবেন। নাকের মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ করলে বাতাস উষ্ণ হতে বেশি সময় পায়। ফুসফুস উষ্ণ বাতাস পেলে অসুস্থতার প্রবণতা কমে আসে। মাস্ক ব্যবহার করুন অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়া শ্বাসতন্ত্রের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ফুসফুস সুরক্ষিত রাখতে বাইরে গেলে মাস্ক পরুন। এতে বাতাস ফুসফুসে প্রবেশের আগেই উষ্ণ হবে। এটা ফুসফুসের ওপর ঠান্ডা বাতাসের প্রতিক্রিয়া কমাতে সাহায্য করবে। বাইরে গিয়ে শরীরচর্চা নয় তীব্র শীতে ঘরেই শরীরচর্চা করুন। বাইরে শরীরচর্চা করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হতে পারে। বাইরের ঠান্ডা বাতাস ফুসফুসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। পাতে রাখুন শাক-সবজি ও ফল শীতে ফুসফুসের সুরক্ষায় পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খান। বিশেষ করে পাতে ফল ও শাকসবজি রাখুন। তাজা ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য, বাদাম, বীজ, বিনস, অলিভ অয়েল ও মাছ খান। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান পুষ্টিবিদদের মতে, ফুসফুসের সুস্থতায় প্রোটিন ভূমিকা রাখে। প্রোটিন সেই মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে, যা গভীর শ্বাসের সময় ফুসফুসকে প্রসারিত করে থাকে। পর্যাপ্ত প্রোটিন বিশেষ করে শিম জাতীয় সবজি, বাদাম, বীজ খেলে শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ হবে।
জুতা যেমন হওয়া চাই

জুতা যেমন হওয়া চাই হাঁটা সবারই প্রয়োজন, তবে নিয়মিত হাঁটার ক্ষেত্রে সঠিক জুতা নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপযুক্ত জুতা হাঁটার সময় আরাম দেয়, পায়ের ব্যথা কমায় এবং আঘাতজনিত বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। সঠিক ওয়াকিং জুতা বেছে নেওয়ার সময় প্রথমেই জুতার সাইজের দিকে খেয়াল রাখতে হয়। জুতার সাইজ পায়ের আকারের সঙ্গে মানানসই হওয়া উচিত; খুব বেশি টাইট বা অতিরিক্ত ঢিলেঢালা জুতা পরা ঠিক নয়। আঙুলের সামনে সামান্য ফাঁকা জায়গা থাকা দরকার, যাতে হাঁটার সময় চাপ না পড়ে। হাঁটার জুতার ওজন হালকা হওয়াই উত্তম। কারণ ভারী জুতা হাঁটার সময় পায়ে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। জুতার সোলের গঠন ও মানও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আউটসোল বা নিচের অংশ রাবারের তৈরি হলে ভালো গ্রিপ পাওয়া যায় এবং পিছলে যাওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। নন-সিøপ ডিজাইন থাকলে জুতা মাটি বা রাস্তার সঙ্গে ভালোভাবে খাপ খায়। মিডসোল বা মাঝের অংশ হাঁটার সময় ধাক্কা ও কম্পনের প্রভাব কমায় এবং আরামদায়ক অনুভূতি দেয়। ইভিএ (ঊঠঅ) ফোম বা জেল কুশন প্রযুক্তিযুক্ত মিডসোল দীর্ঘক্ষণ হাঁটার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। ইনসোল বা ভেতরের অংশে নরম কুশন থাকা উচিত, যাতে পায়ের তালুতে চাপ কম পড়ে। অর্থোপেডিক ইনসোল থাকলে পায়ের গঠন অনুযায়ী অতিরিক্ত সাপোর্ট পাওয়া যায়। যাদের পায়ের তালুর বাঁক বেশি বা কম, তাদের জন্য উপযুক্ত আর্চ সাপোর্ট থাকা জরুরি। একই সঙ্গে গোড়ালির জন্য ভালো সাপোর্ট থাকলে দীর্ঘক্ষণ হাঁটার সময় গোড়ালি ও হাঁটু সুরক্ষিত থাকে। জুতার ওপরের অংশ এমন উপাদানে তৈরি হওয়া উচিত, যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে। জালযুক্ত বা ক্যানভাসের জুতা ঘাম শোষণ করে এবং পা ঠান্ডা ও আরামদায়ক রাখে। সিনথেটিক লেদারও আরামদায়ক হতে পারে। হাঁটার জুতার হিল খুব বেশি উঁচু বা খুব বেশি নিচু হওয়া উচিত নয়। সাধারণত শূন্য দশমিক ৫ থেকে ১ দশমিক ৫ ইঞ্চি উচ্চতার হিল হাঁটার জন্য আরামদায়ক। সম্পূর্ণ সমান বা ফ্ল্যাট জুতা নিয়মিত হাঁটার জন্য উপযুক্ত নয়। জুতায় বাঁকানোর সুবিধা থাকা দরকার, যাতে সহজে পায়ের আঙুল ভাঁজ করা যায়; একেবারে শক্ত ও অনমনীয় জুতা হাঁটার জন্য ভালো নয়। লেইস বা ভেলক্রো স্ট্র্যাপ থাকলে জুতা পায়ে ভালোভাবে ফিট হয়। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য ভেলক্রো স্ট্র্যাপ সহজ ও সুবিধাজনক বিকল্প। দীর্ঘস্থায়ী ও ভালো মানের ব্র্যান্ডের জুতা নির্বাচন করা উচিত, যা সহজে নষ্ট হয় না। বিশেষ প্রয়োজনে বিশেষ ধরনের জুতা ব্যবহার করা দরকার। যেমন- প্লান্টার ফ্যাসাইটিস বা হিল স্পার থাকলে আর্চ সাপোর্ট ও হিল কুশনযুক্ত জুতা উপযোগী। ডায়াবেটিস রোগীর জন্য নরম ও সেলাইবিহীন ইনসোলযুক্ত জুতা প্রয়োজন, যাতে ঘর্ষণজনিত ক্ষত না হয়। ফ্ল্যাটফুট সমস্যায় বিশেষ ধরনের আর্চ সাপোর্টযুক্ত জুতা ব্যবহার করা উচিত। তবে এসব ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সর্বোত্তম। ডা.এম ইয়াছিন আলী লেখক : চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট
২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তিসহ সব পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তিসহ সব পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। মঙ্গলবার বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপসচিব রওশন আরা পলির সই করা বাৎসরিক ছুটি ও শিক্ষাপঞ্জি থেকে এ তথ্য জানা যায়। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী-২০২৬ সালের ৫ মে প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষা শুরু হবে, যা চলবে ১৫ মে পর্যন্ত। দ্বিতীয় প্রান্তিক শুরু হবে ১৭ আগস্ট, শেষ হবে ২৮ আগস্ট। তৃতীয় প্রান্তিক বা বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে ১ ডিসেম্বর, চলবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এদিকে, এবার প্রাথমিকের শিক্ষাপঞ্জিতে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর শুরু হয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ আটক ১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ আটক ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড পাড়কালীনগর মীরেরচর এলাকায় খড়ের গাঁদার ভিতর থেকে ৯৮০ গ্রাম গাঁজাসহ একজনকে আটক করেছে র্যাব। আটককৃত ব্যক্তি একই এলাকার ইসরাফিল হকের ছেলে সেলিম রেজা। র্যাবের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানানো হয়, গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, আসামী সেলিম রেজার বসত বাড়ির বাইরে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। এমন সংবাদে ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাজাসহ সেলিম রেজাকে আটক করা হয়। আটককৃৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় র্যাব।
হাড় কাঁপানোর শীতের মাঝেই বৃষ্টির দুঃসংবাদ

হাড় কাঁপানোর শীতের মাঝেই বৃষ্টির দুঃসংবাদ দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার শীতের প্রকোপের মধ্যেই দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস। জানাল, সারাদেশে বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানিয়েছেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে হালকা/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে। বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে।