সত্যিকারের রোমান্টিকদের জন্য ৬টি আন্ডাররেটেড প্রেমের সিনেমা

ভ্যালেন্টাইনস ডে মানেই শুধু লাল গোলাপ, চকলেট কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালোবাসার পোস্ট নয়। অনেকের কাছে এই দিনটি নিঃশব্দে নিজের অনুভূতির কাছে ফিরে যাওয়ার উপলক্ষ। কেউ প্রিয় মানুষটির হাত ধরে সিনেমা দেখতে চান, কেউ আবার একাই ডুবে যেতে চান ভালোবাসার আবহে। কিন্তু প্রতিবছর একই ধরনের রোমান্টিক ছবি দেখতে দেখতে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই ভ্যালেন্টাইনস ডে ২০২৬ ওয়াচলিস্টে রাখতে পারেন এমন কিছু আন্ডাররেটেড প্রেমের সিনেমা। তেমন ছয়টি সিনেমার খোঁজ দেওয়া হলো এই প্রতিবেদনে
ইন দ্য মুড ফর লাভ
প্রেম সবসময় উচ্চস্বরে প্রকাশ পায় না কখনও তা লুকিয়ে থাকে চোখের চাহনিতে, নীরবতায়, অসমাপ্ত বাক্যে। এই ধীরগতির প্রেমের গল্পে দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবেগে রূপ নেয়। ছবিটির ভিজ্যুয়াল ভাষা, সুর আর সংযত অভিনয় প্রেমকে এক অনন্য সৌন্দর্যে তুলে ধরে। দেখা শেষে দীর্ঘ সময় ধরে এর আবহ মনে গেঁথে থাকে।
লাইক ক্রেজি
দূরত্ব কীভাবে একটি সম্পর্ককে বদলে দেয় তার বাস্তব ও কাঁচা চিত্র ফুটে উঠেছে এই ছবিতে। লং ডিস্ট্যান্স সম্পর্কের অপেক্ষা, ভুল বোঝাবুঝি আর মানসিক টানাপোড়েন আধুনিক প্রেমের এক নির্মম সত্যকে সামনে আনে। যারা বাস্তবধর্মী প্রেমের গল্প পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।
মিডনাইট ইন প্যারিস
যদি আপনি ভাগ্যে বিশ্বাস করেন, শিল্প আর নস্টালজিয়ায় হারিয়ে যেতে ভালোবাসেন, তবে এই সিনেমা হতে পারে নিখুঁত পছন্দ। প্যারিসের স্বপ্নময় পটভূমিতে গড়ে ওঠা গল্প প্রেমকে দেখায় এক জাদুকরী আলোয়। অতীতের শিল্পী আর বর্তমানের আবেগের মেলবন্ধন ছবিটিকে করে তোলে অন্যরকম রোমান্টিক অভিজ্ঞতা।
পোর্ট্রেট অফ আ লেডি অন ফায়ার
১৮ শতকের ফ্রান্সের প্রেক্ষাপটে এক শিল্পী ও তাঁর মডেলের মধ্যকার সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীর আবেগে রূপ নেয়। চোখের ভাষা, দীর্ঘ নীরবতা আর সংযত প্রকাশ সব মিলিয়ে এটি প্রেমের এক শিল্পিত উপস্থাপন। ধীর, কিন্তু তীব্র অনুভূতির সিনেমা খুঁজলে এটি অবশ্যই তালিকায় রাখুন।
দ্য লাঞ্চবক্স
মুম্বাইয়ের ব্যস্ত শহরে ভুল করে পৌঁছে যাওয়া একটি লাঞ্চবক্স দুই অচেনা মানুষের জীবনে তৈরি করে এক অদ্ভুত সংযোগ। চিঠির মাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্ক, একাকীত্বের মাঝে সঙ্গ খোঁজা এই ছবিটি প্রমাণ করে প্রেমের জন্য বড় কোনো নাটকীয় মুহূর্ত প্রয়োজন হয় না। ছোট ছোট সংযোগও গভীর হয়ে উঠতে পারে।
ব্লু জয়
সাদাকালো এই ইন্ডি ছবিতে বহু বছর পর দেখা হওয়া দুই পুরনো প্রেমিক-প্রেমিকার কথোপকথনই মূল উপজীব্য। পুরো সিনেমাটি সংলাপনির্ভর, তবু আবেগের গভীরতা এতটাই তীব্র যে সহজেই মন ছুঁয়ে যায়। পুনর্মিলনের নস্টালজিয়া অনুভব করতে চাইলে এটি হতে পারে উপযুক্ত নির্বাচন।