লিওনেল মেসির বাইসাইকেল কিক : পিএসজির বড় জয়

72

শত গোলের জনক হতে পারেন মেসি। কিন্তু কিছু অর্জন সবারই মনের মধ্যে সুপ্ত হয়ে থাকে। আর মেসির পায়ের জাদুর কারিশমা তো সবার জানাই আছে। তবে এমন সব গোলের পরও একটা বিশেষ গোল অধরাই রয়ে গিয়েছিল মেসির ক্যারিয়ারে। অবশেষে সেটাও পূরণ হয়ে গেল।

গত রাতে ক্লেরমন্ট ফুটের বিপক্ষে লিওনেল মেসির দেয়া বাইসাইকেল কিক থেকে গোলের যে দৃশ্য তার ভক্তরা ভূলবে না। তেমনি মেসিরও মনে গেঁথে থাকবে এমন দৃষ্টিনন্দন গোলের কথা।

পিএসজির হয়ে নতুন মৌসুমের শুরুতেই সে আক্ষেপ ঘুচে গেছে তার। ক্লেহমঁর বিপক্ষে তিনি জোড়া গোল করেছেন, যার দ্বিতীয়টি এসেছে বাইসাইকেল কিক থেকে।

ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচে রাতে মাঠে নেমেই উড়ন্ত শুচনা করে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। ক্লেরমন্ট ফুটের বিপক্ষে লিওনেল মেসির জোড়া গোল ও নেইমারের পায়ের ছন্দে বড় জয় পায় ফ্রান্স সেরা এই ক্লাবটি।

শনিবার ক্লেরমন্টকে তারা হারিয়েছে ৫-০ গোলের ব্যবধানে।

এদিন নেইমার দ্য সিলভা জুনিয়র একটি গোল করার পাশাপাশি তিনটি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন। নেইমার -মেসি ছাড়াও গোল পেয়েছেন আশরাফি হাকিমি ও মারকুইনহোস।

ক্লেরমন্টের নিজ মাঠে ম্যাচের ৯ মিনিটেই লিড নেয় পিএসজি। এ সময় লিওনেল মেসি বামদিকে সতীর্থের কাছ থেকে বক্সের মধ্যে বল পেয়ে ব্যাকহিলে বাড়িয়ে দেন নেইমারকে। নেইমার জোরালো নিচু শটে বল জালে জড়ান।

২৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আশরাফ হাকিমি। এ সময় পাল্টা আক্রমণে নেইমারের কাছ থেকে বল পেয়ে যান হাকিমি। দ্রুত ঢুকে পড়েন বক্সের মধ্যে। তার সামনে ছিলেন কেবল ক্লেরমন্টের গোলরক্ষক মরি দিয়াও। ডানপায়ের জোরালো শটে তাকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান মরোক্কান এই ফুটবলার। ৩৮ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন মারকুইনহোস। ফ্রি কিক থেকে নেইমারের নেওয়া ক্রসে পেনাল্টি বক্সের সামনে দৌড়ে গিয়ে হেড নেন মারকুইনহোস। বল গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে জালে প্রবেশ করে।

বিরতির পর ম্যাচে লিওনেল মেসি ঝলক। ৮০ ও ৮৬ মিনিটে করেন দুই গোল। ৮০ মিনিটে পেনাল্টি বক্সের মধ্যে ডানদিকে থাকা মেসিকে আলতো করে বল বাড়িয়ে দেন নেইমার। বাম পায়ের শটে মেসি বল জালে জড়ান এই আর্জেন্টাইন। আর ৮৬ মিনিটের গোলটি ছিল চোখে ধাধানো। দূর থেকে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের ক্রস ডি বক্সের মধ্যে বুকে রিসিভ করে বাইসাইকেল কিকে জালে পাঠান মেসি। ক্লেরমন্টের গোলরক্ষকের চেয়ে চেয়ে দেখা থাকা কিছুই করার ছিল না।

আর এতেই ৫-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফরাসি জায়ান্টরা।