লেভান্তেকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা

লা লিগার শিরোপা লড়াইয়ে আবারও পাল্টে গেল দৃশ্যপট। লেভান্তের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানের দাপুটে জয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। রিয়াল মাদ্রিদের হোঁচট খাওয়ার সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছে কাতালানরা। এখন তাদের হাতে এক পয়েন্টের লিড।

মৌসুমের শুরুতে একই প্রতিপক্ষকে হারাতে শেষ মুহূর্তের গোলের প্রয়োজন হয়েছিল। কিন্তু পরপর দুটি হার আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরালেও ন্যু ক্যাম্পে দলটি খেলেছে দৃঢ়তা আর ছন্দে ভর করে। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। শুরুতেই এগিয়ে গিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সা।

এরপর সুযোগ আসে একের পর এক। রাফিনিয়া ও রবার্ট লেভানদোভস্কি সুযোগ পেলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। তবে আধাঘণ্টা পেরোতেই দ্বিতীয় গোল। লামিন ইয়ামাল, বের্নাল ও ক্যানসেলোর দারুণ সমন্বয়ে তৈরি সুযোগ থেকে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ছয় গজ বক্সে ভেসে আসা বল ঠেলে জালে পাঠান। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় পর লিগে গোল পেলেন নেদারল্যান্ডসের এই মিডফিল্ডার। শেষবার গোল করেছিলেন গত বছরের জানুয়ারিতে।

বিরতির পরও দাপট ছিল বার্সার। কর্নার থেকে ক্যানসেলো ও গার্সিয়ার হাফ চান্স, লেভানদোভস্কি ও দানি অলমোর প্রচেষ্টা; সব মিলিয়ে চাপ ধরে রাখে তারা। গোলরক্ষক ম্যাট রায়ান কয়েকটি সেভ করে ব্যবধান বাড়তে দেননি। শেষ ২৫ মিনিটে কোচ হানসি ফ্লিক একসঙ্গে তিন পরিবর্তন এনে নতুন গতি যোগ করেন। মাঠে নামেন ফার্মিন লোপেজ, ফেরান তোরেস ও চোট কাটিয়ে ফেরা পেদ্রি।

ম্যাচের শেষ দশ মিনিটে লোপেজ যেন ঝড় তুলে দেন। প্রায় পঁচিশ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ের প্রচণ্ড শটে বল জড়িয়ে যায় জালের কোণে। গোলরক্ষক রায়ান শুধু তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করতে পারেননি। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় বড় জয়। এই জয়ে এক পয়েন্টের ব্যবধানে শীর্ষে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। টানা দুটি হারের পর এমন পারফরম্যান্স দলটির আত্মবিশ্বাসে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। এখন চাপটা রিয়াল মাদ্রিদের কাঁধে।