নাইট ক্লাবে যাওয়া বন্ধ মেসি-নেইমারদের!

47

খেলোয়াড়দের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের রাশ টেনে ধরতে নতুন কিছু নিয়ম চালু করেছে পিএসজি। এর মধ্যে নাইট ক্লাবে পার্টি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা একটি। কিছুদিন আগে খবর ছড়িয়ে পড়ে, নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের পার্টি-প্রীতি নতুন কিছু নয়। প্রায়ই বন্ধুদের নিয়ে নাইট ক্লাবে পার্টি করতে যান তিনি। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে মাঝে কিছুটা মুটিয়েও গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এ নিয়ে নাকি তুমুল আপত্তি এমবাপ্পের। ফরাসি সংবাদমাধ্যমগুলোর এমনটাই দাবি করেছে।

ফরাসি ফরোয়ার্ড কিছুতেই নেইমারের পার্টি-প্রীতি মানতে পারছেন না। আর তা নিয়েই নাকি নেইমারের বন্ধু ও সাবেক বার্সা সতীর্থ মেসির সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছেন এমবাপ্পে। বিষয়টি নাকি নজরে পড়েছে পিএসজির নতুন কোচ ক্রিস্তফ গালতিয়ের ও ক্লাবের স্পোর্টিং ডিরেক্টর লুইস কাম্পোসের। মেসি-নেইমার-এমবাপ্পের মতো দলের বড় তারকাদের নিয়ন্ত্রণ করাই এখন তাদের কাছে বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’ -এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্যারিসের নাইট ক্লাবগুলোতে খেলোয়াড়দের পার্টি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন পিএসজির পরিচালক কাম্পোস। এমনকি কোনো খেলোয়াড় পার্টি করতে যাচ্ছেন কি না সে ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়ার জন্যও ক্লাবের কর্তাব্যক্তিদের জানিয়ে রেখেছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, নতুন এই নিয়ম চালু করা হচ্ছে নেইমারের কারণেই। তার ‘রাতের উদ্দাম জীবন’ নিয়ে আপত্তি তুলেছেন এমবাপ্পেসহ আরও কয়েকজন। এমনকি এই গ্রীষ্মেই তাকে বেচে দিতে চেয়েছিল পিএসজি। কিন্তু ব্রাজিলিয়ান তারকাকে কেউ নিতে আগ্রহ দেখায়নি বলেই শোনা যাচ্ছে।

এর আগে পিএসজির প্রধান কোচ হিসেবে যোগ দিয়েই ক্লাবে কড়া হেড মাস্টারের মতো কিছু নিয়ম চালু করেছেন গালতিয়ের। এর মধ্যে অনুশীলনে দেরি করে এলে বাসায় ফেরত পাঠিয়ে দেওয়ার মতো বিষয়ও আছে। এছাড়া খাবার টেবিলে মোবাইল নিয়ে বসাও নিষিদ্ধ করেছেন তিনি। ফরাসি কোচের মতে, দলের সবাই একসঙ্গে খেতে বসে মোবাইলে ব্যস্ত করা থেকে একে অন্যের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাপারে আলোচনা করলে সবার মধ্যে সম্পর্ক ভালো থাকবে।