প্রধানমন্ত্রীর মোটরকেডে যোগ হচ্ছে ৮০০ সিসির ১০ মোটরসাইকেল
প্রধানমন্ত্রীর মোটরকেড ডিউটির জন্য ৮০০ সিসির ১০টি মোটরসাইকেল কেনা হচ্ছে। এতে সরকারের ব্যয় হবে ৬ কোটি টাকা। বাংলাদেশ পুলিশের সদর দপ্তরের বাজেট খাতে অর্থ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও দ্বি-তারকাবিশিষ্ট খাত থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে আরও জানা যায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চলতি মার্চ মাসের ৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার স্বার্থে অ্যাডভান্স পাইলটদের ব্যবহারের জন্য ন্যূনতম ৮০০ সিসির ১০টি মোটরসাইকেল জরুরি ভিত্তিতে কেনার জন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বাংলাদেশ পুলিশ-এর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে দ্বি-তারকা (**) চিহ্নিত মোটরযান খাতে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ‘সদর দপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ’ এর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ রয়েছে ৮০ কোটি টাকা। এই অর্থ এখনও কোনো কাজে ব্যয় হয়নি। অব্যয়িত অর্থ থাকায় অপ্রত্যাশিত খাত থেকে বরাদ্দ দেয়ার সুযোগ নেই বলে জানানো হলে পুলিশ অধিদপ্তর হতে বলা হয়েছে বরাদ্দকৃত অর্থ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় করা হবে। সে প্রেক্ষিতে অপ্রত্যাশিত খাত হতে বরাদ্দ প্রদান করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, অর্থ বিভাগের ২০২৫ সালের ৮ জুলাই জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী সব ধরনের যানবাহন ক্রয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। তবে ১০ বছরের অধিক পুরোনো টিওঅ্যান্ডইভুক্ত যানবাহন প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদনক্রমে ব্যয় নির্বাহ করা যাবে।
এই প্রেক্ষাপটে সার্বিক বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার স্বার্থে ৮ জুলাইয়ের পরিপত্র শিথিল করে অর্থ বিভাগের অধীন ‘অপ্রত্যাশিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা’ এর অপ্রত্যাশিত ব্যয়’ খাত থেকে ‘সদর দপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ-এর মোটরযান’ খাতে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করে মন্ত্রণালয়।
তবে এর বিপরীতে কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থ চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের কর্তৃত্ব আদেশের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া অন্যান্য শর্তের মধ্যে রয়েছে, মোটরযান ক্রয়ের আগে ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। অনুমোদিত বিভাজন অনুযায়ী অর্থ ছাড় করতে হবে। ছাড়কৃত অর্থ ব্যয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত আইন ২০০৬ সরকারি ক্রয়বিধিমালা ২০২৫-সহ যাবতীয় আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে।