থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াবে পিকেএসএফ

দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। পিকেএসএফ-এর প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ স্বেচ্ছায় রক্তদান ও থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কর্মসূচিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। পিকেএসএফ এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতাল যৌথভাবে কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ড. এ. কে. এম. একরামুল হোসেন বক্তব্য রাখেন।
জাকির আহমেদ খান বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। রোগটির ভয়াবহতা ও চিকিৎসার উচ্চ ব্যয়ের কারণে প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের জানান, পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থাগুলো দেশের প্রায় সোয়া দুই কোটি মানুষকে স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেবা দিচ্ছে। এই বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা ও বাহক শনাক্তকরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ড. এ. কে. এম. একরামুল হোসেন বলেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে এবং প্রায় ১১.৪ শতাংশ মানুষ এ রোগের বাহক। বক্তারা জানান, থ্যালাসেমিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রোগ; বিয়ের আগে পরীক্ষা নিশ্চিত করা গেলে এ রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।
কর্মসূচির শেষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পিকেএসএফ-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করেন।