ব্যক্তিপর্যায়ে শুদ্ধাচার চর্চা করতে হবে : কর্মশালায় জেলা প্রশাসক

সরকারি-বেসরকারি সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহে সুশাসনের চর্চা শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে যৌথভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সেবাপ্রদানকারী বিভিন্ন দপ্তর-প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় সচেতন নাগরিক কমিটি-সনাক আয়োজিত এক কর্মশালায় তারা এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে করণীয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন’ বিষয়ক এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শুধু দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নয়, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থায় রূপান্তরিত করতে প্রয়োজন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। তিনি আরো বলেন, আমাদের ব্যক্তিপর্যায়ে শুদ্ধাচার চর্চা করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা দুর্নীতি করে তাদেরকে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন— অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নাকিব হাসান তরফদার। সনাক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন টিআইবির কোঅর্ডিনেটর মো. আতিকুর রহমান। এতে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, এর উপাদান ও বৈশিষ্ট্যসমূহ, সুশাসনের ঘাটতি দূরীকরণে করণীয়, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট পরিচিতি, লক্ষ্যমাত্রা, গুরুত্ব, উপাদানসমূহ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-১৬ এর প্রয়োগ কৌশল, বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা ও করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীগণ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতের লক্ষে একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেন এবং তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের উপপরিচালক শুকলাল বৈদ্য, সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. আবদুর রহিম, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. গোলাম মোস্তফা। কর্মশালায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৬২টি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।