ডায়রিয়া : চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আক্রান্ত আরো ৫৮ জন

ডায়রিয়া : চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আক্রান্ত আরো ৫৮ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডায়রিয়া পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। প্রতিদিনই আক্রান্তের খবর আসছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫৮ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। অপরদিকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৯০ জন। সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের প্রতিদিনের প্রতিবেদনে শনিবার জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫৮ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ২৯ জন, শিবগঞ্জে ৮ জন, গোমস্তাপুরে ৮ জন, নাচোলে ৬ জন ও ভোলাহাটে ৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যদিকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৯০ জন রোগী। তাদের মধ্যে জেলা হাসপাতাল থেকে ৬১ জন, শিবগঞ্জ থেকে ৭ জন, গোমস্তাপুর থেকে ১২ জন, নাচোল থেকে ৬ জন ও ভোলাহাট থেকে ৪ জন রয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৪৪ জন রোগী।

ডেঙ্গু : চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন রোগী ১০ জন

ডেঙ্গু : চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন রোগী ১০ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন আরো ১০ জন। তারা সবাই ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ভেতর বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৭ জন মহিলা রয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৩ জন রোগী। তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১৫ জন মহিলা ও ২ জন শিশু রয়েছেন। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২ জনকে। এছাড়া অবস্থার অবনতি হওয়ায় একজন রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৫৫৬ জনে। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৬৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় বহির্বিভাগে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে শনিবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

গোদাগাড়ীতে নারীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত করণ বিষয়ক কর্মশালা 

গোদাগাড়ীতে নারীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত করণ বিষয়ক কর্মশালা রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আর্থিক পরিষেবায় নারীর আগ্রযাত্রা শীর্ষক ‘‘নারীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত করণ’’ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ গোদাগাড়ীর সাফিনাপার্কে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী পরিচালক রূপ রতন পাইন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র মহাব্যবস্থাপক সেলিনা শরীফ, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির যুগ্ম-পরিচালক (গবেষণা ও পাবলিকেশন শাখা) রনজিত কুমার সরকার ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ওয়ারদাতুল আকমাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক(সুপারভিশন) শামসুল আরেফিন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন, পরিচালক পঙ্কজ কুমার সরকার, এনজিও শতফুল বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি, বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকের প্রতিনিধি ও তাদের উদ্যোক্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির স্টল পরিদর্শনের সময় প্রয়াসের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেষ্ঠ সহকারি পরিচালক আবুল খায়ের খান, সহকারি পরিচালক মু. তাকিউর রহমান, কনিষ্ঠ সহকারি পরিচালক আব্দুস সালাম, শাহদাৎ হোসেন সহ অন্যরা।  

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলার আতাহারে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ভবিষ্যৎ গঠনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সার্থক প্রয়োগ- প্রতিপাদ্যে আজ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকেলে আতাহর যুগিডাইং কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা পারগানা কর্নেলিউস মুরমুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, বালুগ্রাম আদর্শ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক মিথুন, উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিঙ্গু মুরমু, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ উত্তম মন্ডল, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের জেলা শাখা সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ, রেডিও মহানন্দার সহকারি স্টেশন ম্যানেজার রেজাউল করিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও আলোচনা ষবা শেষে বিকেলে অতিথিরা বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানটি এসআইএল ইন্টারন্যাশন্যাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় গ্রাম কমিটি, সিবিও ও পারাগানা পরিষদ আয়োজন করে। এদিকে, নানা আয়োজনে গোমস্তাপুরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আজ উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের কাশরইল কিনুপাড়া ফুটবল মাঠে দিনব্যাপী এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিবসটি পালনে গোমস্তাপুর উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার অধিবাসীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। সকালে শোভাযাত্রাটি ফুটবল মাঠ থেকে বের হয়ে ওই এলাকার গ্রামগুলো ঘুরে একই স্থানে এসে শেষ করে। ডেসকো-থ্রাইভ প্রকল্প সহযোগিতায় পার্বতীপুর ইউনিয়ন নারী মঞ্চ ও কাঁশরইল কিনুপাড়া যুব উন্নন ক্লাব আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নারীমঞ্চের সভাপতি ও ইউনিন পরিষদের নারী সদস্য শ্রীমতি লক্ষি র্তিকী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পার্বতীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হেসেন। অন্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন হেকস/ইপার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডোরা চৌধুরী, পার্টনারশিপ ম্যানেজার ও সিনিয়র প্রোগ্রাম অ্যাডভাইজার জেন্ডার ডাইভারসিটি এন্ড অ্যাডভোকেসী সাইবুন নেসা, সিনিয়র পার্টনারশিপ কো অর্ডিনেটর আ ফ ম রুকুনুল ইসলাম, ডাসকো ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর প্রোগ্রামস জাহাঙ্গীর আলম খানসহ অনেকে। আলোচনা শেষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। রাধানগর নারী ফুটবল দল বনাম পার্বতীপুর নারী ফুটবল দল অংশ গ্রহণ করে। নির্ধারিত সময় কোন দল গোল করতে না পারায় টাইব্রেকারে পার্বতীপুর নারী ফুটবল দল জয়লাভ করে। খেলা শেষে আদিবাসীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটক মঞ্চস্থ করা হয়। অন্যদিকে, নাচোলে ৩২তম আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদপাতি হয়েছে। আজ সকালে আদিবাসী একাডেমি চত্বও থেকে নাচোল আদিবাসী একাডেমি আয়োজনে ও বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এসেডো ও গণস্বাক্ষরতা অভিযান এর যৌথ সহযোগীতা আদিবাসী নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে রংবেরঙের ফেস্টুন ও জাতীয় পতাকা হাতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। আদিবাসী একাডেমির সভাপতি বিধান সিং এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এসেডোর নির্বাহী পরিচালক রবিউল আলম, নাচোল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা এ্যডভোকেসী প্লার্ট ফর্মে সভাপতি-অলিউল হক ডলার, ক্রীড়া ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ইসরাইল সেন্টু, একাডেমির সাধারণ সম্পাদক বাবুলাল টপ্প, এসেডোর সংস্থার ফাইনান্স ম্যানেজার আজাহার আলী, একাডেমির সাবেক সভাপতি জতিন হেমরোম, সদস্য রঞ্জনা বর্মন। এ ছাড়া শোভাযাত্রায় অংশগ্রহন করেন নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম, এসেডোর মাঠকর্মী ডেইজি ও সুমি খাতুনসহ আদিবাসী নারী-পুরুষ।

ব্রিটেনে ব্যাপক ধরপাকড়, ২৮০ ডেলিভারি রাইডার গ্রেপ্তার

ব্রিটেনে ব্যাপক ধরপাকড়, ২৮০ ডেলিভারি রাইডার গ্রেপ্তার অবৈধ ‌‘ডেলিভারি রাইডার’ হিসেবে কাজ করা অভিবাসীদের গ্রেপ্তারে সপ্তাহব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্য। গত মাসে চালানো এই অভিযানে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়া প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আজ ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে অবৈধ রাইডারদের গ্রেপ্তারের এই তথ্য জানানো হয়েছে। ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা গত ২০ থেকে ২৭ জুলাই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১ হাজার ৭৮০ জন ডেলিভারি রাইডারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় বৈধ নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় ২৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৫৩ জনের আশ্রয়-সংক্রান্ত সহায়তা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। দেশটিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা সব কোম্পানিকে তাদের কর্মীদের অভিবাসন-বিষয়ক অবস্থা যাচাইয়ের নতুন আইনি বাধ্যবাধকতাও চালু করা হয়েছে। অবৈধ অভিবাসন ঠেকানো নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। কারণ সম্প্রতি দেশটির ব্রেক্সিটপন্থী নেতা নাইজেল ফারাজের রিফর্ম ইউকে দলের প্রতি সমর্থন বাড়ছে। ব্রিটেনের সীমান্ত নিরাপত্তা-বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা ঈগল বলেছেন, সরকার এটি নিশ্চিত করতে চায়, কোম্পানিগুলো সরকারি নিয়ম মানছে এবং তা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের পাশাপাশি গাড়ি ধোয়ার দোকান ও রেস্তোরাঁসহ ৫১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সিভিল পেনাল্টি নোটিশ জারি করা হয়েছে। অবৈধ কর্মী নিয়োগে অভিযোগে জরিমানার মুখোমুখি হতে পারে এসব প্রতিষ্ঠান। অভিযানে ব্রিটিশ পুলিশ ৫৮টি ই-বাইকসহ ৭১টি যানবাহন জব্দ করেছে। এছাড়া ৮ হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ ও ৪ লাখ ৬০ হাজার পাউন্ড মূল্যের অবৈধ সিগারেটও জব্দ করেছে পুলিশ। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, অবৈধভাবে কাজ করা ঠেকাতে অভিবাসন আইনপ্রয়োগকারী দলকে অতিরিক্ত ৫০ লাখ পাউন্ডের তহবিল দেওয়া হবে। এর আগে, গত মাসে দেশটির সরকার ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান ডেলিভারু, উবার ইটস ও জাস্ট ইটের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি করে। এই চুক্তির আওতায় অবৈধভাবে কাজ করা অভিবাসীদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তথ্য সরবরাহ করবে প্রতিষ্ঠানগুলো। গত জুলাই পর্যন্ত ১২ মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩৫ হাজার ৫২ জন অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে ব্রিটেন। এসব অভিবাসীর কাছে দেশটিতে থাকার বৈধ অধিকার ছিল না। ব্রিটেনের অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর এই হার তার আগের ১২ মাসের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি।

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৫

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৫ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া একই সময়ে সারাদেশে ৩২৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬২ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয় জন এবং রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১ জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ৩০৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরে এ যাবত মোট ২২ হাজার ৩০৪ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরের ৯ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৭৩৫ জন। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক সাত শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক তিন শতাংশ নারী রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজন মারা গেছেন। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ৯৮ জনের মৃত্যু হয়। মৃত তিনজনের মধ্যে বরিশাল বিভাগের একজন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে দুইজন রয়েছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

আগামীকাল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

আগামীকাল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের পাশাপাশি সাধারণ ভোক্তাদের জন্য ভর্তুকি মূল্যে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রয়ের কার্যক্রম চালু করছে সরকার। আগামীকাল থেকে ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন জেলা ও মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। আজ টিসিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। টিসিবির উপপরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (শুক্রবার ছাড়া) ঢাকা মহানগরীতে ৬০টি ট্রাকে পণ্য বিক্রি চলবে। এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২৫টি, গাজীপুরে ৬টি, কুমিল্লা মহানগরীতে ৩টি, কুমিল্লা জেলায় ১২টি, ঢাকা জেলায় ৮টি, ফরিদপুরে ৪টি, পটুয়াখালী ও বাগেরহাট জেলায় ৫টি করে ট্রাক নামানো হবে। ১০ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতীত) মোট ১৯ দিন প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাক থেকে ৫০০ জন সাধারণ ভোক্তা ভর্তুকি মূল্যে পণ্য কিনতে পারবেন। যেকোনো ভোক্তা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে পারবেন। স্মার্ট কার্ড না থাকলেও পণ্য কেনা যাবে। ভোক্তা প্রতি ভোজ্যতেল ২ লিটার ২৩০ টাকা, চিনি ১ কেজি ৮০ টাকা এবং মসুর ডাল ২ কেজি ১৪০ টাকায় বিক্রি করা হবে।

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং জনপ্রিয় কেন

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং জনপ্রিয় কেন বর্তমান সময়ে ওজন কমানো, স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং জীবনযাত্রা সহজ করার জন্য মানুষ এখন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর প্রতি ঝুঁকছে। দেখা গেছে নিয়ন্ত্রিত ফাস্টিং এর মাধ্যমে ওজন কমানো ও অতিরিক্ত ওজনের ফলে যেসব রোগব্যাধি হয় সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়ে আনে। যার ফলে ওজন কমে অন্যদিকে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং হরমোন লেভেলকে এমনভাবে পরিবর্তন করে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি শরীরের ইনস্যুলিন কমিয়ে গ্রোথ হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি চর্বি ঝরানোর হরমোন নোরাড্রেনালিন এর নিঃসরণও বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে এর ফলে পেটের চারপাশের ক্ষতিকর চর্বি, যেগুলোর কারণে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়, সেগুলোও ঝরে যায়। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর সফলতা নির্ভর করে কম ক্যালোরি গ্রহণের উপর। খাবার গ্রহণের সময় যদি অতিরিক্ত খেয়ে ফেললে কাংখিত ফলাফল পাওয়া যাবেনা। পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আনোয়ারা পারভীন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। তার আলোচনার ভিত্তিতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতিগুলো হলো… ১৬/৮ ঘণ্টা ফাস্টিং: এই পদ্ধতিতে সকালের নাস্তা খাবেন না। বেলা ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খাওয়া দাওয়া করবেন। এরপর ১৬ ঘণ্টার ফস্টিং। তবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার ভাল সময় হল ডিনারের পরে। রাতে তাড়াতাড়ি খেয়ে নিয়ে বাকি সময়টা উপোস দিন। ফলে, ঘুমনোর সময়েই ৭-৮ ঘণ্টা এমনিতেই গ্যাপ হয়ে যাবে। আর সকালে সময় মতো খেলেই হল। খান-থামুন-খান: এই পদ্ধতিতে ২৪ ঘণ্টা করে কিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন প্রতি সপ্তাহে ১ বা ২ বার। যেমন ধরুন একদিন রাতের খাবার খেয়ে পরদিন রাতে খাবেন। ৫/২ ডায়েট: এই পদ্ধতিতে প্রতি সপ্তাহে পরপর ২ দিন ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালোরির খাদ্য গ্রহণ করুন। বাদবাকি দিনগুলোতে স্বাভাবিক খাবার খান। ১৬/৮ ঘণ্টার পদ্ধতিটি সহজ বলে মনে হয় অনেকের কাছে। এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়ও বটে। খাবার কেমন হবে- ফাইবারে ভরপুর ফল ও শাকসব্জি রাখুন খাদ্যতালিকায়। অঙ্কুরিত ছোলা, চিকেন, অল্প তেলে রান্না মাছ, স্যালাড, সবজির তরকারি, ডিম খেতে পারবেন। ব্রাউন রাইস খেলে বেশি ভাল হয়। ব্রকোলি, আলু, আমন্ড বাদাম, পপকর্ন, গোটাশস্য বেশি করে খান। এছাড়া খাবারের তালিকায় তাজা ফলের ক্ষেত্রে এমন ফল রাখুন যেগুলো কম মিষ্টি। যেমন- মিষ্টি কম এমন ফল হলো আপেল, কমলা, মাল্টা, আংগুর, আনার, জাম, আমলকি ইত্যাদি। একটা ডায়েট চার্ট তৈরি করা ভালো। কখন কী খাবেন, কতটা খাবেন, তা লিখে রাখুন। ফাস্টিংয়ের পরে বেশি খেয়ে ফেললে চলবে না।   ফাস্টিং কখন করা যাবে না – আপনি যদি আন্ডার ওয়েট হয়ে থাকেন অথবা আপনার যদি ইটিং ডিজ-অর্ডার থেকে থাকে। তবে, চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করতে যাবেন না। মনে রাখা জরুরী, খাবার সময়টাতে যদি জাংক ফুড অথবা অতিরিক্ত ক্যালরি যুক্ত খাবার খেয়ে ফেলেন তাহলে ফাস্টিং কোন কাজে আসবে না। যে খাবারগুলি আপনাকে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার সময়ে ওজন কমতে বাধা দিবে সেগুলো হচ্ছে- সোডা,এ্যালকোহল,ভাজা খাবার,অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার,সরল শর্করা,প্রদাহ বৃদ্ধিকারী তেল যেগুলো শস্যদানা থেকে প্রস্তুত হয়।,অতিরিক্ত ক্যাফেইন।

পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের ভালো লাগে, বাংলাদেশি বিয়ে করতে চান রাশিয়ান মডেল

পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের ভালো লাগে, বাংলাদেশি বিয়ে করতে চান রাশিয়ান মডেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল রাশিয়ান মডেল মনিকা কবির। জন্ম রাশিয়াতে হলেও এ মডেল বাংলা ভাষায় কথা বলেন। শাড়ি পরেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ রুশ তরুণী বাংলাদেশের ছেলে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। রাশিয়ান মডেল মনিকা কবির বলেন, ‘রাশিয়ার মস্কোতে আমার জন্ম। আমার বাবা ভারতীয় ও মা রাশিয়ান। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি বলে, শাড়ি পরি বলে অনেকে মনে করেন আমি বাংলাদেশি। আসলে তা নয়। আমার বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।’ তিনি বলেন, ‘যখন আমার ৫ বছর বয়স তখন আমি বাংলাদেশে এসেছিলাম। আমার বাবার ব্যবসা ছিল এখানে। এরপর আমি মার কাছে চলে যাই। রাশিয়ায় আমার মার কাছে গেলেও আমি বাংলা ভাষা ভুলিনি। বাবার কারণে ইন্ডিয়ার ভাষাও আমি জানি।’ এদেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও মানুষকে ভালোবাসায় এ মডেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিয়ের জন্য রাশিয়া, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কোন দেশের ছেলেকে বেছে নেবেন তিনি। এর উত্তরে মনিকা বলেন, ‘আমার মা রাশিয়ান, আমার বাবা ভারতীয় হলেও আমার বাংলাদেশ ভালো লাগে। বিয়েটা আসলে মনের ওপর নির্ভর করে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সব বাংলাদেশির মন ভালো নয়, সব ভারতীয়দের মন ভালো নয় আবার সব রাশিয়ানদের মন ভালো নয়। তাই বলবো, যার মন বেশি ভালো হবে তাকে বিয়ে করবো।’ বিয়ে প্রসঙ্গে এ মডেল আরও বলেন, ‘তবে আমার ইচ্ছা হয়তো বাংলাদেশে। কারণ এদেশের পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের আমার অনেক ভালো লাগে। তবে বিয়ে যাকেই করি না কেন বাংলাদেশ, ভারত ও রাশিয়া- এ তিন দেশের পোশাক পরেই বিয়ে করার ইচ্ছা আছে।’ রাশিয়ান মডেল মনিকা কবিরের রুশ নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা। ডাকনাম মনিশকা। লাতিন নাচে তিনি বেশ পারদর্শী। বাবার বিভিন্ন দেশে ব্যবসা থাকার কারণে ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন। তাই রাশিয়ার ভাষা ছাড়াও বাংলা, হিন্দি, পোলিশ, তুর্কি, ইংরেজি এবং আজারবাইজানের ভাষা জানেন এ লাস্যময়ী সুন্দরী।

১১তম গ্রেড পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা, বেতন বাড়বে কর্মকর্তাদেরও

১১তম গ্রেড পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা, বেতন বাড়বে কর্মকর্তাদেরও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মাঠপর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের বেতন দুই ধাপ বাড়িয়ে ১১তম গ্রেড করার প্রস্তাব করেছে। সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা থেকে বিভাগীয় উপ-পরিচালক পর্যন্ত সব কর্মকর্তার বেতন এক গ্রেড করে উন্নীত করার সুপারিশ আগামী সপ্তাহে করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। তথ্যসূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উচ্চ আদালতের নির্দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়। এ কারণে সহকারী শিক্ষক ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মধ্যে নতুন করে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। কারণ, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বেতনও বর্তমানে দশম গ্রেডে থাকায় প্রধান শিক্ষক ও তদারকি কর্মকর্তার একই গ্রেডে থাকা প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করছে।অপরদিকে, সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে অবস্থান করছেন। বেতন কাঠামোয় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের মধ্যে তিন ধাপ পার্থক্য রয়েছে, যা টাকা হিসেবে প্রায় ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। সহকারী শিক্ষকরা এ ব্যবধানকে ‘বৈষম্য’ হিসেবে দেখছেন। এই অসন্তোষ দূর করতে সরকার বেতন গ্রেড উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান জানান, সহকারী শিক্ষকদের পদনাম পরিবর্তন করে ‘শিক্ষক’ করা হয়েছে এবং তাদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রস্তাব সরকারকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ইউপিইও), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) ও বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের (ডিডি) বেতন এক ধাপ বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করা হবে।তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষকদের বেতন দশম গ্রেডে উন্নীত করার পর অর্থ উপদেষ্টা, অর্থ সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠকে বেতন বাড়ানোর যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে এবং নতুন পে-কমিশনের কাছে বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব জমা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের কাছে দেওয়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রস্তাবে শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডের (১১ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে ১১তম গ্রেড (১২ হাজার ৫০০ টাকা স্কেল) করার কথা বলা হয়েছে। সারাদেশে ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন সাড়ে তিন লাখের বেশি। সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (ইউএপিইও) বেতন ১০ম গ্রেডের (১৬ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে নবম গ্রেড (২২ হাজার টাকা স্কেল) দেওয়া হবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে। সারাদেশে এই পদের সংখ্যা দুই হাজার ৬০৭টি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (ইউপিইও) বেতন নবম গ্রেডের (২২ হাজার টাকা স্কেল) থেকে অষ্টম গ্রেড (২৩ হাজার টাকা স্কেল) এ উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ পদে সারাদেশে কর্মরত ৫১৬ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। দেশে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) আছেন ৬৮ জন। তাদের বেতন সপ্তম গ্রেডের (২৯ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে ষষ্ঠ গ্রেড (৩৫ হাজার ৫০০ টাকা স্কেল) দেওয়া হবে বলে সুপারিশ করা হচ্ছে। এর বাইরে বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের বেতন পঞ্চম গ্রেডের (৪৩ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে চতুর্থ গ্রেড (৫০ হাজার টাকা স্কেল) দেওয়া হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সুপারিশ করবে।