ইরানের হামলায় আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েতে জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি

উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে রোববার নতুন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। আমিরাতের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত রুয়াইস ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটির একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় আগুন লেগেছিল। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর, সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ পড়ে ‘বোরুজ’ পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টের বেশ কয়েকটি স্থানে আগুন ধরে। পরে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এক বিবৃতিতে আমিরাতের কর্তৃপক্ষ বলেছে, ‘ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য কারখানাটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’ এর আগে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করছে। বাহরাইনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থা জানিয়েছে, ইরানের একটি ড্রোন হামলায় তাদের একটি তেল সংরক্ষণাগারে আগুন লাগে। পরে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রোববার ভোরে ড্রোন হামলায় বাপকো এনার্জিসের একটি সংরক্ষণাগারের ট্যাংকে আগুন ধরে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। এতে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানিবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং পানি শোধনের প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি এবং দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে দেওয়া ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে এই অঞ্চলের পানি শোধন কেন্দ্রগুলো বড় ধরনের ঝুঁকিতে আছে। উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের পানির চাহিদা মেটাতে শোধন কেন্দ্রগুলোর ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।