প্রিন্স মাহমুদ পঁচিশে নতুন করে দেখা দিয়েছেন

প্রিন্স মাহমুদ পঁচিশে নতুন করে দেখা দিয়েছেন ১৯৯৫ সাল থেকে এখনও নিজ মহিমায় উজ্জ্বল প্রিন্স মাহমুদ। যদিও গানের ভুবনে তাঁর পদযাত্রা শুরু হয়েছিল আরও কয়েক বছর আগে। তবে ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত মিশ্র ‘শক্তি’ অ্যালবামের মাধ্যমে সূচনা আজকের প্রিন্স মাহমুদ হয়ে ওঠা। সংগীতের মানের কাছে আপস না করার কারণে তাঁর প্রতিটি সৃষ্টি হয়ে উঠেছে অনবদ্য; যা তাঁকে নিয়ে এসেছে কিংবদন্তিদের কাতারে। এ কারণে ২০২৫ সালেও নন্দিত এই গীতিকবি ও সুরকারের আয়োজন নিয়ে সংগীতপ্রেমীর কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো। এ বছরের বড় চমক ছিল একই সিনেমার জন্য এই সুরকারের একসঙ্গে চারটি ভিন্ন রকম গান তৈরির বিষয়টি। ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘জংলি’ সিনেমার গানগুলোয় প্রিন্স নিজেকে উপস্থাপন করেছেন আরও নতুন ভাবে। ‘জংলি’ সিনেমার কাজ করার জন্য প্রিন্স মাহমুদের নাম ঈদজুড়ে ছিল আলোচনায়। এই আলোচনা শুরু হয়েছিল এক বছর আগে যখন ‘জংলি’ টিম ঘোষণা দেয়, ‘জংলি হবে প্রিন্স মাহমুদের সুরে’। ‘জংলি’ রিলিজ হওয়ার আগেই তাহসান ও আতিয়া আনিসার ‘জনম জনম’ গানটি আলোচনায় আসে। সবচেয়ে বেশি প্রশংসা পায় ইমরান ও কনার দ্বৈত গান ‘বন্ধু গো শোনো’। এ গানটি প্রায় সবাই নব্বই দশকের সিনেমার দ্বৈত গানের আদল খুঁজে পান এবং বলেছেন, ‘অনেকদিন সিনেমায় এমন গান হয়নি’। অন্যদিকে হাবিব ওয়াহিদ প্রথমবারের মতো প্রিন্স মাহমুদের সুরে গেয়েছেন ‘যদি আলো আসত’ গানটি। এই গানও অনেকে পছন্দ করেছেন। এ ছাড়া ‘মায়াপাখি’ শিরোনামে মাহতিম সাকিবও একটা গান করেছেন, যা অনেক শ্রোতাকে আবেগে ভাসিয়ে নিয়েছে। এ কারণে ‘জংলি’র প্রচারে সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা-অভিনেত্রী সিয়াম, বুবলী, দীঘিসহ প্রত্যেকে প্রিন্স মাহমুদের প্রশংসায় সরব ছিলেন। যাদের কথায় এটিই স্পষ্ট, তারুণ্যে উদ্দীপ্ত পঁচিশের প্রিন্স মাহমুদ যেন নতুন করে দেখা দিয়েছেন ২০২৫ সালে। যে তারুণ্য কেবলই নতুন ও অভিনব সৃষ্টিতে মেতে ওঠার সাহস ও প্রেরণা জোগায়। এই প্রথম কোনো সিনেমায় একসঙ্গে চারটি গান তৈরি এবং তাঁর সুবাদে অগণিত শ্রোতার ভালোবাসা কুড়িয়েও বাড়তি কোনো উচ্ছ্বাস দেখাননি প্রিন্স মাহমুদ। তিনি আসলে এমনই। শ্রোতার প্রত্যাশা পূরণ তাঁর শিল্পী সত্তাকে খুশি করলেও এ নিয়ে বাড়তি উচ্ছ্বাস, উন্মাদনা প্রকাশ করেন না। এ বিষয়টি স্বাভাবিক মেনে নিলেও সবাই অবাক হয়েছেন যে ঘোষণায় তাহলো– হঠাৎ করে সিনেমার গান তৈরির বিয়ষটিতে দাঁড়ি টেনে দেওয়ায়। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমের একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এর মধ্যে বেশ কিছু সিনেমার কাজ ফিরিয়ে দিয়েছি; যা হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেন না। সিনেমায় আসলে আমার নতুন কিছু দেওয়ার নেই। যে যাই বলুন সিনেমার গান নায়ক-পরিচালকের গান হয়, আমার গান হয় না। অকারণ ক্রেডিট নেওয়ার কোনো মনে হয় না। পুরোনো দিনের সুরকারদের জন্য হয়তো ঠিক ছিল কিন্তু এখন নয়। ভুল বুঝবেন না। আসলে সিনেমার কাজ এনজয় করছি না। প্রতিটি গান ঠিকঠাক করতে হবে নিজ তাগিদেই, কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না–এটি এ মুহূর্তে একটি মানসিক চাপ। নিজ খেয়ালে কাজ করা চিরকালের অভ্যাস। আমার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের অনুপস্থিতিও ছিল না। তারপরও। তবে সিনেমার গান করতে গিয়ে সম্মান পেয়েছি। এটি বলতেই হবে। যোগাযোগ একদম বন্ধ রাখার পরও সর্বোচ্চ প্রচার পেয়েছি। অন্য কারও ক্ষেত্রে এমন ঘটেছে কিনা জানা নেই। এটিও চাপ। আপন আলোয় ভাবছি। রিগ্রেট নেই। যা ছেড়ে আসি, ছেড়েই আসি। যাই হোক, অডিওর গানে থাকব; যে গান আমার গান হবে। প্রিন্সের এ কথায় অনেকে হতাশ হবেন, তবু এই আশায় প্রহর গুনে যাবেন যে, একদিন না একদিন আবার তিনি ফিরবেন সিনেমার গানে। যদিও সিনেমায় গান তৈরির বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আর কিছু বলেননি প্রিন্স মাহমুদ। তবে নতুন গানের খবর ঠিকই জানিয়ে দিয়েছেন। সেখানেও থাকছে চমক। কারণ এবার তিনি গান তৈরি করছেন একাত্তর, চব্বিশ জুলাই ও বিভিন্ন সময়ের বীর শহীদদের নিয়ে; যার প্রথম গানটি প্রয়াত প্রতিবাদী তরুণ আবরার ফাহাদকে নিয়ে লেখা। একটি পোস্টে প্রিন্স লিখেছেন, ‘আবরার ফাহাদকে নিয়ে একটা গান করেছি। এটি আমার সেরা গানের একটি হতে যাচ্ছে। প্রতিটি লাইন সবার প্রিয় লাইন হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনেক বড় আয়োজনে আসছি। এখানে শেষ নয়, এই সুরকার জানিয়েছেন, আরও সাত শহীদকে নিয়ে আলাদাভাবে গান তৈরি করছেন। তাঁর কথায়, ‘কেউ কিছু করছে দেখে আমি সেটি করে ফেলি–এই ভাবনা কখনও মনের মধ্যে কাজ করে না। সময় চলে যাচ্ছে এখনই করতে হবে, এমনও নয়। কোনো কিছু শুরু করার আগে নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে কাজ করি। বেশ কিছু কমার্শিয়াল কাজ ছেড়েছি শুধু আবরার ফাহাদসহ জুলাই শহীদদের নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করব বলে। জুলাই বিপ্লবের অগ্রসৈনিক, শহীদী মিছিলের নেতা আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ, ওয়াসিম আকরাম, শাইখ আশহাবুল ইয়ামিনসহ ৭ জনকে নিয়ে কাজ করছি আপাতত। তাড়াহুড়ো করছি না। সংবাদের শিরোনাম হতে নয়, নিজের জন্য করেছি। তাড়না থেকে করেছি। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত জ্ঞান বা উপলব্ধি থেকে বুঝি, সব গান গান হয়ে ওঠে না। এই গানগুলো গান হবে আশা করছি। ভালোবাসায় রাখবেন। এই কথার মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন ২০২৫ প্রসঙ্গের সমাপ্তি টেনেছেন, তেমনি আভাস দিয়ে রেখেছেন আগামী বছরেও ভিন্ন রকম করে তুলে ধরার।
চাঁপাইনবাবঞ্জে র্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবঞ্জে র্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবঞ্জ সদর উপজেলায় প্রাইভেট কারে বহনকালে র্যাবের অভিযানে ৩২ কেজি ৭৪০ গ্রাম গাঁজাসহ আহাম্মদ আলী নামে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তিনি হবিগঞ্জের চারিনাও উসাইল গ্রামের মৃত মধু মিয়ার ছেলে। র্যাব জানায়, গত গতকাল সকালে সুন্দরপুর ইউনিয়নের মোল্লান চৌরাস্তা মোড় এলাকায় পাকা সড়কের উপর অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সকালে র্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৩ ডিসেম্বর দুই ব্যাক্তি গাঁজা বিক্রির উদ্দেশ্যে হবিগঞ্জ থেকে প্রাইভেট কার যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রওনা হবার গোপন খবর পাবার পর মোল্লান মোড় এলাকায় অস্থায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করে র্যাব। ওই চেকপোষ্টে প্রাইভেট কার তল্লাশী করে গাঁজাসহ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব আরও জানায়, এ ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।
রহনপুরে নানা কর্মসূচীতে বড়দিন পালিত

রহনপুরে নানা কর্মসূচীতে বড়দিন পালিত গোমস্তাপুরে নানা কর্মসূচীতে বড়দিন পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথকভাবে বড়দিন উদযাপিত হচ্ছে। তবে উপজেলার রহনপুর রাঙ্গামাটিয়া মিশনস্থ সেন্ট যোসেফ ক্যাথলিক চার্চে সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রার্থনা, খেলাধূলা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। বড়দিন উপলক্ষ্যে খ্রিস্টানধর্মালম্বী এলাকায় সাজসজ্জায় মুখরিত ছিল। আদিবাসী নেতা লুইস টুডু বলেন, ২৪ ডিসেম্বর রাতে প্রার্থনা, ওইদিন দিবাগত রাত বারটা এক মিনিটে যীশুর জন্মের প্রার্থনা ও সকালে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আজ দিনব্যাপি রহনপুর রাঙ্গামাটিয়া মাঠে খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। রহনপুর মিশন এলাকার বাসিন্দা রঞ্জন হেমব্রম বলেন, বড় দিন উপলক্ষ্যে তাঁদের মধ্যে আনন্দের ফোয়ারা চলছে। হাতের ছোঁয়ায় রঙিন করে তুলে ঘরবাড়িগুলো। ছেলে-মেয়েদের নতুন পোশাক কিনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁরা বড়দিন পালনে উৎসাহিত। গোমস্তাপুর থানার ওসি আব্দুল বারিক বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে। এবার উপজেলার ১১ টি স্থানে বড়দিন পালিত হচ্ছে। রহনপুর রাঙ্গামাটিয়া মিশনস্থ সেন্ট যোসেফ ক্যাথলিক চার্চের ফাদার সুমান্ত কস্তা বলেন, শান্তিপূর্ণ ভাবে উৎসবটি পালন করা হচ্ছে।
সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন তারেক রহমান

সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন তারেক রহমান দেশে ফিরে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ৫০ মিনিটের দিকে ফেসবুকে ৪টি ছবি শেয়ার করে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এখন পূর্বাচলে ৩০০ ফুটে গণসংবর্ধনাস্থলের দিকে যাচ্ছেন তারেক রহমান। সেখানে তাকে এক নজর দেখতে লাখ লাখ কর্মী সমর্থক অপেক্ষা করছেন। বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১২টা ৩৬ মিনিটে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে রওনা হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। নিজের জন্য বুলেট প্রুফ গাড়ি থাকলেও সেটাতে না উঠে তিনি বাসে ওঠেন এবং সামনের দিকে অবস্থান নেন। সেখান থেকে হাত নেড়ে তিনি নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। তাদের সালাম দেন। ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে আজ বাংলাদেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। তাদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে সিলেটে এসে পৌঁছায় সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে। সেখানে যাত্রাবিরতি শেষে ফ্লাইটটি বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। তারেক রহমানকে বহন করা লাল-সবুজ বাসকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। সেনা, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ি সামনে-পেছনে রয়েছে। দুই পাশে হেঁটে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা চলছেন।
জেলখানায় থাকা ভোটারদের জন্য ইসির বিশেষ নির্দেশনা

জেলখানায় থাকা ভোটারদের জন্য ইসির বিশেষ নির্দেশনা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে জেলখানায় বা আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের ভোটদানের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ২০০৮ (সংশোধন ২০২৫)-এর বিধি ১০ ক অনুযায়ী, ‘ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং’ (আইসিপিভি) পদ্ধতির মাধ্যমে জেলখানায় বা আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এই নির্দেশিকা কারা মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো হয়েছে। ইসির নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জেলখানায় বা আইনি হেফাজতে আটক ভোটারের তালিকাভুক্তি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অনুমোদন হবে। এ ধরনের ভোটারদের নিবন্ধনের জন্য একটি বিশেষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম (https://prisoner.ocv.gov.bd/login) ব্যবহার হবে। জেলখানা বা আইনি হেফাজত কর্তৃপক্ষ আটক থাকা ভোটারদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য দুইজন করে প্রতিনিধি মনোনয়ন দেবে, যারা নিবন্ধনের কাজ পরিচালনা করবেন। আগ্রহী ভোটারদের নিবন্ধন শেষে জেলখানা বা আইনি হেফাজত কর্তৃপক্ষ মুদ্রিত তালিকা সিল ও স্বাক্ষরসহ নির্বাচন কমিশনে প্রেরণ করবেন। একই সঙ্গে মনোনীত প্রতিনিধিরা নির্ধারিত পোর্টালে ভোটারদের প্রয়োজনীয় তথ্য (.xls/.csv ফরম্যাট) আপলোড করবেন। জেলখানায় বা আইনি হেফাজতে থাকা নিবন্ধিত ভোটাররা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালটের খাম পাবেন। নির্বাচন কমিশন হতে প্রাপ্ত এই খামে থাকবে: জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য দুটি আলাদা ব্যালট পেপার; ভোট প্রদানের নির্দেশাবলি ও একটি ঘোষণাপত্র এবং রিটার্নিং অফিসারের ঠিকানা-সংবলিত একটি ফেরত খাম। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, জেলখানা বা আইনি হেফাজত কর্তৃপক্ষ আটক ভোটারদের ভোটদানের জন্য ভোটকক্ষ বা গোপন কক্ষ প্রস্তুত করে ভোটের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করবে। পোস্টাল ব্যালট পেপারে কোনো প্রার্থীর নাম থাকবে না; শুধু বরাদ্দকৃত প্রতীক ও প্রতীকের পাশে ফাঁকা ঘর থাকবে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ ভোটারদের কাছে নিজ নিজ সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক-সংবলিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা সরবরাহ করবে। সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালট পেপারে ভোটাররা মুদ্রিত প্রতীকের পাশে ফাঁকা ঘরে টিক (√) চিহ্ন বা ক্রস (x) চিহ্ন দিয়ে ভোটদান করবেন। একইভাবে গণভোটের পোস্টাল ব্যালট পেপারে হ্যাঁ/না-এর পাশে ফাঁকা ঘরে টিক (√) চিহ্ন বা ক্রস (x) চিহ্ন দিয়ে ভোটদান করবেন। ভোট দেওয়ার আগে ঘোষণাপত্রে নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্র লিখে স্বাক্ষর করতে হবে। যদি কোনো ভোটার স্বাক্ষর করতে অক্ষম হন, তবে অন্য একজন ভোটার তা সত্যায়ন করবেন। ভোটার পোস্টাল ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়ার পর ব্যালট পেপার দুটি ছোট খামে রেখে খামটি বন্ধ করবেন। ব্যালট পেপার-সংবলিত খাম এবং স্বাক্ষরিত ঘোষণাপত্র রিটার্নিং অফিসারের ঠিকানা মুদ্রিত হলুদ খামে প্রবেশ করার পর খামটি বন্ধ করে তা সংশ্লিষ্ট জেলখানা বা আইনি হেফাজত কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত স্থানে বা বাক্সে জমা দিতে হবে। ভোট প্রদান প্রক্রিয়া সমাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট জেলখানা বা আইনি হেফাজত কর্তৃপক্ষ পোস্টাল ব্যালটের সকল খাম সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ করবেন এবং যতদ্রুত সম্ভব পোস্টাল ব্যালট-সংবলিত সকল খাম নিকটস্থ ডাক বিভাগের নিকট প্রেরণ/হস্তান্তর করবে। ডাক বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি পোস্টাল ব্যালট-সংবলিত খামসমূহ দ্রুততার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের ঠিকানায় প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উক্ত খাম পাঠানোর জন্য কোনো ডাক মাশুল প্রদান করতে হবে না। এটি বাংলাদেশ সরকার পরিশোধ করবে।
থ্রি ইডিয়টসের সিক্যুয়েল নিয়ে চর্চা, নীরবতা ভাঙলেন সেই ‘রাজু’

থ্রি ইডিয়টসের সিক্যুয়েল নিয়ে চর্চা, নীরবতা ভাঙলেন সেই ‘রাজু’ গুণী নির্মাতা রাজকুমার হিরানি বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানকে নিয়ে নির্মাণ করেন ‘থ্রি ইডিয়টস’। ২০০৯ সালে সিনেমাটি মুক্তির পর ইতিহাস রচনা করে। ২০১৬ সালে আমির খান সিনেমাটির সিক্যুয়েল নির্মাণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও তা আর বাস্তবে রূপ নেয়নি। গত কয়েক দিন ধরে জোর গুঞ্জন উড়ছে, ১৫ বছর পর নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার সিক্যুয়েল। বহু প্রতীক্ষিত এই সিক্যুয়েলের চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করেছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি। আগামী বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শুরু হবে। এরপর পর থেকে ‘থ্রি ইডিয়টস’ ভক্তরা চর্চায় মেতেছেন। তবে মুখ খুলেননি আমির খান কিংবা রাজকুমার হিরানি। এবার বিষয়টি নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন সিনেমাটির অন্যতম প্রধান চরিত্র ‘রাজু রাস্তোগি’ রূপায়নকারী শারমান যোশী। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শারমান যোশী বলেন, “আমি সত্যিই আশাবাদী এটা হবে। কিন্তু এখনো আমাকে কিছু জানানো হয়নি।” অতীতের গুঞ্জন নিয়ে শারমান যোশী বলেন, “থ্রি ইডিয়টস’-এর সিক্যুয়েল নির্মাণ নিয়ে একাধিকবার গুঞ্জন উঠেছে। শেষবার যখন এই ধরনের খবর এসেছিল, তখন আসলে সেটা ছিল একটি বিজ্ঞাপনী ক্যাম্পেইনের জন্য। আশা করি, এবার খবরটি সত্যি হবে।” ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমা যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই কী সিনেমাটির দ্বিতীয় পার্টের গল্প শুরু হবে? এ প্রশ্নের জবাবে শারমান যোশী বলেন, “এ বিষয়ে কিছু জানার অবস্থায় আমি নেই। সত্যি যদি সম্ভাবনা থাকে, তাহলে শুধু মাস্টার রাজু স্যার (রাজকুমার হিরানি), অভিজাত (অভিজাত যোশী, লেখক) স্যার এবং আমির এ নিয়ে কাজ করবেন।” ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ার ঘটনা বর্ণনা করে শারমান যোশী বলেন, “আমি জিমে ছিলাম, সিক্স-প্যাক অ্যাবস বানাচ্ছিলাম, ঠিক তখনই রাজু স্যারের চূড়ান্ত ফোনটা আসে। তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘এখন তিন বছর পর্যন্ত তুই জিমের মুখ দেখবি না’।” ‘থ্রি ইডিয়টস’ আপনার জীবনে কী প্রভাব ফেলেছে? এ প্রশ্নের জবাবে শারমান যোশী বলেন, “আমি যখনই ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার কথা ভাবি, তখনই আমার মুখে একটা হাসি চলে আসে। গল্পটা শোনার মুহূর্ত থেকে আজ পর্যন্ত সিনেমাটি আমার কাছে পুরোপুরি রূপকথার মতো।” পিঙ্কভিলা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাজকুমার হিরানি ‘থ্রি ইডিয়টস টু’ সিনেমার চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করেছেন। ২০২৬ সালে দৃশ্যধারণের কাজ শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। সিক্যুয়েলটিতে আমির খান, কারিনা কাপুর খান, আর. মাধবন ও শারমান যোশীসহ মূল অভিনেতাদের আবারো একসঙ্গে দেখা যেতে পারে। বক্স অফিসে সফল ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমা ২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পায়। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সিনেমাটি মুক্তির ১৬ বছর পূর্ণ হলো। মুক্তির পর একটি কাল্ট ক্ল্যাসিকে পরিণত হয়। এটি ২০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করা প্রথম ভারতীয় সিনেমা হিসেবেও ইতিহাস গড়েছিল।
রিয়াজের মৃত্যুর গুঞ্জনে যা জানা গেল

রিয়াজের মৃত্যুর গুঞ্জনে যা জানা গেল আকস্মিকভাবে খবর ছড়িয়েছে, চিত্রনায়ক রিয়াজ মারা গেছেন। আত্মগোপনে থাকা ঢালিউডের এ নায়ককে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চা চলছে। তার ভক্তরাও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। এ পরিস্থিতিতে নীরবতা ভেঙেছেন রিয়াজের স্ত্রী। তার ভাষ্যএটি সম্পূর্ণ গুজব।”বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রিয়াজের স্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, “অভিনেতা জীবিত আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন। এ ধরনের খবর একেবারেই সত্য নয়; যেখানেই আছেন, ভালো আছেন।” গণঅভ্যুত্থানের পর চিত্রনয়ক রিয়াজ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাতে গেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে দুবাই হয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার কথা ছিল তার। আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক কোনো পদে না থাকলেও দীর্ঘদিন দলটির পক্ষে সরব ছিলেন রিয়াজ। তারপর থেকে তাকে ঘিরে ‘পালিয়ে যাওয়ার’ গুঞ্জন ছড়ালেও প্রকাশ্যে আর দেখা মেলেনি। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট কারো সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ নেই তার। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকেও রিয়াজের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ১৯৭২ সালের ২৬ অক্টোবর ফরিদপুর জেলা সদরের কমলাপুর মহল্লায় সম্ভ্রান্ত একটি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রিয়াজ। তার শৈশব কেটেছে ফরিদপুর শহরের সিএনবি স্টাফ কোয়াটারে। দুই ভাই ও ছয় বোনের মধ্যে রিয়াজ সবার ছোট। এরপর ফরিদপুর থেকে পৈতৃক নিবাস যশোরে চলে যান। তার কলেজ জীবন শুরু হয় যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজে। সেখান থেকেই এইচএসসি পাস করেন তিনি। এইচএসসি পাস করার পর বুয়েটে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় এসে কোচিং শুরু করেন রিয়াজ। কিন্তু পরিবারের উৎসাহে যশোরে বিমানবাহিনীতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হন। এরই মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি (পাস কোর্স) সম্পন্ন করেন। যথাযথ প্রশিক্ষণ শেষে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে বৈমানিক হিসেবে যোগদান করেন। বৈমানিক হিসেবে একটি জেট ফাইটারে মোট ৩০০ ঘণ্টা উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন। পরে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ১৯৯৩ সালে বিমানবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত হন রিয়াজ। ১৯৯৫ সালে চাচাতো বোন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতার হাত ধরে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন রিয়াজ। অভিনয়ের পাশাপাশি ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হৃদয়ের কথা’ চলচ্চিত্রটি প্রযোজনাও করেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো—প্রাণের চেয়ে প্রিয় (১৯৯৭), স্বপ্নের পুরুষ (১৯৯৯), মিলন হবে কত দিনে, প্রেমের তাজমহল (২০০১), নিঃশ্বাসে তুমি বিঃশ্বাসে তুমি, ও প্রিয়া তুমি কোথায় (২০০২), মাটির ফুল, স্বপ্নের বাসর (২০০৩), রং নাম্বার (২০০৪), মোল্লা বাড়ির বউ (২০০৫), হৃদয়ের কথা (২০০৬), লোভে পাপে পাপে মৃত্যু (২০১৪) প্রভৃতি। জনপ্রিয় কিছু গল্প-উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন রিয়াজ। এগুলো হলো—দুই দুয়ারী (২০০০), হাজার বছর ধরে (২০০৫), দারুচিনি দ্বীপ (২০০৭), মধুমতি (২০১১ প্রভৃতি। এছাড়া রিয়াজ বিকল্প ধারার কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। যেমন: টক ঝাল মিষ্টি (২০০৪), না বোলনা, বকুল ফুলের মালা (২০০৬), মেঘের কোলে রোদ, কি যাদু করিলা, চন্দ্রগ্রহণ (২০০৮), এবাদত (২০০৯), কুসুম কুসুম প্রেম (২০১১) ইত্যাদি। অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ রিয়াজ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে তিনবার এই পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি।
ভারত-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: বেইজিং

ভারত-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: বেইজিং চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উন্নতিতে যুক্তরাষ্ট্র বাঁধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে বেইজিং। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এমন অভিযোগ এনেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে, চীন ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের উন্নতিকে বাধাগ্রস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রতিরক্ষা নীতিকে বিকৃত করে উপস্থাপন করছে। ভারতের সঙ্গে বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় উত্তজনা প্রশমনের সুযোগ নিয়ে চীন ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে কি না- বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেইজিংয়ে সংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান এই মন্তব্য করেন। লিন বলেন, “চীন ভারতের সঙ্গে তার সম্পর্ককে একটি কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে।” তিনি আরো যোগ করেন যে, “সীমান্ত ইস্যুটি চীন ও ভারতের মধ্যকার নিজস্ব বিষয় এবং এই বিষয়ে অন্য কোনো দেশের বিচার বা মন্তব্য করার ঘোর বিরোধী আমরা।” গত মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল যে, চীন ‘সম্ভবত এই উত্তজনা হ্রাসের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে চায় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক আরো গভীর হওয়া ঠেকাতে চায়।’ দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সীমান্ত উত্তেজনার পর ভারত ও চীনের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। সম্প্রতি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা এবং ব্রিকস সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদি-শি জিনপিংয়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এই উন্নয়নকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নতুন করে বাদানুবাদ শুরু হয়েছে। ভারতের জন্য এই পরিস্থিতি একটি সূক্ষ্ম কূটনৈতিক পরীক্ষা। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ভারতের অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা সহযোগী এবং ‘কোয়াড’-এর অংশীদার। অন্যদিকে, চীন প্রতিবেশী দেশ এবং অন্যতম বড় বাণিজ্য সহযোগী। বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের একাধিপত্য রুখতে ভারতকে একটি প্রধান স্তম্ভ মনে করে ওয়াশিংটন। যদি ভারত ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়, তবে ভারতের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে যে নিঃশর্ত কৌশলগত সমর্থন প্রয়োজন ছিল, তাতে কিছুটা শিথিলতা আসতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করছে। ভারত ও চীন উভয়েই আপাতত সংঘাতের চেয়ে স্থিতিশীলতার দিকেই বেশি ঝুঁকছে। তবে এই শান্তি কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নির্ভর করবে সীমান্তে দুই দেশের সেনা অবস্থানের প্রকৃত চিত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর।
বড়দিন উপলক্ষে মেহজাবীনের সম্প্রতি বার্তা

বড়দিন উপলক্ষে মেহজাবীনের সম্প্রতি বার্তা খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উপলক্ষে সম্প্রতি বার্তা দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একইসঙ্গে নিজেকে নতুন রূপে মেলে ধরেছেন তিনি। সামাজিকমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেন মেহজাবীন। ছবিগুলোতে তাকে দেখা যায় পুরোপুরি বড়দিনের উৎসবমুখর সাজে। অভিনেত্রীর পরনে ছিল বড়দিনের চিরচেনা লাল রঙের সোয়েটার। মাথায় সবুজ রঙের ক্রিসমাস হ্যাট। এ সময় মেহজাবীনকে মিষ্টি হাসিতে বেশ প্রাণবন্ত দেখা যায়। আলোকসজ্জায় মোড়ানো ক্রিসমাস ট্রির পাশে দাঁড়িয়ে নানা ভঙ্গিতে পোজ দিতেও দেখা যায় তাকে। উৎসবের এই আমেজে তার মায়াবী হাসি মন ছুঁয়ে যায় ভক্তদের। ছবির ক্যাপশনে বড়দিনের শুভেচ্ছা জানান মেহজাবীন। তিনি লেখেন, ‘বড়দিন উদযাপনকারী সকল বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা পাঠাচ্ছি।’ অভিনেত্রীর এই আন্তরিক শুভেচ্ছাবার্তাকে ধর্মীয় সম্প্রীতির সুন্দর উদাহরণ হিসেবে দেখছেন ভক্তরা।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানায় বিসিবি, দায়িত্বে হাবিবুল বাশার

চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানায় বিসিবি, দায়িত্বে হাবিবুল বাশার বিপিএল শুরুর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে হুট করেই চট্টগ্রাম রয়্যালসের ফ্রাঞ্চাইজি মালিকানা ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটির মালিক আবদুল কাইয়ুম। আজ সকালে দুপুর শুরুর আগেই বিসিবির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ফ্রাঞ্চাইজি মালিকানা ছাড়ার ঘোষণা দেয় তারা। বিপিএল শুরু হতে আর প্রায় ২৪ ঘণ্টা বাকি। এ সময় হঠাৎ করে একটি ফ্রাঞ্চাইজির মালিকের সরে যাওয়ার কারণে বিপিএলে বড় ধরনের একটা সঙ্কটের মুখে পড়ে গেছে পুরো বিপিএল। কারণ, এই ফ্রাঞ্চাইজিটির মালিক সরে যাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম রয়্যালস পড়ে গেছে তুমুল অনিশ্চয়তায়। এরই মধ্যে টুর্নামেন্টের ফরম্যাট তৈরি হয়ে গেছে। সূচি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এ মুহূর্তে একটি ফ্রাঞ্চাইজির সরে যাওয়া মানে পুরো বিপিএলের ফরম্যাট তছনছ হয়ে যাওয়া। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা নিয়েছে খোদ বিসিবি। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, ‘যেহেতু বর্তমান পরিস্তিতিতে চট্টগ্রামের ফ্রাঞ্চাইজি বাদ দেয়া সম্ভব নয়। এ কারণে বিসিবি তাৎক্ষণিকভাবে এই ফ্রাঞ্চাইজিটির মালিকানা গ্রহণ করেছে।’ শুধু মালিকানা গ্রহণ করাই নয়, চট্টগ্রাম রয়্যালসের পরিচালনা পর্ষদ এবং কোচিং স্টাফেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইফতেখার রহমান জানিয়েছেন, ‘বিসিবির পক্ষ থেকে হাবিবুল বাশার সুমনকে টিম ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন মিজানুর রহমান বাবুল। পুরো ফ্রাঞ্চাইজির অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অন্যসব কিছু দেখভাল করার দায়-দায়িত্ব বিসিবি বহন কবে।’ চট্টগ্রাম রয়্যালসের কোচ হিসেবে প্রথমে ঘোষণা করা হয়েছিল মমিনুল হকের নাম। যিনি নিজেও চট্টগ্রামের সন্তান ও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্রাদার্স ইউনিয়নের কোচ। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার জাস্টিন কেম্পের নাম ঘোষণা করে চট্টগ্রাম। যদিও কেম্প শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে আসেননি।