বাগদান সারলেন গায়িকা টেইলর সুইফট

বাগদান সারলেন গায়িকা টেইলর সুইফট বাগদান সারলেন মার্কিন গায়িকা টেইলর সুইফট ও কানসাস সিটি চিফসের খেলোয়াড় ট্র্যাভিস কেলসে। গতকাল ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে যৌথভাবে এই ঘোষণা দেন তারা। ছবির কোনোটিতে টেইলরকে প্রস্তাব দিতে দেখা যায় ট্র্যাভিসকে। কোনোটিকে এ জুটির আনন্দঘন মুহূর্ত, কোনো ছবিতে তাদের হাতের আঙুলে শোভা পাচ্ছে বাগদানের আংটি। ক্যাপশনে লিখেছেন, আপনাদের ইংরেজি শিক্ষক আর জিম শিক্ষক বিয়ে করতে যাচ্ছেন। দুই বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন সুইফট ও কেলসে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে পারফর্ম করেন টেইলর সুইফট। তারপর এ জুটির প্রেম শুরু হয়। তবে তিনবারের সুপার বোলজয়ী কেলসে ২০১৬ সালেই সুইফটের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ট্র্যাভিস কেলসির সঙ্গে টেইলর সুইফটের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। পরে সেই বছরের ডিসেম্বর মাসেই প্রেমের কথা স্বীকার করেন সুইফট নিজেই। তবে কবে নাগাদ বিয়ে করছেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি এই যুগল। এর আগে ব্রিটিশ অভিনেতা জো অ্যালউইনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন টেইলর সুইফট। হলিউড তারকা টম হিডেল স্টোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের বিচ্ছেদের পর জোয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান টেইলর। তবে এ প্রেম টিকেনি। ২০২৩ সালের এপ্রিলে এ জুটির বিচ্ছেদের খবর জানা যায়। ৩৫ বছর বয়সি গায়িকা টেইলর সুইফটের জীবনে প্রেম নতুন কোনো বিষয় না। এর আগে তিনি টম হিডেলস্টোন, কেলভিন হ্যারিস, হ্যারি স্টাইলস, কনর কেনেডি, জো জোনাস ও জ্যাক জিলেনহলের সঙ্গে প্রেম করেছেন।
আবারও স্থগিতাদেশের মুখে ভারতীয় ফুটবল, কড়া অবস্থানে ফিফা

আবারও স্থগিতাদেশের মুখে ভারতীয় ফুটবল, কড়া অবস্থানে ফিফা ভারতীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) আবারও ফিফার শাস্তির মুখে। বৈশ্বিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবার সরাসরি সতর্ক করেছে যে, সংবিধান সংশোধন ও কার্যকর না হলে এআইএফএফকে স্থগিতাদেশের মুখে পড়তে হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘এনডিটিভি’র খবরে বলা হয়েছে, এআইএফএফ’কে পাঠানো চিঠিতে ফিফা জানিয়ে দিয়েছে, ৩০ আগস্টের মধ্যে নতুন সংবিধান চূড়ান্ত করে কার্যকর করতে হবে। অন্যথায় ফিফা শাস্তি দেবে। একটি কড়া ভাষার চিঠিতে ফিফা এআইএফএফ-কে মনে করিয়ে দিয়েছে, তাদের অবশ্যই স্বাধীনভাবে সংস্থার কার্যক্রম চালাতে হবে এবং কোনোভাবেই সরকারের মতো বাহ্যিক বা তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। আগামীকাল ২৮ আগস্ট ভারতের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হবে। ফিফা চায়, সেদিনই আদালত এআইএফএফের সংবিধান অনুমোদন করুক। পাশাপাশি সংবিধানকে ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)-এর গঠনতন্ত্র ও বিধির সঙ্গে মিল রেখে সাজাতে বলা হয়েছে। ফিফার চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘দীর্ঘসূত্রিতা একটি শাসন ও পরিচালন সংকট তৈরি করেছে। দেশীয় প্রতিযোগিতার ক্যালেন্ডার নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে; ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব নিশ্চিত হয়নি; আর উন্নয়ন, প্রতিযোগিতা ও বিপণনসংক্রান্ত কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়েছে, যা ভারতীয় ফুটবলের পরিবেশকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (আইএসএল) খেলা ফুটবলাররা, যারা এআইএফএফের অধীনে থাকা ক্লাবগুলোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। ’ এআইএফএফ ও ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (এফএসডিএল)-এর মধ্যে অচলাবস্থার কারণে ২০২৫-২৬ মৌসুমের ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সূচি চূড়ান্ত করা যায়নি। এ কারণেই উভয় পক্ষকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফিফা তার চিঠিতে স্পষ্ট করেছে, সংবিধান চূড়ান্ত না হলে এবং তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ না সরালে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। তারা লিখেছে, ‘এই শর্ত মানতে ব্যর্থ হলে ফিফা ও এএফসি-র গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত শাস্তি কার্যকর হতে পারে, যার মধ্যে স্থগিতাদেশ অন্যতম। এমনকি যদি সংস্থা সরাসরি দায়ী না-ও হয়, তৃতীয় পক্ষের প্রভাব থাকলে সদস্যসংস্থা শাস্তি পেতে পারে। এআইএফএফ স্থগিত হলে ফিফা ও এএফসি সদস্য হিসেবে তার সব অধিকার হারাবে। ’ ফিফা আরও জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের সংগঠন ফিফপ্রো (FIFPRO) থেকে পাওয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, আর্থিক অস্থিতিশীলতার কারণে বিভিন্ন ক্লাব একতরফাভাবে খেলোয়াড়দের চাকরিচুক্তি বাতিল করছে। এর ফলে খেলোয়াড়দের জীবন-জীবিকা ও ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়েছে।
ঢাকায় পৌঁছেছে নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দল

ঢাকায় পৌঁছেছে নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দল দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় পর আবারও বাংলাদেশে পা রেখেছে নেদারল্যান্ডস জাতীয় ক্রিকেট দল। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছায় ডাচরা, সেখান থেকে দুপুরেই রওনা হয় সিলেটের উদ্দেশ্যে। এবারের সফরে তিন ম্যাচের একটি দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে তারা। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশ সফরে এল নেদারল্যান্ডস। ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০১৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে তারা এসেছিল। তবে তখন সেটি ছিল বহুজাতিক টুর্নামেন্ট। এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে এল ডাচরা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী শনিবার ৩১ আগস্ট শুরু হবে টি–টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ। পরের দুটি ম্যাচ হবে ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর। আসন্ন সিরিজের জন্য স্কোয়াডে তিনটি পরিবর্তন এনেছে নেদারল্যান্ডস। ইনজুরির কারণে বাদ পড়েছেন রায়ান ক্লেইন ও ফ্রেড ক্লাসেন। ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়িয়েছেন সাকিব জুলফিকার। তাদের পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন ১৭ বছর বয়সী ব্যাটার সেডরিক ডি ল্যাং, তরুণ পেসার সেবাস্টিয়ান ব্র্যাট এবং অলরাউন্ডার সিকান্দার জুলফিকার। নেদারল্যান্ডস স্কোয়াড: স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক), নোয়াহ ক্রোয়েস, ম্যাক্স ও’দাউদ, বিক্রমজিত সিং, তেজা নিদামানুরু, সিকান্দার জুলফিকার, সেডরিক ডি ল্যাং, কাইল ক্লেইন, আরিয়ান দত্ত, পল ফন মেকেরেন, শারিজ আহমেদ, বেন ফ্লেচার, ড্যানিয়েল ডোরাম, সেবাস্টিয়ান ব্র্যাট, টিম প্রিঙ্গেল।
বাবরকে এশিয়া কাপে না নেওয়ায় হতাশ ওয়াসিম আকরাম

বাবরকে এশিয়া কাপে না নেওয়ায় হতাশ ওয়াসিম আকরাম এশিয়া কাপ ২০২৫ শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর, আয়োজক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই পাকিস্তান তাদের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। তবে ঘোষিত দলে নেই দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটার ও সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম। এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম। বাবর আজম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রান সংগ্রহের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, তাকে বাদ পড়তে হয়েছে ডিসেম্বর ২০২৪-এ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের পর থেকেই টি-টোয়েন্টি দল থেকে উপেক্ষিত হয়ে আসছেন তিনি। তার ধারাবাহিক অবহেলা এবারও অব্যাহত থাকল, যা নিয়ে ক্রিকেটবিশ্বে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বাবরের স্কোয়াডে অনুপস্থিতি নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে ওয়াসিম আকরাম বলেন,’ব্যক্তিগতভাবে আমি চাইতাম বাবর আজমকে দলে দেখতে। তবে যেহেতু তাকে রাখা হয়নি, এখন স্কোয়াডে থাকা তরুণ খেলোয়াড়দেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে নিজেদের প্রমাণ করার।’ আকরাম আরও যোগ করেন,’এই এশিয়া কাপ হবে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক দুর্দান্ত উৎসব। আমি আশা করি, ভারত ও পাকিস্তান আবারও টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হবে। অনেক দিন হয়ে গেছে এটা হলে ক্রিকেটবিশ্বের জন্য দারুণ একটি আয়োজন হবে।’” বাবরের বাদ পড়া নিয়ে পাকিস্তানি ভক্তদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের অন্যতম ধারাবাহিক ব্যাটারকে বাদ দিয়ে কি সত্যিই দল গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব? উল্লেখ্য, পাকিস্তান বর্তমানে দুবাইয়ে আফগানিস্তান ও স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতকে নিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রস্তুতি শিবিরে রয়েছে। এই সিরিজ শুরু হবে ২৯ আগস্ট এবং চলবে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপরই শুরু হবে এশিয়া কাপ। এশিয়া কাপে পাকিস্তানের স্কোয়াড : সাইম আইয়ুব, ফখর জামান, সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, হারিস রউফ, হাসান আলি, হাসান নওয়াজ, হোসেন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান মির্জা, শাহিন শাহ আফ্রিদি, সুফিয়ান মুকিম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে নিট মুনাফা ছিল ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় ৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ আর্থিক হিসাবে দেখা যায়, ট্রেজারি বিল-বন্ড ও সরকারকে দেওয়া ঋণের সুদ বাবদ মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা। খরচ ও কর বাদ দিয়ে নিট মুনাফা নির্ধারণ করা হয়। মঙ্গলবার গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪৪৩তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ হিসাব অনুমোদন করা হয়। সভা শেষে ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান জানান, গত বছরের তুলনায় এবার বেশি মুনাফা হয়েছে। নিট মুনাফার পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। গত অর্থবছরে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছিল ১০ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা। এবার সেই পরিমাণ আরও অনেক বেশি হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, নিট মুনাফার অংশ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মৌলিক বেতনের ছয় গুণ ইনসেনটিভ বোনাস প্রদান করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফা গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে নিট মুনাফা ছিল ১০ হাজার ৭৪৮ কোটি টাকা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নিট মুনাফা আরও বেড়ে হয়েছে ২২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি

তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আগামী ২১ অক্টোবর এ বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এর আগে দিনের শুরুতে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে চারটি পৃথক আবেদনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি হয়। সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান শুনানি করেন। উল্লেখ্য-সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এ আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন, তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। পরবর্তীতে নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর একটি আবেদন করেন।
মার্কিন দূতের সঙ্গে আগামীকাল বৈঠক করবেন সিইসি

মার্কিন দূতের সঙ্গে আগামীকাল বৈঠক করবেন সিইসি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন আগামীকাল মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্র্যাসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আজ সিইসির দপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, আগামীকাল দুপুর ২টার দিকে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ট্র্যাসি অ্যান জ্যাকবসন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত ইসির সঙ্গে প্রথমবারের মতো মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বৈঠক হচ্ছে।
জটিল রোগে ৩ লাখ টাকা অনুদান পাবেন সরকারি কর্মচারীরা

জটিল রোগে ৩ লাখ টাকা অনুদান পাবেন সরকারি কর্মচারীরা সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসায় অনুদান মঞ্জুরির হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসা অনুদান দুই লাখ থেকে বেড়ে তিন লাখ টাকা করা হয়েছে। সাধারণ চিকিৎসা অনুদান ৪০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৬০ হাজার টাকা করা হয়েছে। গত ১৯ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে এতে সম্মতি দিয়েছে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের প্রস্তাব ও অর্থ মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তাসলিমা আলীর সই করা প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মচারীদের দাফন বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুদান ৩০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। কর্মচারীদের পরিবারের সদস্য মারা গেলেও দাফন বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুদান পান, সেটি ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া যৌথবিমার এককালীন অনুদান দুই লাখ থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করেছে সরকার। মাসিক কল্যাণ ভাতা দুই হাজার থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বরাদ্দ করা অর্থ ও নিজস্ব রিসোর্স সেলিংয়ের মধ্যে এ ব্যয় নির্বাহ করতে হবে। এ বাবদ অতিরিক্ত বরাদ্দ দাবি করা যাবে না। প্রাপ্যতা নিশ্চিত হয়ে অনুদান প্রদান করতে হবে। এ ব্যয়ে সব ধরনের আর্থিক বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জটিল রোগের জন্য বছরে একবার আবেদন করা যায়। সরকারি কর্মচারীরা অবসরে গেলেও জটিল এবং সাধারণ রোগের জন্য অনুদান সুবিধা পান। সরকারি কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদেরও ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত চিকিৎসা অনুদান সুবিধা দেয় সরকার।
নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুমোদন ইসির, প্রকাশ শিগগিরই

নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুমোদন ইসির, প্রকাশ শিগগিরই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। আজ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাউসদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কমিশন রোডম্যাপ অনুমোদন দিয়েছে। দুই একদিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। এরইমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোট হবে৷ আর তফসিল হবে তার দুই মাস আগে। এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল হতে পারে। ভোটের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু করেছে কমিশন। তার অংশ হিসেবে ভোটার হালনাগাদ, প্রশিক্ষণ, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, ভোট কর্মকর্তার প্যানেল প্রস্তুত, ম্যানুয়্যাল প্রস্তুত, আইন সংস্কার, ভোটের উপকরণ ক্রয় প্রভৃতি বিষয় রোডম্যাপে স্থান পাবে।