বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ফেরত দেওয়া হলো ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ফেরত দেওয়া হলো ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা চলতি বছর সৌদি আরবে সফলভাবে হজ সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। হজ ব্যবস্থাপনায় ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও সাশ্রয়ের ফলেই এই টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আজ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনুসের আন্তরিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় এবারের হজ ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছায় এবং তা বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যবস্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।চলতি বছরে হজ প্যাকেজের খরচ গত বছরের তুলনায় ৭৩ হাজার টাকা কমিয়ে আনা হয়েছে। ৮৭ হাজার ১০০ জন হজযাত্রীর হজ ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি ব্যবহার ও সীমিত জনবলেই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে মন্ত্রণালয়। এ বছর ২০২৫ সনের হজে তিনটি নতুন সেবার উদ্ভাবন করা হয়। তা হলো, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ‘লাব্বাইক’ মোবাইল অ্যাপ চালুকরণ, মোবাইল ফোনে রোমিং সুবিধা প্রদান ও হজ প্রি-পেইড কার্ড হজযাত্রীদের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়া। এছাড়া সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সীমিত জনবলের মাধ্যমে হজ কার্যক্রম সম্পাদন করে। রাজস্ব খাতে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির ২৯ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে রাজস্ব খাতে ৩৬টি পদ সৃজনের কার্যক্রম গ্রহণ এখন অর্থ বিভাগের সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে।

জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের

জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করলো পাকিস্তান। ত্রিনিদাদে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪৯ ওভারে ২৮০ রানে থামে ক্যারিবীয়দের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সাত বল এবং পাঁচ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচটি জিতে নিয়েছে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন এভিন লুইস, এ ছাড়াও শাই হোপ (৫৫) ও রোস্টন চেজ (৫৩) ফিফটি করার খানিক বাদেই আউট হয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেছেন শাহিন আফ্রিদি। সফরকারীদের পক্ষে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হাসান নওয়াজ ৬৩ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৫৩ রান করেন। এর আগে ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি উইন্ডিজদের। দলীয় এবং ব্যক্তিগত মাত্র ৪ রানেই তারা ওপেনার ব্রেন্ডন কিংকে হারায়। সেই ধাক্কা সামলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন লুইস ও কেসি কার্টি। ৩৯ বলে কার্টি ৩০ রানে ফিরলে সেই জুটি ভাঙে। এরপর থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। যা নিয়ে স্বাগতিকরা টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ভুগেছে। লুইস ৬২ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬০, শাই হোপ ৭৭ বলে ৪ চারে ৫৫ এবং রোস্টন চেজ ৫৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫৩ রান করেন। শেষদিকে ক্যারিবীয়দের পুঁজিটা বেড়েছে মূলত চেজ ও গুদাকেশ মোতির কল্যাণে। ২১৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে হোপের দলটি বড় পুঁজি পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় ছিল। যদিও চেজ ফিফটি করার পরই নাসিম শাহ’র স্লোয়ার ডেলিভারিতে হালকা চালে ব্যাট চালিয়ে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন। ১৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন মোতি। যা উইন্ডিজদের পুঁজি ২৮০–তে নিয়ে যায়। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি ৪ এবং নাসিম শাহ নেন ৩ উইকেট। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারীদের পক্ষে রান পাননি কেবল ওপেনার সাইম আইয়ুব (৫)। দলীয় ১৬ রানে তার বিদায় পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেয়। আরেক ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক করেন ২৯ রান। এই ম্যাচ দিয়ে ৪ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন বাবর আজম ও রিজওয়ান। মাঝে একাধিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেললেও, দুই অভিজ্ঞ তারকাকে ছাড়াই স্কোয়াড গড়েছিল পাকিস্তান। দলে ফিরে বাবর ৬৪ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৪৭, রিজওয়ান ৬৯ বলে ৪টি চারে ৫৩ রান করেছেন। সাবেক ও বর্তমান দুই অধিনায়কের পর সালমান আগা ফেরেন মাত্র ২৩ রান করে। ফলে ১৮০ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। বাকি সময়টা তাদের নিশ্চিন্তে এগিয়ে নিয়ে গেছেন হাসান নওয়াজ ও হুসাইন তালাত। দুজনের অপরাজেয় জুটি ১০৪ রানে পৌঁছাতেই পাকিস্তান গন্তব্যে পা রাখে। হাসান ৫৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৩ এবং তালাত ৩৭ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় ৪০ রানে থাকেন অপরাজিত। উইন্ডিজদের পক্ষে ২ উইকেট নেন শামার জোসেফ।

কারো সন্তানের জীবন কনটেন্ট তৈরির ‘আইটেম’ নয়: অপূর্ব

কারো সন্তানের জীবন কনটেন্ট তৈরির ‘আইটেম’ নয়: অপূর্ব প্রায় সাত মাস পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। দেশে ফিরেই একমাত্র সন্তান জায়ান ফারুক আয়াশকে দিতে চাইলেন এক অবিস্মরণীয় চমক। নিজের ঘরে ঢুকতেই অপূর্ব দেখেন, আয়াশ মিষ্টি ঘুমে আচ্ছন্ন। বাবার স্নেহমাখা স্পর্শে ঘুম ভাঙতেই চোখ মেলে দেখেন প্রিয় মানুষটিকে। মুহূর্তেই আবেগে ভেসে যায় ছোট্ট আয়াশের মুখ। বাবা-ছেলের সেই নিখাদ ভালোবাসার দৃশ্য ধরা পড়ে অপূর্বর ক্যামেরায়, যা তিনি শেয়ার করেন সামাজিকমাধ্যমে। কিন্তু সেই আবেগঘন ভিডিও নিয়েই শুরু হয় কিছু ভিত্তিহীন মন্তব্য ও নেতিবাচক আলোচনা। এবার বিষয়টি নিয়ে কথা বললেন অপূর্ব। এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেতা বলেন, কিছু মানুষের সত্য-মিথ্যার বোধ নেই, ন্যূনতম সম্মানবোধও না। কিছু মানুষের গসিপ আর মিথ্যার কারখানা সমাজকে বিষাক্ত করে। আর কিছু গড়পড়তা মানুষরা, যাচাই না করেই শেয়ার করেন, রিঅ্যাক্ট দেন, ভুল বিচার করেন। সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা নিয়েও চলে নোংরা বিচার ও আজেবাজে কথাবার্তা। অপূর্ব বলেন, এটা শুধু লজ্জাজনকই নয়, চরম অমানবিকও। আর যারা এই কাজগুলো করেন তাদেরকে আমি কোনো জ্ঞান দিতে যাব না। কারণ যাদের পরিবার তাদের ভেতর কোন মূল্যবোধ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে, যাদের সমাজ মানবিকতা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদেরকে কোনো জ্ঞান দিয়ে লাভ হবে না। এরপর এই অভিনেতা আরও বলেন, যাদের মস্তিষ্ক, হৃদয়ে নেগেটিভিটির ক‍্যান্সার তাদেরকে, মা-বাবা তাদের সন্তানকে কতোটা ভালোবাসে সেটা প্রমাণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এই অভাগারা জানে না প্রতিটা বাবা-মায়ের কাছেই তাদের সন্তান জীবনের সবচেয়ে বড় অংশ। তার প্রতিটি হাসি, প্রতিটি কান্না, প্রতিটি অর্জন- সবকিছু তারা নিজের হৃদয়ে অনুভব করে। সন্তানের হাসি-কান্না তার প্রতিটা অনুভূতি পিতা-মাতার প্রতিটি দিনকে করে তোলে উজ্জ্বল ও অর্থবহ। তারা জানে না আপনি আপনার সন্তানকে যতটা ভালোবাসেন অন্য একজন পিতা-মাতাও তার সন্তানকে ঠিক ততটাই ভালোবাসেন। নিজেকে উত্তম আর অন্যকে অধম ভাবার মতন অসুস্থতা থেকে আপনারা দ্রুত সেরে উঠুন সেই প্রত্যাশা করি। সঙ্গে অপূর্ব যোগ করেন, আমার বা অন্য কারো সন্তান নিয়ে মনগড়া কোনো ভুল মন্তব্য করার আগে ভেবে নিন। আপনি যদি সত্য না জানেন, তবে নীরব থাকুন। কারণ কারো সন্তানের জীবন আপনার কনটেন্ট তৈরির ‘আইটেম’ নয়। ইতোমধ্যেই মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর জন্য তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন বলেও জানান ‘বড় ছেলে’ খ্যাত এই অভিনেতা। তার কথায়, কিছু ভুঁইফোড়, নীচু মানসিকতার মানুষ ব্যস্ত অন্যের চরিত্র হননে! যারা এতোটাই নীচ যে পিতা-পুত্রের গভীর ভালোবাসার মধ্যেও অন্য কিছু খোঁজার চেষ্টা করেছেন। মিথ্যা তথ্য আর গাঁজাখুরি বানানো গল্পের আশ্রয় নিয়ে ভিউ পাওয়ার আশায় সাধারণের কাছে এমন কিছু পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন যা দেখে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হোন আমার সন্তান ও আমার পরিবারের নামে! যারা চেষ্টা করেছেন সাংবাদিকতা নামক মহান পেশাকেও কলংকিত করতে এইসব হঠাৎ গজিয়ে ওঠা ইউটিউব চ্যানেল বা পেইজগুলো দিয়ে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, ইতোমধ্যেই তিন জনকে শনাক্ত করে আনাও হয়েছে। বাকিদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে খুব শিগগিরই। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অপূর্ব। তিনি বলেন, এত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে ধন্যবাদ। সবাই মিলে একটা সুস্থ সমাজ গড়ে তুলি, বাংলাদেশকে এগিয়ে নেই। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভাকে বিয়ে করেন অপূর্ব। সে সংসার ভেঙে গেলে ২০১১ সালে নাজিয়া হাসান অদিতিকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সংসারে আয়াশ নামে এক পুত্রসন্তান রয়েছে। তবে এই সংসার ২০২০ সালে ভেঙে যায়। পরবর্তীতে অপূর্ব ও অদিতি দুজনেই বিয়ে করে আলাদা সংসার সাজিয়েছেন।

মনোনয়ন না পেয়ে ব্যালন ডি’অরকে ‘কাল্পনিক’ বললেন রোনালদো

মনোনয়ন না পেয়ে ব্যালন ডি’অরকে ‘কাল্পনিক’ বললেন রোনালদো টানা তৃতীয়বারের মতো ব্যালন ডি’অরের মনোনয়নে জায়গা হয়নি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে খেলা ৪০ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ তারকা এবারও বাদ পড়ায় পুরস্কারের আয়োজক ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। রিও আভের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রোনালদোর সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘এটা কাল্পনিক’। এর আগে গত বছরও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তখন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি পুরস্কার জেতায় রোনালদো মন্তব্য করেছিলেন, ‘এটার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। ভিনিসিয়ুসেরই পাওয়া উচিত ছিল। অনেকবার এমন অনুভব করেছি, রাগও পেয়েছি। পরে বুঝেছি—এগুলো এমন লড়াই যেখানে জেতা যায় না। ’ পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদো মেসির পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিজয়ী। গত মৌসুমে আল নাসরের হয়ে ৩৫ এবং পর্তুগালের হয়ে ৮ গোল করেন। জাতীয় দলকে নিয়ে জেতেন ইউইএফএ নেশনস লিগ। এদিকে রোনালদোর মতোই এবারও ৩০ জনের তালিকায় জায়গা হয়নি ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ও অধিনায়ক লিওনেল মেসির, ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম ঘোষণা হবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর, প্যারিসে এক জমকালো আয়োজনে। বর্ষসেরা এই পুরস্কার জয়ীর নাম নির্ধারিত হবে সাংবাদিকদের ভোটে। একনজরে ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা ফুটবলাররা: উসমান দেম্বেলে (পিএসজি), জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা (পিএসজি ), জুড বেলিংহ্যাম (রেয়াল মাদ্রিদ), দিজিরে দুয়ে (পিএসজি), ডেনজেল ডামফ্রিস (ইন্টার মিলান), সেরহু গিরাসি (বরুশিয়া ডর্টমুন্ড), আর্লিং ব্রট হলান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি), ভিক্তর ইয়োকেরেশ (আর্সেনাল), আশরাফ হাকিমি (পিএসজি), হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ), খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়া (পিএসজি), রবের্ত লেভানদোভস্কি (বার্সেলোনা), আলেক্সিস মাক আলিস্তার (লিভারপুল), লাউতারো মার্তিনেস (ইন্টার মিলান), স্কট ম্যাকটমিনে (নাপোলি), কিলিয়ান এমবাপে (রেয়াল মাদ্রিদ), নুনো মেন্দেস (পিএসজি), জোয়াও নেভেস (পিএসজি), পেদ্রি (বার্সেলোনা), কোল পালমার (চেলসি), মাইকেল ওলিসে (বায়ার্ন মিউনিখ), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা), ডেকলান রাইস (আর্সেনাল), ফাবিয়ান রুইস (পিএসজি), ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রেয়াল মাদ্রিদ), মোহামেদ সালাহ (লিভারপুল), ফ্লোহিয়ান ভিয়েৎস (লিভারপুল), ভিতিনিয়া (পিএসজি), লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা)।

টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ: শীর্ষে আইপিএল, তালিকার বাইরে বিপিএল

টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ: শীর্ষে আইপিএল, তালিকার বাইরে বিপিএল বিশ্ব ক্রিকেট এখন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের দুনিয়ায় ভাসছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল), পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০, অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল), সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি২০—সবই ভিন্ন ভিন্ন আকর্ষণ নিয়ে মাঠে গড়ায়। এমনকি ব্যতিক্রমী ১০০ বলের ফরম্যাট “দ্য হান্ড্রেড”–ও জায়গা করে নিয়েছে দর্শকদের আলোচনায়।তাহলে প্রশ্ন—কোন লিগই বা সবচেয়ে সেরা? বিবিসি স্পোর্ট ও ক্রিকভিজ একসঙ্গে কিছু মূল পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে চেষ্টা করেছে উত্তর খুঁজতে। শেষ বলের রোমাঞ্চে এগিয়ে আইপিএল শেষ ওভার বা শেষ বল পর্যন্ত গড়ানো ম্যাচের দিক থেকে শীর্ষে আইপিএল। শেষ বলে নিষ্পত্তি হওয়া ম্যাচে আইপিএল কেবল সামান্য ব্যবধানে দ্য হান্ড্রেডকে ছাড়িয়ে গেছে। শেষ ওভারে সিদ্ধান্ত হওয়া ম্যাচের হারেও আইপিএল (২৮.৯ শতাংশ) প্রথম, পিএসএল (২৭.৫ শতাংশ) দ্বিতীয়, দ্য হান্ড্রেড (২৪.৪ শতাংশ) তৃতীয়। হোম অ্যাডভান্টেজে এগিয়ে এসএ২০ ঘরের মাঠে জয়ের শতাংশের দিক থেকে শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০ (৬০ শতাংশ), আর সবচেয়ে নিচে আইপিএল (৪৫.৪ শতাংশ)। ছক্কা–চারে রাজত্ব আইপিএলের চারের সঙ্গে ছক্কার বন্যায় আইপিএল সবার ওপরে। দ্বিতীয় পিএসএল, তৃতীয় আইএলটি২০। দ্য হান্ড্রেড এই তালিকায় সবচেয়ে নিচে, যা ব্যাট-বলের মধ্যে ভালো ভারসাম্যের ইঙ্গিত দেয়। গড় রান ও উইকেট প্রথম ইনিংসে গড় রান: পিএসএল (১৮০) আইপিএলকে (১৭৯) সামান্য হারিয়েছে। আইএলটি২০ সবচেয়ে কম (১৬১)। দ্য হান্ড্রেডে গড় ১৪৪, যা পূর্ণ ২০ ওভারে আনলে দাঁড়ায় ১৬৭। বোলিং স্টাইলে ক্যারিবিয়ানে সবচেয়ে বেশি উইকেট আসে স্পিনে, আর অস্ট্রেলিয়ায় পেসারদের দাপট। তারকাখ্যাতি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দলের একাদশে গড় আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতায় শীর্ষে আইএলটি২০ (৪২৩ ম্যাচ), দ্বিতীয় পিএসএল (৩৫১), তৃতীয় আইপিএল (৩৩৫)। বিগ ব্যাশ সবচেয়ে নিচে (১৪৫), যা অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক মৌসুম চলার সময়সূচির কারণে। অর্থ, সময় ও ‘এন্টারটেইনমেন্ট ইনডেক্স’ বেতন কাঠামোয় আইপিএল শীর্ষে, দ্বিতীয় আইএলটি২০। ম্যাচের গড় সময়ের হিসাবে সবচেয়ে ধীর সিপিএল (প্রায় ৪ ঘণ্টা), সবচেয়ে দ্রুত বিগ ব্যাশ (৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট)। বিভিন্ন মানদণ্ড যোগ করে তৈরি করা ‘এন্টারটেইনমেন্ট ইনডেক্সে’ শীর্ষে আইপিএল, এরপর পিএসএল, আইএলটি২০, দ্য হান্ড্রেড ও শেষদিকে বিগ ব্যাশ। তাহলে বিপিএল নেই কেন? বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এ তালিকায় না থাকার কারণ বিবিসির ওই রিপোর্টে উল্লেখ নেই। তবে ধারণা করা যায়— এই সূচকের জন্য যত গভীর ও ধারাবাহিক পরিসংখ্যান প্রয়োজন, বিপিএলের ক্ষেত্রে তা তুলনামূলকভাবে কম বা অসম্পূর্ণ। তাছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রচার ও নির্দিষ্ট সময়সূচির ধারাবাহিকতায় বিপিএল এখনো পিছিয়ে। আর বিদেশি তারকার সংখ্যা ও মানে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, এবং জাতীয় দলের সূচির সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে অনেক বড় খেলোয়াড় আসতে পারেন না। সবমিলিয়ে এই গবেষণার লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী, বৈশ্বিক দর্শকপ্রিয় ও বাণিজ্যিকভাবে বড় লিগগুলো তুলনা করা—সেই মানদণ্ডে বিপিএলকে বিবেচনা করা হয়নি।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নি*হ*ত ৭২

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নি*হ*ত ৭২ ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলায় একদিনেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭২ জন। আহত হয়েছেন আরও ৩১৪ জনের বেশি। এতে করে চলমান যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় মোট প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৩৩০ জনে। শুক্রবার ৮ আগস্ট স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর বর্বর গোলাবর্ষণে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৯ জন ফিলিস্তিনি। নিহত-আহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, শুধু যেসব মরদেহ ও আহতদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়েছে, কেবল তাদেরকেই এই হিসেবের মধ্যে ধরা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকা অনেক মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে ইসরায়েলের অব্যাহত বোমাবর্ষণ ও সরঞ্জামের সংকটে। এদিকে গাজার ওপর অবরোধের কারণে চরম খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে অপুষ্টিজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ২০১ জনের, যাদের মধ্যে ৯৮ জনই শিশু। এছাড়া, ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ১ হাজার ৭৭২ জন। শুক্রবারও ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ গেছে অন্তত ১৬ জনের। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও রাষ্ট্র ইসরায়েলকে গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানালেও প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, হামাসকে সম্পূর্ণ নিঃশেষ ও জিম্মিদের মুক্ত করা পর্যন্ত অভিযান চলবে। ইতোমধ্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার অভিযোগও দায়ের হয়েছে।

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ৩ হাজার ৫৫৯ মামলা

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ৩ হাজার ৫৫৯ মামলা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত দুদিনে ৩ হাজার ৫৫৯টি মামলা দায়ের করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। আজ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা দায়ের করে। এ ছাড়া ৪৩২টি গাড়ি ডাম্পিং ও ১১৬টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশিদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা চালু করল মালয়েশিয়া

বাংলাদেশিদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা চালু করল মালয়েশিয়া বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা (এমইভি) সুবিধা চালু করেছে মালয়েশিয়া সরকার। গতকাল দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এখন থেকে মালয়েশিয়ায় বৈধ টেম্পোরারি ওয়ার্ক ভিজিট পাস (পিএলকেএস) এবং সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসাধারী বাংলাদেশি শ্রমিকদের আলাদাভাবে এমইভির জন্য আবেদন করতে হবে না। পিএলকেএস নবায়নের সময় ইমিগ্রেশন বিভাগ আন্তর্জাতিক প্রবেশপথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমইভি ইস্যু করবে। এই উদ্যোগ অভিবাসী শ্রমিকদের যাতায়াত প্রক্রিয়া সহজ করবে, ইমিগ্রেশন পাসের অপব্যবহার রোধ করবে এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করবে। পাশাপাশি বিদেশে অবস্থিত মালয়েশিয়ান মিশনে নতুন ভিসা আবেদনের চাপ কমবে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মরত শ্রমিকদের জন্য এমইভি সুবিধা চালুর দাবি জানানো হচ্ছিল। ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে বলে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে। বর্তমানে মালয়েশিয়া ১৫ দেশ থেকে শ্রমিক নেয়, তবে এতদিন শুধু বাংলাদেশি কর্মীদের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হতো, যা তাদের জন্য নানা ভোগান্তির কারণ ছিল। এমইভি চালুর ফলে এখন বাংলাদেশি শ্রমিকরা একাধিকবার যাতায়াতের সুযোগ পাবেন এবং ভ্রমণ সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।