চোখের সাধারণ কিছু সমস্যায় যা করবেন

চোখের সাধারণ কিছু সমস্যায় যা করবেন চোখ দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এ অঙ্গে সাধারণত যে ধরনের অসুখ হয়, তা হলো- এক চোখে ডাবল ভিশন হলে দেখতে হবে, চোখের ছানি পড়েছে কিনা। দুচোখেও ডাবল ভিশন হতে পারে। যেমন- চোখের এক বা একাধিক মাংসপেশির দুর্বলতা, কিছু বিশেষ ধরনের ব্রেইন টিউমার, কিছু ক্ষেত্রে পক্ষাঘাত। এ ক্ষেত্রে চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখাতে হবে। চোখ কাঁপা : ক্লান্তি, শরীরে লবণের ঘাটতি, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় এ রোগ হয়। রোগটি আপনাআপনি সেরে যায়। ১০-১৫ দিন পরও সমস্যা থেকে গেলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া প্রয়োজন। চোখ বড় হয়ে ঠিকরে বেরিয়ে আসা : এ রোগ হতে পারে থাইরয়েডের সমস্যা হলে, চোখের পেছনে বা অপটিক নার্ভে টিউমার হলে। হলে দ্রুত চক্ষুরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিড়াল চোখ : এ রোগে রোগীর চোখ অন্ধকারে বিড়ালের চোখের মতো জ্বলজ্বল করে। চোখ হয় আকারে বড়। শিশুরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসককে দেখাতে হবে। চোখে আলোর ঝলকানি : চোখের সামনে থেকে থেকে আলোর ঝলক, কালো বিন্দু বা কালো ঝুলের মতো কিছু ঘুরে বেড়ায়। হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- রেটিনা ডিটাচমেন্ট। এ ক্ষেত্রে চোখ পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে। চিকিৎসককে সমস্যার কথা জানাতে হবে। চোখের মণিতে সাদা দাগ : রোগটি হওয়ার কারণ হলো- কার্নিয়াল আলসার সেরে যাওয়ার পর অনেক সময় মণিতে সাদা দাগ থেকে যায়। চোখে আঘাত লাগলেও এ রকম হতে পারে। সাদা দাগ মণির একেবারে মাঝখানে হলে দৃষ্টিশক্তি থাকে না। একমাত্র কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করেই অবস্থা সামলানো যায়। মণির অন্যত্র সাদা দাগ থাকলে দেখতে কোনো অসুবিধা হয় না ঠিকই, কিন্তু সৌন্দর্যে ঘাটতি হয়। সমস্যা সামলাতে দুটি রাস্তা খোলা আছে- রঙিন কনট্যাক্ট লেন্স এবং উল্কি। উল্কির রঙ বছর তিনেক থাকে। তারপর আবার রঙ করাতে হয়। তবে যা-ই করুন, চোখের ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করেই সব করতে হবে। বয়স্কদের চশমা পরে আবছা দেখা : ছানি বা চোখের অন্য কোনো অসুখে এমন হচ্ছে কিনা, চিকিৎসককে দেখে নিশ্চিত হোন। চোখের অসুখ না থাকলে দৃষ্টিশক্তি কমার কারণ অপটিক নার্ভের জড়া। এ অবস্থায় পড়াশোনা করতে হলে ঘরে বেশি আলোর ব্যবস্থা করুন। পড়ুন আলোর দিকে পেছন ফিরে বসে। আতস কাচের সাহায্যে লেখা বড় করে নিতে পারেন। লাইনের ওপর স্কেল রেখে পড়লে সুবিধা হবে। চোখে কম দেখায় এ রোগে আক্রান্তরা মাঝে মধ্যে এখানে সেখানে পড়ে যান। এ জন্য সাবধান হতে হবে। যেমন- খাট, চেয়ার, সোফা ইত্যাদির উচ্চতা কমিয়ে ফেলুন। উচ্চতা এমন হবে, যাতে বসলে পা মাটিতে ঠেকে। সিঁড়ির এক পাশে সাদা রঙ করে সেদিকের রেলিং ধরে ওঠানামা করতে পারেন। চোখের নিচে কালি : আঘাত কিংবা অন্য সমস্যায় চোখের চারপাশ কালশিটে হতে পারে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয়, সে জন্য সবুজ শাকসবজি, পানি পান করতে হবে। মন দুশ্চিন্তামুক্ত রাখুন। রাতে ঠিকমতো ঘুম ঘুমাবেন। ডা. মো. ছায়েদুল হক লেখক : চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন অধ্যাপক, মার্কস মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা
যেকোনো পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকার উপায়

যেকোনো পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকার উপায় জীবনে যেকোনো সময় যেকোনো ঝড় আসতে পারে। ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার কিংবা কর্মক্ষেত্রেও নেতিবাচক পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে। এমন প্রতিকূল ও নেতিবাচক পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়া চলবে না। বরং ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তা মোকাবেলা করতে হবে। আপনি যদি মানসিকভাবে শক্তিশালী হোন, তাহলে যেকোনো সংকট দৃঢ়তার সঙ্গে পাড়ি দিতে পারবেন। যেভাবে মানসিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার চর্চা করবেন ধৈর্যের বিকল্প নেই : ধৈর্যশীল ব্যক্তিরা কখনো হতাশা হন না। জীবনে যত বড় ঝড় আসুক না কেন, ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবেলা করুন। ধৈর্য আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের প্রতি অবিচল রাখবে। একইসঙ্গে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। আবেগ নিয়ন্ত্রণ : অনুকূল-প্রতিকূল সব ধরনের পরিস্থিতিতে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নিজের আবেগ ও প্রতিক্রিয়াগুলো সচেতনভাবে বুঝতে পারলে এবং নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে অনেক চাপের মধ্যেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। একইসঙ্গে উপযুক্ত সমাধান খুঁজে বের করতে পারবেন। অধ্যবসায় : পরাজয় বা ব্যর্থতায় ভেঙে পড়া যাবে না। বরং দৃঢ় থাকুন এবং পুনরায় চেষ্টা করুন। মানসিকতা। মনে রাখবেন, অধ্যবসায়ী ব্যক্তিরা সহজে হাল ছাড়েন না। তারা লক্ষ্য অর্জনের জন্য বারবার চেষ্টা করেন। আত্মবিশ্বাস : আপনি যদি নিজের জায়গায় সৎ থাকেন, তাহলে আত্মবিশ্বাসী হোন। নিজের সামর্থ্য ও শক্তির উপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখুন। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন। কারণ আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিরা তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ভয় পায় না। ইতিবাচক চিন্তা : প্রতিকূল পরিবেশে ইতিবাচক চিন্তা আপনাকে অনেক দূর এগিয়ে নেবে। তাই ইতিবাচক থাকুন আর নেতিবাচক চিন্তাগুলো মাথা থেকে দ্রুত দূর করে দিন। মেডিটেশন : নিয়মিত মেডিটেশন করলে মন শান্ত হয় এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। যেকোনো সংকটে নিজেকে শান্ত রাখার জন্য মেডিটেশন করুন। চাইলে নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী প্রার্থনা করুন। ব্যায়াম : নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এতে শরীর ও মন দুটোই সুস্থ থাকবে। ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কে এন্ডরফিন নামক রাসায়নিক নিঃসরণ হয়, যা মেজাজ ভালো করে এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
টম ক্রুজ গার্লফ্রেন্ড খুঁজছেন

টম ক্রুজ গার্লফ্রেন্ড খুঁজছেন প্রায় নয় মাস সম্পর্কে থাকার পর হলিউড তারকা টম ক্রুজ ও হলিউড অভিনেত্রী আনা দে আরমাস তাদের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। টমের কথিত নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ এবং দুজনের বয়সের বড় ব্যবধানের কারণেই আনা এই সম্পর্ক থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন- এমনটি জানা গেছে। তবে নতুন তথ্য হলো আনার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ব্রেকআপে আটকে না থেকে নতুন সম্পর্কের সম্ভাবনা খুঁজছেন টম ক্রুজ। বিচ্ছেদটি টমের জন্য কষ্টকর হলেও, তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন তিনি দীর্ঘদিন মনখারাপ করে বসে থাকার মানুষ নন। আনার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় টম ভীষণ ভেঙে পড়েছিলেন, কিন্তু তিনি এমন নন যে খুব বেশি দিন নিজের কষ্ট আঁকড়ে ধরে রাখবেন। ঘনিষ্ঠজনদের মতে, টম ক্রুজ নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হতে সক্রিয়ভাবে আগ্রহী। আরেকটি সূত্র জানায়, তিনি নতুন কাউকে খুঁজতে প্রস্তুত এবং এ বিষয়ে বেশ উদ্যোগী।
নাবিলা হলেন জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’

নাবিলা হলেন জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ কবি জীবনানন্দ দাশের কাল্পনিক নারী চরিত্রকে কেন্দ্র করে সিনেমা নির্মাণ করছেন পরিচালক মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। সিনেমার নাম ‘বনলতা সেন’। সরকারি অনুদানে নির্মিত এই সিনেমাটি মুক্তির কথা ছিল গত বছর। তবে সে সময় দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় মুক্তি পিছিয়ে দেওয়া হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে সিনেমাটি ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরে মুক্তি দেওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছেন নির্মাতারা। এদিকে ‘বনলতা সেন’ সিনেমার নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা। তবে ‘বনলতা সেন’ হয়ে ওঠা নাবিলার জন্য সহজ ছিল না। জানা গেছে, শুরুতে তাকে অন্য একটি চরিত্রের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু নাবিলা সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। তিনি নির্মাতাকে স্পষ্টভাবে জানান, বনলতা সেন চরিত্রটিই তিনি করতে চান। এরপর তিন দফা চ্যালেঞ্জিং অডিশনের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে চরিত্রটি বাগিয়ে নেন তিনি। সিনেমাটিতে কবি জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে অভিনয় করছেন খায়রুল বাসার। আরও অভিনয় করেছেন সোহেল মণ্ডল, নাজিবা বাশার, প্রিয়ন্তী উর্বী, রুপন্তী আকীদ, শরিফ সিরাজ ও সুমাইয়া খুশি। সিনেমাটি নির্মাণে সময় বেশি লাগলেও গুণগত মানের বিষয়ে কোনো আপস করেননি পরিচালক মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। তিনি বলেন, জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে কাজ করা অত্যন্ত দায়বদ্ধতার বিষয়। গবেষণা, প্রস্তুতি এবং উপযুক্ত অভিনয়শিল্পী খোঁজার পুরো প্রক্রিয়াই ছিল চ্যালেঞ্জিং। ঈদের সিনেমার ভিড়ে ‘প্রিন্স’, ‘দম’, ‘রাক্ষস’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘পিনিক’-এর সঙ্গে নাবিলার ‘বনলতা সেন’ কেমন সাড়া ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন রাধিকা

মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন রাধিকা চেহারার গড়ন নিয়ে সমালোচনা বলিউডে নতুন নয়। নায়ক-নায়িকাদের ক্যারিয়ারে এর প্রভাব পড়ে বারবার। ওজন বৃদ্ধি নিয়ে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকেও। একই অভিজ্ঞতার কথা এবার প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে। অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রাধিকা জানান, একটি বড় প্রযোজনা সংস্থার ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। তবে শুটিং শুরুর আগেই সেই কাজ হাতছাড়া হয়ে যায়। অভিনেত্রীর কথায়, শুটিংয়ের আগে তিনি ভ্রমণে যাওয়ার কথা প্রযোজনা সংস্থাকে জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, সেই সময়ে তিনি ডায়েট করবেন না, ফলে কিছুটা ওজন বাড়তে পারে। ভ্রমণ শেষে প্রায় চার কেজি ওজন বেড়ে যায় রাধিকার। তিনি বলেন, তখন বয়স কম ছিল, মেটাবলিজমও ভালো ছিল। জানতেন দ্রুত ওজন কমিয়ে ফেলতে পারবেন। কিন্তু তার আগেই তার একটি ফটোশুট করা হয়। সেই ছবিতে তাকে মোটা দেখাচ্ছিল বলেই প্রজেক্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়।রাধিকা জানান, পরবর্তীতে অন্য নায়িকাকে নিয়ে সেই ছবি তৈরি হয় এবং সেটি বক্স অফিসে সাফল্যও পায়। এই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘ওজন বাড়লেই আমার ভয় লাগত। মনে হতো দ্রুত কমাতে হবে। এই মানসিক চাপ কাটিয়ে উঠতে পরে মনোবিদের সাহায্য নেন রাধিকা। সন্তানের জন্মের পরেও তার ওজন বেড়েছিল। তবে সে সময় আর এমন সমস্যার মুখে পড়তে হয়নি। পরিবর্তিত চেহারাতেই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শুটিং ফ্লোরে ফিরেছিলেন তিনি। রাধিকার মতে, অভিনয়জীবনের শুরুতে পাওয়া সেই ধাক্কাই তাকে মানসিকভাবে আরও শক্ত করেছে এবং নিজেকে গ্রহণ করার শিক্ষা দিয়েছে।
বাল্যবিবাহ এবং শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে সমন্বয় ও সহযোগিতা সভা

বাল্যবিবাহ এবং শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে সমন্বয় ও সহযোগিতা সভা বাল্যবিবাহ এবং শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে সরকারি কর্মকর্তা এবং এনজিও প্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় ও সহযোগিতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে বালুগ্রাম আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে ইউনিসেফ ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এর সহায়তায় স্ট্রেংদেনিং সোশ্যাল এ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মানপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রোগ্রাম ম্যানেজার উত্তম মন্ডল, রেডিও মহানন্দার সহকারী স্টেশন ম্যানেজার রেজাউল করিম, স্থানীয় চিকিৎসক মশিউল করিম, এসএসবিসি প্রকল্পের কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর তোহরুল ইসলাম, সরকারি-বেসরকারি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সভায় বাল্যবিবাহ ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ, শিশুর অধিকার নিশ্চিত করা, বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা ও সেবা প্রাপ্তি, এন্টিবায়োটিক ওষুধের যথেচ্ছ ব্যবহার, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক, কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী ও এনজিও প্রতিনিধিসহ ৩০ জন অংশ নেন।
হার্দিক ঝড়ে সিরিজ ভারতের

হার্দিক ঝড়ে সিরিজ ভারতের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি পণ্ড হয়ে যাওয়ায় ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার সিরিজ জমে উঠেছিল বেশ। শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে সিরিজ ড্র। ভারত জিতলে ৩-১ ব্যবধানে জিতবে সিরিজ। এমন সমীকরণ মাথায় নিয়ে নেমে আহমেদাবাদে শেষ হাসিটা ভারতই হেসেছে। ৩০ রানের ব্যবধানে শেষ টি-টোয়েন্টি জিতে টানা অষ্টম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে ভারত। এই ম্যাচে রান উৎসব হয়েছে। আগে ব্যাটিং করতে নেমে ভারত ৫ উইকেটে ২৩১ রান করে। জবাব দিতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ উইকেটে তোলে ২০১ রান। রান উৎসবের ম্যাচে ঝড় তুলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। পেয়েছেন উইকেটও। তাতে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে। ৫টি করে চার ও ছক্কায় মাত্র ২৫ বলে ২৫২ স্ট্রাইক রেটে ৬৩ রান করেন হার্দিক। এরপর বল হাতে ৩ ওভারে ৪১ রানে পেয়েছেন ১ উইকেট। হার্দিক বাদে ভারতের হয়ে ব্যাট হাতে দু্যতি ছড়ান তিলক ভার্মা। ৪২ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় তিলক সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন। হার্দিক ও তিলক মিলে ইনিংসের মধ্য অবস্থায় ৭.২ ওভারে ১০৫ রান তুলেছিলেন। এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ভারত ৫.৩ ওভারে ৬৩ রান পায়। সানজু স্যামসান ২২ বলে ৩৭ এবং অভিষেক ২১ বলে ৩৪ রান করেন। শেষ দিকে ৩ বলে ১০ রান করেন শিভাম দুবে। রান পাননি সূর্যকুমার যাদব। ভারতের অধিনায়ক আউট হন ৫ রানে। বল হাতে প্রোটিয়াদের হয়ে কোভিন বোস ৪৪ রানে ২ উইকেট নেন। জবাব দিতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ১০ ওভারে ১ উইকেটে ১১৮ রান তুলে নেয়। কিন্তু পরের ৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ছন্দপতন হয় তাদের। তাতেই ম্যাচ ভারতের হয়ে যায়। ৪৩২ রানের ম্যাচে বল হাতে পার্থক্য গড়ে দেন জসপ্রিত বুমরাহ। ১৭ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। শতততম টি-টোয়েন্টি খেলতে নামা কুইন্টন ডি কক দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন ৯ চার ও ৩ ছক্কায়। এছাড়া ডেয়াল্ড ব্রেভিস ১৭ বলে করেন ৩১ রান।
চিত্রাঙ্গদা আইটেম গান করলেও উপভোগ করেছি

চিত্রাঙ্গদা আইটেম গান করলেও উপভোগ করেছি দুই দশক আগে রুপালি জগতে পা রাখেন বলিউড অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং। ভাবগম্ভীর চরিত্রেই তাকে বেশি দেখা যেত। সম্প্রতি হালকা মেজাজের বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমায়ও ধরা দিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। গত ৬ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি সিনেমা ফ্র্যাঞ্চাইজি হাউজফুলের পঞ্চম কিস্তি। তাতে ‘মায়া’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের চমকে দেন চিত্রাঙ্গদা। অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘হাউজফুল ফাইভ’ সিনেমায় আরো অভিনয় করেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, সোনম বাজওয়া, নার্গিস ফাখরি, সৌন্দর্য শর্মা। কিন্তু নারী চরিত্রগুলোকে অনুপযুক্তভাবে উপস্থাপনার অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিল। জুম-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সমালোচনার বিষয়ে মুখ খুলেছেন চিত্রাঙ্গদা সিং। এ অভিনেত্রী বলেন, “আপনি নতুন কিছু করলে সৃজনশীলভাবে তৃপ্তি অনুভব করবেন। না হলে গৎবাঁধা চরিত্র নিয়ে সমালোচনা করার জন্য দশর্করা প্রস্তুত রয়েছেন। চরিত্রটি নিয়ে বিচার করা তাদের জন্য সহজ। কিন্তু আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রিত মনে করি না। আমি যদি কোনো আইটেম গানও করি, তবে সেটা উপভোগ করেছি। আমি এটা করতে ভালোবাসি। কারণ আমি কখনো ওই জায়গায় নিজেকে ছোট মনে করিনি। ঘটনার বর্ণনা করে চিত্রাঙ্গদা সিং বলেন, “ফারাহ বলেছিলেন, ‘তুমি এই সাহসী গানটা করতে পারো’। তখন আমার মনে হয়েছিল এটা সেই পরিচিত ইমেজ নয়, যার জন্য আমি পরিচিত। একজন অভিনেত্রী হিসেবে চরিত্রটিতে রূপান্তরিত হতে হয় এটাই কাজ। অবশ্যই সেখানে, সঠিক মানুষ থাকা খুব জরুরি। সেটা স্বাধীন সিনেমা হোক বা বাণিজ্যিক সঠিক মানুষের সঙ্গে কাজ করলে তা দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবেই। চিত্রাঙ্গদা বেশ কিছু আইটেম গানে পারফর্ম করেছেন। অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘গব্বর ইজ ব্যাক’ সিনেমার ‘আও রাজা’, ‘জোকার’ সিনেমার ‘কাফিরানা’–এর মতো আইটেম নাম্বারে পারফর্ম করেন চিত্রাঙ্গদা। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেছিলেন, “আমি কখনো এমন কোনো কৌশল অবলম্বন করিনি যে, শুধু আইটেম নাম্বারই করব। ব্যাপারটা নিজে থেকেই আমার কাছে এসেছে। এটাকে আমার কাজেরই অংশ হিসেবে নিয়েছি। চিত্রাঙ্গদা সিংয়ের হাতে কয়েকটি প্রজেক্টের কাজ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ‘দ্য ব্যাটল অব গালওয়ান’। সালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনা সৈন্যদের বিরোধের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে গল্প। কর্নেল বিকুমা সন্তোষ বাবুর চরিত্রে অভিনয় করছেন সালমান খান। এটি পরিচালনা করছেন অপূর্ব লাখিয়া।
কলম্বিয়ায় ফুটবল ম্যাচে সংঘর্ষ, আহত ৫৯
কলম্বিয়ায় ফুটবল ম্যাচে সংঘর্ষ, আহত ৫৯ কলম্বিয়া কাপের ফাইনালে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মেদেলিনে এই সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছে ৫৯ জন। গত বুধবার দ্বিতীয় লেগের খেলায় স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বী ডিপোর্তিভো ইন্ডিপেন্ডিয়েন্টে মেদেলিনকে ১–০ ব্যবধানে হারায় অ্যাটলেটিকো ন্যাসিওনাল। এরপরই এস্তাদিও জিরার্দোতে ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা । শেষ বাঁশি বাজার পর ভক্ত ও সমর্থকদের একাংশ মাঠ দখলে নিয়ে নেয়। মাঠে ঢুকে পড়াদের কারো হাতে ছিল আগুনের শিখা আর কারো হাতে আতশবাজি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় দাঙ্গা পুলিশ। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুলিশ সদস্যও। স্থানীয় পত্রিকা এল কলোম্বিয়ানো জানিয়েছে, স্টেডিয়ামটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে আসন ও টার্নস্টাইল। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মাঠের কিছু অংশ। আতশবাজির ধোঁয়ার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় ম্যাচ শুরু হতেও ১৪ মিনিট দেরি হয়। মেদেলিনের মেয়র ফেদেরিকো গুতিয়েরেস সহিংসতায় জড়িতদের কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, তারা “কেবল সহিংসতা সৃষ্টি করতে চাওয়া কিছু বেপরোয়া লোক” সতর্ক করে বলেন, ‘ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘যারা আক্রমণ করতে, ধ্বংস চালাতে বা আতঙ্ক ছড়াতে স্টেডিয়ামে গিয়েছিল, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা কয়েকজনের কারণে সবার সম্পদ নষ্ট হতে দেব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘বহু বছর ধরে আমরা আমাদের দেশ এবং পুরো লাতিন আমেরিকায় শান্তিপূর্ণ ফুটবলের এক উদাহরণ হয়ে আছি।’ কলম্বিয়ায় সাধারণত বড় ম্যাচগুলোতে এমন সহিংসতা এড়াতে সফরকারী দলের সমর্থকদের মাঠে আসতে দেওয়া হয় না। তবে ফুটবলে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই ডার্বি ম্যাচে মেদেলিন কর্তৃপক্ষ উভয় দলের সমর্থকদেরই মাঠে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল।
ইমরান-বুশরাকে তোশাখানা মামলায় ১৭ বছরের কারাদন্ড

ইমরান-বুশরাকে তোশাখানা মামলায় ১৭ বছরের কারাদন্ড পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে তোশাখানা-২ মামলায় ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি বিশেষ আদালত। খবর এনডিটিভির। রাষ্ট্রীয় উপহার বেআইনিভাবে গ্রহণ ও বিক্রির ফলে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে মামলার শুনানি শেষে এ রায় দেয়া হয়। ইমরান খান এই কারাগারেই বন্দি আছেন। আদালত পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৩৪ ও ৪০৯ ধারার অধীনে ইমরান খানের জন্য ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে সাত বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা করেছে। একই ধারায় বুশরাকে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত তাদের দুজনকেই এক কোটি ৬৪ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে। আইন অনুযায়ী, জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায়ে বলা হয়েছে, সাজা প্রদানের সময় ইমরান খানের বয়স এবং বুশরা বিবি নারী হওয়াকে বিবেচনা করে শাস্তি কমানো হয়েছে। ইমরান খান ও বুশরার আইনজীবীরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। মামলাটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানের দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরো (এনএবি) দায়ের করেছিল।