দেশের বাইরে যেতে চান না খালেদা জিয়া

দেশের বাইরে যেতে চান না খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থার সংকটাপন্ন থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে অনীহা প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকেও তিনি নিজ দেশেই চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখার ইচ্ছাপোষণ করেছেন। গত ২৩ নভেম্বর রাতে অসুস্থ বোধ করলে বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তিনি সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এমন অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়ার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল দল পরিবার। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ঢাকায় আসেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। পেশায় চিকিৎসক ডা. জুবাইদা মূলত শাশুড়িকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই দেশে ফিরেছেন। বর্তমানে তিনি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সার্বিক তদারকি করছেন। তবে বিএনপির ঘনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডা. জুবাইদা রহমানকে জানিয়েছেন, তার শাশুড়ি চিকিৎসার জন্য দেশ ছাড়তে চান না। তিনি এ দেশেই চিকিৎসা নিতে চান। সূত্রটি আরও জানায়, গত ২৩ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তির সময়েও তিনি স্বজন ও চিকিৎসকদের বলেছিলেন, তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে যেন তাকে দেশের বাইরে নেওয়া না হয়। তিনি দেশের মাটিতেই থাকতে চান। অন্যদিকে, বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে মেডিকেল বোর্ডও তাকে এই মুহূর্তে বিদেশে স্থানান্তরের বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা মনে করছেন, দীর্ঘ আকাশপথে ভ্রমণের মতো শারীরিক সক্ষমতা বর্তমানে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর নেই। তাকে এ অবস্থায় দেশের বাইরে নেওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ফলে একদিকে পরিবারের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে লন্ডনে নেওয়ার চেষ্টা এবং অন্যদিকে বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত অনিচ্ছা ও মেডিকেল বোর্ডের ঝুঁকি বিষয়ক সতর্কতা- সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে। আপাতত এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খালেদা জিয়ার পরিবার।
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে আহত অন্তত ৩০

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে আহত অন্তত ৩০ জাপানে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ঘরের বাইরে অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তথ্যানুসারে, সোমবার স্থানীয় সময় রাত সোয়া ১১টার দিকে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে দেশটির উত্তরাঞ্চল। আওমোরি অঞ্চলের উপকূল থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে ৫০ কিলোমিটার (৩১ মাইল) গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর ফলে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়, যা এখন প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই আওমোরি ও হোক্কাইডোর কিছু অংশে ৭০ সেমি (২৭ ইঞ্চি) উঁচু ঢেউ দেখা যায়। এসময়, সরিয়ে নেওয়া হয় উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের। ভূমিকম্পের প্রভাবে বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে আড়াই হাজারের বেশি ঘরবাড়ি। ইস্ট জাপান রেলওয়ে কয়েকটি রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, আগামী দিনে আরো শক্তিশালী ভূমিকম্প হতে পারে। জনসাধারণকে কমপক্ষে এক সপ্তাহের জন্য উচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের উদ্দেশে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি বলেন, “আপনারা সবাই সামনের কয়েক দিন সতর্ক থাকবেন। কম্পন অনুভূত হওয়ামাত্র যেখানেই থাকুন- তাৎক্ষণিকভাবে যেন বাইরে বেরিয়ে পড়তে পারেন- সে বিষয়ক প্রস্তুতি রাখবেন। ভূমিকম্পের নিজেদের মূল্যবান সম্পত্তি-আসবাবপত্র যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়- সে বিষয়েও সতর্ক থাকবেন।” বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ভূমিকম্প ও সুনামি সতর্কতা জারি হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে আওমোরি এবং আশপাশের উপকূলীয় এলাকা থেকে প্রায় ৭০ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছেন জাপানের দুর্যোগ মোকাবিলা বিভাগের উদ্ধারকারী বাহিনী। জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারা বলেন, “আমরা ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন এবং উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমসহ জরুরি দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।” জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল ২০১১ সালে। হোনশু অঞ্চলে ৯.০ মাত্রার ওই ভূমিকম্পের আঘাতে ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায় এবং পুরো অঞ্চলটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। জাপান বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে একটি। এটি রিং অব ফায়ারে অবস্থিত, যার ফলস্বরূপ, বছরে প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এই বছরের শুরুতে, জাপানের ভূমিকম্প তদন্ত প্যানেল বলেছিল, আগামী ৩০ বছরের মধ্যে নানকাই খাদে একটি মেগাভূমিকম্প হওয়ার ৬০-৯০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি অনুসারে, এটি ট্রিলিয়ন কোটি আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে এবং সম্ভাব্যভাবে কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে। জাপানের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল বরাবর বিস্তৃত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল নানকাই খাদে ভূমিকম্পে ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, তিনি কৃষি আমদানির ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করতে পারেন। তিনি বিশেষ করে ভারত থেকে চাল আমদানি এবং কানাডা থেকে সার আমদানির ওপর এই শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন, কারণ উভয় দেশের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ছাড়াই চলছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) হোয়াইট হাউজে আমেরিকান কৃষকদের সঙ্গে এক বৈঠকে ট্রাম্প দেশটির কৃষকদের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করার পর এই মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, আমদানি দেশীয় উৎপাদকদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে এবং এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টার কথা তিনি জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ভারতীয় চাল যুক্তরাষ্ট্রে খুব কম দামে বিক্রি করে বাজার নষ্ট করার অভিযোগ তিনি খতিয়ে দেখবেন। তিনি জানান, আমেরিকান কৃষকরা অভিযোগ করেছেন- ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম থেকে কম দামে চাল আমদানি হওয়ায় দেশের চালের দাম কমে যাচ্ছে এবং এতে তাদের ক্ষতি হচ্ছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবারের বৈঠকে ট্রাম্প মার্কিন কৃষকদের জন্য কয়েকশো কোটি ডলারের কৃষি ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা করেন ও একই সঙ্গে ভারতসহ এশিয়ার দেশগুলো থেকে কৃষিপণ্য আমদানির তীব্র সমালোচনা করেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর অনুসারে, বৈঠকে উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান চাল কোম্পানি কেনেডি রাইস মিলসের সিইও মেরিল কেনেডি-সহ উপস্থিত কৃষকদের থেকে কোন কোন দেশ থেকে ভর্তুকিযুক্ত কৃষি পণ্য আমদানি করা হয় তার তালিকা চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই তালিকায় ছিল ভারত, থাইল্যান্ড এবং চিনের মতো দেশের নাম। এই দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে সস্তা চাল পাঠানোর অভিযোগ। তালিকাটি দেখে ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তার ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ভারত সম্পর্কে বলুন। ভারত কেন এটি করছে? চালের উপর কি কোনও শুল্ক ছাড় আছে?’ ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেন যে, আমেরিকান কৃষকদের সুরক্ষার জন্য, ভারতীয় চালের ওপর আরো কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে। এই বছরের আগস্টে ট্রাম্প রাশিয়ার থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে আপত্তি তুলে ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেন। ভারত থেকে আমদানি করা বেশিরভাগ পণ্যের উপর শুল্ক বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ শতাংশ। আগামী ১০ এবং ১১ ডিসেম্বর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ভারতে আসছে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দল। তার মধ্যেই ফের আরো শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন ট্রাম্প।
রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় আসনপ্রতি লড়বেন ৬৮ জন

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় আসনপ্রতি লড়বেন ৬৮ জন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়েছে। এ বছর তিন ইউনিটে মোট আবেদন জমা পড়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৬২৫টি। বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন সংখ্যা ৩ হাজার ৯৯৭টি, ফলে আসনপ্রতি লড়বেন ৬৮ ভর্তিচ্ছু। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. ছাইফুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “গত ২০ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে রাবি ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হয়েছিল। আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে ৭ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আবেদন করার আর সুযোগ নেই।” এ বছর তিন ইউনিটে মোট আবেদন জমা পড়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৬২৫টি। ‘এ’ ইউনিটে (মানবিক বিভাগ) আবেদন জমা পড়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৫১৪টি। ‘বি’ ইউনিটে (বাণিজ্য বিভাগ) ৩০ হাজার ৮৮৬টি। তার মধ্যে বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা আবেদন করেছে ১৮ হাজার ৪৫২ জন ও অ-বাণিজ্যদের সংখ্যা ১২ হাজার ৪৩৪ জন। ‘সি’ ইউনিটে (বিজ্ঞান বিভাগ) ১ লাখ ২৬ হাজার ২২৫টি। জানা গেছে, ‘এ’ ইউনিটে ১ হাজার ৮৯৭টি, ‘বি’ ইউনিটে আসন সংখ্যা ৫৬৪টি; তন্মেধ্যে বাণিজ্য শাখার জন্য ৩৭৫টি; বিজ্ঞান শাখার আসন সংখ্যা ১৫৮টি এবং মানবিক শাখার ৩১টি আসন হয়েছে। এছাড়া ‘সি’ ইউনিটে মোট আসন আসন সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ৫৩৬টি। যার মধ্যে বিজ্ঞান শাখার আসন সংখ্যা ১ হাজার ৪৯৬টি। এবারের ভর্তি পরীক্ষা ‘সি’ ইউনিট (বিজ্ঞান) দিয়ে শুরু হবে। ১৬ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট (বিজ্ঞান), ১৭ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট (মানবিক) এবং ২৪ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিটের (বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই শিফটে পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথম শিফটের পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে ১২টা এবং দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা বিকেল ৩টা থেকে ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, এবারের ভর্তি পরীক্ষা রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুর ও বরিশাল বিভাগে অবস্থিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।
গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পেলেন যারা

গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পেলেন যারা বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোবের মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে থেকে অভিনয়শিল্পী মার্লন ওয়ারনস ও স্কাই পি মার্শাল মনোনীত সিনেমা ও অভিনয়শিল্পীদের নাম ঘোষণা করেন। এ আসরে সর্বোচ্চ মনোনয়ন পেয়েছে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর বহুল আলোচিত সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। ৯টি মনোনয়ন নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে এটি। আটটি মনোনয়ন নিয়ে তার পরের স্থানে রয়েছে ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’। ‘সিনার্স’ ও ‘হ্যামনেট’ পেয়েছে ছয়টি করে মনোনয়ন। ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অনুষ্ঠানের আসর বসবে। চলুন, তার আগে জেনে নিই উল্লেখযোগ্য বিভাগে কারা মনোনয়ন পেলেন— সেরা সিনেমা (ড্রামা): ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’, ‘হ্যামনেট’, ‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট’, ‘দ্য সিক্রেট এজেন্ট’, ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’ ও ‘সিনার্স’। সেরা সিনেমা (মিউজিক্যাল/কমেডি): ‘ব্লু মুন’, ‘বুগোনিয়া’, ‘মার্টি সুপ্রিম’, ‘নো আদার চয়েস’, ‘নুভেল ভাগ’ ও ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা অভিনেত্রী- মোশন পিকচার (ড্রামা): জেসি বাকলি (হ্যামনেট), জেনিফার লরেন্স (ডাই, মাই লাভ), রেনেট রিইনসভ (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), জুলিয়া রবার্টস (আফটার দ্য হান্ট), টেসা থম্পসন (হেডা), ইভা ভিক্টর (সরি, বেবি)। সেরা অভিনেতা-মোশন পিকচার (ড্রামা): জোয়েল এডগারটন (ট্রেন ড্রিমস), অস্কার আইজ্যাক (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), ডোয়াইন জনসন, (দ্য স্ম্যাশিং মেশিন), মাইকেল বি. জর্ডান (সিনার্স), ওয়াগনার মৌওরা (দ্য সিক্রেট এজেন্ট) জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট (স্প্রিংস্টিন: ডেলিভার মি ফ্রম নোহয়ার)। সেরা অভিনেত্রী- মোশন পিকচার (মিউজিক্যাল/কমেডি): রোজ বার্ন, (ইফ হ্যাড লেগস আই উড কিক ইউ), সিনথিয়া এরিভো (উইকেট: ফর গুড), কেট হাডসন (সং সাং ব্লু), চেজ ইনফিনিটি, (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), আমান্ডা সেফ্রিড (দ্য টেস্টমেন্ট অব অ্যান লি), এমা স্টোন (বুগোনিয়া)। সেরা অভিনেতা- মোশন পিকচার (মিউজিক্যাল/কমেডি): টিমোথি শ্যালামে (মেরি সুপ্রিম), জর্জ ক্লুনি (জে কেলি), লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), ইথান হক (ব্লু মুন), লি বাইয়ুং-হান (নো আদার চয়েজ), জেসি প্লেমনস (বুগোনিয়া)। সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী (মোশন পিকচার্স): এমিলি ব্লান্ট (দ্য স্ম্যাশিং মেশিন), এলি ফ্যানিং (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), আরিয়ানা গ্র্যান্ডে (উইকড: ফর গুড), ইঙ্গা ইবসডটার লিলিয়াস (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), অ্যামি ম্যাডিগান (উইপন্স), টেয়ানা টেলর (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার)। সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (মোশন পিকচার্স): বেনিসিও দেল তোরো (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), জ্যাকব এলোর্ডি (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), পল মেসকাল (হ্যামনেট), শন পেন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), অ্যাডাম স্যান্ডলার (জে কেলি), স্টেলান স্কারসগার্ড (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু)। সেরা পরিচালক (মোশন পিকচার): পল থমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), রায়ান কুগলার (সিনার্স), গিয়ের্মো দেল তোরো (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), জাফর পানাহি (ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট), ইয়েকিম ত্রিয়ারের (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু) ক্লোয়ি ঝাও (হ্যামনেট)। সেরা চিত্রনাট্য: পল থমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), রোনাল্ড ব্রনস্টাইন, জশ সাফডি (মার্টি সুপ্রিম) রায়ান কুগলার (সিনার্স), জাফর পানাহি (ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট), এস্কিল ভগট, ওয়াকিম ট্রিয়া (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), ক্লোয়ি ঝাও, ম্যাগি ও’ফ্যারেল (হ্যামনেট)। সেরা সিনেমা (অ্যানিমেটেড): আর্কো, ডেমন স্লেয়ার: কিমেৎসু নো ইয়াইবা ইনফিনিটি ক্যাসেল, এলিও, কেপপ ডেমন হান্টার্স, লিটল অ্যামেলি অর দ্য ক্যারেক্টার অব রেইন, জুটোপিয়া টু সেরা বিদেশি ভাষার সিনেমা: ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট, নো আদার চয়েস, দ্য সিক্রেট এজেন্ট, সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু, সিরাত, দ্য ভয়েস অব হিন্দ রজব। সেরা ড্রামা সিরিজ: দ্য ডিপ্লোম্যাট, দ্য পিট, প্লুরিবাস, সেভেরেন্স, স্লো হর্সেস, দ্য হোয়াইট লোটাস। সেরা মিউজিক্যাল/কমেডি সিরিজ: অ্যাবট এলিমেন্টারি, দ্য বিয়ার, হ্যাকস, নোবডি ওয়ান্টস দিস, অনলি মাডার্স ইন দ্য বিল্ডিং, দ্য স্টুডিও। সেরা টিভি অভিনেত্রী (ড্রামা সিরিজ): ক্যাথি বেটস (ম্যাটলক), ব্রিট লাওয়ার (সেভারেন্স), হেলেন মিরেন (মবল্যান্ড), বেলা রামসেট (দ্য লাস্ট অব আস), কেরি রাসেল (দ্য ডিপ্লোম্যাট), রিয়া সিহর্ন (প্লুরিবাস)। সেরা অভিনেতা (ড্রামা সিরিজ): স্টার্লিং কে. ব্রাউন (প্যারাডাইস), ডিয়েগো লুনা (অ্যান্ডর), গ্যারি ওল্ডম্যান (স্লো হর্সেস), মার্ক রাফেলো (টাস্ক), অ্যাডাম স্কট (সেভারেন্স), নোয়া ওয়াইল (দ্য পিট)।
পরিবর্তন হচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম

পরিবর্তন হচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করার ঘোষণা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া দিবসের অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আজকের অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বেগম রোকেয়ার আদর্শ অনুসরণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বেগম রোকেয়া কোনো কাজ সমাজকে বাদ দিয়ে করেননি। সব সময় সমাজকে নিয়েই করেছে। ১০০ বছর আগে রোকেয়া লিখেছে, নারী-কন্যাদের লেখাপড়া শেখাও যাতে সে অন্ন উপার্জন করতে পারে। সেখান থেকে আমরা শিখতে পারছি না কেন? আয়োজন করছি কিন্তু শিখতে পারছি না। আমাদের দৈনন্দিন পথে রোকেয়া সাথে থাকুক, তাহলেই অগ্রসর হতে পারব।’ নারীদের সামনে রেখেই নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘মেয়েরা গণ-অভ্যুত্থানে তাদের নেতৃত্ব দেখিয়েছে। আজকের নারীসমাজ গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী নারী সমাজ। এটা ভিন্ন নারীসমাজ। তাদের হাত ধরেই নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই নারীসমাজ শুধু নারীদের নয়, সবাইকে উজ্জীবিত করবে। সে জন্যই নারীদের উঁচু স্তরে ধরে রাখা আমাদের জন্য দরকার। নারীদের সামনে রেখেই আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।
আইপিএল নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় বাংলাদেশের ৭ ক্রিকেটার, নেই সাকিব

আইপিএল নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় বাংলাদেশের ৭ ক্রিকেটার, নেই সাকিব আইপিএল-২০২৬ এর মিনি নিলামের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যেখানে জায়গা পাওয়া ৩৫০ ক্রিকেটারের মধ্যে আছেন ২৪০ জন ভারতীয় এবং ১১০ জন বিদেশি তারকা। যাদের মধ্যে আছেন কুইন্টন ডি কক ও স্টিভ স্মিথের মতো বিশ্বসেরা ক্রিকেটাররাও। আসন্ন মৌসুমের ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য মোট শূন্যপদ ৭৭টি। আর সেই আসনগুলোর দখল নিতে হবে এই তারকাদেরই। অবশ্য ৩৫০ জনের চূড়ান্ত তালিকায় নেই সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে রয়েছেন আরও ৭ বাংলাদেশি। তার মধ্যে ২ কোটি রূপি ভিত্তিমূল্যের তালিকায় আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, নাহিদ রানা ও মো. শরীফুল ইসলাম আছেন ৭৫ লাখ রূপি ভিত্তমূল্যের তালিকায়। আর ৩০ লাখ রূপি ভিত্তিমূল্যের তালিকায় আছেন রাকিবুল হাসান। এবারের নিলামের জন্য শুরুতে নিবন্ধন করেছিলেন ১,৩৯০ জন ক্রিকেটার। সেখান থেকে বাছাই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে তালিকা নামানো হয় ১,০০৫ জনে। শেষ পর্যন্ত কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া শেষে ৩৫০ জনকে চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে। যারা লড়বেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় টি-টোয়েন্টি লিগের ১৯তম আসরের জন্য। দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটকিপার-ব্যাটার কুইন্টন ডি কক প্রথমে নিবন্ধন না করলেও পরে যুক্ত হয়েছেন তালিকায়। সদ্য ওয়ানডে থেকে অবসর ভেঙে ফিরেছেন তিনি। তার ভিত্তিমূল্য রাখা হয়েছে ১ কোটি রুপি। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার স্টিভ স্মিথ, যিনি শেষ আইপিএল খেলেছিলেন ২০২১ সালে, তিনিও তালিকায় স্থান পেয়েছেন ২ কোটি রুপি ভিত্তিমূল্যে। ভারতের দুই তরুণ প্রতিভা পৃথ্বী শ ও সারফরাজ খান নিলামের প্রথম সেটেই আছেন। দু’জনেই নিজের ভিত্তিমূল্য রেখেছেন ৭৫ লাখ রুপি। আইপিএলের প্রকাশিত তালিকায় আরও আছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন গ্রিন ও জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক, নিউ জিল্যান্ড ও চেন্নাই সুপার কিংসের সাবেক ওপেনার ডেভন কনওয়ে, আর দক্ষিণ আফ্রিকার বিধ্বংসী ব্যাটার ডেভিড মিলার। এদের প্রত্যেকের ভিত্তিমূল্যই ২ কোটি রুপি।
বিশিষ্ট ৪ নারী পেলেন বেগম রোকেয়া পদক

বিশিষ্ট ৪ নারী পেলেন বেগম রোকেয়া পদক নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ চার বিশিষ্ট নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন তিনি। পদকপ্রাপ্তরা হলেন—নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব, নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘বেগম রোকেয়া দিবস -২০২৫’ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করছে। নারী শিক্ষা ও অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং পদকপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি ‘আমি-ই রোকেয়া’ শিরোনামের একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে নারীর শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বেগম রোকেয়ার অবদান তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে নারীর অনুপ্রেরণায় বেগম রোকেয়ার ভূমিকা ও দেশের নারী ক্ষমতায়নের অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করা হয়। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার গুরুত্বও এতে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।