গাজায় ব্যবহৃত হতে পারে’ এমন সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি বন্ধ করছে জার্মানি

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ‘গাজা উপত্যকায় ব্যবহৃত হতে পারে’ এমন কোনো সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির অনুমোদন দেবে না জার্মান সরকার। ইসরায়েল গাজায় ‘সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে’ – এ কথা উল্লেখ করে শুক্রবার ৮ আগস্ট চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ এ ঘোষণা দেন। ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা আজ ভোরে গাজা শহর দখলে নেওয়ার একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। প্রায় দুই বছর ধরে চলা গণহত্যা যুদ্ধের পর বহির্বিশ্বের তীব্র সমালোচনা সত্ত্বেও এই পদক্ষেপ নিয়েছে নেতানিয়াহুর দখলদার সরকার। মের্জ বলেন, হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি চাওয়া ইসরায়েলের অধিকার। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জার্মান সরকার বিশ্বাস করে যে, গত রাতে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা গাজা উপত্যকায় আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ফলে এই লক্ষ্যগুলো কীভাবে অর্জন করা যেতে পারে, তা ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে।’এই পরিস্থিতিতে, জার্মান সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় ব্যবহৃত হতে পারে এমন কোনো সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির অনুমোদন দেবে না।’ গত জুনে জার্মান পার্লামেন্ট জানিয়েছিল, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ১৩ মে পর্যন্ত ইসরায়েলে ৫৬৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।