পাকিস্তানের কাছে ৮ উইকেটে হেরে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের

পাকিস্তানের কাছে ৮ উইকেটে হেরে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরে এসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিলো বাংলাদেশ। আজ দুবাইয়ের সেভেন স্টেডিয়ামে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়ে, ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পাকিস্তান। নির্ধারিত ২৭ ওভারের ইনিংসে টস হেরে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করতে নেমে ২৬.৩ ওভারে ১২১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে ১৬.৩ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১২২ রান করে জয় নিশ্চিত করে করে ফাইনালে ওঠে পাকিস্তানের যুবারা। রোববার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। ১২২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান তুলে একটি উইকেট হারায় পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় ওভারে ২০ রান যোগ করে দ্রুত ম্যাচ শেষের ইঙ্গিত দেয় তারা। এরপর ৮৫ রানের জুটি গড়েন সামির মিনহাস ও উসমান খান। উসমান ২৬ বলে ২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন সামিউন বশির শিকার হয়ে। তৃতীয় উইকেটে আহমেদ হুসাইনকে নিয়ে সামির ম্যাচ জেতার ইনিংস খেলে আট উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন। সামির ৫৭ বলে ৬৯ রান করেন এবং তার ইনিংসে পাকিস্তান মাত্র ১৬.৩ ওভারে জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ে তারা এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে। ম্যাচটি দুবাইয়ে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে শুরু হয়। বৃষ্টি ও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ইনিংসের দৈর্ঘ্য ৫০ ওভার থেকে কমে ২৭ ওভারে আসে। টস জিতে পাকিস্তান প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশের শুরুটা ছিল খারাপ। দলীয় ২৪ রানে ৪ বলের ব্যবধানে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার রিফাত বেগ ও জাওয়াদ আবরার। এরপর অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম ২৬ বলে ২০ রান করে বিদায় নেন, দলীয় স্কোর ৫৫ রানে পৌঁছায়। এরপর বাকিদের ব্যাটিং ভাঙন ধরতে থাকে। সামিউন বশির ৩৭ বলে ৩৩ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলের শেষ অবদান রাখেন। পাকিস্তানের পক্ষে আব্দুল সুবহান চারটি উইকেট ও হুজাইফা আহসান দুটি উইকেট নেন। বাংলাদেশের যুব ক্রিকেটাররা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালের পথে পৌঁছানোর স্বপ্ন পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়।
ফুলকপির পরোটা রেসিপি
ফুলকপির পরোটা রেসিপি শীত মানেই হরেক রকম শাকসবজির বাহার। এর মধ্যে ফুলকপির রয়েছে আলাদা চাহিদা। ফুলকপি দিয়ে নানা পরে রান্না করা যায়। স্বাদ বদলাতে বানাতে পারেন ফুলকপির পরোটা। উপকরণ ডো বা মণ্ড তৈরির জন্য: আটা বা ময়দা ২ কাপ , স্বাদমতো লবণ, ১ চামচ ঘি বা মাখন, পরিমাণমতো পানি পুর তৈরির জন্য : ফুলকপি ১টি (মাঝারি আকারের),আদা কুচি ১ চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ চা চামচ,ধনেপাতা কুচি এক মুঠো, গোটা জিরা: ১/২ চা চামচ, লাল মরিচের গুঁড়া ১/২ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়ো ১/২ চা চামচ,চাট মসলা ১ চা চামচ, স্বাদমতো লবণ, ভাজার জন্য তেল বা ঘি যেভাবে তৈরি করবেন : প্রথমে ফুলকপি ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার গ্রেটার দিয়ে ফুলকপি মিহি করে গ্রেট করে নিতে হবে (বড় টুকরো যেন না থাকে)। গ্রেট করা কপিতে সামান্য লবণ মাখিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। এতে কপি থেকে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যাবে। এরপর একটি সুতির কাপড়ে বা হাতের চাপে চিপে সেই পানি ফেলে দিন। কড়াইতে সামান্য তেল গরম করে তাতে কপিগুলো দিয়ে দিন। একে একে আদা কুচি, কাঁচা মরিচ, মরিচের গুঁড়ো, গরম মসলা ও চাট মসলা দিয়ে মাঝারি আঁচে ২-৩ মিনিট নাড়াচাড়া করুন। খুব বেশি ভাজার প্রয়োজন নেই। নামানোর আগে ধনেপাতা কুচি মিশিয়ে দিন। মিশ্রণটি একটি থালায় ছড়িয়ে সম্পূর্ণ ঠান্ডা হতে দিন। গরম অবস্থায় পুর ভরবেন না। এখন আটা বা ময়দায় লবণ ও তেল দিয়ে মেখে একটি নরম ডো তৈরি করুন। খেয়াল রাখবেন, সাধারণ রুটির চেয়ে এই ডো সামান্য নরম হতে হবে। ডো থেকে মাঝারি সাইজের লেচি কেটে বাটির মতো গর্ত করে নিন। মাঝখানে পরিমাণমতো পুর দিয়ে মুখটা ভালো করে বন্ধ করে দিন। পুর ভরা লেচি শুকনো আটা ছড়িয়ে আলতো হাতে বেলে নিন। খুব বেশি চাপ দেবেন না। তাওয়া গরম করে প্রথমে পরোটা এপিঠ-ওপিঠ সেঁকে নিন। এরপর চারপাশ দিয়ে ঘি বা তেল ছড়িয়ে মুচমুচে করে ভেজে তুলে নিন।
অ্যাভাটার বিশ্বের সঙ্গে একই দিনে ঢাকায় মুক্তি পেল
অ্যাভাটার বিশ্বের সঙ্গে একই দিনে ঢাকায় মুক্তি পেল গল্পবিজ্ঞানের বিস্ময়কর সিনেমা ‘অ্যাভাটার’ নতুন অধ্যায় নিয়ে হাজির হয়েছে। শুক্রবার বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে জেমস ক্যামেরনের আলোচিত তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। একই দিনে ঢাকার প্রেক্ষাগৃহেও ছবিটির প্রদর্শন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি লন্ডনে সিনেমাটির একটি বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই রীতিমতো ‘ঝড়’! প্রদর্শনী শেষে সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া দেখে বোঝা যায় ক্যামেরন আবারও তার ‘ভিজ্যুয়াল জাদু’তে সবাইকে মুগ্ধ করেছেন। ২০০৯ সালে প্রথম কিস্তির মাধ্যমে বৈশ্বিক আলোচনায় উঠে আসে ‘অ্যাভাটার’। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া দ্বিতীয় কিস্তি ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ আয় করে প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। নতুন কিস্তিতেও ক্যামেরনের ভিজ্যুয়াল নির্মাণ দর্শককে বড় পর্দার অভিজ্ঞতার দিকেই টেনে নিচ্ছে। নতুন এই সিনেমার কেন্দ্রে সুলি পরিবার। আগের পর্বে নেটেয়ামের মৃত্যু তাদের জীবনে গভীর দাগ রেখে গেছে। সেই শোক, সেই লড়াই তার মাঝেই আসে নতুন বিপদ। এখানে প্রথমবারের মতো দর্শক দেখবে ‘আগুন উপজাতি’, যাদের আবির্ভাবই সিনেমার নতুন উত্তেজনা। মাইকেল লি লিখেছেন ‘এই সিনেমার ভিজ্যুয়াল-অ্যাকশন দাঁড়িয়ে গেছে আলাদা এক উচ্চতায়। অভিনয় দিয়ে সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন স্যাম ওয়ার্থিংটন, জো স্যালদানা, সিগরনি উইভার, স্টিফেন ল্যাং, কেট উইন্সলেটসহ অনেকে। এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর প্যারিসে সংবাদ সম্মেলনে ক্যামেরন বলেন, দর্শকরা দেখবেন, সন্তানরা বড় হয়ে নিজেদের পরিচয় খুঁজছে। কারণ, তাদের মা পুরোপুরি নাভি প্রজাতির। আর বাবা অন্য গ্রহ থেকে আসা। এই শংকর জীবন তাদের হাসি-আনন্দের সঙ্গে এক ঝাঁক চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসে।
ঐশ্বরিয়া-অভিষেক এবার একসঙ্গে ধরা দিলেন

ঐশ্বরিয়া-অভিষেক এবার একসঙ্গে ধরা দিলেন দীর্ঘদিন ধরেই ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনের বিচ্ছেদ নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জনে সরগরম ছিল নেটদুনিয়া। তবে সেই সব জল্পনায় কার্যত ছেদ টানলেন এই তারকা দম্পতি। গত বৃহস্পতিবার ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে একসঙ্গেই জনসমক্ষে হাজির হয়ে সব জল্পনা-কল্পনাকে অনেকটাই উড়িয়ে দিলেন তারা। ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের ধীরুভাই আম্বানি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হন ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক। তাদের সেখানে উপস্থিতির ছবি ও ভিডিও মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কালো রঙের স্যুটে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং নৈমিত্তিক পোশাকে অভিষেক বচ্চন অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করছেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন ঐশ্বরিয়ার মা বৃন্দ্যা রাইও। স্বাভাবিক ও শান্ত ভঙ্গিতে একসঙ্গে উপস্থিত হওয়াই অনেকের কাছে গুঞ্জনের জবাব হিসেবে ধরা পড়েছে। এই উপস্থিতি আসে এমন এক সময়ে, যখন কিছুদিন আগেই অভিষেক বচ্চন বিচ্ছেদের খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জনজীবনের মানুষ হওয়ায় নানা রকম অনুমান ও গুজব ছড়ানো হয়, কিন্তু সেগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ‘আমরা একটি প্রেমময় ও দৃঢ় পরিবার। ২০০৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই। তাদের সংসারে একমাত্র কন্যা আরাধ্য বচ্চন। গত বছর কয়েকটি অনুষ্ঠানে আলাদা আলাদাভাবে হাজির হওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিচ্ছেদের জল্পনা শুরু হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একফ্রেমে তাদের এই উপস্থিতিই সেই সব প্রশ্নের অনেকটাই উত্তর দিয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন ভক্ত ও অনুরাগীরা।
ক্যাপ্টেন আমেরিকা অ্যাভেঞ্জার্স ডুমসডে-তে ফিরছেন

ক্যাপ্টেন আমেরিকা অ্যাভেঞ্জার্স ডুমসডে-তে ফিরছেন মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের সিনেমা যারা দেখেন, তাদের জন্য সুখবর। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও ক্যাপ্টেন আমেরিকা হিসেবে পর্দায় ফিরছেন ক্রিস ইভান্স। আসন্ন ‘অ্যাভেঞ্জার্স ডুমসডে’ সিনেমায় তাকে দেখা যাবে। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির প্রথম টিজারেই দেখা গেছে এ দৃশ্য। তাতে যা আভাস পাওয়া গেল, একজন নবজাতকের বাবা হিসেবে দেখা যাবে ক্রিস ইভান্সকে। টিজারে দেখা যায়, একটি শান্ত বাড়িতে স্টিভ রজার্স (ক্রিস ইভান্স) মোটরসাইকেল চালিয়ে আসছেন। আবহ সংগীতে বাজছে অ্যাভেঞ্জার্স থিম। স্টিভ তার পুরনো চিরচেনা সেই স্যুট টি নেড়েচেড়ে দেখছেন। এক পর্যায়ে তার কোলে একটি নবজাতক শিশুকে দেখা যায়। আর দৃশ্যটি দিয়েই টিজারটি শেষ হয়। শেষে লেখা ওঠে, ‘স্টিভ রজার্স ফিরছেন অ্যাভেঞ্জার্স ডুমসডে-তে’। ২০১৯ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম’-এ শেষবার স্টিভ রজার্সকে দেখেছিলেন দর্শকেরা। সেখানে তিনি ইনফিনিটি স্টোনগুলো যথাস্থানে ফিরিয়ে দিয়ে অতীতে তার প্রিয়তমা পেগি কার্টারের কাছে ফিরে যান এবং সেখানেই সংসার জীবন কাটান। পরবর্তীতে বৃদ্ধ অবস্থায় ফিরে এসে তার ঢালটি স্যাম উইলসনের (অ্যান্থনি ম্যাকি) হাতে তুলে দেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে, টিজারের এই স্টিভ রজার্স কি আগের সেই আসল স্টিভ, নাকি মাল্টিভার্সের অন্য কোনো রূপ? এছাড়া নবজাতক শিশুটির পরিচয় এবং তার মধ্যে সুপার সোলজার ক্ষমতা আছে কি না, তা নিয়ে দর্শকদের মাঝে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। শোনা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ক্রিস ইভান্স ছাড়াও মূল অ্যাভেঞ্জার্স টিমের রবার্ট ডাউনি জুনিয়র ফিরছেন এই সিনেমায়। তবে তিনি আয়রন ম্যান নয়, বরং খলনায়ক ‘ডক্টর ডুম’ হিসেবে হাজির হবেন।
বাপ্পা মজুমদার ‘ব্যথা’ নিয়ে হাজির হলেন

বাপ্পা মজুমদার ‘ব্যথা’ নিয়ে হাজির হলেন কাব্যিক আবেগ আর মেলানকোলি সুরে সাজানো তুন গান ‘এই ব্যথা’ নিয়ে হাজির হয়েছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। গানটির কথার রচয়িতা মাহি ফ্লোরা, সুর করেছেন এহসান রাহি, এবং সংগীতায়োজন করেছেন আমজাদ হোসেন। ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস) এর আয়োজনে এর ভিডিও নির্মাণের কাজ করেছেন শুভব্রত সরকার। সম্প্রতি ধ্রুব মিউজিক স্টেশনে গানটির প্রকাশনা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বাপ্পা মজুমদারসহ গীতিকার ও সুরকার তরুণ মুন্সী, জুয়েল মোর্শেদ, লুৎফর হাসান, কিশোর দাসসহ সঙ্গীতাঙ্গনের অনেকে। গানটি প্রসঙ্গে বাপ্পা মজুমদার বলেন, ‘অনেকদিন পরে এমন আয়োজন করতে পারছি, তাই আনন্দিত। টিমের প্রত্যেকেই নিজের সেরাটা দিয়েছে। আরো বিশেষ ব্যাপার হলো, আজ আমার বড় কন্যার জন্মদিন এমন দিনে গানটির প্রকাশ আমাকে মুগ্ধতার অন্য জগতে নিয়ে গেছে। ভিডিওটি আমাদের দেশে একেবারেই নতুন ধরনের, যা শ্রোতাদের জন্য ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করি। ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার ধ্রুব গুহ বলেন, ‘‘বাপ্পা দা’র ‘এই ব্যথা’ প্রকাশ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আশা করি গানটি শ্রোতাদের অনেক ভালো লাগবে। গানটির ভিডিও ডিএমএস-এর ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে। পাশাপাশি এটি দেশি ও আন্তর্জাতিক সব মিউজিক প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে।
উইজ খলিফাকে কারাদণ্ড প্রকাশ্যে মঞ্চে মাদক সেবন

উইজ খলিফাকে কারাদণ্ড প্রকাশ্যে মঞ্চে মাদক সেবন রোমানিয়ায় মঞ্চে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের দায়ে মার্কিন র্যাপার উইজ খলিফাকে ৯ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। স্থানীয় সময় শুক্রবার ১৮ ডিসেম্বর এই রায় ঘোষণা করা হয়। গত বছর রোমানিয়ার কোস্টিনেস্তিতে অনুষ্ঠিত ‘বিচ, প্লিজ’ নামের একটি কনসার্টে পারফর্ম করার সময় প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন করেন উইজ খলিফা; গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন তখন। এবার সে ঘটনার জেরে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেন ‘সি ইউ অ্যাগেইন’ খ্যাত এই শিল্পী। সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, এর আগে প্রাথমিক রায়ে রোমানিয়ার আদালত তাকে ৩ হাজার ৬০০ রোমানিয়ান লেই (প্রায় ৯৬ হাজার টাকা) জরিমানা করেছিলেন। কিন্তু এক আপিলের পর সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে তাকে সরাসরি কারাদণ্ড ভোগের নির্দেশ দেন আদালত। এই সাজা ঘোষণার সময় উইজ খলিফা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ায় পারফর্ম করেছেন এই শিল্পী; সক্রিয় আছেন সামাজিক মাধ্যমেও। তবে ১০ বার গ্র্যামি মনোনয়ন পাওয়া এই শিল্পীর পক্ষ থেকে রায়ের বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন উইজের কাছ থেকে ১৮ গ্রামের বেশি গাঁজা পাওয়া যায়; এবং তিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে তা সেবন করেছিলেন। বিচারকরা এই রায় নিয়ে বলেছেন, উইজ খলিফা তরুণদের কাছে একজন জনপ্রিয় তারকা। হাজার হাজার তরুণের সামনে তার এমন কর্মকাণ্ড অবৈধ আচরণকে স্বাভাবিক হিসেবে তুলে ধরেছে, যা সমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে মাদক গ্রহণে উৎসাহিত করতে পারে। উল্লেখ্য, উইজ খলিফার আসল নাম থমাস ক্যামেরন জিব্রিল। ‘ব্ল্যাক অ্যান্ড ইয়েলো’ ও ‘সি ইউ অ্যাগেইন’-এর মতো জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা উইজ খলিফা দীর্ঘদিন ধরেই গাঁজা সেবক হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ সালে তিনি নিজের একটি মারিজুয়ানা ব্র্যান্ডও চালু করেছিলেন।
আতিফ আসলাম ঢাকায় গোপনে কনসার্ট করলেন

আতিফ আসলাম ঢাকায় গোপনে কনসার্ট করলেন গত ১৩ ডিসেম্বর ঢাকার পূর্বাচলে ‘মেইন স্টেজ ইনক’ আয়োজিত বিশাল এক কনসার্টে গাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিরাপত্তাজনিত ছাড়পত্র না পাওয়ায় সেই আয়োজন বাতিল ঘোষণা করা হয়। আতিফ আসলাম নিজেও সেই কনসার্টটি বাতিল হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছিলেন।সবাই যখন ধরে নিয়েছেন, আতিফ আসলাম নিরাশ হয়ে ঢাকায় আর আসছেন না, ঠিক তখনই সামাজিক মাধ্যমে তার পারফরম্যান্সের একের পর এক ভিডিও ক্লিপ ও ছবি ভাইরাল হতে শুরু করে। একটি সূত্র জানায়, পাবলিক কনসার্ট বাতিল হলেও ঢাকা সফর বাতিল করেননি গায়ক আতিফ আসলাম। ঢাকায় এসেছেন তিনি, পর্দার আড়ালে সেরে নিচ্ছেন একের পর এক ‘প্রাইভেট’ কিংবা ব্যক্তিগত শো। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েপড়া পস্ট-ক্লিপগুলো থেকে জানা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার আভিজাত গুলশান ক্লাবে একটি বিশেষ ইনডোর শোতে পারফর্ম করেন সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। ‘দ্য ফাইনাল নোট: আতিফ আসলাম’ শিরোনামের সেই আয়োজনের কোনো পাবলিক ঘোষণা না থাকলেও অনুষ্ঠান শেষে নেটিজেনদের কল্যাণে ভিডিওগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাকে তার জনপ্রিয় গানগুলো গাইতে দেখা যায়। এরপর বৃহস্পতিবার ১৮ ডিসেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB) ক্যাম্পাসে পারফর্ম করার খবর পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মাঠে আয়োজিত এ কনসার্টের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিউজিক বিয়ন্ড বাউন্ডারিস’। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া এই কনসার্টে আতিফের সঙ্গে বাংলাদেশের জনপ্রিয় দুই শিল্পী মিনার রহমান ও প্রীতম হাসানও অংশ নিয়েছিলেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অ্যালামনাই ছাড়া বাইরের কেউ সেখানে প্রবেশের সুযোগ পাননি। এমনকি নিরাপত্তা ও ভিড় এড়াতে আতিফের অংশগ্রহণের বিষয়টি অনেকটা গোপনই রাখা হয়েছিল। কিন্তু কেন এই গোপনীয়তা? পাবলিক কনসার্ট বাতিল হলেও প্রাইভেট শো কেন চলছে? সাধারণ নেটিজেনদের মনে এমন প্রশ্ন উঁকি দিলেও সচেতন মহলের ব্যাখ্যা ছিল ভিন্ন। তারা মনে করছেন, সাধারণত বড় পাবলিক কনসার্টের ক্ষেত্রে বিশাল জনসমাগমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। সে জন্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এ ধরনের বড় জনসমাগম এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।
মেসিকে নিয়ে তুলকালাম: মামলা করলেন সৌরভ গাঙ্গুলী

মেসিকে নিয়ে তুলকালাম: মামলা করলেন সৌরভ গাঙ্গুলী সম্প্রতি ভারত সফরে আসেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে ছিলেন রদ্রিগো ডি পল এবং সাবেক উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ। তাদের তিনদিন ব্যাপী সফরের শুরুতে অব্যবস্থাপনার খবর ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। মেসিকে দেখতে না পেয়ে কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ভাঙচুর করেন ফুটবলপ্রেমীরা। এমন বিশৃঙ্খলার ঘটনায় আঙুল উঠেছে সৌরভ গাঙ্গুলির দিকেও, যে কারণে তিনি আইনী পথে হেঁটেছেন। মেসিদের ভারত সফরের প্রথম দিনে কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে আসেন মেসি। গ্যালারি থেকে মেসিকে দেখতে না পেয়ে দর্শকদের স্টেডিয়ামে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা করার জন্য আয়োজকদের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করা হচ্ছে। কিন্তু এরই মাঝে কলকাতা-ভিত্তিক আর্জেন্টাইন ফ্যান ক্লাবের সভাপতি উত্তম সাহার দাবি– ওই সফরের ব্যবস্থাপনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলী। ওই ইভেন্টে শতদ্রুর সঙ্গে ব্যবস্থাপনার কাজে মধ্যস্থতা করেছেন প্রিন্স অব কলকাতা খ্যাত সৌরভ গাঙ্গুলী। এ ঘটনায় মানহানি হয়েছে দাবি করে সৌরভ গাঙ্গুলী আর্জেন্টাইন ফ্যান ক্লাবের সভাপতির বিরুদ্ধে ৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছেন, ‘পুলিশে অভিযোগ দায়ের করার পাশাপাশি আমি ফুটবল ফ্যান ক্লাবটিকে ৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনী নোটিস পাঠিয়েছি। কারণ তারা মনে যা আসছে তাই বলে দিয়েছে।’ প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে– তার (সৌরভ) বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো বাস্তবসম্মত ভিত্তি ছাড়াই অনেক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। যা তার অনেক কষ্টে অর্জিত সম্মান নষ্ট করার প্রচেষ্টা।’ এই ঘটনায় তদন্ত করছে লালবাজার পুলিশ। সৌরভ জানিয়েছেন, ১৩ ডিসেম্বর একজন অতিথি হিসেবে যুবভারতীতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। মেসির অনুষ্ঠানের সঙ্গে তার কোনো আনুষ্ঠানিক সংযোগ ছিল না।
তিন দশকের মধ্যে জাপানে সুদের হার বেড়ে সর্বোচ্চ

তিন দশকের মধ্যে জাপানে সুদের হার বেড়ে সর্বোচ্চ জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক অব জাপান’ (বিওজে) নীতিগত সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা প্রায় ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে প্রধান নীতিগত সুদের হার ০ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সুদ আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিওজে জানায়, সুদের হার বাড়ানো হলেও বাস্তব সুদের হার এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে ঋণাত্মক থাকবে। ফলে সহনশীল বা অ্যাকোমোডেটিভ আর্থিক নীতি অব্যাহত থাকবে। যা দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সমর্থন জোগাবে। শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দেশটির প্রধান শেয়ারসূচক নিক্কেই ২২৫ বেড়েছে ১ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে একই সময়ে ইয়েনের মান কমে প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১৫৫ দশমিক ৯২ ইয়েনে দাঁড়িয়েছে। বিওজের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে মূল মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে। সেজন্য খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির গতি কম রাখা এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। তবে সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জাপানের অর্থনীতির জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। সংশোধিত জিডিপি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে জাপানের অর্থনীতি আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০ দশমিক ৬ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে বার্ষিক হিসাবে সংকুচিত হয়েছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ