১৬ লাখ মার্কিন ডলার পাচ্ছেন প্যাট কামিন্সরা
ঐতিহ্যের অ্যাশেজে ইংল্যান্ডকে ৪–১ ব্যবধানে হারানো অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের জন্য অপেক্ষা করছে মোটা অঙ্কের বোনাস। ঘরের মাঠে এই সিরিজে আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও দ্রুতই ক্রিকেটারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য আর্থিক পুরস্কার দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।
স্টিভ স্মিথের নেতৃত্বে সিরিজে ১১ দিনেই ৩–০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। ২০১৭ সাল থেকে অ্যাশেজের ‘ছাইদানি’ নিজেদের কাছে রেখেছে অজিরা। ‘দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সাফল্যের পুরস্কার হিসেবে ‘ব্যাগি গ্রিনস’রা মোট ১৬ লাখ মার্কিন ডলার বোনাস ভাগ করে নেবেন। সিরিজজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য অজি পেসার মাইকেল নেসার ও অভিষিক্ত ব্যাটার জেক ওয়েদারাল্ডও ব্যক্তিগতভাবে বড় অঙ্কের অর্থ পেতে যাচ্ছেন। নেসার পুরো সিরিজে ১৫ উইকেট নেন ১৯.৯৩ ইকোনমিতে, আর ওয়েদারাল্ড নিজের প্রথম অ্যাশেজেই নজর কাড়েন দারুণ ব্যাটিংয়ে।
এই দুই ক্রিকেটারের রাজ্য দলের চুক্তির আয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) ন্যূনতম কেন্দ্রীয় চুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। যার পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। রাজ্য চুক্তিতে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫ হাজার ডলার পাওয়া যায়। ফলে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্টভিত্তিক বেতন কাঠামোর শর্ত পূরণ করায় নেসার ও ওয়েদারাল্ড আরও প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ডলার অতিরিক্ত আয় করতে পারেন।
ওয়েদারাল্ড সিরিজ শেষ করেন ২০১ রান নিয়ে, গড় ছিল ২২.৩৩। অবশ্য শেষ তিনটি টেস্টে ভুগতে দেখা গেছে তাকে। গ্যাবায় নিজের প্রথম টেস্টে ২১ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটার। অ্যাশেজে দাপুটে জয়ের সুবাদে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ র্যাংকিংয়েও শীর্ষে উঠেছে অস্ট্রেলিয়া। টপকে গেছে নিউজিল্যান্ডকে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড নেমে গেছে সপ্তম স্থানে।
তবে সিরিজের এই সাফল্যের মাঝেই বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। মেলবোর্ন ও পার্থ টেস্ট সময়ের আগেই শেষ হয়ে যাওয়ায় সংস্থাটির আয় কমেছে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলারেরও বেশি। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ ভবিষ্যতে উইকেট প্রস্তুতির দিকে আরও সতর্ক থাকার ইঙ্গিত দেন। গ্রিনবার্গ বলেছিলেন, ‘সংক্ষিপ্ত টেস্ট ব্যবসার জন্য ভালো নয়। এর চেয়ে স্পষ্ট করে বলার কিছু নেই। ব্যাট ও বলের মধ্যে আরও ভারসাম্য থাকা দরকার।’