অত্যন্ত জরুরি নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করা

355

সব সময় দিনে দুবার দাঁত মাজার গুরুত্ব তুলে ধরা হলেও নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করাও অত্যন্ত জরুরি।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করা না হলে মুখে দুর্গন্ধ, মাঢ়ীর সমস্যাসহ নানারকম অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
মুখে দুর্গন্ধ: দীর্ঘদিন জিহ্বা অপরিষ্কার থাকার কারণে হতে পারে মুখে দুর্গন্ধের প্রধান কারণ। নিয়মিত পরিষ্কার করা না হলে ব্যাক্টেরিয়া বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং সেখান থেকেই দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।
মাড়ির সমস্যা: জিহ্বা সঠিকভাবে পরিষ্কার করা না হলে মাড়িতে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় দাঁত মাজার সময় মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হয়। এ জন্য আমরা মাড়ির নানান সমস্যাকে দায়ী করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা নয়। অনেক সময় জিহ্বায় জন্মানো ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে মাড়ি লালচে হয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে।
দাঁত পড়ে যাওয়া: জিহ্বা পরিষ্কার করা না হলে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মাড়ি দুর্বল হয়ে যায়। পরে অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এমন পরিস্থিতিতে পড়তে না চাইলে অবশ্যই নিয়ম করে জিহ্বা পরিষ্কার করা উচিত।
স্বাদগ্রন্থি দুর্বল হয়ে যাওয়া: জিহ্বার উপর পরত পড়ার কারণে খাবারের স্বাদ আস্বাদন ক্ষমতা দুর্বল হয়ে আসে। ব্যাক্টেরিয়ার বিস্তারের কারণে গ্রন্থিগুলো দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়া খাবারের অংশবিশেষ এবং মৃতকোষের কারণে এই সমস্যা গুরুতর হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে জিহ্বা পরিষ্কার করা আবশ্যক।
জিহ্বায় কালচে পরত: দীর্ঘদিন জিহ্বা পরিষ্কার করা না হলে এমন পরিস্থিতি হতে পারে। উপরে পরত জমতে থাকে, ফলে কালচে ছোপ পড়ে যা দেখতে মনে হতে পারে কালো লোমের মতো। আসলে খাবার ও পানীয় অংশ জিহ্বার উপর জমে পরত তৈরি করে এবং সেখানে ব্যাক্টেরিয়া বৃদ্ধি পায়। এসব মিলিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে এটি তেমন গুরুতর সমস্যা নয়। জিহ্বা পরিষ্কার করা হলেই এমন কালচে ছোপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
ইস্ট ইনফেকশন: অপরিচ্ছন্নতার কারণে মুখের ভেতরেও ‘ইস্ট ইনফেকশন’ হতে পারে। দীর্ঘদিনে মুখে ব্যাক্টেরিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেখান থেকে এক সময় ইস্ট জন্মায়। ফলে জিহ্বায় সাদা ছোপ পড়ে।