লকডাউনের পরে রেস্তোরাঁয় খাওয়ার অভিজ্ঞতা পাল্টে যাবে

211

করোনাভাইরাসে সন্ত্রস্ত বিশ্ব।চলছে লকডাউন।করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় বন্ধ রয়েছে সমস্ত রেস্তোরাঁ৷ তবে অনলাইন অর্ডার চালু রয়েছে৷ ফলে বাড়িতে বসেই রেস্তোরাঁ থেকে খাবার এনে খাচ্ছেন গ্রাহক৷ সবকিছু ঠিকঠাক চললে আর অন্য পরিষেবার মতো রেস্তোরাঁও হয়তো আগের মতোই খুলবে, সেখানে ভিড় করবেন ক্রেতারাও৷

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, লকডাউন পরবর্তী সময়ে রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাওয়ার অভিজ্ঞতা খাদ্য রসিকদের জন্য অনেকটাই বদলে যেতে পারে।

এখন যেমন সংক্রমণের আশঙ্কা দূর করতে অনেক রেস্তোরাঁ এবং অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপগুলি কনট্যাক্টলেস বা স্পর্শবিহীন খাবার সরবরাহে জোর দিচ্ছে, ভবিষ্যতে রেস্তোরাঁতে গিয়ে খাওয়ার অভিজ্ঞতাও অনেকটা সেরকম হতে পারে৷

বিশ্ব বিখ্যাত দুটি সংস্থার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন হতে পারে, তার একটি সম্ভাব্য রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে৷

এতে বলা হয়েছে, এখন যেভাবে অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপ-এ খাবারের অর্ডার দেয়া হয়, অদূর ভবিষ্যতে ঠিক সেভাবেই রেস্তোরাঁয় খেতে যাওয়ার আগে অ্যাপের সাহায্যে টেবিল প্রি-বুক করে নিতে পারবেন গ্রাহকরা৷

এতে ওয়েটিং টাইম যেমন কমবে, সেরকমই রেস্তোরাঁয় গিয়ে পছন্দের টেবিলে বসার জন্য কোনও রেস্তোরাঁ কর্মীর সাহায্য নিতে হবে না৷ রেস্তোরাঁর নিজস্ব অ্যাপ বা ডিজিটাল মেনু কার্ড থেকেই পছন্দের খাবার অর্ডার করতে পারেন গ্রাহক৷ খাওয়ার পরে অনলাইনেই দাম মিটিয়ে দেওয়ার সুযোগও রয়েছে৷

এমনকি রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়ে গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রেও স্বয়ংক্রিয় টোকেন ব্যবহার করে মানুষের ভূমিকা কমিয়ে আনা সম্ভব৷