রেডিও মহানন্দা সম্প্রচারে অর্ধযুগ : দেশের কমিউনিটি রেডিওগুলোর সফলতা থাকলেও নীতিমালার দূর্বলতার কারণে নিজ পায়ে দাঁড়াতে পারছে না

378

<আজিজুর রহমান শিশির>

আমি ২০০৭-২০০৮ সালের দিকে দেশের একটি জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ‘দি এডিটর.নেট এ (এখন বন্ধ) প্রথিতযশা সাংবাদিক আনু মোস্তফার অধীনে একজন সংবাদ কর্মী হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কাজ করতাম। ওঁ বয়সে আমার চেয়ে ছোট হলেও সাংবাদিকতায় হাজার গুণ উপরে এবং অগ্রজও। ২০০৮ সালে আনু মোস্তফা একদিন বললেন-শিশির ভাই, আপনি কি জানেন সরকার দেশে কমিউনিটি রেডিও চালু করতে যাচ্ছে? চাঁপাইনববাগঞ্জে কেউ কি কমিউনিটি রেডিও করতে পারবেন ? আমি বলেছিলাম-একটু একটু শুনেছি এবং এখানে কেউ করবে কি-না তা জানা নেই। তবে একজনকে প্রস্তাবটা দেওয়া যেতে পারে। আবারো আনু মোস্তফা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য বললেন। সাথে সাথে এও বললেন, রেডিওটি হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গ্রামের মানুষ অনেক উপকৃত হবে, তবে রেডিও স্থাপন নিজ খরচে করতে হবে।
আনু মোস্তফার কথা শুনে প্রথমেই আমি প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেনকে প্রস্তাবটি দিই। কিন্তু তিনি অসম্মতি জানিয়ে বলেন-ভাই, আমি এ ব্যাপারে কিছুই তো জানি না, মানে রেডিও স্থাপন ও এর পরিচালনা, এটা আমাকে দিয়ে হবে কি ? আমি আবারো তাঁকে বললাম। তিনি সে সময় বাসযোগে ঢাকা যাচ্ছিলেন, একপর্যায়ে তিনি রাজি হয়ে জানতে চান-আপনি এ বিষয়ে আরও কি জানেন। আমি পরামর্শ দিলাম যে, যেহেতু আপনি ঢাকা যাচ্ছেন সেহেতু তথ্য মন্ত্রণালয়ে দেখা করেন সব কিছু জানতে পারবেন এবং লাইসেন্স পেতে কাজ শুরু করেন। এরপর বহু কাঠখড় পুড়িয়ে একসময় লাইসেন্স পান। নাম রাখা হয় “রেডিও মহানন্দা”, আর যার ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্ধ দেয়া হয় ৯৮.৮ এফএম।
‘কমিউনিটি রেডিও স্থাপন, সম্প্রচার ও পরিচালনা নীতিমালা’২০০৮’ এর সকল শর্ত মেনে ২০১১ সালের ২৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক সম্প্রচারের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে আজ অর্ধযুগ পার করল রেডিও মহানন্দা। শুরু থেকেই তৃণমূল জনগোষ্ঠীর কাছে অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিৎ করে তাদের জীবন মানোন্নয়নে অব্যাহত ভূমিকা রেখে চলেছে এ-গণমাধ্যমটি। গণমাধ্যম যে সমাজ উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার তা প্রমাণে রেডিও মহানন্দা তার স্বাক্ষরও রেখে চলেছে। আপন মহিমায় উজ্জ্বল রেডিও মহানন্দা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর হিসেবে আজ নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে।
রেডিও মহানন্দায় সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান : (১) ‘কৃষি ও জীবন’ শীর্ষক কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃষককে সমস্যার সমাধান দেওয়ার পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সম্ভাবনাময় কৃষিভিত্তিক তথ্য কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছে। (২) ‘স্বপ্নের ঠিকানায়’ অনুষ্ঠান মানব পাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছে। (৩) স্থানীয় সম্ভাবনাময় প্রতিভাবান শিল্পীদের অংশগ্রহণে গানের অনুষ্ঠান ‘ক্যাফে মহানন্দা’। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পীদের প্রতিভার বিকাশ সাধনে নিরলস ভূমিকা রাখছে। (৪) বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য গম্ভীরা অনুষ্ঠান ‘গামছা মাথল’ জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে। (৫) স্কুল ও কলেজ ভিত্তিক শিক্ষামূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘আমাদের ক্যাম্পাস’ এর মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যাসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হচ্ছে। (৬) দেশ বিদেশের বিশিষ্ট বরেণ্য ব্যক্তিদের জীবনগাথা নিয়ে অনুষ্ঠান, ‘মনিষীদের কথা’। (৭) বিভিন্ন অজানা তথ্য নিয়ে অনুষ্ঠান ‘জানা অজানা’। (৮) চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামের পরিচিতিমূলক আয়োজন, ‘হাঁরঘে গেরাম’। (৯) সাঁওতাল আদিবাসীদের নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়ে অনুষ্ঠান ‘বাহা সান্দীস’। (১০) প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘প্রযুক্তি ডট কম’। (১১) নির্দিষ্ট রোগ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিউনিটি শিক্ষণ ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ‘স্বাস্থ্য কথা’। (১২) প্রয়াস সংগঠিত নারীদের সমিতি ও ঋণের মাধ্যমে সাবলম্বীতা বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘আপন শক্তি’। (১৩) শ্রোতাদের চিঠি পাঠ, উত্তর দান ও অংশগ্রহণ মূলক অনুষ্ঠান ‘ইচ্ছে দুয়ার’। (১৪) স্থানীয় ও দৈনন্দিন ঘটনা প্রবাহ নিয়ে সংবাদ ভিত্তিক অনুষ্ঠান, ‘আজকের চাঁপাইনবাবঞ্জ’ প্রতিদিন বিকেল ৩.৩০ টা, সন্ধ্যা ৬.৩০ টা, রাত ৯.৩০ ও ১১.৩০ টাতে প্রচারিত হচ্ছে। (১৫) ইসলাম বিষয়ক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘আলোর সন্ধানে’। (১৬) শিশুদের অংশগ্রহণে সম্ভাবনা, সমস্যা ও বিকাশ বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘চাঁদের হাসি’। (১৭) বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘জাগো সবাই’ বা ‘সোনালী স্বপ্ন’। (১৮) দেশ ও দেশের বাইরে থেকে আসা অতিথীদের নিয়ে অনুষ্ঠান ‘কাছে থেকো বন্ধ’ু। (১৯) রান্না ও রূপচর্চা বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘অনন্যা’। (২০) খেলাধুলা বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘মহানন্দা স্পোর্টস’ সহ অন্যান্য অনুষ্ঠান শ্রোতাদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে। এ-সব কর্মসূচির বাইরেও আছে কথাবন্ধুদের বিভিন্ন ধরণের তথ্য-বিনোদনমূলক গানের অনুষ্ঠান। এর মধ্যে নানা নাতীর রঙ্গরসের কথা ও স্থানীয় আঞ্চলিক গান নিয়ে অনুষ্ঠান ‘লগড়্যা পাঁচফোড়ং’ শ্রোতাদের অন্যতম প্রিয় একটি অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে গুণী শিল্পী মাহবুব আলম, ফাইজুর রহমান মানি, মনিরুল ইসলাম ও রিতা খাতুনের কথোপকথন শ্রোতাদের সহজেই কাছে টানে। হাস্যরসের মধ্যদিয়ে জনসচেতনতামূলক অনেক তথ্য এ-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রোতাদের কাছে খুব সহজেই পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
“যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে সহজলভ্যতা, তাৎক্ষণিকতা ও সর্বত্রগামিতার নিরিখে বেতারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির অভূতপূর্ব বিকাশের পরেও তাই এ-মাধ্যমটির গুরুত্ব উন্নত, উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত কোনো দেশেই হ্রাস পায়নি। বাংলাদেশে ১৯৩৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় স্বল্প পরিসরে বেতার যাত্রা শুরু করে কালের বিবর্তনে গুণেমানে কলেবরে বহুধা বিস্তৃৃত হয়ে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ বেতার দেশের প্রাচীনতম এবং একক বৃহত্তম পাবলিক সার্ভিস ব্রডকাস্টার হিসেবে বিগত প্রায় সাতদশক ধরে তথ্য, বিনোদন ও শিক্ষার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি জাতীয় উন্নয়নে সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছে। এছাড়াও স্বাধীনতা যুদ্ধকালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনন্য অসাধারন ভ’মিকার কথা আমরাঅবাধ তথ্য প্রবাহের যুগে বহুমাত্রিক উপযোগিতার দাবি মেটাতে দেশে ব্যক্তি মালিকানায় বাণিজ্যিক এফ.এম চালু রয়েছে। প্রধানত: নগর কেন্দ্রিক এ সকল চ্যানেল বিনোদন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে থাকে।”
এমন অবস্থায় সমাজের একেবারে তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন সম্প্রদায় ও জনগোষ্ঠীর জন্য সম্পূর্ণ নিবেদিত কোনো বেতার গড়ে না ওঠায় সরকার তৃণমূল জনগোষ্ঠীর জন্য দেশে কমিউনিটি রেডিও চালু করে। সাথেসাথে ‘কমিউনিটি রেডিও স্থাপন, সম্প্রচার ও পরিচালনা নীতিমালা-২০০৮’ প্রণয়ন করা হয়। সেই নীতিমালার এক নম্বর সংজ্ঞায় খ অংশে বলা হয় ‘কমিউনিটি রেডিও’ সম্প্রচার কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণে থাকবে একটি অলাভজনক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে কমিউনিটিকে সেবা প্রদান করা এবং স্থানীয় লোকজ, আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন বিকাশের সুযোগ তৈরি করে দেয়া। এটি এক প্রকার জনসেবামূলক সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান যা সমগ্র জাতির উন্নতির পরিবর্তে কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে নিয়ে কাজ করবে। কমিউনিটি রেডিও একটি কমিউনিটির নিজস্ব সম্পদ যা একটি জনপদের নিজস্ব ধ্যান ধারণা, বিচার-বিবেচনা ও চিন্তা-চেতনার যথাযত প্রতিফলন ঘটাবে।”
২০০৮ সালের ওই নীতিমালা মেনেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেনের নিরলস প্রচেষ্টায় কমিউনিটি রেডিও-‘রেডিও মহানন্দা’ চালু হয়ে অদ্যাবধি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই তৃণমূল জনগোষ্ঠীর তথ্য ও বিনোদন সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। অনেক চড়াই-উৎরাই পার করে বর্তমানে এ রেডিওটি এ-জেলার পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রাণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। বিভিন্ন সময় রেডিওটি পেয়েছে মীনা মিডিয়া এ্যাওয়ার্ড, আরটিআই এ্যাওয়ার্ড, জেন্ডার বেজ ভায়োলেন্স এন্ড চিল্ড্রেন প্রটেকশন এ্যাওয়ার্ডসহ বিভিন্ন এ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। অন্যদিকে রেডিওটির কার্যক্রম নিয়ে দি গার্ডিয়ান, ডেইলি স্টার, প্রথম আলো ইত্যাদি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বিশেষ ফিচার। কিন্তু এতো কিছুর পরও প্রতিষ্ঠানটি বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার করতে না পারাসহ নীতিমালার বিভিন্ন দূর্বলতার কারণে এখনও স্থায়ীত্বশীল ভিত্তি গড়ে তুলতে পারছে না।
জানা যায়, ২০১৬ সালের খসড়া নীতিমালায় বিজ্ঞাপন প্রচারের কথা বলা হলেও আজও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় দেশের কমিউনিটি রেডিওগুলো কোন বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারছে না। ফলে কমিউনিটি রেডিওগুলো যেমন আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তেমনি বাণিজ্যিক প্রচারণার মাধ্যমে ব্যবসায়িক আয় বৃদ্ধি হতে বঞ্চিত হচ্ছে কমিউনিটির মানুষ। রেডিওগুলোর মাধ্যমে জেলা ও জেলার আশপোশের (ক্যাচমেন্ট) এলাকার দৈনিন্দিন খবরাখবরসহ কমিউনিটি রেডিওতে সম্প্রচারিত অন্যান্য বিষয় ভিত্তিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লক্ষলক্ষ মানুষ জানতে পারছে অনেক অজানা তথ্য। অথচ বিজ্ঞাপন প্রচার করতে না পারায় জেলার কোথায় কোন জিনিস পাওয়া যায়, বা কোথায় কোন বাণিজ্যিক সেবা পাওয়া যায় তা জানতে পারছে না সাধারণ মানুষ।
বলা দরকার, বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, যারা রেডিও মহানন্দার মত কমিউনিটি রেডিও স্থাপন করেছে তারাই এইসব রেডিও এর সমস্ত ব্যয় নির্বাহ করছে। এভাবেইবা কতদিন উন্নয়ন সংস্থাগুলো কমিউনিটি রেডিওগুলোর সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করে এগিয়ে যেতে পারবে ? তাই এসব রেডিও এর স্থায়ীত্বশীল ভিত্তি তৈরি করতে দরকার নীতিমালাগত সহায়তা। এ সকল গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকার বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচারের ব্যবস্থা করাসহ নীতিমালার অন্যান্য পরিবর্তনগুলো করে দিলে কমিউনিটি রোডিওগুলো আরো কার্যকর হয়ে উঠবে। একটি প্রতিষ্ঠানের আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে তার উৎকর্ষতাও বৃদ্ধি পায়, মানসম্মত সেবাদানের সুযোগ তৈরী হয়, আর বৃদ্ধি পায় কর্মপরিধিও। ফলে সুন্দর কর্মসংস্থান পরিবেশও সৃষ্টি হতে পারে।
গত ছয়বছরে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক ও রেডিও মহানন্দার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিব হোসেনের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গড়ে ওঠা জেলার একমাত্র ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমটির বিভিন্ন শাখায় কাজ করে অনেকই নিজেদের কেরিয়ারে সমৃদ্ধ হয়েছেন বা হচ্ছেন এবং আগামী দিনেও হবেন আশা করি। তবে সরকারিভাবে বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচারের সুযোগ দেয়া হলে, নীতিমালা অনুযায়ী ট্রাস্টি ফান্ড গঠিত হলে দেশের কমিউনিটি রেডিওগুলো আরো সফলতা পাবে, পাশাপাশি কমিউনিটির পিছিয়ে থাকা লক্ষলক্ষ মানুষ বিভিন্নভাবে আরও উপকৃত হবে।
রেডিও মহানন্দা’র সম্প্রচার কার্যক্রমের অর্ধযুগ পূর্তির এই ক্ষণে এটি পরিচালনা করার জন্য সাধুবাদ জানাই প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি ও এর সকল কর্মীকে। অভিনন্দন রেডিও মহানন্দা পরিবারকে।