সেরাটা দিতে উৎসাহিত করবে ক্রীড়া ভাতা ও কার্ড পেয়ে মোরসালিন
ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে এবং ক্রীড়াবিদদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার চালু করেছে ক্রীড়া ভাতা ও কার্ড কর্মসূচি। এর আওতায় শুরুতে ফুটবলার কিংবা হকি খেলোয়াড়েরা ছিলেন না। আজ রবিবার দ্বিতীয় দফায় সেই অপূর্ণতা দূর হয়েছে। তাদের হাতে তুলে দেওয়া ক্রীড়া কার্ড। দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে ১৭১ জন খেলোয়াড়কে এই ভাতার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৩০০ জন ক্রীড়াবিদ সরকারের এই বিশেষ সুবিধার আওতায় এলেন। পল্টনের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন অন্তর্ভুক্ত ১৭১ জন খেলোয়াড়ের হাতে ক্রীড়া কার্ড ও এক লাখ টাকা করে ভাতা তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এই ধাপে সুবিধাভোগীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পুরুষ ও নারী ফুটবল দলের ৩৬ জন সদস্য। ভাতা পাওয়ার পর নিজেদের প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলেছেন জাতীয় দলের তারকা ফুটবলাররা। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস অন্তর এই ভাতার তালিকা হালনাগাদ করার যে নিয়ম করা হয়েছে, সেটিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তারা।
জাতীয় দলের তারকা ফুটবলার শেখ মোরসালিন যেমন বলেছেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ক্রীড়ামন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা, তাদের এই শক্তিশালী উদ্যোগের জন্য যা আমাদের দেশের অ্যাথলেটদের যথাযথ স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন করছে। এই উদ্যোগ আমাদের আরও সামনে এগিয়ে যেতে, কঠোর লড়াই করতে এবং বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করে; দেশের জন্য আমাদের সেরাটা উজাড় করে দিতে উৎসাহিত করবে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে দেশের মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই মাসিক ভাতার আওতায় আনা হবে। গত ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১২৯ জন খেলোয়াড়ের হাতে কার্ড তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন।