১২ ডিসেম্বর জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন

76

আগামী ১২ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এবার ২ লাখ ১৮ হাজার ৬৮ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সিভিল সার্জন অফিস। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সের ২৬ হাজার ৬৩৮ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ লাখ ৯১ হাজার ৪৩৪ জন শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জেলার সদর, শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর, নাচোল ও ভোলাহাট উপজেলার ১ হাজার ২০৪টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এবারের ক্যাম্পেইন চলবে। ক্যাম্পেইন সফল করতে ১৪৯ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ২৩৭ জন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী এবং ২ হাজার ৪১২ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে ১২ ডিসেম্বর জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভায় স্টেকহোল্ডারদের এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাহমুদুর রশিদ। জাতীয় পুষ্টিসেবা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে এবং সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন- পুলিশ সুপার পদে সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবুল কালাম সাহিদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেছের আলীসহ অন্যরা।
‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রাকিবুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন- ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট আমিরুল ইসলাম জীবন।
সিভিল সার্জন তার বক্তব্যে বলেন, ভিটামিন ‘এ’ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।
নবজাতককে অবশ্যই মায়ের বুকের শালদুধ পান করানোর ওপর জোরদিয়ে তিনি বলেন- শিশু জন্মের পর ২৪ ঘণ্টাও যদি মায়ের বুকের দুধ না পায় তাহলেও সেই শিশুর কোনো ক্ষতি হবেনা। কাজেই নবজাতককে অন্য কোনো খাবার দেয়ার প্রয়োজন নেই। জন্মের পর ৬ মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ পান করাতে হবে। এরপর বুকের দুধের পাশাপাশি প্রয়োজন মাফিক সুষম খাবার খাওয়াতে হবে। ভিটামিন এ এর অভাব দূর হয় এমন সব খাবার খাওয়াতে হবে।