১০ হাজার রানের মাইলফলকের অপেক্ষায় ইউনিস

364

টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা ইতোমধ্যে দিয়ে রেখেছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ইউনিস খান। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজেই ক্যারিয়ারের ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে চান তিনি। তাতে তৃপ্তি নিয়েই বিদায় নিতে পারবেন অভিজ্ঞ এ ব্যাটসম্যান। সাদা পোশাকে এখন পর্যন্ত ১২ জন ব্যাটসম্যান ১০ হাজার বা তার বেশি রান করেছেন। তবে এই তালিকায় নেই কোনো পাকিস্তানি। রোববার থেকে স্যাবাইনা পার্কে শুরু হওয়া তিন ম্যাচ টেস্টের প্রথমটিতেই হয়তো এই অপেক্ষার অবসান হতে পারে। কেননা ১০ হাজার রান থেকে এখন মাত্র ২৩ রান দূরে ইউনিস। টেস্ট ক্রিকেটের কুলীন পাকিস্তানের কিংবদন্তি অনেক ব্যাটসম্যানই এসেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউই এমন মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেননি। এমনকি খুব কাছেও কেউ আসতে পারেননি। তবে ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে রেকর্ডের খুবই কাছে ৩৯ বছর বয়সী ইউনিস। এর আগে ২০১৫ সালে আবু ধাবিতে জাভেদ মিঁয়াদাদকে পেছনে ফেলে টেস্টে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছিলেন তিনি।
মাইলফলক প্রসঙ্গে ইউনিস জানান, ‘জাভেদ ভাইয়ের রেকর্ড ভাঙার পরই ভেবেছিলাম অবসর নেব। তবে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেই ১০ হাজার রান করার পরই ক্রিকেট ছাড়বো।’ পাকিস্তানের হয়ে টেস্টে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়েছেন ইউনিস। শুধুমাত্র সর্বোচ্চ রান নয়, ৩৪টি সেঞ্চুরি নিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ানও তিনি। তার অধীনে রয়েছে একটি বিশ্ব রেকর্ডও। প্রথম ও একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ১১টি দেশে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেছেন ইউনিস। ইউনিস এখন পর্যন্ত ১১৫টি টেস্ট খেলেছেন। যেখানে ৫৩.০৬ গড়ে করেছেন ৯ হাজার ৯৭৭ রান। এর আগে ২০০০ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল ইউনিসের। প্রথম টেস্টেই সেঞ্চুরি করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডে ক্রিকেটেও পাকিস্তানের হয়ে দারুণ ভূমিকা রেখেছিলেন ইউনিস। ২০১৫ সালে অবসর নেওয়ার আগে খেলেছেন ২৬৫টি ম্যাচ। আর জাতীয় দলের হয়ে ২৫টি টি-টোয়েন্টি খেলা এ তারকা ২০১০ সালে অবসর নেন। পাকিস্তানের টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কও ছিলেন তিনি।