লিটনের পুরোনো পথে নতুন পথচলা
২০২৫ সালের মে মাসে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অধিনায়কত্ব দেওয়া হয় লিটন কুমার দাসকে। এর আগের সিরিজেও অধিনায়কত্ব করেছিলেন যেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। তবে সেটা ছিল ভারপ্রাপ্ত হিসেবে। এরপরই বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব পান লিটন। যদিও দল গোছালেও শেষ পর্যন্ত ২০২৬ এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হয়নি বাংলাদেশের। এরপর গত মাসে লিটনকে ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত অধিনায়ক রাখার ঘোষণা দেয় বিসিবি। ফলে এবার বিশ্বকাপ কেন্দ্র করে লম্বা সময় পাচ্ছেন তিনি। লিটন এখন থেকেই পরিকল্পনা করছেন, মূল লক্ষ্য ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই দফায় লিটনের অধিনায়কত্বের পথচলা শুরু হচ্ছে আগামীকাল। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শহীদ মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামীকাল সোমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। অধিনায়ক হিসেবে লিটনের পুরোনো পথচলাটাই শুরু হচ্ছে এবার আবার নতুন করে। এর আগের বিশ্বকাপকে সামনে রেখেও দল গুছিয়েছিলেন, সেই কাজই আবার করবেন। তবে আগামী বিশ্বকাপ যেহেতু আয়োজন করবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। সেক্ষেত্রে পরিকল্পনাটাও ওভাবেই করবেন লিটন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য ২০২৮ এর বিশ্বকাপ, যেটা এশিয়ার বাইরে হবে। সেভাবেই চিন্তা করবো।
আর অবশ্যই গত বিশ্বকাপের আগে দলের বন্ডিংটাও ভালো ছিল, প্রস্তুতিও ভালো হয়েছিল। চেষ্টা করবো দলকে ওই অবস্থাতেই যেন ধরে রাখা যায়। বিশ্বকাপ সামনে রেখে লিটন তখন প্রায় একই স্কোয়াড খেলাচ্ছিলেন প্রতি সিরিজে। এবার অবশ্য প্রথম সিরিজেই দলে দুই নতুন মুখ আছে পেসার রিপন মন্ডল আর অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলায়েন। আগে ৬ মাসের মতো সময় পেয়েছিলেন, এবার পাচ্ছেন পুরো ২ বছর। এবার কি লিটন নতুন কিছু চেষ্টা করবেন, নাকি আগের দলকে নিয়েই সামনে এগোবেন? এই প্রশ্নে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘বোলারদের ক্ষেত্রে জিনিসটা খুবই সহজ রোটেট করে খেলানো। আর যে দুইজন নেই, তারা বাংলাদেশের জন্য বড় সম্পদ। আমি চাই না তারা টানা খেলে চোট পেয়ে ছিটকে যাক। কারণ সামনে আমাদের ওয়ানডে আছে, টেস্টও আছে। এদিক দিয়ে চিন্তা করেই আমরা কিছু কিছু জিনিসের বদল করা শুরু করেছি। যেহেতু বিশ্বকাপ অনেক দেরি, দল গড়ার অনেক সময় আছে… (নতুনদের) ম্যাচ খেলানোর একটা ভালো সুযোগ এই মুহূর্তে।