পরাজয়েও লিখা হলো বিজয়ের ইতিহাস

পরাজয়েও লিখা হলো বিজয়ের ইতিহাস বাংলাদেশ নারী ফুটবলে নতুন এক অধ্যায় রচিত হলো মাত্র ৩৮ দিনের ব্যবধানে। সিনিয়র জাতীয় দলের পর এবার অনূর্ধ্ব-২০ মেয়েরা এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে, যা দেশের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটলো। ‘অনূর্ধ্ব-২০ নারী এএফসি এশিয়ান কাপ-২০২৫’ বাছাইপর্বে ‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে আজ রোববার বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে চোখে চোখ রেখে লড়াই করে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে যায়। কিন্তু বিরতির পর খেই হারিয়ে ৬-১ ব্যবধানে হার মানে। অথচ এই ম্যাচে কোনক্রমে ড্র করতে পারলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথমবার যুব এশিয়ান কাপের মূলপর্বে জায়গা করে নিতে পারত। কিন্তু বড় ব্যবধানে হার মানায় তাতে হতাশ হয় বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা। আর বাংলাদেশের ভাগ্য ঝুলে যায় সমীকরণের হাতে। তবে হতাশার মধ্যেও সুখবর এসেছে। আট গ্রুপের আটটি চ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে তিনটি সেরা রানার্স-আপ দলও জায়গা পাবে মূলপর্বে। সেই তিনটি রানার্স-আপ দলের একটি হয়েছে বাংলাদেশ। ৩ ম্যাচ শেষে ৬ পয়েন্ট ও +৫ গোল গড় নিয়ে সেরা তিন রানার্স-আপদের তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে তৃতীয় স্থানে। আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পরের রাউন্ডে জায়গা করে নিয়ে ইতিহাস গড়ে ফেলেছে। গত মাসে মিয়ানমারকে হারিয়ে সিনিয়র নারী দল এশিয়ান কাপের টিকিট নিশ্চিত করে, যা ছিল এক যুগান্তকারী অর্জন। সেই অনুপ্রেরণায় অনূর্ধ্ব-২০ দলও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে জায়গা করে নিলো থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আসরের মূল পর্বে। এই দুই অর্জন শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং বাংলাদেশের নারী ফুটবলের অগ্রযাত্রার প্রতীক। সিনিয়র দল মার্চে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে লড়বে, আর অনূর্ধ্ব-২০ দল থাইল্যান্ডে নিজেদের প্রথম এশিয়ান কাপ অভিষেকের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।

অবশেষে নিশোর সঙ্গী নাবিলা!

অবশেষে নিশোর সঙ্গী নাবিলা! জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও নির্মাতা ভিকি জাহেদ আবারো ফিরছেন নতুন গল্প নিয়ে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই-তে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তাদের নতুন সিরিজ ‘আকা’। এই সিরিজে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা। ওটিটিতে এটাই তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাজ। গত কয়েক মাস ধরে গুঞ্জন উড়ছে, বড় পর্দায় অভিষেকের পর নিশো আবারো ফিরছেন ওটিটিতে। অবশেষে সেই খবর সত্যি হলো। প্রায় তিন বছর পর ওটিটির জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন ‘সুড়ঙ্গ’ তারকা। ‘আকা’ নিয়ে নিশো বলেন, “আমি সিরিজটি নিয়ে আশাবাদী। দর্শক নিশ্চয়ই ভিন্ন স্বাদের কিছু পাবেন।”  পরিচালক ভিকি জাহেদ বলেন, “আকা’ নির্মাণ আমার কাছে এক আবেগের যাত্রা। এটি আমার প্রথম সামাজিক থ্রিলার। দর্শকদের সঙ্গে এক ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করেছি, প্রতিক্রিয়াই জানিয়ে দেবে সেটা কতটা সফল হয়েছে। নিশো ভাইয়ের সঙ্গে বহু কাজ করলেও সিরিজে এটাই প্রথম। নাবিলা আপুও দারুণ সহযোগী ছিলেন।” প্রথম সিরিজ নিয়ে আশা ব্যক্ত করে নাবিলা বলেন, “আকা’ আমার জন্য বিশেষ একটি কাজ। প্রথম সিরিজ হিসেবে আমি খুব আনন্দিত। আশা করি, দর্শকরা শুধু আমার চরিত্র নয়, পুরো গল্পকেই আপন করে নেবেন।” ন্যায়–অন্যায়, শোধ–প্রতিশোধ, সাসপেন্স ও রহস্যের মিশ্রণে নির্মিত হয়েছে ‘আকা’। ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে দৃশ্যধারনের কাজ হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে হইচইয়ে সিরিজটি মুক্তি পাবে।

বাবুডাইংয়ে কার্তিক টুডুর স্মরণসভা

বাবুডাইংয়ে কার্তিক টুডুর স্মরণসভা রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাবুডাইং আলোর পাঠশালার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি কার্তিক টুডুর স্মরণে রবিবার স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ১২টায় বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে কার্তিক টুডুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আনোয়ার হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর, গ্রাম্য মোড়ল সাইদুর রহমান, রুমালি হাঁসদা, লগেন সাইচুরি, প্রয়াতের ছেলে বিশ্বনাথ টুডু, মেয়ে ও বাবুডাইং আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থী সাবিত্রী টুডু, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শংকর চন্দ্র দাস, সিনিয়র শিক্ষক লুইশ মুর্মু, শিক্ষার্থী বৃষ্টি মুরমু প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক সাঈদ মাহমুদ। উল্লেখ্য, কার্তিক টুডু গত ১৯ জুলাই নিজ বাড়িতে মারা যান।

উন্নতি হয়নি ডায়রিয়া পরিস্থিতি: একদিনে আক্রান্ত আরও ৫৪ জন

উন্নতি হয়নি ডায়রিয়া পরিস্থিতি: একদিনে আক্রান্ত আরও ৫৪ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডায়রিয়া পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। প্রতিদিনই আক্রান্তের খবর আসছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫৪ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। অপরদিকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৫৬ জন। সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের প্রতিদিনের প্রতিবেদনে রবিবার জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫৪ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ২৬ জন, শিবগঞ্জে ৭ জন, গোমস্তাপুরে ১০ জন, নাচোলে ৬ জন ও ভোলাহাটে ৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যদিকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৫৬ জন রোগী। তাদের মধ্যে জেলা হাসপাতাল থেকে ৩৩ জন, শিবগঞ্জ থেকে ৮ জন, গোমস্তাপুর থেকে ৭ জন, নাচোল থেকে ৫ জন ও ভোলাহাট থেকে ৩ জন রয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৭ জন রোগী।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে ডেঙ্গু সনাক্ত আরও ১৭ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে ডেঙ্গু সনাক্ত আরও ১৭ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন আরো ১৭ জন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ভেতর বিভাগে ১১ জন ও বহির্বিভাগে ৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১২ জন রোগী। তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৫ জন মহিলা ও ৩ জন শিশু রয়েছেন। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২০ জনকে। এই ২০ জনের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ১১ জন মহিলা ও ৫ জন শিশু রয়েছেন। এছাড়া অবস্থার অবনতি হওয়ায় ২ জন পুরুষ রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৫৬৭ জনে। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৭০ জনে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে রবিবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তারা। রবিবার দুপুরে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সূচনা বক্তব্য দেন— পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন-অর-রশিদ। মশক নিধন সম্পর্কিত বিষয় তুলে ধরেন উচ্চমান সহকারী গোলাম ফারুক এবং বর্জ্যবিষয়ক তথ্য উপস্থান করেন কঞ্জা. সুপারভাইজার রজিবুল হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— পৌর কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও পৌরসভার কর নির্ধারক এনামুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ খাঁন। এসময় নির্বাহী প্রকৌশলী তৌফিকুল ইসলাম, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আহসান হাবীব উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন শহর পরিকল্পনাবিদ ইমরান হোসেন। গোলাম ফারুক তার বক্তব্যে জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫, ১৩ ও ১৪নং ওয়ার্ডের মসজিদপাড়া, আরামবাগ, পিটিআই, রেহাইচর, আজাইপুর, পোল্লাডাঙ্গা এলাকাকে রেড জোন হিসেবে অনেক আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। সীমিত লোকবল ও ফগার মেশিন দিয়ে সাধ্যমত মশক নিধনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশক নিধন সম্ভব নয়। ডেঙ্গু বা মশার হাত থেকে বাঁচতে জনসাধারণকে সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পৌরসভার পক্ষ থেকে এরই মধ্যে মাইকিংসহ ১০ হাজার লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এসময় সাংবাদিকরা বিভিন্ন পরামর্শ তুলে ধরেন।

বিশাল ব্যবধানে হেরে সমীকরণে তাকিয়ে বাংলাদেশ

বিশাল ব্যবধানে হেরে সমীকরণে তাকিয়ে বাংলাদেশ শক্তি-সামর্থ্যে বাংলাদেশের মেয়েদের থেকে বেশ এগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া। তার প্রমাণ ভিয়েনতিয়ানের নিউ লাওস জাতীয় স্টেডিয়ামে দিয়েছে জাতীয় দলের র‌্যাংকিং হিসেবে ৮৩ ধাপ এগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া। বাংলাদেশকে ৬-১ ব্যবধানে হারিয়ে ‘এইচ’ গ্রুপের সেরা হয়ে অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়া কাপের মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে তারা। আর ‘যদি-কিন্তু’ সমীকরণের ওপর তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। কেননা আট গ্রুপের রানার্সআপদের মধ্যে যারা শীর্ষ তিনে থাকবে তারা মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। ম্যাচ শেষে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শীর্ষ তিন দলের মধ্যেই আছে বাংলাদেশ। ৬ পয়েন্ট নিয়ে পর্যায়ক্রমে শীর্ষে থাকা তিন দল হচ্ছে-জর্ডান, চাইনিজ তাইপে ও বাংলাদেশ। জর্ডানের +১১ গোল ব্যবধানের বিপরীতে চাইনিজ তাইপে ও বাংলাদেশের হচ্ছে- +৭ এবং +৫। বাংলাদেশের সামনে আজ সরাসরি মূল পর্বে খেলার সুযোগ ছিল। সেজন্য আজ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ড্র করলেই হতো। তবে বাংলাদেশ যেন ড্র নয়, জয়ে স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বিশাল ব্যবধানে হেরে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে খেলতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় মিনিটে যেমন এগিয়ে যাওয়ার দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু স্বপ্না রানীর দুর্দান্ত অ্যাসিস্টকে কাজে লাগাতে পারেননি মোসাম্মৎ সাগরিকা। দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক উই হাইয়েবিনকে একা পেয়ে পরাস্ত করতে পারেননি বাংলাদেশি ফরোয়ার্ড।

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে একশ এক জনের মৃত্যু হলো। এ ছাড়াও ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৪৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোববার (১০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৯৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৬ জন, খুলনা বিভাগে ৫৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮ জন, রংপুর বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭ জন ও রাজশাহী বিভাগে ৩৪ জন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০৪ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত ২২ হাজার ৭০৮ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৪ হাজার ১৮৩ জন, যার মধ্যে ১৪ হাজার ২০৩ জন পুরুষ ও নয় হাজার ৯৮০ জন নারী।

মঙ্গলবার বাজারে আসছে নতুন ১০০ টাকার নোট 

মঙ্গলবার বাজারে আসছে নতুন ১০০ টাকার নোট  ১০০০, ৫০ এবং ২০ টাকার নতুন নোটের পর এবার আগামী মঙ্গলবার থেকে বাজারে ১০০ টাকার নতুন নোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ রোববার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক নুরুন্নাহার স্বাক্ষরিত কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স বিভাগের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্যের নতুন ডিজাইন ও সিরিজে সব মূল্যমানের নতুন নোট মুদ্রণের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তার ধারাবাহিকতায়, ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোটের পর ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরিত করা ১০০ টাকার নতুন নোট এবার বাজারে প্রচলন করা হবে। আরও বলা হয়, আগামী ১২ আগস্ট প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এবং পরে দেশের অন্যান্য অফিস থেকে নতুন ১০০ টাকার নোট ইস্যু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ভারতের

বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ভারতের বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে খরচ। রোববার (১০ আগস্ট) থেকেই নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে বলে জানা গেছে। যদিও গত এক বছর ধরে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সাধারণ ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শুধু জরুরি চিকিৎসাসেবার জন্য সীমিতসংখ্যক ভিসা দেওয়া হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের (আইভ্যাক) ওয়েবসাইটে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোতে (আইভ্যাক) জমা দেওয়া আবেদনের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ফি এক হাজার ৫০০ টাকা (সব অন্তর্ভুক্ত) করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৮২৪ টাকা। আজ ১০ আগস্ট থেকে এটি কার্যকর হবে। আইভ্যাক জানায়, বিগত বছরগুলোতে উপকরণ ও পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে জমা দেওয়া আবেদনের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ফি ১০ আগস্ট থেকে সংশোধন করে এক হাজার ৫০০ টাকা (সবসহ) করা হবে। এই প্রক্রিয়াকরণ ফি ভিসা আবেদন পরিচালনার সুবিধার্থে আইভ্যাক কর্তৃক আরোপিত একটি সার্ভিস চার্জ। আইভ্যাক আরও জানায়, ২০১৮ সালের পর ভিসা প্রসেসিং ফি এই প্রথম সংশোধন করা হলো এবং সেবার মান ও অবকাঠামোগত উন্নতি অব্যাহত রাখতে এটি প্রয়োজনীয়। বিদ্যমান নীতি অনুসারে, ভারত সরকার বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো ভিসা ফি নেয় না এবং সব বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য ভারতীয় ভিসা বিনামূল্যেই থাকবে। বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার ভিসা সেন্টারে শুধু জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য (যারা ভারত হয়ে তৃতীয় দেশে যাবেন) সীমিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা রেখেছে ভারত। তবে, এ ধরনের ভ্রমণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিদেশি দূতাবাসে পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকা আবশ্যক।