মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে অংশ নিচ্ছে না, আবারও নিশ্চিত করলো ন্যাটো
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক অভিযানে ন্যাটো সরাসরি অংশ নিচ্ছে না। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ন্যাটো জোটের সামরিক কমিটির চেয়ারম্যান ইতালির অ্যাডমিরাল গুয়েসেপ্পি ক্যাভো ড্রাগোন এ তথ্য জানিয়েছেন। ইতালির সংবাদপত্র লা রিপাবলিকা- কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সংঘাত কতদিন চলতে পারে তা নিয়ে তিনি অনুমান করতে চান না।তার ভাষায়, মাঠের পরিস্থিতিতে অর্জিত ফলাফল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কীভাবে মূল্যায়ন করবে, সেটা দেখা দরকার। ন্যাটো সামরিক অভিযানে অংশ নিচ্ছে না এবং তাই তাদের মতো করে পরিস্থিতি বিশ্লেষণের সুযোগও আমাদের নেই। তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জটিল কাজ হলেও তা সম্ভব। এর আগে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ওক রুটে বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই উত্তর আটলান্টিক জোট- ন্যাটোর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে। এতে রাজধানী তেহরান বেশ কয়েকটি বড় শহরে হামলা চালানো হয়। হোয়াইট হাউজ দাবি করে, ইরানের কথিত ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক হুমকির কারণে এ অভিযান চালানো হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে রাজধানী তেহরানসহ বেশ কয়েকটি বড় শহরে হামলা চালানো হয়। হোয়াইট হাউজ দাবি করে, ইরানের কথিত ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক হুমকির কারণে এ অভিযান চালানো হয়েছে।
যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর জবাবে আইআরজিসি পাল্টা সামরিক অভিযানে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। এ ছাড়া বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইসরায়েল-মার্কিন হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে ১২০০ এর বেশি সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছে। পাশাপাশি ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ৬০০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।